জনবান্ধব প্রশাসন গড়তে চান নারী ইউএনও

  যুগান্তর ডেস্ক ২২ অক্টোবর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

নারী ই্উএনও
শাম্মী ইসলাম, নাজনীন সুলতানা, সূবর্ণা রাণী সাহা ও শাশ্বতী শীল

ঝিনাইদহের ছয় উপজেলার চারটিতেই নারী ইউএনও (উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা)। তাদের মধ্যে ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় শাম্মী ইসলাম, কালীগঞ্জে সূর্বণা রাণী সাহা, কোটচাঁদপুরে নাজনীন সুলতানা ও সীমান্তবর্তী মহেশপুর উপজেলাতে শাশ্বতী শীল।

জনবান্ধব প্রশাসন গড়ে তুলতে এবং নারীর ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন তারা। লিখেছেন- মিজানুর রহমান

বাবা আমাকে ম্যাজিস্ট্রেট হওয়ার স্বপ্ন দেখান : শাম্মী ইসলাম

দশম শ্রেণীতে পড়ার সময়ে আত্মীয়রা আমাকে বিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছিলেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবা তাতে সম্মতি হননি। কারণ আমার বাবা চেয়েছিলেন মেয়েকে স্বাবলম্বী করে বিয়ে দিতে। বাবার এই দৃঢ়তা ছেলেবেলায় আমাকে ম্যাজিস্ট্রেট হওয়ার স্বপ্ন দেখায়।

এছাড়া প্রশাসনে চাকরি করলে সাধারণ মানুষের পাশে থাকা যায়। সব ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে হয়। উপজেলা পরিষদের মাধ্যমে জনবান্ধব ইচ্ছাগুলো পূরণ করাও সহজ হয়।

সমাজের পুরুষদের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন হয়েছে। নারীর ক্ষমতায়নে পুরুষের ইতিবাচক মনোভাব বেড়েছে বললেন ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ইউএনও শাম্মী ইসলাম। ২০১৭ সালের ৬ সেপ্টেম্বর শাম্মী ইসলাম ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

এর আগে ২০১৬ সালে তিনি একই জেলার কোটচাঁদপুর উপজেলার ইউএনও হিসেবে নয় মাস দায়িত্ব পালন করেন। তার পৈতৃক নিবাস চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনার থানাপাড়া। বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ারুল ইসলাম মা ফরিদা ইসলাম।

বাবা সোনালি ব্যাংকের ব্যবস্থাপক হিসেবে অবসর গ্রহণ করেছেন। ভাইবোনদের মধ্যে সবার বড় তিনি। দর্শনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে ১৯৯৯ সালে এসএসসি এবং দর্শনা সরকারি কলেজ থেকে আইএসসি পাস করেন।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করেন। পাবনা ক্যাডেট কলেজে ইংরেজির শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ২৮তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ২০১০ সালের ১ ডিসেম্বর সহকারী কমিশনার হিসেবে যোগদান করেন পিরোজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে। চাকরির এক বছর পর বিয়ে হয় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজেস্ট্রিট মিজানুর রহমানের সঙ্গে।

একজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে শাম্মী ইসলাম এলাকার বাল্যবিয়ে বন্ধে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছেন। এ সম্পর্কে তিনি বলেন, বাল্যবিয়ের শিকার স্বামী পরিত্যক্ত মেয়েদের স্বাবলম্বী করার জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করেছি। সেই সঙ্গে নারী শিক্ষার মান বৃদ্ধি করা হচ্ছে।

স্কুল-কলেজ থেকে মেয়ে শিক্ষার্থীদের ঝরেপড়া রোধে মেয়েদের বাইসাইকেল, স্কুল ব্যাগ, ছাতাসহ উপবৃত্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিগগিরই সদর উপজেলার একটি ইউনিয়ন বাল্যবিয়ে মুক্ত ঘোষণা করা হবে।

নতুন কর্মসূচির মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মেয়েদের জন্য আলাদা বাথরুম তৈরির প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। জাইকা প্রকল্পের মাধ্যমে চলতি বছরেই বিদ্যালয়গুলোতে ৪০ লাখ টাকার বাথরুম তৈরি করা হবে। এছাড়াও ইউনিয়ন পর্যায়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে ডেলিভারি কক্ষ তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পরিবার ও কর্মক্ষেত্র দুই পর্যায়েই কাজ করার ক্ষেত্রে কোনো বাধার সম্মুখীন হইনি।

অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে সক্ষমতা দরকার : সূর্বণা রাণী

মাস দেড়েক আগে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন সূর্বণা রাণী সাহা। বাবা রামপদ সাহা পেশায় একজন শিক্ষক। মা অর্পনা রাণী সাহা চাকরিজীবী।

বাবা-মায়ের প্রথম সন্তান। সূর্বণা রাণী সাহা ২০০০ সালে আলমডাঙ্গা পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় থেকে এএসসি এবং রাজশাহী সরকারি কলেজ থেকে ২০০২ সালে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি পাস করেন।

রাজশাহী সরকারি কলেজ থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করেন। ৩০তম বিসিএস-এ উত্তীর্ণ হয়ে ২০১২ সালের ২০ অক্টোবর রংপুর বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সহকারী কমিশনার হিসেবে যোগদান করেন।

সূর্বণা রাণী সাহার মতে, এসএসসি পরীক্ষায় একজন ম্যাজিস্ট্রেট হল পরির্দশনে এসেছিলেন। ওই প্রথম তিনি ম্যাজিস্ট্রেটকে সামনে থেকে দেখার সুযোগ পান। সেই থেকে নিজের মধ্যে একজন ম্যাজিস্ট্রেট হওয়ার স্বপ্ন লালন করেন তিনি।

অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে নিজের সক্ষমতা দরকার। বিসিএস-এর মাধ্যমে ম্যাজিস্ট্রেট হয়ে সেই স্বপ্ন পূরণ হয় তার। স্নাতক পরীক্ষা দেয়ার আগেই বাবা তাকে বিয়ে দিয়ে দেন। স্বামী সুবীর পোদ্দার তাকে সর্বাত্মকভাবে সহযোগিতা করেছেন।

বিসিএস পরীক্ষার ফরম পূরণ থেকে যাবতীয় কাজে স্বামী তাকে সাহায্য করেছেন। চাকরির ক্ষেত্রে মা তাকে বেশি সাহস জুগিয়েছেন। মা একটা কথাই বলেন, স্বাবলম্বী হতে হলে ভালো চাকরি করতে হবে।

এমন চাকরি যাতে নারীর ক্ষমতায়নের পথ সুগম হবে। পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলাকেও তার মা গুরুত্ব দিয়েছেন। মায়ের ইচ্ছে পূরণ করার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাডমিন্টন, টেবিল টেনিসও খেলেন।

ইউএনও হিসেবে নারীর ক্ষমতায়নে কিভাবে কাজ করছেন এ প্রসঙ্গে সূর্বণা রাণী সাহা বলেন, নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করার প্রচুর সুযোগ রয়েছে। একজন নারী হিসেবে নারীর সমস্যা সরাসরি জানার সুযোগ থাকায় কর্ম পরিকল্পনা করাও সহজ হচ্ছে।

মাত্র কয়েক দিনে একাধিক মা সমাবেশ, উঠোন বৈঠক এবং মহিলা বিষয়ক কর্মশালা করেছি। আমি একজন নারী হয়ে পেরেছি। অন্যরাও পারবে। স্বপ্ন দেখতে হবে। নিজেকে তুলে ধরার চেষ্টা করতে হবে। কর্মক্ষেত্রে ব্যক্তিত্ববান হলে কোনো সমস্যা হয় না। ভ্রাম্যমাণ আদালতসহ বিভিন্ন কাজ করতে কোনো সমস্যা হয় না। অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো যায়।

বাবার ইচ্ছা ছিল মেয়েরা ইউএনও হবে : নাজনীন সুলতানা

নারী হওয়ার কারণে অসহায় নারীদের সমস্যার সহজ সমাধান দেয়া যায়। যৌতুক, নারী নির্যাতন, বাল্যবিয়ে বন্ধ করার পাশাপাশি নারী শিক্ষার প্রসার ঘটাতে টেকসই উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা যায়।

প্রান্তিক পর্যায়ে সঠিকভাবে সমস্যা চিহ্নিত করে এসডিজি সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব। গত এক বছরে কমপক্ষে ৬০টি বাল্যবিয়ে বন্ধ করেছি। নিয়মিত স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসাতে সমাবেশ করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে নারী শিক্ষার হার বাড়ছে এবং ছাত্রীরা সচেতন হচ্ছেন। স্বপ্ন দেখতে শিখেছেন তারা।

প্রশাসন পরিচালনায় স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা থাকলে সব ধরনের প্রতিকূল পরিবেশে নারী-পুরুষ সমানভাবে কাজ করতে পারেন। ইউএনও হিসেবে আইন-শৃংখলাসহ সব দিক দেখভাল করতে হয়। সে ক্ষেত্রে পুলিশের সহযোগিতা পাচ্ছি। ২০০৩ সালে বাবা মারা যান। তিনি ইউএনও অফিসে ওএস হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বাবার ইচ্ছা ছিল মেয়েরা ইউএনও হবে। আমরা দুইবোন ইউএনও হয়েছি।

কিন্তু বাবা দেখে যেতে পারেননি। বললেন কোটচাঁদপুরের ইউএনও নাজনীন সুলতানা। সাতক্ষীরার কাটিয়াদির মাস্টারপাড়ার মেয়ে নাজনীন সুলতানা। মা রাজিয়া খাতুন। বাবা মো. আবুল কাশেম।

আশাশুনী মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৯৮ সালে এসএসসি পাস করেন। খুলনা সরকারি মহিলা কলেজ থেকে ২০০০ সালে এইচএসসি পাস করেন। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন রিসোর্ট টেকনোলোজি (এফএমআরটি) বিভাগে অনার্সসহ মাস্টার্স করেন ২০০৭ সালে।

২৯তম বিসিএস-এর মাধ্যমে প্রশাসন ক্যাডারে সহকারী কমিশনার হিসেবে রংপুর বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে যোগদান করেন। পরে রংপুর জেলা প্রশাসকের দফতরে যোগ দেন ২০১১ সালের পহেলা আগস্ট।

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলায় ইউএনও হিসেবে ২০১৭ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর যোগদান করেন। স্বামী মো. আসাদুজ্জামান সামরিক বাহিনীর মেজর পদে কর্মরত। বর্তমানে জাতিসংঘ মিশনে সাউথ সুদানে রয়েছেন। বিয়ের পরে চাকরিতে যোগদান করেন। কর্মক্ষেত্রে নিষ্ঠার সঙ্গে যাতে দায়িত্ব পালন করতে পারেন এ ব্যাপারে স্বামী তাকে পূর্ণ সহযোগিতা করেন।

মায়ের অক্লান্ত কষ্টের ফসল আমরা দুই ভাইবোন : শাশ্বতী শীল

ভারত সীমান্তঘেঁষা ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ইউএনও শাশ্বতী শীল। চলতি বছরের ২৫ জুলাই ইউএনও হিসেবে যোগদান করেছেন শাশ্বতী শীল। সৎ এবং নিরপেক্ষ থাকা, কাউকে বেশি প্রাধান্য নয়, আবার কাউকে অবহেলা নয়, এমন কৌশল নিয়ে কাজ করছেন তিনি।

ইতিমধ্যে প্রশাসক হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন শাশ্বতী শীল। নানা ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্যে বেড়ে উঠেছেন শাশ্বতী শীল। ২০১২ সালের ৩ জুন ৩০তম বিসিএসের প্রশাসন ক্যাডারে সহকারী কমিশনার হিসেবে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে যোগদান করেন। এরপরে যোগদান করেন ফেনী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে। প্রথম সরকারি চাকরিতে যোগদান করেন নির্বাচন কমিশনে। উপজেলা নির্বাচন অফিসার হিসেবে এগারো মাস চাকরি করেন তিনি।

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরের বাটিকামারী গ্রামের মেয়ে শাশ্বতী শীল। বাবা শচীন্দ্র শীল পেশায় একজন শিক্ষক। মা কমলা শীল। গ্রামের স্কুল থেকে এসএসসি পাস করেন তিনি। তার বাবার ছাত্রী ছিলেন মুন্সিগঞ্জের জেলা প্রশাসক শায়লা ফারজানা শিউলি।

একই গ্রামের মনিরুল ইসলাম। বর্তমানে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান। তার বাবার এমন অনেক ছাত্রই প্রতিষ্ঠিত। তাদের মধ্যে জেলা প্রশাসক শায়লা ফারজানা শিউলির ব্যক্তিত্ব ওকে প্রভাবিত করে।

এ প্রসঙ্গে শাশ্বতী শীল বলেন, ২০০৩ সালে বাবা মারা যান। ছোট ভাই পার্থ তখন নবম শ্রেণীতে পড়ে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার মাত্র এক মাসের মাথায় বাবাকে হারাই। কিভাবে পড়াশোনা চালাব?

এই দুঃসময়ে শিউলি আপা ও মনিরুল ভাইসহ বাবার সহকর্মী ও ছাত্ররা আমাদের পরিবারের পাশে এসে দাঁড়ান। বাবার নামে একটি তহবিল খোলা হয়। সেই তহবিল থেকে নিয়মিত সাহায্য করা হতো আমাদের পরিবারকে।

এক পর্যায়ে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিই। ঢাকাতে টিউশনি করি। মা বাড়িতে প্রাইভেট পড়ান। মা আমাদের ভাইবোনকে মানুষের মতো মানুষ করার সংকল্পে মরিয়া হয়ে ওঠেন। দারিদ্র্যের সঙ্গে সংগ্রাম করে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ শেষ করি। চাকরি পর বিয়ে হয় জনতা ব্যাংক কুষ্টিয়ার করপোরেট শাখার

সিনিয়র অফিসার নির্মল পালের সঙ্গে। ছোট ভাই পার্থ শীলও ৩৫তম বিসিএসে সহকারী কমিশনার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। মায়ের অক্লান্ত কষ্টের ফসল আমরা দুই ভাইবোন। মায়ের ইচ্ছাতে এ পর্যন্ত আসতে পেরেছি। কর্মস্থলের পাশাপাশি ঘরও সামলাতে হয়। সফলতা তখনই আসবে যখন একজন নারী এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখবে।

নারী ইউএনওদের প্রশংসা করেছেন ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ। তিনি বলেন, নারী ইউএনওরা কর্মঠ, দায়িত্ব পালনে যত্নবান। কাজে দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছেন।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter