ঈদ যাত্রার টিকিট পেতে নানা ভোগান্তি

  যাকারিয়া ইবনে ইউসুফ ২৮ মে ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ভোগান্তি

স্বজনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ উদযাপন করতে শেকড়ের টানে কদিন পরই রাজধানী ছাড়তে শুরু করবেন সাধারণ মানুষ। জনস্রোত শুরু হবে বাস টার্মিনাল, লঞ্চঘাট আর রেলস্টেশনের দিকে।

গত সপ্তাহ আর চলতি সপ্তাহজুড়ে মানুষের ব্যস্ততা আর টেনশন ছিল মূলত বাড়ি ফেরার অগ্রীম টিকিট সংগ্রহ করতেই। স্বভাবতই সড়ক, রেল ও নৌপথে ঠাঁই নেই ঠাঁই নেই অবস্থা।

প্রতিবারের মতো এবারও পরিবহন সংকট, টিকিটের উচ্চমূল্য, ফিটনেসবিহীন যান চলাচল, যানজট, এসি টিকিট না পাওয়া, অতিরিক্ত যাত্রী বহন, ট্রেনের টিকিট প্রাপ্তি নিয়ে ভোগান্তিসহ হাজারও কষ্ট ভোগ করছেন ঘরমুখো মানুষ।

প্রস্তুত হচ্ছে লক্কড়ঝক্কড় বাস

ঈদকে সামনে রেখে নতুন রং লাগিয়ে সড়কে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে লক্কড়ঝক্কড় শত শত বাস। রাজধানীর বিভিন্ন ওয়ার্কশপে ঝুঁকিপূর্ণ এসব বাসের মেরামত কাজ চলছে। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী-ডেমরা, গাবতলী এলাকা ছাড়াও মাতুয়াইল, কাজলা, জুরাইন, বাবুবাজার, কেরানীগঞ্জ এলাকার ওয়ার্কশপে পুরনো বাস মেরামতের কাজ চলছে।

বাস মালিকরা বলছেন, ঈদ উপলক্ষে রাজধানীর গাবতলী, মহাখালী ও সায়েদাবাদ থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রায় ১৫ হাজারেরও বেশি বাস যায়। চাহিদার তুলনায় তা অপ্রতুল। ফলে তারা নতুন যানবাহন নামাচ্ছেন।

জানা গেছে, ঈদের আগের দু-তিন দিন এবং ঈদের দিন এসব লোকাল বাস দূরপাল্লার রুটে নামানো হয়। ঈদের আগের দিন বেশ কিছু বাস রিজার্ভ বাস হিসেবে ব্যবহার করা হয়। অনুসন্ধানে জানা গেছে, ঢাকা-আরিচা, ঢাকা-চাঁদপুর, ঢাকা-ময়মনসিংহ, ঢাকা-ফরিদপুর, ঢাকা-মানিকগঞ্জ ও ঢাকা-নরসিংদীর মতো কাছাকাছি রুটে চালানোর জন্য রাজধানীর ভেতর চলাচলকারী ভাঙাচুরা বাসগুলো নামানো হবে। পরিবহন সংশ্লিষ্টদের মতে, এসব গাড়ি শুধু দুর্ঘটনারই কারণ নয়, ঈদের ব্যস্ত মহাসড়কে বিকল হয়ে দুঃসহ দুর্ভোগের সৃষ্টি করে। এদিকে হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি আতিকুল ইসলাম (পিপিএম) বলছেন, ফিটনেসবিহীন গাড়ি সড়কে নামলে ডিজিটাল পদ্ধতিতে শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এবার যানজট কম হবে

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে প্রতিদিন উত্তরবঙ্গসহ ২৬ জেলায় হাজারও যানবাহন চলাচল করে। রাজধানী ঢাকার সঙ্গে সড়কপথে উত্তরবঙ্গের একমাত্র যোগাযোগ মাধ্যম এই সড়কটি। প্রতিবছর ঈদের সময় যানবাহনের চাপে এই মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে গাজীপুরের উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার হিসেবে খ্যাত চন্দ্রা ত্রিমোড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জ্যাম হয়। কোনো ঈদে বাড়িমুখী মানুষ চন্দ্রা ত্রিমোড়ে যানজটে আটকা পড়ে নাজেহাল হননি, এমন ঘটনা প্রায় বিরল। তবে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা মোড় আগের চেয়ে অনেক প্রশস্ত করা হয়েছে। এছাড়া শনিবার চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকার উড়াল সড়কটি খুলে দেয়া হয়েছে। ফলে সুফল পেতে শুরু করেছে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ও কালিয়াকৈর-নবীনগর সড়কের চলাচলকারীরা। এছাড়াও জয়দেবপুর-চন্দ্রা-টাঙ্গাইল-এলেঙ্গা মহাসড়কের গাজীপুর অংশে নির্মিত কোনাবাড়ী ও চন্দ্রা উড়াল সড়ক, দুটি সেতু ও একটি আন্ডারপাস উদ্বোধন করা হয়েছে। ফলে গাজীপুরের জ্যাম কিছুটা কম হবে।

এদিকে গাজীপুরের চন্দ্রা থেকে কালিহাতীর এলেঙ্গা পর্যন্ত চলছে চার লেনের কাজ। এজন্য সড়কের বেশ কিছু এলাকায় এক পাশ দিয়ে যান চলাচল করতে হচ্ছে। ফলে প্রায় ৭০ কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘ যানজটের কবলে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন চালক ও যাত্রী সাধারণ। প্রতিদিন এ মহাসড়কে গড়ে প্রায় ১০-১২ হাজার যানবাহন চলাচল করে। আর ঈদের সময় ঘরমুখো যাত্রীদের চাপে যানবাহনের সেই সংখ্যা ৫-৬ গুণ বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও ধেরুয়া রেলক্রসিংয়ে ঢাকা-উত্তরবঙ্গের ১২টি ট্রেন দিনে ২৪ বার ক্রসিং করে। এতে দিনে গড়ে প্রায় দেড় ঘণ্টার বেশি সময় মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে। এছাড়া বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায়ের ধীরগতির কারণেও যানজটের সৃষ্টি হয়ে থাকে। তারপরও সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এবার যানজট অন্যবারের তুলনায় অনেক কম হবে।

ভোগান্তির শেষ নেই

যাত্রীসেবা বাড়াতে এবার ঈদে রেলের আগাম টিকিট কমলাপুর রেলস্টেশনসহ আরও চারটি পয়েন্টে এবং ৫০ শতাংশ টিকিট অ্যাপ ও অনলাইনে বিক্রির উদ্যোগ নেয়ার পরও ভোগান্তির শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন টিকিটপ্রত্যাশীরা। গত শনি ও রোববার অগ্রীম টিকিট বিক্রির শেষ দুইদিনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্টেশনে দাঁড়িয়ে থেকে অনেকেই নিরাশ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। টিকিট পেতে অনলাইনের পাশাপাশি স্টেশনে গিয়ে নানা বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়েছে যাত্রীদের। এবার যাত্রীসেবা বাড়ানো ও ভোগান্তি কমাতে বাংলাদেশ রেলওয়ে ট্রেনের মোট টিকিটের ৫০ শতাংশ ই-টিকিটিংয়ের জন্য রেখেছিল। কিন্তু শুরু থেকেই অনলাইনের মাধ্যমে টিকিট পাওয়া ছিল দুঃসাধ্য। মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে কিছু মানুষ টিকিট পেলেও বেশিরভাগ মানুষ টিকিট পাননি। অগ্রিম টিকিট বিক্রির প্রতিদিনই রেলস্টেশনে ছিল টিকিট প্রত্যাশীদের উপচেপড়া ভিড়।

গত শনিবার ঈদের আগাম টিকিট বিক্রির চতুর্থ দিনে অনলাইনে ও মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে টিকিট কিনতে না পারার অভিযোগ করছেন অনেকে। ফলে বাধ্য হয়ে তাদের ছুটতে হয়েছে কমলাপুর স্টেশনসহ বিভিন্ন গন্তব্যের জন্য নির্দিষ্ট কাউন্টারে। এতে দ্বিগুণ ভোগান্তির শিকার হয়েছেন টিকিটপ্রত্যাশীরা। কমলাপুর স্টেশনে লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কাটতে আসা যাত্রীরা জানিয়েছেন, ট্রেনের টিকিট মোবাইল অ্যাপে কিনতে ব্যর্থ হয়ে কমলাপুর এসেছেন। অনেক চেষ্টা করেও মোবাইল অ্যাপে ঢুকতে পারেননি কেউ।

রোববার কমলাপুর রেলস্টেশনে যাত্রীরা অভিযোগ করেন, মনিটরে দেখাচ্ছে কয়েক হাজার টিকিট বিক্রি হয়েছে। কিন্তু এই টিকিট পেল কারা? আমরা এখানে আসার পরও সকাল থেকে অসংখ্যবার অ্যাপে টিকিট কেনার চেষ্টা করেও পাইনি। এখানে যারা আছেন সবাই প্রথমে অ্যাপসে টিকিট কেনার চেষ্টা করেছেন, কিন্তু কেউ পায়নি। অ্যাপে যদি এত টিকিট বিক্রি হয়ে থাকে তাহলে কারা পেল? তবে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) বগির টিকিট না মেলায় হতাশার কথা জানিয়েছেন অনেকেই। টিকিটপ্রত্যাশীদের প্রশ্ন, এত দ্রুত টিকিট কীভাবে শেষ হয়?

রেলওয়ের অনলাইন টিকিট সেবা দিচ্ছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সিএনএস বিডি। ঢাকার স্টেশন থেকে অনলাইনে বরাদ্দ আছে ১০ হাজার ৫৬১টি টিকিট। রেলের অনলাইন টিকিট ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেমস লিমিটেড বাংলাদেশ (সিএনএসবিডি) সূত্রে জানা গেছে, এবার ৫০ ভাগ টিকিট অনলাইনে তিন পদ্ধতিতে দেয়া হচ্ছে। প্রথমত মোবাইল এসএমএসে, দ্বিতীয়ত ওয়েবসাইট থেকে এবং তৃতীয়ত রেলের টিকিট কাটার সবশেষ ফিচার অ্যাপসের মাধ্যমে।

রেলভবন সূত্রে জানা গেছে, অনলাইনে ঈদের সময় একসঙ্গে প্রায় দেড় লাখ হিট পড়ে। তবে, সিএনএসবিডির যে সক্ষমতা তাতে মাত্র ২০ হাজার লোড নিতে পারে। যে কারণে সাধারণ মানুষ অ্যাপসের মাধ্যমে টিকিট পেতে ভোগান্তি হচ্ছে।

গত ২২ মে আগাম টিকিট বিক্রি শুরুর দিন কমলাপুর স্টেশন পরিদর্শনে আসেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। ই-টিকিটিংয়ে অব্যবস্থাপনায় ব্যর্থতা স্বীকার করে রেলমন্ত্রী বলেন, ঈদযাত্রায় অ্যাপসের মাধ্যমে রেলের টিকিট বিক্রিতে কাক্সিক্ষত সাফল্য না পাওয়া ও যাবতীয় ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও সেবা দিতে না পারা দুঃখজনক। তারা (সিএনএসবিডি) বলছে একসঙ্গে প্রায় চার লাখ লোক অনলাইনে টিকিট কিনতে চায়। এ কারণে সবাইকে টিকিট দেয়া সম্ভব হয়নি। ঈদের পর আমরা বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা করে দেখব। তাদের যুক্তি সঠিক প্রমাণ না হলে আমরা অন্য চিন্তা করব।

অ্যাপসের সার্ভার জ্যাম

রোববার বিকালে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে পঞ্চগড়ের টিকিট কিনতে আসা সম্রাট বলেন, অ্যাপে কয়েকদিন ধরে চেষ্টা করেছি। রোববার সকালেও দেখছি খালি ঘুরে, সার্ভার জ্যাম। তাই কমলাপুর চলে এসেছি। লাইনে দাঁড়ানো অনেকের অভিযোগ তারা প্রথমে অনলাইনে টিকিট কাটার চেষ্টা করেছেন। পরে ব্যর্থ হয়ে লাইনে দাঁড়িয়েছেন। তবে অনলাইনে টিকিট না পেলেও কাউন্টার থেকে টিকিট পাওয়া গেছে। শনিবার কমলাপুর স্টেশনের কাউন্টারে টিকিট বিক্রির নির্ধারিত সময় ৪টার পরও টিকিট নিতে দেখা গেছে। একই চিত্র রোববার টিকিট বিক্রির শেষ দিনেও দেখা গেছে। রেল কর্মকর্তারা বলেন, অন্য বছরগুলোর মতো এবার টিকিটের জন্য কারও ডিও নেয়া হচ্ছে না। ফলে কোনো টিকিট বণ্টন করে রাখার প্রয়োজন পড়ছে না। এ কারণে কিছুটা ভোগান্তি হলেও কাউন্টার থেকে টিকিট পাচ্ছেন টিকিটপ্রত্যাশীরা।

