পাকস্থলীতে ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা

  যুগান্তর ডেস্ক    ০৭ আগস্ট ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ যায়েদ হোসেন যুগান্তরকে বলেন, সাধারণ মানুষ যেটাকে গ্যাস্ট্রিক বলে সেটাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বলে পেপটিক আলসার। এর অর্থ হল এখনও ক্ষত বা আলসারের পর্যায়ে যায়নি এমন অবস্থাটাকে রোগীরা বলে গ্যাস্ট্রিক আর আমরা বলি পেপটিক আলসার। এক্ষেত্রে রোগীর বুকে জ্বালা পোড়া, অনেক সময় পেটে ব্যাথাও হতে পারে। কাজেই গ্যাস্ট্রিক থেকেই আলসারের আশঙ্কা অনেক বেশি থাকে।

গ্যাস্ট্রিক আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধির কারণ প্রসঙ্গে ডা. যায়েদ বলেন, আমাদের দেশে ধুমপায়ীর সংখ্যা অনেক বেশি। একারণে গ্যাস্ট্রিক রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি। কেননা গ্যাস্ট্রিকের অন্যতম প্রধান কারণ ধূমপান। এরপরই গ্যাস্ট্রিক আক্রান্তের অন্যতম প্রধান কারণ ব্যথার ওষুধ। আমাদের দেশের অনেক মানুষই বাত, বয়সজনিতসহ বিভিন্ন কারণে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ব্যথার ওষুধ গ্রহণ করেন। এ ধরনের ওষুধ গ্রহণের ফলে গ্যাস্ট্রিক বা আলসার সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়াও যারা বিরতিহীনভাবে পরিশ্রম বা একটানা দীর্ঘ সময় কাজ করেন, টেনশন বা চাপের মধ্যে থাকেন তাদেরও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে। পাশাপাশি যারা খাওয়ায় অনিয়ম করেন, দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকেন, তেলে ভাজা খাবার বেশি খান ইত্যাদি এসব কারণে গ্যাস্টিক সমস্যা হতে পারে। এ ছাড়াও হেলিকো ব্যাকটেরিয়ার কারণেও গ্যাস্ট্রিক হতে পারে।

গ্যাস্ট্রিক আলসার থেকে কি কি রোগবালাই হতে পারে এমন প্রশ্নে মেডিসিনের এ ডাক্তার বলেন, গ্যাস্ট্রিক যদি নিয়ন্ত্রণ করা যায় তাহলে ভালো কিন্তু যদি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় তাহলে পাকস্থলি ছিদ্র হয়ে যেতে পারে, পাকস্থলির বিভিন্ন নালী সরু হয়ে বন্ধ হয়ে যেতে পারে, পাকস্থলির ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

তিনি বলেন, কিছু মানুষ দীর্ঘদিন থেকে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই বাজারে প্রচলিত গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ (পিপিআই গ্রুপের ওষুধ) নিজেরাই কিনে খান। কিন্তু এগুলো খাওয়ার নিয়মটা হল দেড় থেকে দু’মাস খাওয়া। কিন্তু আমরা অনেক রোগী দেখি যারা, বছরের পর বছর ধরে কোনো পরামর্শ ছাড়াই এসব ওষুধ খাচ্ছেন। এসব কারণে শরীরে ভিটামিন বি-১২, আয়রন এবং ক্যালসিয়ামের অভাব হয়ে যায়। অনেক সময় কোমরের হাড় ক্ষয় কিংবা দুর্বল হয়ে যেতে পারে। নিউমোনিয়ার রেটটা বেড়ে যেতে পারে। পাশাপাশি পেটের ভেতর ইনফেকশনের হার বেড়ে যায়।

সাক্ষাতকার গ্রহণ : যাকারিয়া ইউসুফ

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter