দূতাবাসে তথ্য আপা প্রোজেক্ট থাকতে হবে

মেহের আফরোজ চুমকি

  যুগান্তর ডেস্ক    ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

আমাদের নারী শ্রমিকরা যেসব দেশে কাজ করছেন তারা যাতে সম্মানের সঙ্গে কাজ করতে পারেন সেটা দেখা দরকার। তাদের কর্মক্ষেত্র যেন প্রসারিত হয় এক্ষেত্রে আমাদের সক্রিয় হতে হবে। পুরুষ শ্রমিকদের তুলনায় নারী শ্রমিকদের মজুরি কম। এরপরও তাদের বৈদেশিক অর্থ যুক্ত হচ্ছে। যে নারী গৃহকর্মীরা বিদেশে কাজ করতে গিয়ে যৌন নির্যাতনের শিকার হন, তাদের নিরাপত্তার ঘাটতি সেই ঘটনা এবং তাদের তালিকা বের করা। কারণ আরেকটি পরিবারের অভিভাবক কিন্তু এই ঘটনা জানতে পেরে তার মেয়েকে বিদেশে কাজ করতে পাঠাতে চাইবেন না। প্রত্যেক দেশে একটি সেল রয়েছে তাদের দেখাশুনা করার জন্য। রিক্রুটিং এজেন্সিরও এখানে বিরাট ভূমিকা রয়েছে। তারা যদি সৎ হয়, সঠিক হয় তাহলে এই সমস্যার সৃষ্টি হয় না। আমাদেরও সচেতন হতে হবে। একজন গৃহকর্মী নির্যাতনের শিকার হয়ে দেশে ফিরলে পরিবার, সমাজ তাকে গ্রহণ করতে চায় না। এই চিন্তা-ভাবনা থেকেও পরিবার, সমাজকে বেরিয়ে আসতে হবে। নারী গৃহকর্মীরা যাতে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে পারেন এজন্য ১৮ রকম ট্রেডে তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। অষ্টম শ্রেণী থেকে কারিগরি শিক্ষার পাশাপাশি সেই দেশের ভাষা ও ইংরেজি শেখানোর দিকে গুরুত্ব দিতে হবে। যেসব দেশে আমাদের নারী গৃহকর্মীরা কাজ করছেন সেসব দূতাবাসে তথ্য আপা প্রোজেক্ট থাকতে হবে। তথ্য আপা হচ্ছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে মহিলাদের ক্ষমতায়ন প্রকল্পের ওয়েব পোর্টাল। এর মাধ্যমে পরিবারের সদস্যরা দেখতে, জানতে পারবেন তার মেয়ে, স্ত্রী কোথায় আছেন। গৃহকর্মী হিসেবেই নয় বিভিন্ন দেশে নার্সিংয়েরও চাহিদা রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়

 

 

আরও পড়ুন

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
.