কমলাপুর রেলস্টেশনের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আমিনুল হক বলেন, যে টিকিটগুলো অবিক্রীত রয়ে গেছে সেগুলো কাউন্টারে দিয়ে দেয়া হবে। ঘরমুখো মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে রাজধানীতে ফিরতে পারে সেজন্য আমাদের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। ঈদযাত্রায় প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট বিক্রি করা হবে বলেও জানান তিনি।

প্রসঙ্গত ঈদযাত্রায় ট্রেনের ফিরতি টিকিট বিক্রি শুরু হবে ২৯ মে। যেসব ট্রেন ঢাকা থেকে বিভিন্ন রুটে ছেড়ে যাবে সেসব ট্রেনের ফিরতি টিকিট দেয়া হবে। প্রথম দিন পাওয়া যাবে ৭ জুনের টিকিট। পরে ৩০ মে ৮ জুন, ৩১ মে ৯ জুন, ১ জুন ১০ জুন এবং ২ জুন বিক্রি হবে ১১ জুনের টিকিট।

যানজট হবে ঢাকায়

এবার ঈদে ছুটির আমেজ থাকবে কমপক্ষে ৯ দিনের। ফলে অনেকেই নাড়ির টানে গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এবার ঈদযাত্রায় মহাসড়কে তুলনামূলক জ্যাম কম থাকলেও রেলপথ, নৌপথ ও সড়কপথে ঈদযাত্রার জন্য ঢাকার টার্মিনাল ও স্টেশনে যেতেই নাভিশ্বাস উঠবে ঘরমুখো মানুষের।

৫ জুন ঈদুল ফিতর হতে পারে ধরে নিয়ে আগাম টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে বাস, ট্রেন ও লঞ্চের। তবে ঢাকা থেকে বেরিয়ে মহাসড়কে উঠতে এখনই প্রচণ্ড যানজটে পড়তে হতে হচ্ছে ঘরমুখোদের। এদিকে ধাপে ধাপে পোশাক কারখানা ছুটি দেয়ার প্রস্তুতি চলছে। গত কয়েকদিন বিকালে রাজধানীতে ছিল ভয়াবহ যানজট।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ বলছে, ঈদ সামনে রেখে কেনাকাটা, বাড়ি ফেরার তাড়া সব মিলিয়ে বাড়তি গাড়ির চাপ সামাল দিতে হচ্ছে। এছাড়াও মেট্রোরেলসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য রাস্তার বেশকিছু অংশ বন্ধ থাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। ফলে কমলাপুর বা গাবতলী যেতেই ঘরমুখো মানুষকে যানজটে পড়তে হবে।

গাবতলী বাস টার্মিনাল থেকে আমিনবাজার, মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে আব্দুল্লাহপুর, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে যাত্রাবাড়ী হয়ে কাঁচপুর, ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল থেকে যাত্রাবাড়ী অংশ দিয়ে ঈদযাত্রীদের বাড়ি যেতে হবে।

ঢাকা অবকাঠামো পরিকল্পনার খসড়া প্রতিবেদনের তথ্যানুসারে, স্বাভাবিক সময়ে ঢাকায় গড়ে দিনে পাঁচ লাখ যাত্রী আসে ও চলে যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঈদ যাত্রার জন্য এবার ৩০ মে থেকে ৪ জুন পর্র্যন্ত ছয় দিনে কমপক্ষে ৫০ লাখ যাত্রী ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় যাবেন। দিনে কমপক্ষে ১০ লাখ মানুষ বাড়ির উদ্দেশে নামবে। চারটি বাস টার্মিনাল, দুটি রেলস্টেশন ও সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল দিয়ে যাত্রীদের নির্দিষ্ট পরিবহনে যেতে হবে বাড়ি।

ঢাকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সদরঘাটে যাত্রী পরিবহনের সরাসরি বাস খুব কম থাকায় ঘাটে যেতে দুর্ভোগে পড়তে হয়। এদিকে মূলত ৩১ মে থেকে ট্রেনে শুরু হবে ঈদযাত্রীদের মূলস্রোত। এদিকে ঢাকার অধিকাংশ রুটের সঙ্গে কমলাপুর রেলস্টেশনের সরাসরি বাস যোগাযোগ নেই। কমলাপুরে যুক্ত হওয়া সব সড়কে বিগত কয়েকদিনে প্রচণ্ড যানজট দেখা গেছে। পাশাপাশি ঈদের সময় ঢাকার প্রবেশপথগুলোতে বাড়তি যানবাহন চলাচলের কারণে যানজটের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×