ভাঙনসহ নানান সমস্যায় সেন্টমার্টিন দ্বীপ

  নুরুল করিম রাসেল, টেকনাফ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

সেন্টমার্টিন দ্বীপ

দেশের অন্যতম প্রধান আকর্ষণীয় পর্যটন স্থান হলেও কাক্সিক্ষত উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে। দ্বীপের ভাঙন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, যাতায়াতসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত এখানকার মানুষ।

অথচ প্রতি মৌসুমে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আগমনে মুখরিত হয়ে উঠে সেন্টমার্টিন দ্বীপ। এ খাতে পর্যটনকেন্দ্রিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রচুর আয় হয়। আবার সেন্টমার্টিন জেটি ও জাহাজ চলাচল খাতেও সরকারের রাজস্ব আসে।

সেন্টমার্টিন দ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নুর আহমদ জানান, দ্বীপের প্রধান সমস্যা সাগরের ভাঙন। প্রতি বর্ষায় দ্বীপের উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে ভাঙনের সৃষ্টি হয়। চলতি বর্ষায় উত্তরপাড়া, দক্ষিণপাড়া, গলাচিপা ও কোনারপাড়া এলাকায় সাগরের ভাঙনে প্রায় ২০ পরিবার বসতভিটা ছেড়ে চলে আসতে বাধ্য হয়েছে। এছাড়া ২০০ একরের মতো জমির ফসল নষ্ট হয়েছে। দ্বীপের চতুর্দিকে রক্ষাবাঁধ নির্মাণ করা না গেলে অদূর ভবিষ্যতে দ্বীপের অস্থিত্ব হুমকির মুখে পড়বে বলে জানান তিনি।

সেন্টমার্টিনের ইউপি সদস্য হাবিব খান জানান, প্রদীপের নিচে অন্ধকারের মতো সেন্টমার্টিন দ্বীপের সমস্যার অন্ত নেই। প্রধান সমস্যা ভাঙন হলেও স্বাস্থ্য, শিক্ষা, যাতায়াতসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে অনেক পিছিয়ে আছে সেন্টমার্টিন। ১১ বছর আগে উদ্বোধন হওয়া ১০ শয্যার হাসপাতালটি এখনও পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হয়নি। মুমূর্ষু রোগী টেকনাফে নিয়ে যাওয়ার আগেই অনেক ক্ষেত্রে পথিমধ্যে মৃত্যু হয়ে থাকে। দ্বীপের সাড়ে ৮ হাজার মানুষের জন্য হাতুড়ে চিকিৎসকই ভরসা। দ্বীপের বাসিন্দা আবু তালেব জানান, সেন্টমার্টিনের একমাত্র জেটিটি জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সম্প্রতি ভাঙা রেলিং মেরামত করে রং করা হলেও জেটির নিচের আবরণ খসে পড়ে যাচ্ছে। নতুন জেটি নির্মাণ সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×