প্রকাশকদের কথা
jugantor
প্রকাশকদের কথা

   

১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মেলা ১৭ মার্চ পর্যন্ত করা হোক

জিনিয়াস পাবলিকেশনের প্রকাশক হাবিবুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, এবারের বইমেলার পরিধি বাড়ানো হয়েছে। পরিবেশটা সুন্দর হয়েছে। মানুষ বই কিনুক কিংবা না কিনুক তারা বইমেলায় আসছে এবং ঘোরাঘুরি করছে এবং তারা বেশ আনন্দ পাচ্ছে।

সার্বিক পরিস্থিতি বেশ ভালো। আমার প্রত্যাশা হল যেহেতু আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ১৭ মার্চ তাই মেলাটা যদি সে পর্যন্ত করা যায় তাহলে ভালো হয়। একজন প্রকাশক হিসেবে এটা আমার দাবি।

বড় পরিসরের মেলায় স্টল খুঁজে পেতে বিড়ম্বনা

বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির যুগ্ম নির্বাহী এবং অন্বেষা প্রকাশনির প্রকাশক মো. শাহাদত হোসেন যুগান্তরকে বলেন, একুশে বইমেলাকে ঘিরে আমরা প্রস্তুত নই। এবারের মেলা ব্যাপক পরিসরে। ব্যাপক পরিসরে করায় পাঠকের উপযোগী হয়েছে।

পাঠক ঘুরে দেখার জন্য ও বসার জন্য অনেক জায়গা পাচ্ছে। কিন্তু পাঠকরা আমাদের কাছে করেছেন অভিযোগ করেছেন পছন্দের প্রকাশনীগুলো তারা খুঁজে পাচ্ছেন না। কোনো ম্যাপ নেই এবং তথ্যকেন্দ্রের জিজ্ঞেস করলেও তারা যে তথ্য দেয় সে অনুযায়ী স্টল খুঁজে পেতে বেশ বেগ পেতে হয়।

বড় পরিসরে হওয়ায় কিছু সুবিধা যেমন এসেছে তেমনি এ ধরনের অসুবিধাও দেখা দিয়েছে। বইমেলার স্টল খুঁজে পাওয়ার জন্য একটা অ্যাপস আছে এ রকম একটি কথা শুনেছি কিন্তু তা আমরা সবাই ভালোভাবে জানি না। অ্যাপসের কোনো প্রচার না থাকায় এর সুফল পাচ্ছেন না। আর বই প্রকাশের ক্ষেত্রে লেখক-প্রকাশকের মধ্যে চুক্তি হওয়া জরুরি। অনেক সময়ই কোনো ধরনের চুক্তি ছাড়াই লেখকরা বই প্রকাশ করেন এবং পরে সম্মানী নিয়ে অভিযোগ তোলেন।

প্রকাশকদের কথা

  
১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মেলা ১৭ মার্চ পর্যন্ত করা হোক

জিনিয়াস পাবলিকেশনের প্রকাশক হাবিবুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, এবারের বইমেলার পরিধি বাড়ানো হয়েছে। পরিবেশটা সুন্দর হয়েছে। মানুষ বই কিনুক কিংবা না কিনুক তারা বইমেলায় আসছে এবং ঘোরাঘুরি করছে এবং তারা বেশ আনন্দ পাচ্ছে।

সার্বিক পরিস্থিতি বেশ ভালো। আমার প্রত্যাশা হল যেহেতু আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ১৭ মার্চ তাই মেলাটা যদি সে পর্যন্ত করা যায় তাহলে ভালো হয়। একজন প্রকাশক হিসেবে এটা আমার দাবি।

বড় পরিসরের মেলায় স্টল খুঁজে পেতে বিড়ম্বনা

বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির যুগ্ম নির্বাহী এবং অন্বেষা প্রকাশনির প্রকাশক মো. শাহাদত হোসেন যুগান্তরকে বলেন, একুশে বইমেলাকে ঘিরে আমরা প্রস্তুত নই। এবারের মেলা ব্যাপক পরিসরে। ব্যাপক পরিসরে করায় পাঠকের উপযোগী হয়েছে।

পাঠক ঘুরে দেখার জন্য ও বসার জন্য অনেক জায়গা পাচ্ছে। কিন্তু পাঠকরা আমাদের কাছে করেছেন অভিযোগ করেছেন পছন্দের প্রকাশনীগুলো তারা খুঁজে পাচ্ছেন না। কোনো ম্যাপ নেই এবং তথ্যকেন্দ্রের জিজ্ঞেস করলেও তারা যে তথ্য দেয় সে অনুযায়ী স্টল খুঁজে পেতে বেশ বেগ পেতে হয়।

বড় পরিসরে হওয়ায় কিছু সুবিধা যেমন এসেছে তেমনি এ ধরনের অসুবিধাও দেখা দিয়েছে। বইমেলার স্টল খুঁজে পাওয়ার জন্য একটা অ্যাপস আছে এ রকম একটি কথা শুনেছি কিন্তু তা আমরা সবাই ভালোভাবে জানি না। অ্যাপসের কোনো প্রচার না থাকায় এর সুফল পাচ্ছেন না। আর বই প্রকাশের ক্ষেত্রে লেখক-প্রকাশকের মধ্যে চুক্তি হওয়া জরুরি। অনেক সময়ই কোনো ধরনের চুক্তি ছাড়াই লেখকরা বই প্রকাশ করেন এবং পরে সম্মানী নিয়ে অভিযোগ তোলেন।