ঈদে মুখের বিশেষ যত্ন
jugantor
ঈদে মুখের বিশেষ যত্ন

  ডা. মো. আসাফুজ্জোহা রাজ  

১৭ জুলাই ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

প্রতি বছর কুরবানির ঈদের পর ডেন্টাল ক্লিনিকগুলোতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রোগী আসে মাড়ি ও দাঁতের নানা সমস্যা নিয়ে, অধিকাংশ ক্ষেত্রে যার কারণ অতিরিক্ত মাংস ও হাড় চাবানো

ঈদুল আজহার আর মাত্র কয়েকদিন বাকি, চলমান করোনা অতিমারিতে ঈদের চিরচেনা উৎসবমুখর পরিবেশ অনেকটা অচেনা হয়ে গেলেও সুপ্ত আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন।

ঈদপরবর্তী মুখের মধ্যকার সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম-

দুই দাঁতের ফাঁকে মাড়িতে ব্যথা

বয়স বাড়ার সঙ্গে বা অন্য কোনো কারণে দুই দাঁতের মধ্যবর্তী স্বাভাবিক সংযোগ কেন্দ্র নষ্ট হয়ে যেতে পারে, তখন যে কোনো খাবার বিশেষ করে মাংসের আঁশ ঢুকে ব্যথার সৃষ্টি করে। ঈদের সময় অতিরিক্ত মাংস চর্বণে মাংসের আঁশ সহজেই এখানে ঢুকে থাকে। প্রাথমিক পর্যায়ে অস্বস্তি বা মৃদু ব্যথা কমাতে টুথ পিক, কাঠি, পিন বা হাতের কাছে যা থাকে সেটা দিয়েই পরিষ্কারের চেষ্টা করে অনেকে কিন্তু এখান থেকে মাড়িতে প্রদাহ ও সংক্রমণ হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি, দুই দাঁতের মধ্যবর্তী ফাঁকাও বেড়ে যায়, পেরিওপকেট নামক বিশেষ স্থান তৈরি হয়ে দাঁতের ধারক কলা বা পেরিওডোন্টাল রোগের সৃষ্টি করে, এক পর্যায়ে মাড়ি ফুলে যাওয়া, রক্তপড়া, ব্যথা, দুর্গন্ধ, দাঁত শিনশিন, কামড়ে ব্যথা ও দাঁত নড়ে যাওয়াসহ নানা জটিলতার সৃষ্টি হয়। অনেক সময় টুথপিকের অংশ ভেঙে মাড়ির মধ্যে ঢুকে ইমার্জেন্সি অবস্থার তৈরি করে।

বড় ফিলিং বা ক্যাপ খুলে যাওয়ার আশংকা থাকে। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, মুখের যত্নে অবহেলা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, ধূমপান প্রভৃতিতে টুথপিক বা কাঠি ব্যবহারে জটিলতা দ্রুত শুরু হয়, অন্যদিকে অতিরিক্ত খাবার থেকে এসব রোগের মাত্রা বেড়ে গিয়ে মুখের অভ্যন্তরেও বিরূপ প্রতিক্রিয়া ফেলে। টুথপিক ব্যবহারে এল ৯২৯ বৃদ্ধিতে ফাইব্রোব্লাস্ট তৈরির মাধ্যমে ক্যান্সারে রূপান্তরিত হওয়ার বিষয়টিও গবেষণায় উঠে আসছে।

আক্কেল দাঁতের জটিলতাও বাড়তে পারে, এই দাঁত সম্পূর্ণ না উঠলে বা বাঁকা হয়ে উঠলে দাঁতের চারপাশের মাড়ির মধ্যে গৃহিত খাদ্য বিশেষ করে মাংস ঢুকে কষ্টদায়ক প্রদাহের সৃষ্টি করতে পারে।

কেউ আবার টুথ ব্রাশ দিয়ে জোরে ব্রাশ করে খাবার বের করার চেষ্টা করে, যা থেকে দাঁত ও মাড়ি উল্টো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সাধারণ টুথ ব্রাশের ব্রিসল্ দুই দাঁতের মধ্যবর্তী স্থান পরিষ্কার করতে পারে না, টুথ ব্রাশ কেবল মাত্র দাঁতের ৭০ শতাংশের মতো পরিষ্কার করতে পারে।

করণীয়

দাঁতের ফাঁক পরিষ্কারের সঠিক মাধ্যম হলো বাজারজাত ডেন্টাল ফ্লস নামক বিশেষ সুতা বা ইন্টার ডেন্টাল ব্রাশ। খাবার জমার প্রবণতা থাকলে ঈদের আগেই এটা জোগাড় করে নিতে হবে, ব্যবহারবিধি না জানলে মনগড়া পদ্ধতিতে না গিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ অথবা ইন্টারনেটের সাহায্যে জেনে নিতে হবে। জীবাণুনাশক মাউথ ওয়াশ যেমন ১ শতাংশ পোভিডন আয়োডিন, ক্লোরহেক্সিডিন বা Dl&T পানিতে লবণ মিশিয়ে খাবারের পর কুলকুচি করলেও ভালো ফল পাওয়া যায়।

আগে থেকেই যারা মাড়ি রোগে ভুগছেন তাদেরকে চিকিৎসকের পরামর্শে চিকিৎসা গ্রহণ করা জরুরি, অন্যদিকে দুই দাঁতের সংযোগ স্থানে গর্ত বা অস্বাভাবিক ফাঁকা থাকলে সেখানেও চিকিৎসা প্রয়োজন।

দাঁত ভাঙা বা ব্যথা

দাঁতে গর্ত, বড় ফিলিং বা দুই দাঁতের সংযোগ পৃষ্ঠে ফিলিং, রুট ক্যানেল শেষে ক্যাপ না করা, গঠনগত দুর্বল দাঁত, নকল দাঁত ইত্যাদিতে শক্ত হাড়ের কামড় পড়লে ভেঙে যেতে পারে, ফলে সৃষ্ট অমসৃণ অংশে ঘষা লেগে জিহ্বা বা চোয়ালে ক্ষত হতে পারে, অন্যদিকে ভিতরকার মজ্জা ক্ষতিগ্রস্ত হলে ব্যথাসহ নানা সমস্যার তৈরি হয়।

করণীয়

বড় গর্ত থাকলে অবস্থা বুঝে ফিলিং বা রুট ক্যানেল করিয়ে নিতে হবে, মাড়ির দাঁতে রুট ক্যানেল চিকিৎসা শেষে ক্যাপ বা কৃত্রিম মুকুট লাগিয়ে নেয়া জরুরি। বড় ফিলিং বিশেষ করে সংযোগ স্থানে ফিলিং থাকলে সে দাঁত দিয়ে হাড় না খাওয়া ভালো। মাংসের হাড়প্রিয়দের চিকিৎসকের পরামর্শে দাঁত ও মাড়ির অবস্থা জেনে নেওয়া নিরাপদ। ঈদে চিনির তৈরি বাহারি খাবারও দাঁতের জন্য ক্ষতিকর। দাঁত ভেঙে গেলে যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

সৌন্দর্য রক্ষা

ঈদের দিন সবাই নিজেকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে চাই আর সুন্দর দাঁত এর অন্যতম প্রধান শর্ত। দাঁতে অবাঞ্ছিত দাগ, মুখে দুর্গন্ধ বা সামনের দাঁতের মাঝে ফাঁকা থাকলে একদিনের সহজ চিকিৎসায় সমাধান মেলে।

আঁকাবাঁকা দাঁতের চিকিৎসায় ব্রেস লাগানো থাকলে খাওয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

আস্থাভাজন বৈধ ডেন্টাল চিকিৎসকের ফোন নম্বর সংগ্রহে রাখুন ও জেনে নিন ঈদ বা করোনার সময়ে চিকিৎসা কেন্দ্র বন্ধ থাকবে কিনা। মুখ ও শরীরকে সুস্থ রাখতে পরিমিত স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার কোনো বিকল্প নেই, তাই অতিরিক্ত মাংস ও হাড় খাওয়া থেকে নিজেকে সংযত রাখা শ্রেয়।

কোভিড প্রতিরোধ

কুরবানির পশুর হাট, নাড়ির টানে বাড়ি যাওয়া, আত্মীয়স্বজনের বাসায় যাওয়া, শপিংমলসহ ঈদে বাইরে যাওয়াটা এখন নিঃসন্দেহে ঝুঁকিপূর্ণ। মুখ গহ্বর করোনাভাইরাস প্রবেশের বড় একটা পথ, সঠিক নিয়মে মুখ পরিষ্কার ও মাউথ ওয়াশ ব্যবহার মুখে থাকা জীবাণুকে নিষ্ক্রিয় করতে পারে। কিছু গবেষণা বলছে মুখের স্বাস্থ্য ভালো থাকলে কোভিড জটিলতা তুলনামূলক কম হয়। ব্যক্তিগত পর্যায় থেকে কোভিড মোকাবিলায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে ও ভ্যাকসিন গ্রহণে স্বচেষ্ট হতে হবে।

লেখক : ডেন্টাল সার্জন, রাজ ডেন্টাল সেন্টার, কলাবাগান বশির উদ্দিন মসজিদ সংলগ্ন, ঢাকা

ঈদে মুখের বিশেষ যত্ন

 ডা. মো. আসাফুজ্জোহা রাজ 
১৭ জুলাই ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

প্রতি বছর কুরবানির ঈদের পর ডেন্টাল ক্লিনিকগুলোতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রোগী আসে মাড়ি ও দাঁতের নানা সমস্যা নিয়ে, অধিকাংশ ক্ষেত্রে যার কারণ অতিরিক্ত মাংস ও হাড় চাবানো

ঈদুল আজহার আর মাত্র কয়েকদিন বাকি, চলমান করোনা অতিমারিতে ঈদের চিরচেনা উৎসবমুখর পরিবেশ অনেকটা অচেনা হয়ে গেলেও সুপ্ত আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন।

ঈদপরবর্তী মুখের মধ্যকার সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম-

দুই দাঁতের ফাঁকে মাড়িতে ব্যথা

বয়স বাড়ার সঙ্গে বা অন্য কোনো কারণে দুই দাঁতের মধ্যবর্তী স্বাভাবিক সংযোগ কেন্দ্র নষ্ট হয়ে যেতে পারে, তখন যে কোনো খাবার বিশেষ করে মাংসের আঁশ ঢুকে ব্যথার সৃষ্টি করে। ঈদের সময় অতিরিক্ত মাংস চর্বণে মাংসের আঁশ সহজেই এখানে ঢুকে থাকে। প্রাথমিক পর্যায়ে অস্বস্তি বা মৃদু ব্যথা কমাতে টুথ পিক, কাঠি, পিন বা হাতের কাছে যা থাকে সেটা দিয়েই পরিষ্কারের চেষ্টা করে অনেকে কিন্তু এখান থেকে মাড়িতে প্রদাহ ও সংক্রমণ হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি, দুই দাঁতের মধ্যবর্তী ফাঁকাও বেড়ে যায়, পেরিওপকেট নামক বিশেষ স্থান তৈরি হয়ে দাঁতের ধারক কলা বা পেরিওডোন্টাল রোগের সৃষ্টি করে, এক পর্যায়ে মাড়ি ফুলে যাওয়া, রক্তপড়া, ব্যথা, দুর্গন্ধ, দাঁত শিনশিন, কামড়ে ব্যথা ও দাঁত নড়ে যাওয়াসহ নানা জটিলতার সৃষ্টি হয়। অনেক সময় টুথপিকের অংশ ভেঙে মাড়ির মধ্যে ঢুকে ইমার্জেন্সি অবস্থার তৈরি করে।

বড় ফিলিং বা ক্যাপ খুলে যাওয়ার আশংকা থাকে। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, মুখের যত্নে অবহেলা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, ধূমপান প্রভৃতিতে টুথপিক বা কাঠি ব্যবহারে জটিলতা দ্রুত শুরু হয়, অন্যদিকে অতিরিক্ত খাবার থেকে এসব রোগের মাত্রা বেড়ে গিয়ে মুখের অভ্যন্তরেও বিরূপ প্রতিক্রিয়া ফেলে। টুথপিক ব্যবহারে এল ৯২৯ বৃদ্ধিতে ফাইব্রোব্লাস্ট তৈরির মাধ্যমে ক্যান্সারে রূপান্তরিত হওয়ার বিষয়টিও গবেষণায় উঠে আসছে।

আক্কেল দাঁতের জটিলতাও বাড়তে পারে, এই দাঁত সম্পূর্ণ না উঠলে বা বাঁকা হয়ে উঠলে দাঁতের চারপাশের মাড়ির মধ্যে গৃহিত খাদ্য বিশেষ করে মাংস ঢুকে কষ্টদায়ক প্রদাহের সৃষ্টি করতে পারে।

কেউ আবার টুথ ব্রাশ দিয়ে জোরে ব্রাশ করে খাবার বের করার চেষ্টা করে, যা থেকে দাঁত ও মাড়ি উল্টো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সাধারণ টুথ ব্রাশের ব্রিসল্ দুই দাঁতের মধ্যবর্তী স্থান পরিষ্কার করতে পারে না, টুথ ব্রাশ কেবল মাত্র দাঁতের ৭০ শতাংশের মতো পরিষ্কার করতে পারে।

করণীয়

দাঁতের ফাঁক পরিষ্কারের সঠিক মাধ্যম হলো বাজারজাত ডেন্টাল ফ্লস নামক বিশেষ সুতা বা ইন্টার ডেন্টাল ব্রাশ। খাবার জমার প্রবণতা থাকলে ঈদের আগেই এটা জোগাড় করে নিতে হবে, ব্যবহারবিধি না জানলে মনগড়া পদ্ধতিতে না গিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ অথবা ইন্টারনেটের সাহায্যে জেনে নিতে হবে। জীবাণুনাশক মাউথ ওয়াশ যেমন ১ শতাংশ পোভিডন আয়োডিন, ক্লোরহেক্সিডিন বা Dl&T পানিতে লবণ মিশিয়ে খাবারের পর কুলকুচি করলেও ভালো ফল পাওয়া যায়।

আগে থেকেই যারা মাড়ি রোগে ভুগছেন তাদেরকে চিকিৎসকের পরামর্শে চিকিৎসা গ্রহণ করা জরুরি, অন্যদিকে দুই দাঁতের সংযোগ স্থানে গর্ত বা অস্বাভাবিক ফাঁকা থাকলে সেখানেও চিকিৎসা প্রয়োজন।

দাঁত ভাঙা বা ব্যথা

দাঁতে গর্ত, বড় ফিলিং বা দুই দাঁতের সংযোগ পৃষ্ঠে ফিলিং, রুট ক্যানেল শেষে ক্যাপ না করা, গঠনগত দুর্বল দাঁত, নকল দাঁত ইত্যাদিতে শক্ত হাড়ের কামড় পড়লে ভেঙে যেতে পারে, ফলে সৃষ্ট অমসৃণ অংশে ঘষা লেগে জিহ্বা বা চোয়ালে ক্ষত হতে পারে, অন্যদিকে ভিতরকার মজ্জা ক্ষতিগ্রস্ত হলে ব্যথাসহ নানা সমস্যার তৈরি হয়।

করণীয়

বড় গর্ত থাকলে অবস্থা বুঝে ফিলিং বা রুট ক্যানেল করিয়ে নিতে হবে, মাড়ির দাঁতে রুট ক্যানেল চিকিৎসা শেষে ক্যাপ বা কৃত্রিম মুকুট লাগিয়ে নেয়া জরুরি। বড় ফিলিং বিশেষ করে সংযোগ স্থানে ফিলিং থাকলে সে দাঁত দিয়ে হাড় না খাওয়া ভালো। মাংসের হাড়প্রিয়দের চিকিৎসকের পরামর্শে দাঁত ও মাড়ির অবস্থা জেনে নেওয়া নিরাপদ। ঈদে চিনির তৈরি বাহারি খাবারও দাঁতের জন্য ক্ষতিকর। দাঁত ভেঙে গেলে যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

সৌন্দর্য রক্ষা

ঈদের দিন সবাই নিজেকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে চাই আর সুন্দর দাঁত এর অন্যতম প্রধান শর্ত। দাঁতে অবাঞ্ছিত দাগ, মুখে দুর্গন্ধ বা সামনের দাঁতের মাঝে ফাঁকা থাকলে একদিনের সহজ চিকিৎসায় সমাধান মেলে।

আঁকাবাঁকা দাঁতের চিকিৎসায় ব্রেস লাগানো থাকলে খাওয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

আস্থাভাজন বৈধ ডেন্টাল চিকিৎসকের ফোন নম্বর সংগ্রহে রাখুন ও জেনে নিন ঈদ বা করোনার সময়ে চিকিৎসা কেন্দ্র বন্ধ থাকবে কিনা। মুখ ও শরীরকে সুস্থ রাখতে পরিমিত স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার কোনো বিকল্প নেই, তাই অতিরিক্ত মাংস ও হাড় খাওয়া থেকে নিজেকে সংযত রাখা শ্রেয়।

কোভিড প্রতিরোধ

কুরবানির পশুর হাট, নাড়ির টানে বাড়ি যাওয়া, আত্মীয়স্বজনের বাসায় যাওয়া, শপিংমলসহ ঈদে বাইরে যাওয়াটা এখন নিঃসন্দেহে ঝুঁকিপূর্ণ। মুখ গহ্বর করোনাভাইরাস প্রবেশের বড় একটা পথ, সঠিক নিয়মে মুখ পরিষ্কার ও মাউথ ওয়াশ ব্যবহার মুখে থাকা জীবাণুকে নিষ্ক্রিয় করতে পারে। কিছু গবেষণা বলছে মুখের স্বাস্থ্য ভালো থাকলে কোভিড জটিলতা তুলনামূলক কম হয়। ব্যক্তিগত পর্যায় থেকে কোভিড মোকাবিলায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে ও ভ্যাকসিন গ্রহণে স্বচেষ্ট হতে হবে।

লেখক : ডেন্টাল সার্জন, রাজ ডেন্টাল সেন্টার, কলাবাগান বশির উদ্দিন মসজিদ সংলগ্ন, ঢাকা

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন