বাল্যবিয়েকে লালকার্ড দেখালো গৌরীপুরের স্বজনরা

প্রকাশ : ০৪ এপ্রিল ২০১৮, ১৬:১৫ | প্রিন্ট সংস্করণ

  মো. রইছ উদ্দিন

‘সংসার নষ্ট-জীবনে আনে কষ্ট’ বাঁচতে হলে ‘বাল্যবিয়েকে না বলুন’ পথে পথে স্বজনদের এমন প্রচারণা সাড়া জাগিয়েছে। বাল্যবিয়ের ক্ষতিকর দিকগুলো তুলে ধরে চলছে কার্যক্রম।

তারই ধারাবাহিকতায় বুধবার ২৮ ডৌহাখলা উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘আমরা বাল্যবিয়ে মুক্ত থাকব- ‘গৌরীপুরকে বাল্যবিয়ে মুক্ত রাখব’ স্লোগানে লালকার্ড প্রদর্শন ও বাল্যবিয়েবিরোধী শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মর্জিনা আক্তার শপথ বাক্য পাঠ করান। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও ময়মনসিংহ এ্যাথলেটিক্স পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা রতন সরকার।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বজন সমাবেশের সভাপতি মো. এমদাদুল হক। সঞ্চালনায় ছিলেন ডৌহাখলা উচ্চ বিদ্যালয়ের শরীরচর্চা শিক্ষক মো. নুরুল হক রানা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও মর্জিনা আক্তার বলেন, স্বল্প সময়ে চমৎকার এ আয়োজনে আমি অভিভূত। লালকার্ড এর এই সিগন্যাল ‘গৌরীপুরকে বাল্যবিয়ে মুক্ত রাখবে’। এ ধরনের সচেতনমূলক কর্মসূচি অব্যাহত রাখতে হবে।

মুক্তিযোদ্ধা রতন সরকার বলেন, এ স্বাধীনতার মাসে আরেক মুক্তির ডাক এসেছে ‘বাল্যবিয়ের অভিশাপ থেকে মুক্তি’ এই লড়াইয়েও জিততে হবে। বাল্যবিয়ে মানে একটি পুতুল বিয়ে। ডৌহাখলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল হক সরকার বলেন, সচেতনতাই পারে এ অভিশাপ থেকে আমাদের মুক্তি দিতে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নরোত্তম চন্দ্র রায় বলেন, স্বজনদের এমন চমৎকার আয়োজনে আমরা সহযোগী হতে পেরে ধন্য।

এছাড়াও বক্তব্য দেন মো. দরবেশ আলী, গৌরীপুর স্বজন উপদেষ্টা ও যুগান্তর প্রতিনিধি মো. রইছ উদ্দিন, উপজেলা স্বজন সমাবেশের সহসভাপতি রমজান আলী মুক্তি, সাধারণ সম্পাদক কবি সেলিম আল রাজ, যুগ্ম সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, রবিন আচার্য্য, সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুজ্জামান আরিফ, সহসাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ আরিফ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক উত্তম পাল, পৌর স্বজনের সহসভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, সাধারণ সম্পাদক আল ইমরান মুক্তা, যুগ্ম সম্পাদক মশিউর রহমান সুজন।

কর্মসূচিতে অংশ নেন সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. হারুন অর রশিদ, সিনিয়র শিক্ষক মো. আবুল কাশেম, লাকী রানী দে, মো. তাজুল ইসলাম, সুলতানা রানী সরকার, মো. হামিদুর রহমান, শাহনাজ সুলতানা, কম্পিউটার শিক্ষক এএসএম মাসুদ করিম, সহকারী শিক্ষক মো. আবুল বাশার, মো. বিল্লাল হোসেন, রুমা বেগম, সুস্মিতা রিজবানা, মো. শাইখুল ইসলাম, মো. মোজাম্মেল হক, চামেলী বালা দেবী, আল আমিন, সহকারী গ্রন্থাগারিক সাফিয়া খাতুন।