করোনায় আতঙ্ক নয় সতর্ক হওয়া আবশ্যক
jugantor
করোনায় আতঙ্ক নয় সতর্ক হওয়া আবশ্যক

  জাহাঙ্গীর ডালিম  

২৫ মার্চ ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্বজুড়ে মহামারীর রূপ পাওয়া নোভেল করোনাভাইরাস ছড়াচ্ছে আতঙ্ক, সেইসঙ্গে ছড়িয়ে পড়ছে অসংখ্য গুজব। কোভিড-১৯ এর শুরুর দিকে লক্ষণগুলো হল- জ্বর, ক্লান্তিভাব, শুষ্ক কাশি, শরীর ব্যথা, নাক বন্ধ, নাক দিয়ে পানি পড়া, গলাব্যথা, পাতলা পায়খানা হতে দেখা যায়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে তীব্রতা বাড়ে ও মৃদু থেকে তীব্রতর শ্বাসকষ্ট হতে পারে। আবার কারও কারও ক্ষেত্রে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পরও কোনো রকম লক্ষণ প্রকাশ পায় না বা মৃদু লক্ষণ থাকতে পারে। এ ভাইরাস বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায় না বরং হাঁচি-কাশি এবং জীবাণুযুক্ত হাতের স্পর্শে বেশি বেশি ছড়ায়। মাস্ককে কখনও বাইরে থেকে হাত দিয়ে স্পর্শ করবেন না। পেছন থেকে মাস্কটি খুলুন এবং অবিলম্বে এটি ঢাকনাসহ ডাস্টবিনে ফেলে দিন। করোনা মানেই মৃত্যু না বা আতঙ্কের কিছু নেই; তবে এই রোগ থেকে রক্ষার সবচেয়ে ভালো উপায় হল- অন্যদের মধ্যে ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়াতে না দেয়া। আতঙ্কিত না হয়ে কিছু বিষয় মেনে চললে এর থেকে নিরাপদ থাকা যায়। এর থেকে নিরাপদ থাকতে হলে যেখানে-সেখানে কফ ও থুথু ফেলবে না। হ্যান্ডশেক বা কোলাকুলি থেকে বিরত থাকুন, চলাচল সীমিত করুন ও গণসমাগম এড়িয়ে চলুন, কিছুক্ষণ পরপর সাবান দিয়ে (অন্তত ২০ সেকেন্ড) হাত ধুয়ে হাত পরিষ্কার রাখুন। অপরিষ্কার হাত দিয়ে নাক, মুখ, চোখ স্পর্শ করবেন না, হাঁচি বা কাশি দেয়ার সময় টিস্যু ব্যবহার করুন অথবা কাপড় বা বাহুর ভাঁজে নাক, মুখ ঢেকে ফেলুন। ব্যবহৃত টিস্যু ঢাকনাযুক্ত ময়লার পাত্রে ফেলুন। গণপরিবহন, গণসমাগম স্থলে মাস্ক ব্যবহার করুন। আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন এবং অন্তত ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রাখুন, আক্রান্ত ব্যক্তি ও তার পরিচর্যার ক্ষেত্রে মাস্ক ব্যবহার করুন, জ্বর, সর্দি, কাশি উপসর্গ দেখা দিলে পরিবারের অন্য সদস্যদের থেকে আলাদা থাকুন, রোগীর ব্যবহার্য জিনিসপত্র অন্যরা ব্যবহার করবেন না। মাছ, মাংস ভালো করে রান্না করে খাবেন। এ রোগের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তি ও বিদেশ থেকে আগত ব্যক্তির কোয়ারেন্টিনে থাকা নিশ্চিত করুন। আল্লাহর কাছে প্রার্থনা আমাদের মুসলমানদের করোনায় মৃত্যু দিও না। এ মৃত্যুতে গোসল কিংবা জানাজা দিতে মানুষ ভয় পায়। এমন মৃত্যু দিও স্বাভাবিক যে মৃত্যুতে গোসল ও জানাজায় মানুষ আসতে পারে। যুগান্তর স্বজন সমাবেশ সব সময় বিপদে মানুষের পাশে থেকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়। নারায়ণগঞ্জ যুগান্তর স্বজন সমাবেশের স্বজনরা হাত ধুয়ে বাড়িতে প্রবেশ করুন। যুগান্তর স্বজন সমাবেশের প্রতি করোনা প্রতিহত করতে সব নির্দেশনা মেনে চলার ও সচেতন করার আহ্বান জানানো হচ্ছে। আপনারা প্রতিটি বাড়িতে প্রবেশের আগে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে প্রবেশ করে আপনি নিজে, আপনার পরিবার, প্রতিবেশী পরিজনকে নিরাপদ রাখুন। সবাই সুরক্ষায় থাকুন, বাংলাদেশকে সুরক্ষায় রাখুন।

সভাপতি,নারায়ণগঞ্জ

করোনায় আতঙ্ক নয় সতর্ক হওয়া আবশ্যক

 জাহাঙ্গীর ডালিম 
২৫ মার্চ ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্বজুড়ে মহামারীর রূপ পাওয়া নোভেল করোনাভাইরাস ছড়াচ্ছে আতঙ্ক, সেইসঙ্গে ছড়িয়ে পড়ছে অসংখ্য গুজব। কোভিড-১৯ এর শুরুর দিকে লক্ষণগুলো হল- জ্বর, ক্লান্তিভাব, শুষ্ক কাশি, শরীর ব্যথা, নাক বন্ধ, নাক দিয়ে পানি পড়া, গলাব্যথা, পাতলা পায়খানা হতে দেখা যায়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে তীব্রতা বাড়ে ও মৃদু থেকে তীব্রতর শ্বাসকষ্ট হতে পারে। আবার কারও কারও ক্ষেত্রে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পরও কোনো রকম লক্ষণ প্রকাশ পায় না বা মৃদু লক্ষণ থাকতে পারে। এ ভাইরাস বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায় না বরং হাঁচি-কাশি এবং জীবাণুযুক্ত হাতের স্পর্শে বেশি বেশি ছড়ায়। মাস্ককে কখনও বাইরে থেকে হাত দিয়ে স্পর্শ করবেন না। পেছন থেকে মাস্কটি খুলুন এবং অবিলম্বে এটি ঢাকনাসহ ডাস্টবিনে ফেলে দিন। করোনা মানেই মৃত্যু না বা আতঙ্কের কিছু নেই; তবে এই রোগ থেকে রক্ষার সবচেয়ে ভালো উপায় হল- অন্যদের মধ্যে ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়াতে না দেয়া। আতঙ্কিত না হয়ে কিছু বিষয় মেনে চললে এর থেকে নিরাপদ থাকা যায়। এর থেকে নিরাপদ থাকতে হলে যেখানে-সেখানে কফ ও থুথু ফেলবে না। হ্যান্ডশেক বা কোলাকুলি থেকে বিরত থাকুন, চলাচল সীমিত করুন ও গণসমাগম এড়িয়ে চলুন, কিছুক্ষণ পরপর সাবান দিয়ে (অন্তত ২০ সেকেন্ড) হাত ধুয়ে হাত পরিষ্কার রাখুন। অপরিষ্কার হাত দিয়ে নাক, মুখ, চোখ স্পর্শ করবেন না, হাঁচি বা কাশি দেয়ার সময় টিস্যু ব্যবহার করুন অথবা কাপড় বা বাহুর ভাঁজে নাক, মুখ ঢেকে ফেলুন। ব্যবহৃত টিস্যু ঢাকনাযুক্ত ময়লার পাত্রে ফেলুন। গণপরিবহন, গণসমাগম স্থলে মাস্ক ব্যবহার করুন। আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন এবং অন্তত ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রাখুন, আক্রান্ত ব্যক্তি ও তার পরিচর্যার ক্ষেত্রে মাস্ক ব্যবহার করুন, জ্বর, সর্দি, কাশি উপসর্গ দেখা দিলে পরিবারের অন্য সদস্যদের থেকে আলাদা থাকুন, রোগীর ব্যবহার্য জিনিসপত্র অন্যরা ব্যবহার করবেন না। মাছ, মাংস ভালো করে রান্না করে খাবেন। এ রোগের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তি ও বিদেশ থেকে আগত ব্যক্তির কোয়ারেন্টিনে থাকা নিশ্চিত করুন। আল্লাহর কাছে প্রার্থনা আমাদের মুসলমানদের করোনায় মৃত্যু দিও না। এ মৃত্যুতে গোসল কিংবা জানাজা দিতে মানুষ ভয় পায়। এমন মৃত্যু দিও স্বাভাবিক যে মৃত্যুতে গোসল ও জানাজায় মানুষ আসতে পারে। যুগান্তর স্বজন সমাবেশ সব সময় বিপদে মানুষের পাশে থেকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়। নারায়ণগঞ্জ যুগান্তর স্বজন সমাবেশের স্বজনরা হাত ধুয়ে বাড়িতে প্রবেশ করুন। যুগান্তর স্বজন সমাবেশের প্রতি করোনা প্রতিহত করতে সব নির্দেশনা মেনে চলার ও সচেতন করার আহ্বান জানানো হচ্ছে। আপনারা প্রতিটি বাড়িতে প্রবেশের আগে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে প্রবেশ করে আপনি নিজে, আপনার পরিবার, প্রতিবেশী পরিজনকে নিরাপদ রাখুন। সবাই সুরক্ষায় থাকুন, বাংলাদেশকে সুরক্ষায় রাখুন।

সভাপতি,নারায়ণগঞ্জ