মায়াবী দ্বীপ সেন্টমার্টিন

জেটির বেহাল দশা

  নুরুল করিম রাসেল, টেকনাফ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

দেশের পর্যটন স্পটগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রধান আকর্ষণীয় স্থান প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন। বর্তমানে ভাঙনসহ পরিবেশগত নানা হুমকির মুখে সেন্টমার্টিন দ্বীপ। প্রচুর নারিকেল পাওয়া যায় বলে স্থানীয়ভাবে একে নারিকেল জিঞ্জিরাও বলা হয়ে থাকে। প্রায় দেড়শ’ বছর পূর্বে দ্বীপের বসতি শুরু হয়েছিল। বর্তমানে দ্বীপের জনসংখ্যা প্রায় ১০ হাজার। দ্বীপের আয়তন ৮.১৩ বর্গকিলোমিটার। ২০০০ সালের পর জাহাজ চলাচল শুরু হলে এখানে পর্যটকদের আগমন বেড়ে যায়। বর্তমানে অতিরিক্ত পর্যটক ভ্রমণ, আইন অমান্য করে গড়ে উঠা একের পর পাকা ভবন ও পরিবেশবিরোধী কর্মকাণ্ড সেন্টমার্টিনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে বলে সতর্ক করেছেন পরিবেশবিদরা।

সেন্টমার্টিনের পর্যটন ব্যবসায়ীরা জানান, ১৯৯৯ সালের দিকে সেন্টমার্টিন দ্বীপকে পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করা হলেও এ পর্যন্ত সরকার দ্বীপে অবকাঠামো নির্মাণসহ অন্যান্য কোনো কাজকর্ম সংক্রান্ত ব্যাপার নিয়ে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করেনি।

সেন্টমার্টিন ইউপি চেয়ারম্যান নুর আহমদ জানান, প্রতি বছর লাখো পর্যটক সেন্টমার্টিন ভ্রমণে আসেন। কিন্তু দ্বীপের একমাত্র জেটির বর্তমানে করুণ হাল বিরাজ করছে। একমাত্র জেটিটি কখন ভেঙে পড়ে সেটি নিয়ে শংকিত দ্বীপবাসী। এছাড়া গত কয়েক বছর যাবত দ্বীপের ভাঙন শুরু হওয়ায় এর অস্তিত্ব রক্ষা নিয়েও আতংকিত দ্বীপবাসী।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter