কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

  যুগান্তর ডেস্ক    ৩০ এপ্রিল ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাবি

অচিরেই সব সমস্যার সমাধান করা হবে : ঢাবি ভিসি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, আমাদের অধীনে সাত কলেজ আসার পর ইউনিটভিত্তিক পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি হওয়া সব ধরনের কার্যক্রম সুন্দরভাবে চলছে। কোনো সেশনজট সেখানে নেই। তবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালীন যেসব সেশনজট আমাদের দেয়া হয়েছে, লোকবল কম থাকার কারণে তা পরিচালনা করার ক্ষেত্রে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। সাত কলেজের অধ্যক্ষরা কিছু সুপারিশ দিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে আমরা তা গ্রহণ করেছি। অল্প সময়ের মধ্যে ওদের পরীক্ষাগুলো নিয়ে অচিরেই সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হবে। এমনিতেই তাদের অনেক সময় কালক্ষেপণ হয়েছে। কোনো শিক্ষার্থীর যাতে হয়রানি না হয় সেজন্য অধ্যক্ষদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। যে কোনো সমস্যায় দরখাস্ত জমা দিলে সেটা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠাবে, আমরা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করব। সেবা না পাওয়ার একটা বড় অভিযোগ ছিল শিক্ষার্থীদের। সেটি লাঘব করতে হবে। তিনি বলেন, অধিভুক্ত সরকারি ৭ কলেজের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে সব বিষয়ের ফলাফল প্রকাশ করার ব্যাপারে ইতিমধ্যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। যেসব বিষয়ে অধিকহারে অকৃতকার্য হয়েছে, তদবিষয়ে আবেদনক্রমে পুনর্মূল্যায়নের ব্যবস্থা নেয়া হবে। সাত কলেজের একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ইতিমধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনিক ভবনে স্বতন্ত্র সেল গঠন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে সাত কলেজের জন্য স্বতন্ত্র নতুন ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মান আগের চেয়ে ভালো

ঢাকা কলেজের সদ্য বিদায়ী অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোয়জ্জেম হোসেন মোল্লা বলেন, সাময়িক কিছু সমস্যা থাকলেও একটা সময়ে এসে সেশনজট থাকবে না। এই সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মান আগের চেয়ে অনেকটা ভালো। যেটা আমাদের ছাত্রদের জন্য অনেকটা প্লাস পয়েন্ট। তবে রেজাল্টের যে সমস্যা দেখা দিয়েছে তার জন্য শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাস করতে হবে। ক্লাসে শিক্ষার্থীদের প্রত্যেক সাবজেক্ট লেকচার সিট দেয়ার বিষয়টি চালু করতে হবে। ঢাকা কলেজে আমরা শিক্ষার্থীদের লেকচার সিট দেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনেক আন্তরিকতা আছে, সাত কলেজ নিয়ে ভেতরে ভেতরে অনেক উন্নয়ন হচ্ছে। ঢাবির সহায়তায় আমরা একাডেমিক অনেক উন্নয়ন করছি। সাত কলেজের প্রশাসনিক ভবন হলে অনেক সমস্যা কেটে যাবে। শিক্ষার্থীদের উচিত হবে কোনো কিছু না জেনে, না বুঝে হঠাৎ করে রাস্তায় আন্দোলন না করা।

সমস্যা সমাধানে সময় লাগবে

সরকারি তিতুমির কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আশরাফ হোসেন বলেন, সাত কলেজ একটা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আরেকটা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছে যার ফলে সাময়িক কিছু সমস্যা হবে- এটাই স্বাভাবিক। দেখা যাচ্ছে একটা ছেলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনের পরীক্ষা দিয়েছে, সে ভাইবা দিচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সুতরাং তার রেজাল্ট ট্রান্সফার করা কিছু জটিলতা থেকে যায়। দুই জায়গায় রেজাল্ট থাকায় কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। ঢাবির এতগুলো শিক্ষার্থী থাকা সত্ত্বেও বাড়তি সাত কলেজের এতগুলো শিক্ষার্থী যোগ হওয়ায় একটা বাড়তি চাপ পড়েছে। স্বাভাবিকভাবে একটু সময় লাগবে। এটা সাময়িক সমস্যা যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাত কলেজ নিয়ে আলাদা প্রশাসনিক ভবন করবে ও নতুন জনবল নিয়োগ দিবে তখন এ সমস্যাগুলো থাকবে না, একটা কাঠামোতে চলে আসবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রথমে বলছে, সার্টিফিকেট তাদের স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী দেবে, সেভাবে যাচাই-বাছাই করেই পরীক্ষা খাতা দেখবে। আগের মতো ঢালাওভাবে পরীক্ষায় পাস করে না। এখন যারা ঢাবির অধীনে ভর্তি হচ্ছে তাদের কোয়ালিটি অনেক ভালো। এই সাত কলেজ এক সময় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কাছাকাছি চলে যাবে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×