শিশুজন্মে অস্ত্রোপচারের হার বাড়ছে

অন্তঃসত্ত্বা নারীর সন্তান প্রসবকালে জটিল পরিস্থিতি না হলেও অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসবের হার দিন দিন বাড়ছে। বাংলাদেশে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসবের ৮০ শতাংশই হয় বেসরকারি ক্লিনিকগুলোতে। চিকিৎসাখাতে দুর্বল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং একশ্রেণীর নীতিহীন চিকিৎসক, বেসরকারি ক্লিনিকের মালিকের অর্থ লিপ্সার কারণে অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারের হার বেড়েই চলেছে। লিখেছেন-

  রীতা ভৌমিক ০২ জুলাই ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

অস্ত্রোপচার

নিরাপদ সন্তান প্রসব নারীর অধিকার। গুটিকয়েক বেসরকারি ক্লিনিক ব্যবসায়ীর অসৎ উদ্দেশ্যের কারণে গর্ভবতীর নিরাপদ, সুস্থ, সবল সন্তান প্রসবের ব্যবস্থাটি আর নিরাপদ থাকে না।

ব্যবসায়িক মনোভাবের কারণে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে গর্ভকালীন সমস্যার কথা বলে বারবার আলট্রাসনোগ্রাম করান, প্রসবকালীন জটিলতা দেখা না দেয়ার পরেও স্বাভাবিক সন্তান প্রসব না করে অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব করানোর বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি করে। এর ফলে অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসবের হার ভয়াবহ মাত্রায় বাড়ছে।

অথচ চিকিৎসাশাস্ত্রে প্রসূতি এবং নবজাতকের সুস্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে নিরাপদ সন্তান প্রসবের জন্য সিজারিয়ান সেকশন অথবা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসবের উল্লেখ রয়েছে। এখানে অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসবের কথা উল্লেখ নেই। অনেকের প্রসবকালীন জটিলতার কারণে চিকিৎসাশাস্ত্রে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসবকে একটি জীবন রক্ষাকারী পদ্ধতি হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

চিকিৎসাবিজ্ঞানে এও উল্লেখ করা রয়েছে, অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব কোথায়-কখন প্রয়োগ করতে হবে। যেখানে প্রয়োজন সেখানে সময়মতো অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব করতেই হবে। নইলে মা ও নবজাতকের একজন বা উভয়েরই জীবন সংশয় হতে পারে। মারাত্মক শারীরিক জটিলতাও দেখা দিতে পারে। অথচ সেখানে দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় গড়ে ওঠা বেসরকারি ক্লিনিকগুলোর চিকিৎসকরা বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিয়ে স্বাভাবিক সন্তান প্রসবের স্থলে অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব করছে। এর ফলে মাতৃঝুঁকি বাড়ছে।

এ প্রসঙ্গে সেভ দ্য চিলড্রেনের ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর এবং নবজাতক ও মাতৃস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. ইশতিয়াক মান্নান বলেন, দেশে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসবের এ পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সচ্ছল মায়েরা ব্যথার ভয়ে বা চিকিৎসকের দ্বারা ভুলভাবে প্রভাবিত হয়ে অস্ত্রোপচারের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন। অথচ দরিদ্র যেসব গর্ভবতীর প্রকৃতভাবে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব প্রয়োজন, তাদের সে সুযোগ নেই।

চিকিৎসাখাতের দুর্বল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ও কিছু নীতিবহির্ভূত চিকিৎসক এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী। অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব প্রসূতি মাকে ঝুঁকির মুখে ফেলে। এতে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, অঙ্গহানিসহ প্রসূতি মা বিভিন্ন ধরনের ঝুঁকিতে থাকে। অন্যদিকে স্বাভাবিক প্রসবের মাধ্যমে জন্ম নেয়া শিশুর শরীরে ভালো ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করে। যা শিশুর রোগ প্রতিরোধক শক্তি বৃদ্ধি করে।

বরিশালে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসবের হার বেশি

বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল বরিশাল বিভাগের বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনা ও ঝালকাঠি জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে সিজারিয়ান সেকশনের মাধ্যমে অর্থাৎ অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসবের হার বেশি।

বেসরকারি সংস্থা নারীপক্ষের ২০১৭ সালে ‘অধিকার এখানে, এখনই প্রকল্প’-এর মাধ্যমে বরিশাল বিভাগের ৪ জেলার সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে সিজারিয়ান সেকশনের মাধ্যমে সন্তান প্রসব শীর্ষক প্রতিবেদন জানা যায়-

* বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭ হাজার ৫৮টি সন্তান প্রসব হয়। এর মধ্যে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে প্রসব হয় ৫ হাজার ৫৬ এবং স্বাভাবিক প্রসব হয় ২০০২টি।

* মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র, ঝালকাঠিতে ২৪৯টি সন্তান প্রসব হয়। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব হয় ৭৪ এবং স্বাভাবিক প্রসব হয় ১৭৫টি।

* মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র, বরিশালে ৩৫৬টি সন্তান প্রসব হয়। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব হয় ৪৫ এবং স্বাভাবিক প্রসব হয় ৩১১টি।

* মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র, বরগুনায় ২৩২টি সন্তান প্রসব হয়। সবগুলোই স্বাভাবিক প্রসব হয়।

* মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র, পটুয়াখালীতে ৪৮৬টি সন্তান প্রসব হয়। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব হয় ১৯৪টি এবং স্বাভাবিক প্রসব হয় ২৯২টি।

* জেনারেল হাসপাতাল, বরিশালে প্রসব হয় ৪৬১টি, অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ১৯৮ এবং স্বাভাবিক প্রসব হয় ২৬৩টি।

* বরগুনা সদর হাসপাতালে ৬৬৪টি সন্তান প্রসব হয়। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব হয় ১৪৭ এবং স্বাভাবিক প্রসব হয় ৫১৭টি।

* পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে ১,৮৭৯টি সন্তান প্রসব হয়। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব হয় ৮৮৩ এবং স্বাভাবিক প্রসব হয় ৯৯৬টি।

* ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে ৫০১টি সন্তান প্রসব হয়। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব হয় ৭৬ এবং স্বাভাবিক প্রসব হয় ৪২৫টি।

* অ্যাডভোকেট হেমায়েত উদ্দিন আহম্মদ ডায়া. ও জেনা. ৩৮৯টি সন্তান প্রসব হয়। সবগুলোই অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব হয়।

* রাহায়াত আনোয়ার হাসপাতাল, বরিশালে ৭৬টি সন্তান প্রসব হয়। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব হয় ৭১ এবং স্বাভাবিক প্রসব হয় ০৫টি।

* সাউথ বেঙ্গল ক্লিনিক ও হাসপাতাল, বরিশালে ১০২টি সন্তান প্রসব হয়। সবগুলোই অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব হয়।

* আমতলী মাতৃসদন সার্জিক্যাল ক্লিনিক, আমতলীতে ৭১টি সন্তান প্রসব হয়। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব হয় ৬২ এবং স্বাভাবিক প্রসব হয় ৯টি।

* দি মেডিনোভা ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, আমতলীতে ১২৪টি সন্তান প্রসব হয়। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব হয় ১১৮টি এবং স্বাভাবিক প্রসব হয় ৬টি।

* সেবা ক্লিনিক, বাউফলে ৩৩৭টি সন্তান প্রসব হয়। সবগুলোই অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব হয়।

* সৌদি প্রবাসী হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, বামনায় ৯৫টি সন্তান প্রসব হয়। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব হয় ৭৯ এবং স্বাভাবিক প্রসব হয় ১৬টি।

* শাপলা ক্লিনিক, পাথরঘাটা, বরগুনায় ১৫০টি সন্তান প্রসব হয়। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব হয় ১৪০টি এবং স্বাভাবিক প্রসব হয় ১০টি।

* আরএন হাসপাতাল, বরগুনায় ৭৪টি সন্তান প্রসব হয়। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব হয় ৭৩টি এবং স্বাভাবিক প্রসব হয় ১টি।

* মৌমিতা ক্লিনিক অ্যান্ড নার্সিং হোম, ঝালকাঠিতে ৪১৯টি সন্তান প্রসব হয়। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব হয় ৪০২ এবং স্বাভাবিক প্রসব হয় ১৭টি।

* আল সেফা পলি ক্লিনিক, ঝালকাঠিতে ৩২৮টি সন্তান প্রসব হয়। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব হয় ৩১৫ এবং স্বাভাবিক প্রসব হয় ১৩টি।

