চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি ব্যবসায়ীদের

প্রকাশ : ২২ মে ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  যুগান্তর ডেস্ক

রমজান মাসে পণ্যদ্রব্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ ও রাজনৈতিক দলের চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীরা বলেন, রমজান এলেই পুলিশ ও রাজনৈতিক দলের নানা ধরনের অপতৎপরতা শুরু হয়। ইফতার পার্টির নামে চলে চাঁদাবাজি। এতে ব্যবসায়ীদের প্রচুর অর্থ খেসারত দিতে হয়।

বাড়তি এ টাকা ক্রেতাদের কাছ থেকেই তুলে নেয়ায় পণ্যের দাম বেড়ে যায়। তাই রমজান মাসে পুলিশের অপতৎপরতা, দলীয় নেতা ও মাস্তানদের চাঁদাবাজি বন্ধ করার দাবি জানান ব্যবসায়ীরা।

তারা বলেন, রাস্তায় গাড়ি থামিয়ে চাঁদাবাজি করার ফলে যানজটের সৃষ্টি হয়। সঠিক সময়ে পণ্য পৌঁছানো যায় না। ফলে দাম বেড়ে যায়। রমজানের প্রয়োজনীয় পণ্য মজুদ স্বাভাবিক রয়েছে। চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ ঠিক থাকলে দাম বাড়ে না।

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে পণ্যের চাহিদার চেয়ে পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। কাজেই দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার কোনো কারণ নেই।

চিনি, খেজুর, ডালসহ সব ভোগ্যপণ্য চাহিদার চেয়ে বেশি মজুদ রয়েছে। তাই বাজার স্বাভাবিক থাকবে। কেউ যদি অধিক মুনাফার জন্য দাম বেশি রাখে, তা হলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম লস্কর বলেন, আমরা সাধারণত ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে কাজ করি।

এ অধিদফতরকে প্রাইজ ম্যাকানিজম করার কোনো সুযোগ দেয়া হয়নি। ভোক্তার অধিকার বাস্তবায়নে আইনে স্বীকৃত নির্দেশনাগুলো লঙ্ঘন হচ্ছে কিনা এটা আমরা মনিটরিং করি।

অনেক সময় এ ধরনের অপরাধে আমরা জরিমানাসহ কোর্টে মামলা করি। মূল্য তালিকা আইনে বলা আছে খোলাপণ্যের মূল্য তালিকা ঝুলিয়ে রাখতে হবে। আমরা এটা নিয়ে কাজ করছি। যেখানে মূল্য তালিকা নেই সেখানে আমরা মাঝে মাঝে জরিমানা করি।

কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির ভূঁইয়া যুগান্তরকে বলেন, কিছু মুনাফালোভির কারণে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে।

রমজানের আগে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত মজদু আছে। যদি বিষয়টি সত্য হয় তাহলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল বৃদ্ধির কোনো কারণ দেখি না। কিন্তু কিছু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছেন।