রমজানে পণ্যের দাম বাড়ানোর মহড়া

  সাইফুল ইসলাম খান ২২ মে ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

রমজান মাসে ব্যস্তবহুল কারওয়ান বাজার, চলছে কাঁচামাল কেনা বেচা
রমজান মাসে ব্যস্তবহুল কারওয়ান বাজার, চলছে কাঁচামাল কেনা বেচা

সিয়াম সাধনার মাস রমজান। গোটা বিশ্বের মুসলমান সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টির জন্য দিনের বেলা যাবতীয় পানাহার থেকে নিজেদের বিরত রাখেন। সেই সঙ্গে যাবতীয় অন্যায় ও পাপ কাজ থেকেও নিজেদের বাঁচিয়ে রাখেন।

দীর্ঘ এক মাস এই ত্যাগ ও ধৈর্যের অনুশীলনের পর আসে মুসলমানের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর। প্রতি বছর এই পবিত্র মাস ও ঈদ উৎসবকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের বাজারে কৃত্রিম অস্থিরতা তৈরি করে একটি মহল।

ফলে সাধারণ মানুষ হয়ে পড়েন অসহায়। প্রতি বছর রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির এ অসুস্থ প্রতিযোগিতা দেখতে দেখতে ক্রেতারাও এখন ক্রীতদাসের হাসি মুখে বাজার করে ফেরেন।

প্রতি বছরের মতো এবারও সরকারের পক্ষ থেকে রমজানে বাজার স্বাভাবিক রাখার উদ্যোগ নেয়া হলেও তা তেমন কাজে আসছে না। রাজধানীর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বিক্রেতারা দুই ধরনের দাম জানাচ্ছেন।

সাংবাদিক পরিচয় দিলে সরকার নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী পণ্য বিক্রির কথা বলছেন। আর ক্রেতা পরিচয় দিলে ভিন্ন মূল্য জানান দোকানিরা। সরেজমিন দেখা গেছে, সিটি কর্পোরেশনের বেধে দেয়া মূল্য তালিকা মানছে না কেউ।

প্রায় প্রতিটি ভোগ্যপণ্য বছরের অন্যান্য সময়ের চেয়ে বাড়তি মূল্যে বিক্রি হচ্ছে। সরকারের নির্ধারিত মূল্য তালিকা কাগজে কলমেই শোভা পাচ্ছে।

বাজারের হালচাল:

রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর হাতিরপুল বাজারে গিয়ে দেখা যায়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন বাজারের সামনে একটি মূল্য তালিকা টানিয়ে দিয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, চাল (সরু) প্রতি কেজি খুচরা যৌক্তিক বিক্রি মূল্য ৫১ টাকা থেকে ৬৪ টাকা, মাঝারি ৪২ থেকে ৪৪, মোটা ৩৯ থেকে ৪০ টাকা, খোলা আটা ২৬ থেকে ২৭, মসুর ডাল ৭৮ থেকে ৮২, মসুর ডাল (সাধারণ) ৫৩ থেকে ৫৫, মুগ ডাল ৮৪ থেকে ১১০, ছোলা কলাই ৬১ থেকে ৭১, চিনি ৫৫ টাকা, সাদা বা লাল ডিম ২৪ থেকে ২৮ টাকা, খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ৮২ থেকে ৮৩ টাকা, খোলা সরিষার তেল ১১৬ থেকে ১২২ টাকা করে বিক্রি করার নির্দেশনা দেয়া আছে।

তালিকায় মোটা চালের দাম ৩৯ থেকে ৪০ টাকা থাকলেও বিক্রেতারা সর্বনিু দাম হাঁকান ৪২ টাকা। দোকানে চিনিগুঁড়া ৮০ থেকে ৮৫ টাকা, মিনিকেট ৫৫ থেকে ৬০, নাজিরশাইল ৭০ টাকা, স্বর্ণা চাল ৪২ টাকা এবং বিআর ২৮ বিক্রি হচ্ছে ৪৫-৪৬ টাকায়। আর মসুরের ডাল ৯৫ টাকা, মুগ ডাল ১২০ টাকা, বুটের ডাল ৮৫ টাকা, খেসারির ডাল ৬০ টাকা, চিনি ৫৬ টাকা, আদা ১২০ টাকা ও ছোলা ৭০ থেকে ৮৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তেলের দামে তেমন কোনো পরিবর্তন আসেনি। এছাড়া ডিম ২৬ থেকে ২৮ টাকা, মুড়ির কেজি ৭০ টাকা ও খেজুর বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে। যা বছরের অন্যান্য সময়ের চেয়ে বেশি। এর মধ্যে ছোলা ও মুড়ির দাম রমজান উপলক্ষে বেড়েছে। কেজিপ্রতি ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে এ দুটি পণ্যের দাম।

মাংসের দরদাম:

খামার বাড়ীর কৃষি বিপণন অধিদফতর থেকে সংগৃহীত মূল্য তালিকা অনুযায়ী, প্রতি কেজি বয়লার মুরগি ১৪২ থেকে ১৪৭ টাকা। তবে বাজার ঘুরে দেখা গেছে বয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা দরে।

অথচ রোজা শুরুর আগে বয়লারের কেজি ছিল ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকা। অন্যদিকে কক মুরগি ৩২০ টাকা, দেশি মুরগি পিস ৪৫০ এবং কেজি ৫৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

আর খাসির মাংসের নির্ধারিত দাম ৭২০ টাকা এবং গরুর মাংসের দর ৪৫০ টাকা নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খাসির মাংসের মূল্য তালিকা মানা হলেও লাগামছাড়া গরুর মাংসের দর। বাজারভেদে ৪৮০ থেকে ৫২০ টাকা পর্যন্ত দরে বিক্রি হচ্ছে গরুর মাংস।

দেশের উত্তারাঞ্চলসহ বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভোগ্যপণ্য ভর্তি ট্রাকে পথে পথে চাঁদাবাজির অভিযোগ নতুন কিছু নয়। সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে একটি সভা করেছে।

সেখানে ব্যবসায়ীরা বলেছেন, রাস্তায় চাঁদাবাজি বন্ধ হলে এ বছর রমজানে অর্ধেক টাকা মূল্যে ভোগ্যপণ্য বিক্রি সম্ভব হবে। মাংস ব্যবসায়ী সমিতির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নেতা বলেন, রাস্তায় ও হাটে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি বন্ধ করতে পারলে তিনশ’ টাকা কেজি দরে দেশি গরুর মাংস খাওয়ানো যাবে।

মাছের বাজার:

অন্যান্য পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করে দেয়া হলেও মাছের বাজারে সেভাবে মূল্য নির্ধারণ করে দেয়া সম্ভব হয় না। আকার ও ওজন অনুযায়ী মাছের মূল্য হাঁকেন বিক্রেতারা।

রাজধানীর সবচেয়ে বড় মাছের বাজার খ্যাত কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা গেছে, শিং ২০০ টাকা, কৈ ১২০ থেকে ১৮০, পাঙ্গাশ ১২০, গলদা চিংড়ি ৬৫০ থেকে আকারভেদে ৯০০ টাকা পর্যন্ত কেজি বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া আকারভেদে ইলিশ বিক্রি হচ্ছে হালি ১২০০ থেকে ১৬০০ টাকা পর্যন্ত, রুই ২৫০ থেকে ৩০০, মাগুর ৬০০ থেকে ৬৫০ এবং সিলভারকার্প ১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা জানিয়েছেন, বর্ষা মৌসুম আসন্ন হওয়ায় সামনে মাছের দাম আরও কমবে। অন্যদিকে কারওয়ান বাজারে মাছ কিনতে আসা কয়েকজন যুগান্তরকে বলেন, রোজা শুরুর দিন থেকে মাছের দাম কিছুটা বেড়েছে।

৫০ টাকার নিচে তরকারি নেই

রোজা শুরুর আগেও ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে অনেক শাক-সবজি পাওয়া গেলেও এখন প্রায় সব সবজির দামই অর্ধশতের ঘরে পৌঁছেছে। ৫০ টাকার নিচে এখন কোনো তরকারি মিলছে না বাজারে।

সরেজমিন বাজার ঘুরে দেখা গেছে বেগুন, শসা, গাজর, চিচিঙ্গা, পটোল, ঢেঁড়স, পেঁপে, বরবটি, করলা, টমেটো ও কচুর লতিসহ প্রায় সব সবজির বাজার দর এখন ৫০ টাকা বা তার উপরে।

ক্রেতারা জানিয়েছেন রমজান মাসে বাড়তি চাহিদার কারণে বিক্রেতারা সুযোগ বুঝে বাড়তি দাম হাঁকাচ্ছেন। তবে ৫০ টাকার ভেতরে আলু বিক্রি হলেও বছরের অন্যান্য সময়ের চেয়ে দাম বেড়েছে সবজিটির। কয়েকদিন আগেও কৃষকরা সড়কে আলু ফেলে দিয়ে প্রতিবাদ জানালেও এখন ক্রমেই আলুর দাম বাড়ছে।

শাকের বাজারেও বাড়তি মূল্য

বাজারে শাকের দামও বেড়েছে। পুঁইশাক ও লাউ শাকের আঁটিপ্রতি অন্তত পাঁচ টাকা করে বেশি গুনতে হচ্ছে ভোক্তাদের। এছাড়া লাল শাক, পালং শাক, পাট শাক, সবুজ ডাঁটা শাক, কলমি শাক রমজান শুরু হওয়ার আগে পাঁচ থেকে দশ টাকা আঁটি দরে বিক্রি হতো। যা এখন বেড়ে ১০ থেকে ১৫ টাকায় দাঁড়িয়েছে। সেই সঙ্গে কমেছে শাকের পরিমাণ।

খুচরা বাজারে দাম বেশি

সাধারণত পাইকারি বাজারে এক টাকা দাম বাড়লে খুচরা বিক্রেতারা সেই অজুহাতে তিন থেকে পাঁচ টাকা বাড়িয়ে দেন। অন্যদিকে পাইকারি বাজারে দাম কমলেও খুচরা বাজারে সহজে দাম কমায় না দোকানিরা।

এবার রোজার কয়েকদিন আগে রসুন, পেঁয়াজ ও আদার দাম কেজিতে অন্তত ১৫ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয়া হয়। রোজা শুরুর সময় প্রশাসনের মনিটরিংয়ের ফলে পাইকারি বাজারে এ তিন পণ্যের দাম কমলেও খুচরা বাজারে বাড়তি দামেই বিক্রি চলছে। খুচরা দোকানিরা আগে কিনে রাখার অজুহাত দিয়ে বাড়তি দামেই বিক্রি অব্যাহত রেখেছে।

পাইকারি বাজারে দেশি পেঁয়াজ কেজিতে ৩৫-৩৭ টাকা ও আমদানি পেঁয়াজ ২৫-২৬ টাকা, আমদানিকৃত রসুন ৯৪ থেকে ৯৫ টাকা আর দেশি রসুন ৬০ টাকা এবং আমদানিকৃত আদা ৮৬ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হলেও খুচরা বাজারে তার কোনো প্রভাব চোখে পড়ছে না।

রাজধানীর অধিকাংশ খুচরা দোকানে দেশি পেঁয়াজ ৪৫ থেকে ৫০ টাকা ও আমদানিকৃত পেঁয়াজ ৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রসুন ৯০ থেকে ১২০ টাকায় আর আদা কেজিতে ১২০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ছোলা পাইকারি বাজারে ৫৮ থেকে ৬২ টাকার মধ্যে বিক্রি হলেও খুচরা বাজারে তা ১৫ থেকে ২০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

কাঁচাবাজার ও তরকারি মূল্য

দেশি পেঁয়াজ ৪২ থেকে ৪৬, আমদানিকৃত পেঁয়াজ ২৯ থেকে ৩৩, দেশি রসুন ৪৪ থেকে ৬৬, আমদানিকৃত রসুন ৮৮ থেকে ৯৯, আমদানিকৃত আদা ৭৭ থেকে ১০৫, হল্যান্ডের সাদা আলু ১৫ থেকে ২০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৩৬ থেকে ৪২, বেগুন ৪৮ থেকে ৭২, মিষ্টি কুমড়া ১৮ থেকে ২২, ঢেঁড়স ৩৫ থেকে ৪২, চাল কুমড়া ২৪ থেকে ৩৬, করলা ৪৬ থেকে ৬০, গাজর ৩৫ থেকে ৫০, চিচিঙ্গা ৪৮ থেকে ৫৪, বরবটি ৪২ থেকে ৪৮, পটোল ৪২ থেকে ৪৮, টমেটো ৪৮ থেকে ৬০ টাকা হচ্ছে সরকার নির্ধারিত মূল্য।

তবে নির্ধারিত এ দরের কোনো তোয়াক্কা নেই বাজারে। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৮ থেকে ৫৫ টাকা দরে, আমদানি করা পেঁয়াজ ৩৫ টাকা, রসুন ৯০ থেকে ১২০, আলু মানভেদে ৪০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হচ্ছে।

কাঁচা মরিচ ২৫০ গ্রাম বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা, বেগুন ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি, মিষ্টি কুমড়া প্রতি পিস ৫০ টাকা আর প্রতি ফালি ৩০ টাকা, করলা ৬০, গাজর ৫০ থেকে ৬০, মুলা ৬০ টাকা, ধুন্দল ৭০, চিচিঙ্গা ৬০, টমেটো ৬০ থেকে ৭০, বরবটি ৫৫ থেকে ৬৫, পটোল ৬০ এবং শসা ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতা-বিক্রেতা কথন

রাশেদ আমিন নামে এক ক্রেতা যুগান্তরকে বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে উৎসব এলে পণ্যের দাম কমে। কারণ তারা ক্রেতাদের ছাড় দিয়ে অধিক বিক্রির দিকে মনোযোগ দেয়।

ফলে তাদের বিক্রি যেমন বাড়ে মুনাফাও তেমন হয়। জনগণও উৎসবের আনন্দ উপভোগ করে। কিন্তু আমাদের দেশে উৎসব এলে মধ্যবিত্ত ও নিুবিত্তরা বিপদে পড়ে যান।

তারা বাজার খরচের টাকা জোগান দিতে হিমশিম খান। খাদ্যদ্রব্য থেকে শুরু করে পোশাক কিংবা পরিবহন প্রতিটি ক্ষেত্রে বাড়তি খরচ গুনতে হয়। অথচ সবার আয় একই থাকে।

নিত্যদিনের বাজার করতে আসা অপর এক ক্রেতা বলেন, আমরা এমন এক দেশে বাস করি যেখানে জুতা বিক্রি হয় এসি রুমে আর খাবার (সবজি) বিক্রি হয় খোলা বাজারে।

বাড়তি দাম তো থাকেই সেই সঙ্গে বাজারের নোংরা পরিবেশের কারণে দুর্ভোগও সহ্য করতে হয়। তার ওপরে গলাকাটা দাম, অবস্থা এমন যে রমজান মাস আর মমিনের মাস নাই- এখন ব্যবসায়ীদের মাসে পরিণত হয়েছে।

কারওয়ান বাজারের চাল বিক্রেতা খোরশেদ আলম যুগান্তরকে বলেন, রমজানে চালের দাম বাড়েনি। বরং কমেছে। ক্রেতারা দাম বাড়ার যে অভিযোগ করেন তা সঠিক নয়। জসিম উদ্দিন নামে একজন মাছ বিক্রেতা বলেন, বৃষ্টির দিন চলে আসায় মাছের উৎপাদন সামনে আরও বাড়বে।

রমজানে মাছের দাম বাড়েনি। সামনে মাছের দাম আরও কমবে। দাম কমলেও বলেন না দাম কমছে। তারা সব সময়ই বলেন, বাজারে দাম বেশি। আবদুর রাজ্জাক নামে একজন তরকারি বিক্রেতা রোববার সন্ধ্যায় যুগান্তরকে বলেন, কাঁচাবাজারের দরদাম ওঠা-নামা করে।

সকাল এবং দুপুরের চেয়ে রাতে কিছুটা কম দামে মাল বিক্রি হয়। সকাল-দুপুরে কাস্টমারের (ক্রেতার) চাপ বেশি থাকে। এ কারণে তখন দামটাও কিছুটা বেশি থাকে। চাহিদা বাড়লে দাম বাড়ে, আর কাস্টমারের চাহিদা কমে গেলে দাম কমে যায়।

 

 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter