ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্কের অবনতি আশঙ্কাজনক

  যাকারিয়া ইবনে ইউসুফ ১১ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

আশঙ্কাজনক

প্রখ্যাত কবি কাজী কাদের নেওয়াজ তার শিক্ষকের মর্যাদা কবিতায় লিখেছেন, ‘বাদশাহ আলমগীর-/ কুমারে তাঁহার পড়াইত এক মৌলভী দিল্লীর। / একদা প্রভাতে গিয়া / দেখেন বাদশাহ- শাহজাদা এক পাত্র হস্তে নিয়া / ঢালিতেছে বারি গুরুর চরণে.....বাদশাহ্ কহেন, সেদিন প্রভাতে দেখিলাম আমি দাঁড়ায়ে তফাতে / নিজ হাতে যবে চরণ আপনি করেন প্রক্ষালন, / পুত্র আমার জল ঢালি শুধু ভিজাইছে ও চরণ।/ নিজ হাতখানি আপনার পায়ে বুলাইয়া সযতনে/ ধুয়ে দিল না’ক কেন সে চরণ, স্মরি ব্যথা পাই মনে।’ প্রকৃতপক্ষে এ জাতির ইতিহাসে এমনই শিক্ষাগুরুর মর্যাদা।

তবে ইদানীং শিক্ষার্থী আর শিক্ষকের মধ্যে এমন সম্পর্ক নাই। বর্তমানে শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ, রাজনীতির অনুপ্রবেশ, স্কুল কমিটির বাড়াবাড়ি, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর নৈতিক স্খলনসহ স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ইস্যুতে ছাত্র-শিক্ষকের সম্পর্কটা আর আগের মতো নেই। বিভিন্ন গবেষণাতেও এমন বিষয়গুলো উঠে এসেছে।

নীতিমালা মানছেন না শিক্ষকরা

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক শাস্তি বন্ধে সরকার নীতিমালা জারি করেছে। নীতিমালায় বলা হয়েছে, কোনো শিক্ষক ছাত্রছাত্রীদের দৈহিক আঘাত, অশালীন মন্তব্য, অশোভন অঙ্গভঙ্গি করতে পারবেন না। মানসিকভাবেও ছাত্রছাত্রীদের কোনো নির্যাতন করা যাবে না। এই নীতিমালা লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কিন্তু পত্রিকার পাতা উল্টালেই শিক্ষার্থীকে মারধরের লোমহর্ষক ঘটনা অহরহই দেখা যায়।

গত নভেম্বরে খুলনার একটি স্কুলে ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র সৌমেন সাহাকে বেত্রাঘাতে আহত করেন শ্রেণী শিক্ষক। সৌমেনের শরীরে অন্তত ৩০টি বেতের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। গত অক্টোবরের শুরুতে ঠাকুরগাঁওয়ে পাঁচজন শিক্ষার্থীকে ন্যাড়া করে দেন এক প্রধান শিক্ষক। চলতি বছর বন্ধুর জন্মদিন পালন করায় ধানমণ্ডি আইডিয়াল কলেজের হোস্টেলে ১৫ ছাত্রকে রড দিয়ে পেটানোর অভিযোগ উঠে মনিরুল ইসলাম সোহেল নামে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনায় ৩ জন রক্তাক্তসহ ১৫ জন আহত হন। এমন অসংখ্য ঘটনা প্রতিনিয়তই ঘটছে। যার বেশিরভাগই খবরের কাগজে আসে না। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক শাস্তি বন্ধে সরকারি নীতিমালা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

চলছে প্রাইভেট ও কোচিং বাণিজ্য

কোচিং বাণিজ্য বন্ধে শাস্তির বিধানসহ নীতিমালা প্রণয়নের পরও এসব বন্ধ করা যাচ্ছে না। শহরে-গ্রামে সব জায়গাতেই কিছু শিক্ষক রীতিমতো সাইনবোর্ড লাগিয়ে, অনেকে আবার সাইনবোর্ডের আড়ালে এই ব্যবসা অব্যাহত রেখেছেন। রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঘুরে এবং শিক্ষক-অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র পাওয়া গেছে। তবে কোচিং বাণিজ্য বন্ধ করতে দুদক মাঝে মাঝেই অভিযান চালালেও শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদফতর এ বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিভাবকদের অভিযোগ রয়েছে।

২০১২ সালের ২০ জুন কোচিং বাণিজ্য বন্ধের নীতিমালার প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে বলা হয়, সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা নিজ প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের কোচিং করাতে বা প্রাইভেট পড়াতে পারবেন না। তবে তারা নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের অনুমতি নেয়া সাপেক্ষে অন্য স্কুল, কলেজ ও সমমানের প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ ১০ জন শিক্ষার্থীকে নিজ বাসায় পড়াতে পারবেন। তবে কোনো কোচিং সেন্টারের নামে বাসা ভাড়া নিয়ে কোচিং বাণিজ্য পরিচালনা করা যাবে না।

