অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা

দু’সপ্তাহেও কুয়েট সংকটের সমাধান হয়নি

  মোস্তফা কামাল আহমেদ, খুলনা ব্যুরো ১২ নভেম্বর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণার প্রায় দু’সপ্তাহ পরও খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) সংকটের সমাধান হয়নি। ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুটি হলের ছাত্রদের মধ্যে সংঘর্ষের জের ধরে ১ নভেম্বর দিনগত মধ্যরাতে (রাত ১২টায়) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়। সংঘর্ষ এড়াতে কুয়েট কর্তৃপক্ষ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে তাৎক্ষণিক এ নির্দেশনা জারি করে। কুয়েট’র রেজিস্ট্রার জিএম শহিদুল আলম ওই রাতেই নিশ্চিত করেন যে পরদিন ২ নভেম্বর শনিবার বিকাল ৫টার মধ্যে ছাত্রদের ৬টি এবং পরদিন রোববার সকাল ১০টার মধ্যে ছাত্রীদের একটি হল খালি করতে হবে। সে মোতাবেক ২ নভেম্বর থেকে সব ধরনের একাডেমিক কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রয়েছে।

কুয়েটের একাধিক শিক্ষার্থী জানান, ফুটবল খেলা নিয়ে হারজিৎ থাকতেই পারে, সেজন্য খেলার ফলাফল নিয়ে সংঘর্ষ অনাকাঙ্ক্ষিত। এটা সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য অস্বস্তিকর এবং শিক্ষার স্বাভাবিক গতি ব্যাহত করে। তারা অবিলম্বে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি খুলে দেয়া হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শিক্ষার্থীদের একাধিক সূত্র জানায়, ১ নভেম্বর বিকাল ৩-৪৫ মিনিটে কুয়েটের মাঠে ফুটবল খেলা শুরু হয় অমর একুশে ও ড. আবদুর রশিদ হলের ছাত্রদের মাঝে। সময়মতো খেলা শেষ হয়। যাতে কোনো পক্ষই জয়ী হয়নি। অর্থাৎ ড্র হয়। ড. আবদুর রশিদ হলের সঙ্গে খেলা হলেও অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে সংঘর্ষ হয় ফজলুল হক হলের ছাত্রদের সঙ্গে। যার কারণ হিসেবে শিক্ষার্থীরা বলছেন, খেলা শেষে অমর একুশে হলের এক ছাত্র ম্যাচের রেফারির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ আলাপচারিতা করেন। এ দৃশ্যের ভিডিও চিত্র ধারণ করেন ফজলুল হক হলের এক শিক্ষার্থী। এ কারণে অমর একুশের শিক্ষার্থীদের কয়েকজন ভিডিও চিত্র ধারণকারীকে বেদম প্রহার করেন। এ সময় ফজলুল হক হলের কয়েকজন ম্যাচ রেফারিকেও নাজেহাল করেন। এতেই দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। প্রথম দফা সংঘর্ষের পর আবারও দ্বিতীয় দফায় ব্যাপক সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দেয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ হল ছাড়ার নির্দেশ দেয়। মূলত পরবর্তী অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতেই কর্তৃপক্ষ বন্ধ ঘোষণার সিদ্ধান্ত নেয়।

কুয়েটের জনসংযোগ কর্মকর্তা মনোজ কুমার মজুমদার জানান, কুয়েটের একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হলেও অফিশিয়াল কার্যক্রম চলছে। ঘটনার তদন্তে ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক্স বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর ড. মো. নুরুন্নবী মোল্যাকে প্রধান করে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিনি জানান, সহসাই কুয়েট খুলে দেয়ার খবর তার কাছে নেই।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×