* সৌদি প্রবাসী ক্লিনিক, পাথরঘাটায় ১৭৪টি সন্তান প্রসব হয়। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব হয় ১৬০টি এবং স্বাভাবিক প্রসব হয় ১৪টি।

* এ্যাপোলো ক্লিনিক, রাজাপুরের ২৮৭টি সন্তান প্রসব হয়। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব হয় ২৫১টি এবং স্বাভাবিক প্রসব হয় ৩৬টি।

* নিউ হেলথ কেয়ার ক্লিনিক, কলাপাড়ায় ৩১টি সন্তান প্রসব হয়। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব হয় ২৯টি এবং স্বাভাবিক প্রসব হয় ২টি।

* মেডিল্যাব ক্লিনিক, কলাপাড়ায় ১৯৮টি সন্তান প্রসব হয়। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব হয় ১৯০টি এবং স্বাভাবিক প্রসব হয় ৮টি।

অনাবশ্যক অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসবের হার দ্রুত কমিয়ে আনার জন্য একটি নীতিমালা জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজন। এছাড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদফতর গুরুত্ব সহকারে বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিকে অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব বিষয়টি কমানোর উদ্যোগ নিতে পারে। এক্ষেত্রে দরকার নিয়মিত এই হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলো পর্যবেক্ষণ করা।

এক নজরে

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, একটি দেশের সিজারিয়ান সেকশনের হার ১০ থেকে ১৫ শতাংশের আশপাশে থাকা দরকার। অর্থাৎ অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে যে কোনো সমাজে ১৫ শতাংশের কাছাকাছি সন্তান প্রসব করা হবে।

আন্তর্জাতিক সংস্থা সেভ দ্য চিলড্রেনের ২০১৬ সালের একটি গবেষণায় জানা যায়, বাংলাদেশে সংঘটিত সিজারিয়ান সেকশনের মধ্যে শতকরা ৭০ ভাগ অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব অনাবশ্যক ছিল। বাংলাদেশ ডেমোগ্রাফিক অ্যান্ড হেলথ সার্ভের ২০১৪ সালের এক পরিসংখ্যানে জানা যায়, দেশের হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে ১০ জন শিশুর মধ্যে ৬ জন শিশুর জন্ম হয় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে। বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে এর হার শতকরা ৮০ শতাংশ। এখানে এও বলা হয়েছে, শিক্ষিত এবং সচ্ছল পরিবারে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান জন্মদানের প্রবণতা বেশি। এর হার শতকরা ৫০ শতাংশ। অন্যদিকে দরিদ্র পরিবারে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান জন্মদানের হার শতকরা ৭ শতাংশ। ২০১৭ সালে দেশে যে পরিমাণ অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব হয়েছে তার ৭৭ শতাংশ বা ৮৬ হাজারই ছিল অপ্রয়োজনীয়। অন্যদিকে দরিদ্র পরিবারের ২ লাখ ৯২ হাজার ৪৬০ জন গর্ভবতীর অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসবের প্রয়োজন হলেও অর্থের অভাবে তারা তা করতে পারেননি।

স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে প্রকাশিত স্বাস্থ্য বুলেটিন-২০১৫ এর তথ্যে জানা যায়, দেশের উপজেলাগুলোতে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসবের সংখ্যা প্রায় আটগুণ বেড়েছে। ২০১৪, ২০১৫ ও ২০১৬ সালে সরকারি স্বাস্থ্য সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে (পিজিআইএইচ, এমসিএইচ, ডিএইচ/জিএইচ, ইউএইচসি) অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব হয় শতকরা ৩৯.৯, ২৪.০৩ এবং ২৩.৫ ভাগ। একই বছর বেসরকারি স্বাস্থ্য সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে (এনজিও ফেসিলিটিস, প্রাইভেট ফেসিলিটিস) অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব হয় শতকরা ৬০.১, ৫৬.৭১ এবং ৭১ ভাগ। স্বাস্থ্য বুলেটিন ২০১৭ সালে বাংলাদেশে প্রায় ৩৯.৬১ শতাংশেরও বেশি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব হয়। বিশেষজ্ঞরা এ বিষয়ে বলেছেন, ১০০ প্রসূতির মধ্যে শতকরা ৮০ জনেরই স্বাভাবিক প্রসব করানো যেত।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×