পায়ুপথে ক্যান্সার
jugantor
পায়ুপথে ক্যান্সার

  অধ্যাপক ডা. একেএম ফজলুল হক  

০৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পায়ুপথ বা রেকটাম ক্যান্সার একটি জটিল রোগ। এর লক্ষণ হচ্ছে টয়লেটে অল্প অল্প রক্ত যাওয়া, পায়খানার সঙ্গে আম বা মিউকাস যাওয়া এবং পায়খানা ক্লিয়ার হয়নি এরূপ বোধ করা। বারবার পায়খানা হওয়া, পায়খানার সঙ্গে মরা রক্ত ও পুঁজ যাওয়া এবং দুর্গন্ধ হওয়া।

রেকটাম ক্যান্সার কেন হয় : ধনী লোকদের এ রোগ বেশি হয়। মদ্যপান ও ধূমপান এর আশঙ্কা বাড়ায়। খাবারে যথেষ্ট আঁশ জাতীয় উপাদান থাকলে, যেমন : সবজি ফলমূলও রোগের আশঙ্কা কমায়। চল্লিশ বছরের পর থেকে এর আশঙ্কা বাড়তে থাকে।

চিকিৎসা : এ রোগের চিকিৎসা হচ্ছে অপারেশন। এর ঐতিহ্যবাহী অপারেশন হচ্ছে রেকটাম ও মলদ্বারা কেটে ফেলে দিয়ে নাভীর বাম পাশে একটি নতুন মলত্যাগের পথ করে দেয়া। যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় কলোস্টমি। এখানে একটি ব্যাগ লাগানো থাকে যার মধ্যে মল জমা হয় এবং দিনে ৩-৪ বার এটি পরিষ্কার করতে হয়। রোগীদের যখন এ জাতীয় অপারেশনের ধারণা দেয়া হয় তখন অনেকেই বলেন, মরে যাব তবু এ জাতীয় অপারেশন করাব না।

অত্যাধুনিক প্রযুক্তির কল্যাণে এখন আমরা এ জাতীয় বেশিরভাগ রোগীকেই পেটে স্থায়ী ব্যাগ না লাগিয়ে অপারেশন করতে পারি। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির (স্ট্যাপলিং) অপারেশন করে আসছেন এবং ইতিমধ্যে এ জাতীয় সফল অপারেশনের জন্য বেশ কিছু রোগী পেটে স্থায়ী ব্যাগ লাগানোর শারীরিক ও মানসিক কষ্ট থেকে রেহাই পেয়েছেন।

লেখক : মলদ্বার ও পায়ুপথ সার্জারি বিশেষজ্ঞ, ইডেন মাল্টিকেয়ার হাসপতাল, ঢাকা

 

পায়ুপথে ক্যান্সার

 অধ্যাপক ডা. একেএম ফজলুল হক  
০৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পায়ুপথ বা রেকটাম ক্যান্সার একটি জটিল রোগ। এর লক্ষণ হচ্ছে টয়লেটে অল্প অল্প রক্ত যাওয়া, পায়খানার সঙ্গে আম বা মিউকাস যাওয়া এবং পায়খানা ক্লিয়ার হয়নি এরূপ বোধ করা। বারবার পায়খানা হওয়া, পায়খানার সঙ্গে মরা রক্ত ও পুঁজ যাওয়া এবং দুর্গন্ধ হওয়া।

রেকটাম ক্যান্সার কেন হয় : ধনী লোকদের এ রোগ বেশি হয়। মদ্যপান ও ধূমপান এর আশঙ্কা বাড়ায়। খাবারে যথেষ্ট আঁশ জাতীয় উপাদান থাকলে, যেমন : সবজি ফলমূলও রোগের আশঙ্কা কমায়। চল্লিশ বছরের পর থেকে এর আশঙ্কা বাড়তে থাকে।

চিকিৎসা : এ রোগের চিকিৎসা হচ্ছে অপারেশন। এর ঐতিহ্যবাহী অপারেশন হচ্ছে রেকটাম ও মলদ্বারা কেটে ফেলে দিয়ে নাভীর বাম পাশে একটি নতুন মলত্যাগের পথ করে দেয়া। যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় কলোস্টমি। এখানে একটি ব্যাগ লাগানো থাকে যার মধ্যে মল জমা হয় এবং দিনে ৩-৪ বার এটি পরিষ্কার করতে হয়। রোগীদের যখন এ জাতীয় অপারেশনের ধারণা দেয়া হয় তখন অনেকেই বলেন, মরে যাব তবু এ জাতীয় অপারেশন করাব না।

অত্যাধুনিক প্রযুক্তির কল্যাণে এখন আমরা এ জাতীয় বেশিরভাগ রোগীকেই পেটে স্থায়ী ব্যাগ না লাগিয়ে অপারেশন করতে পারি। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির (স্ট্যাপলিং) অপারেশন করে আসছেন এবং ইতিমধ্যে এ জাতীয় সফল অপারেশনের জন্য বেশ কিছু রোগী পেটে স্থায়ী ব্যাগ লাগানোর শারীরিক ও মানসিক কষ্ট থেকে রেহাই পেয়েছেন।

লেখক : মলদ্বার ও পায়ুপথ সার্জারি বিশেষজ্ঞ, ইডেন মাল্টিকেয়ার হাসপতাল, ঢাকা