পাইলস রোগের লক্ষণ

  অধ্যাপক ডা. একেএম ফজলুল হক ০৯ নভেম্বর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

পাইলসের উপসর্গের মধ্যে রয়েছে পায়খানার সঙ্গে রক্ত যাওয়া, মলদ্বারে মাংসপিণ্ড ফুলে ওঠা, যা কখনও কখনও মলদ্বারের বাইরে ঝুলে পড়ে এবং হাত দিয়ে ভেতরে ঢুকিয়ে দিতে হয়। এ রক্ত সাধারণত টাটকা লাল হয়। পায়ুপথে ক্যান্সার হলেও রক্ত যায়। নিজে সিদ্ধান্ত নেবেন না, আপনার পাইলস হয়েছে। মলদ্বারের ভেতর বিশেষ ধরনের পরীক্ষা যেমন, সিগময়ডস্কপি বা কোলনস্কপি ছাড়া কারও পক্ষে সঠিক রোগ নির্ণয় করা সম্ভব নয়।

আধুনিক প্রযুক্তির ফলে অপারেশন ছাড়াই বেশিরভাগ পাইলস রোগীর চিকিৎসা সম্ভব। এ পদ্ধতির নাম হচ্ছে রিং লাইগেশন পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে চিকিৎসার ফলে এখন ৮০-৯০ ভাগ পাইলস রোগী অপারেশন ছাড়াই ভালো হচ্ছেন।

প্রায়ই আমরা একটি বিব্রতকর সমস্যার সম্মুখীন হই। সেটি হচ্ছে রোগীরা জিজ্ঞাসা করেন যে, শুনেছি পাইলস অপারেশন করলে আবার হয় তাই আর অপারেশন করে লাভ কী? এক কথায় এর উত্তর দেয়া যায় না। রোগীদের এ প্রশ্নর উত্তর দেয়ার আগে আমাদের চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাস পর্যালোচনা করা দরকার। রেকটাম ও মলদ্বারের অনেক রোগ আগের যুগে অপারেশন করে ভালো করা দুষ্কর ছিল। পাইলস বা ফিস্টুলা অপারেশন করলে আবার হওয়াই ছিল নিয়ম।

মলদ্বারে সাধারণত হয় এমন তিনটি রোগ হচ্ছে পাইলস, এনাল ফিশার ও ফিস্টুলা। কিন্তু সাধারণ রোগীরা সব কটি রোগকেই পাইলস বলে মনে করেন। তাই এসব রোগের চিকিৎসার পর যখন কোনো সমস্যা হয় তখন তারা পাইলস আবার হয়েছে বলে অভিযোগ করেন।

লেখক : বৃহদান্ত ও পায়ুপথ সার্জারি বিশেষজ্ঞ, ইডেন মাল্টিকেয়ার হাসপাতাল, ধানমন্ডি, ঢাকা

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×