তবে বাস্তব চিত্র ভিন্ন। গ্রামের স্কুল থেকে শুরু করে শহরের স্কুল সবখানেই চলে প্রাইভেট এবং কোচিং বাণিজ্য। শ্রেণী শিক্ষকরা ক্লাসে পাঠদানের চেয়ে প্রাইভেট পড়ানোতে বেশি মনোযোগী। প্রাইভেট না পড়লে পরীক্ষায় কম নম্বর প্রদানসহ চলে নানা নির্যাতন। আর প্রাইভেট পড়লে বাড়তি সুবিধা হিসেবে শর্ট সাজেশনের নামে করা হয় প্রশ্ন ফাঁস।

শাসনের সঙ্গে থাকতে হবে স্নেহ

শিক্ষকের আচার-আচরণ দ্বারা ছাত্রছাত্রীরা দারুণভাবে প্রভাবিত হয় বলে মন্তব্য করেছেন মনোবিজ্ঞানী ড. মোহিত কামাল। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীর স্বাভাবিক বিকাশের অনেকটাই নির্ভর করে শিক্ষকের ওপর। শিক্ষকরা যা শেখান তাই শেখে তার শিক্ষার্থী। এক্ষেত্রে তাদের হতে হবে অত্যন্ত দায়িত্বশীল। ক্লাসরুমে পড়ানোর সময় ছাত্রছাত্রীদের ভুলত্রুটি ধরার চেয়ে তাদের প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত করার দিকেই জোর দেয়া উচিত। মারপিট করে, ভয়ভীতি দেখিয়ে কোমলমতি ছাত্রছাত্রীদের মনজয় করা যায় না। আর শিক্ষার্থীরা শিক্ষককে ভালো না বাসলে, পছন্দ না করলে কখনও মনের জগতে প্রভাব বিস্তার করা যায় না।

বাংলাদেশের নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন বলেন, কীভাবে ছাত্রছাত্রীদের পড়াতে হয় বাংলাদেশের শিক্ষকরা তা-ও জানেন না। অরিত্রী অধিকারী নামে এক ছাত্রী আত্মহত্যা করেছে। কারণ, পরীক্ষা দিতে গিয়ে নিজের মোবাইল ফোন থেকে কিছু টুকেছিল বলে স্কুলের প্রিন্সিপাল তাকে পরীক্ষা দিতে দেননি, স্কুল থেকেও তাড়িয়ে দেবেন বলে দিয়েছিলেন। অরিত্রীর বাবা-মা স্কুলের প্রিন্সিপালকে অনেক অনুরোধ করেও সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করাতে পারেননি। ক্ষমা চেয়েও ক্ষমা পাননি। অরিত্রী ক্ষোভে-যন্ত্রণায় লজ্জায় অপমানে আত্মহত্যা করেছে। এ কোনো নতুন ঘটনা নয়। টিচারদের কারণে স্কুল থেকে ফিরে অনেক ছাত্রছাত্রীই আত্মহত্যা করে।

তিনি বলেন, আমাদের সময় টিচাররা শরীরে মারতেন। আজকাল টিচাররা মারেন মনে। তারা আসলে পড়াতে জানেন না বলেই মারেন। সভ্য পৃথিবীর কাছ থেকে আমরা কত কিছুই শিখছি। কী করে পড়াতে হয় এটা শিখছি না কেন? স্কুল-কলেজে টিচারের চাকরি করা, আর ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষিত করা দুটো আলাদা জিনিস। কাউকে শিক্ষিত করতে হলে নিজে শিক্ষিত হতে হয়। যেটি আমাদের স্কুল-কলেজের অধিকাংশ টিচারই নন।

শিক্ষকদের আদর্শ মনে করে না

শতকরা অর্ধেকের বেশি শিক্ষার্থী

ছাত্রছাত্রীদের বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান বিতরণের পাশাপাশি নৈতিকতা ও মূল্যবোধের শিক্ষা দেয়ার দায়িত্বও শিক্ষকের। শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা ও মূল্যবোধের বিকাশ অনেকাংশেই নির্ভর করে শিক্ষকের ওপর। কিন্তু দেশের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় এর প্রতিফলন নেই। প্রাথমিক থেকে শুরু করে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশ শিক্ষার্থীই এখন আর নৈতিকতার ক্ষেত্রে নিজের শিক্ষককে আদর্শ বা অনুকরণীয় মনে করে না। চলতি বছরের মে মাসে বেসরকারি সংস্থা গণসাক্ষরতা অভিযানে ‘বিদ্যালয়ের নৈতিকতা ও মূল্যবোধ : শিক্ষায় প্রাণের উজ্জীবন’ শীর্ষক এডুকেশন ওয়াচ-২০১৭ বার্ষিক প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। এতে বিভিন্ন পর্যায়ের ১ হাজার ৪০০ শিক্ষার্থী, ৫৭৬ শিক্ষক, ১ হাজার ২৮০ অভিভাবক ও স্কুল কমিটির সদস্যের মতামত নেয়া হয়।

‘ছাত্ররা শিক্ষকদের নৈতিকতা ও সততার উদাহরণ হিসেবে দেখতে চায়, কিন্তু বর্তমান সমাজে আশা করা যায় না’ শীর্ষক জরিপে অংশগ্রহণকারীদের কাছ থেকে এ বিষয়ে মতামত দিতে বলা হয়। জরিপের ফলাফলে দেখা যায়, প্রাথমিকের ৫০ শতাংশ, মাধ্যমিকের ৬৪ ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থী বিষয়টির সঙ্গে একমত পোষণ করে। অর্থাৎ অধিকাংশ শিক্ষার্থীই নৈতিকতার ক্ষেত্রে তাদের শিক্ষককে অনুকরণীয় বা আদর্শ বলে মনে করে না। এমনকি ৬৫ শতাংশ অভিভাবক ও প্রায় ৫০ শতাংশ শিক্ষকও বিষয়টির সঙ্গে সহমত পোষণ করেন।

‘সততাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা, বাস্তবে এ নীতিবাক্য মেনে চলা সম্ভব নয়’- এ বিষয়ে মতামত চাওয়া হলে ৬২ শতাংশ পিতা-মাতা, ৩৬ শতাংশ শিক্ষক, ৪৮ শতাংশ উচ্চস্তরের শিক্ষার্থী ও ৩৫ শতাংশ মাধ্যমিক শিক্ষার্থী বিষয়টির সঙ্গে একমত পোষণ করেন।

‘পরীক্ষায় বেশি নম্বর পাওয়ার জন্য কোনো কোনো ক্ষেত্রে অসদুপায় অবলম্বন করার প্রয়োজন হয়’- এ বিষয়টির সঙ্গে ৮ শতাংশ পিতা-মাতা, ৫ শতাংশ শিক্ষক, ১৬ শতাংশ উচ্চস্তরের শিক্ষার্থী, ১৯ শতাংশ মাধ্যমিক শিক্ষার্থী ও ১৫ শতাংশ প্রাথমিক শিক্ষার্থী একমত পোষণ করেন। অর্থাৎ অধিকাংশ জবাবদাতাই বিষয়টির সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন।

এ বিষয়ে গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী যুগান্তরকে বলেন, বেশ কিছুদিন ধরেই ধারণা করা হচ্ছে, নৈতিকতা ও মূল্যবোধের দিক থেকে শিক্ষকদের অবস্থান নিুগামী। এখন সেটি গবেষণার মাধ্যমে প্রমাণিত। এখন খুঁজে দেখতে হবে, শিক্ষার্থীরা কেন নৈতিকতার ক্ষেত্রে তাদের শিক্ষককে অনুকরণীয় হিসেবে গ্রহণ করে না। এ সমস্যার করণীয় নির্ধারণ করতে হবে। আমি মনে করি, শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা শেখাতে হলে আগে সেটি নিজের জীবনে ধারণ করতে হবে। শিক্ষক যদি একজন আদর্শ মানুষ হন, শিক্ষার্থীরা তাকে এমনিতেই অনুসরণ করবে।

শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিস্তর

যৌন হয়রানির অভিযোগ

দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে শিক্ষকতা কোনো পেশা নয় বরং এটি ব্রত হিসেবেই সমাদৃত। কিন্তু গুটিকয়েক শিক্ষকের কারণে সম্মানীত শিক্ষক সমাজকে কলুষিত হতে হচ্ছে। শিক্ষকদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে জঘন্য অভিযোগটি হচ্ছে যৌন হয়রানির অভিযোগ। প্রতি মাসেই শিক্ষকের দ্বারা যৌন হয়রানির অন্তত পাঁচটি ঘটনা গণমাধ্যমে উঠে আসছে। যৌন হয়রানির প্রতিবাদে সারা বিশ্বে ঝড় তোলা ‘মি-টু’ আন্দোলনে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যলয়ের শিক্ষক নাট্যাচার্য প্রয়াত সেলিম আল দীনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন তার ছাত্রী মুশফিকা লাইজু। চলতি ডিসেম্বরেই বরিশালের উজিরপুর উপজেলার বড়াকোঠা ইউনিয়নের ১৪০নং গড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ওই বিদ্যালয়ের একাধিক শিশু ছাত্রীকে যৌন হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে। নভেম্বরে রাজধানীর শেখ রোরহানউদ্দিন কলেজের শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানটির চতুর্থ শ্রেণীর এক নারী কর্মচারীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। গত মাসে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার গুল্টা আদিবাসী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রী যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। সেপ্টেম্বরে চট্টগ্রাম নগরীর রেলওয়ে সল্টগোলা উচ্চ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের ইভটিজিং ও যৌন হয়রানিসহ নানা অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করেছে অভিভাবকরা। এপ্রিলে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিজ বিভাগের দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এমন অসংখ্য ঘটনা দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিনিয়ত ঘটছে। তবে অনেক সময় শিক্ষকরা স্কুল কমিটি বা কারও ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকারও হন।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×