সাহসী অভিযাত্রা দুই দশকে

দৈনিক যুগান্তর ‘সাহসী অভিযাত্রা দুই দশকে’ এই স্লোগান সামনে রেখে ২০ বছরে যাত্রা শুরু করেছে। দৈনিক যুগান্তরের এই পথপরিক্রমায় সঙ্গী হয়েছেন দেশ-বিদেশের নারী রাজনীতিবিদ, অর্থনীতিবিদ, কূটনীতিবিদ, মুক্তিযোদ্ধা, সাহিত্যিক, শিক্ষক, সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী, পুলিশ, মানবাধিকার কর্মী, সমাজকর্মী, ক্রীড়াবিদ, সাংবাদিক, চলচ্চিত্রকর্মী, সঙ্গীতশিল্পী, নৃত্যশিল্পী, রূপ বিশেষজ্ঞ, ফ্যাশন ডিজাইনার, ইন্টেরিয়র ডিজাইনার, ব্যবসায়ী, প্রকৌশলী, গার্মেন্টকর্মীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ। দৈনিক যুগান্তরের ২০ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তারা দৈনিক যুগান্তর পরিবারকে।

  যুগান্তর ডেস্ক    ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

মানুষের কাছে ‘যুগান্তর’ গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছে : মেহের আফরোজ চুমকি

‘দৈনিক যুগান্তর’ এর ২০ বছরে অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। ‘যুগান্তর’ অনেকটা দীর্ঘ পথ অতিক্রম করেছে সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে। বিশেষ রিপোর্ট, সাধারণ মানুষের রিপোর্ট, প্রতিবেদন প্রকাশের মাধ্যমে আমাদের কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পৌঁছে দিয়েছে। নিরপেক্ষ, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে মানুষের কাছে একটা গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছে। তরুণ প্রজন্ম, দেশ-বিদেশের নারীদের সফলতার কথা, তাদের আশা-আকাক্সক্ষার কথা পৌঁছে দিচ্ছে পাঠকের দ্বারে। ভবিষ্যতেও তাদের সফলতার কথা, জীবন যুদ্ধের কথা, সাহসিকতার কথা, ‘যুগান্তর’ মানুষের দোরগোড়ায় এভাবেই পৌঁছে দেবে। সংবাদ পরিবেশনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এ প্রত্যাশা রইল। ‘দৈনিক যুগান্তর’কে আবারও অভিনন্দন।

সাবেক প্রতিমন্ত্রী, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, এমপি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ

বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ে আওয়াজ তুলবে : ফারাহ কবীর

২০ বছর পূর্তিতে ‘দৈনিক যুগান্তর’কে শুভেচ্ছা। বিগত দিনের মতো আগামী দিনেও এমন নির্ভীক, সাহসী সংবাদ পরিবেশন করবে। নারী ও অন্যান্য গোষ্ঠীর বঞ্চিত মানুষের অধিকারের জন্য আওয়াজ তুলবে। ‘যুগান্তর’-এর কাছে যে কোনো বৈষম্যহীনতা, সততা এবং তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতা আশা করছি। সত্য, বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ পরিবেশনে গুরুত্ব দেবে। দেশ, রাষ্ট্র, সমাজের মানুষের কথা ‘যুগান্তর’ তুলে ধরবে।

কান্ট্রি ডিরেক্টর, একশন এইড বাংলাদেশ

মানুষের চাওয়া-পাওয়ার ক্ষেত্রে আয়নার মতো কাজ করছে ‘যুগান্তর’ : আরমা দত্ত

চলে গেল ২০১৮ সাল। মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি, জনগণ এবং দেশবাসী প্রমাণ করল এর কোনো বিকল্প নেই। ২০১৯ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে বিজয় নিশ্চিত হল। বাংলাদেশের এ মুহূর্তে উন্নয়নের ধারা ধাপে ধাপে এগিয়ে যাচ্ছে। গণমাধ্যম এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে। তার মধ্যে ‘দৈনিক যুগান্তর’ অন্যতম। যেখানে মানুষের কথা, অনুভূতি, ইচ্ছা সবই প্রতিফলিত হয়। ‘যুগান্তর’ প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত মানুষের চাওয়া-পাওয়া, অঙ্গীকারটুকু পৌঁছে দেয়। একটি আয়নার মতো কাজ করছে। নারীর ক্ষমতায়ন, তরুণ প্রজন্ম, মুক্তিযুদ্ধ, শহীদদের কথা সবার সামনে তুলে এনে। এর মাধ্যমে জানতে পারি, মানুষের চাওয়া-পাওয়ার কথা। ‘যুগান্তর’ নারী সাংবাদিকদের প্রতিষ্ঠিত করতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে। নারীদের কথা বলার জন্য ‘সুরঞ্জনা’ নামে একটি পাতা রয়েছে। যেখানে সত্যি কথা, সমাজের ন্যায়-অন্যায়ের কথা তুলে ধরা হয়। সরকার ‘যুগান্তর’-এর মাধ্যমে অশুভ শক্তিকে প্রতিহত করতে পারে। বিশেষ করে ভালো লাগে নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে এ পত্রিকাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ বিষয়গুলোকে যেন আরও বেশি করে প্রচার করা হয়, তুলে ধরা হয়। যা নারীর অধিকারে ভূমিকা রাখবে।

নির্বাহী পরিচালক, প্রিপ ট্রাস্ট

সমৃদ্ধ এবং যুগোপযোগী হয়ে ওঠার প্রত্যাশা : জিনাত আরা হক

১৯ বছর পূর্ণ করল ‘দৈনিক যুগান্তর’। দীর্ঘ এই পথপরিক্রমায় নানাবিধ সংবাদ প্রকাশ ও প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। ‘দৈনিক যুগান্তর’ পরিবারের পথচলাকে অভিনন্দন! আশা রাখছি, আগামী দিনের ‘যুগান্তর’ আরও সমৃদ্ধ এবং যুগোপযোগী হয়ে উঠবে। নারীর অধিকার আদায়ে ‘যুগান্তর’ সব সময় ইতিবাচক ভূমিকা পালন করেছে। ভবিষ্যতেও একটি জাতীয় দৈনিক হিসেবে এর বলিষ্ঠ অবস্থান আমাদের আরও শক্তি দেবে এই কামনায়।

নির্বাহী সমন্বয়কারী, আমরাই পারি পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ জোট

বিশ্লেষণধর্মী নানা বিষয়ে লেখা দেখতে আগ্রহী : রোকসানা সুলতানা

‘দৈনিক যুগান্তর’-এর প্রিন্ট এবং অনলাইনের খবরগুলো সময়োপযোগী। আমি ‘যুগান্তর’-এর দীর্ঘায়ু কামনা করছি। সময়োপযোগী রিপোর্টের মধ্যে নারী ও শিশু বিষয়ক প্রতিবেদনগুলো ভালো। ফলোআপ থাকে। অনুসন্ধানী রিপোর্টগুলো মানসম্মত। নারী ও শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার হলে নিউজের পাশাপাশি সম্পাদকীয়তে এ বিষয়ক বিশ্লেষণধর্মী লেখা দেখতে আগ্রহী। শিশু অধিকার নিয়ে যে সংগঠনগুলো কাজ করছে তাদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে সময়োপযোগী লেখা প্রকাশ করা যেতে পারে।

নির্বাহী পরিচালক, ব্রেকিং দ্যা সাইলেন্স

নারী খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করেছে ‘যুগান্তর’ : মাহফুজা খাতুন শিলা

২০ বছর পদার্পণ উপলক্ষে ‘দৈনিক যুগান্তর’কে অনেক অনেক শুভেচ্ছা। আশা করছি ‘যুগান্তর’ সবসময় নারী খেলোয়াড়দের সঙ্গে থাকবে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের নারী খেলোয়াড়দের কৃতিত্বের কথা প্রতিবেদনে তুলে ধরে। এতে মেয়েরা উৎসাহিত হয় আগামীতে আরও ভালো করার জন্য। ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন, নারী খেলোয়াড়দের সফলতা, অবকাঠামো, প্রশাসনিক জটিলতা ইত্যাদি সার্বিক বিষয় ‘যুগান্তর’-এর প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়। ভবিষ্যতেও তুলে ধরবে। আমাদের পাশে থাকবে ‘যুগান্তর’ এ প্রত্যাশা করি।

সাঁতার, বাংলাদেশ নৌবাহিনী

মতামত প্রকাশের প্রতিভূ হয়ে পথ চলছে : শাহিদা খাতুন

দৈনিক খবর পরিবেশনের এই সংবাদপত্রটি বহু বছর ধরে গণমানুষের কথা বলে আসছে। ‘দৈনিক যুগান্তর’-এর ২০ বছরের পথচলায় অনেক অনেক শুভেচ্ছা। সময়ের বেড়াজাল পেরিয়ে ধীরে ধীরে যুগান্তর ২০ বছরে পদার্পণ করল। অভিনন্দন জানাই ‘যুগান্তর’কে সাহসের সঙ্গে সত্য উচ্চারণে ন্যায়নিষ্ঠ থেকে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের জন্য। সাহসী ভূমিকায় থেকে সত্যনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন এবং নির্মোহভাবে তা দেশের মানুষের সামনে তুলে ধরাই একটি সংবাদপত্রের বড় সাফল্য। সেদিক থেকে বলা যায়, ‘যুগান্তর’ যেমন মানুষের প্রতি দায়বদ্ধ; তেমনি সমাজ, দেশ ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকে নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সাফল্য অর্জন করে জনগণের কাছাকাছি আসতে পেরেছে।

আমরা প্রত্যক্ষ করেছি বিগত বছরগুলোতে ‘যুগান্তর’ সবসময় নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও ঐতিহ্য অনুযায়ী নির্ভীকতার সঙ্গে প্রতিবাদী থেকে জনমানুষের পক্ষেই কাজ করেছে। বহুল পঠিত ‘যুগান্তর’ তার পত্রিকার ছাপা অক্ষরগুলোতে গণমানুষের কথা, বিভিন্ন ক্ষেত্রে নানামুখী সম্ভাবনার কথা, বিশেষ করে সমাজের অনগ্রসর পিছিয়ে পড়া লোকদের কথা, নারী ও শিশুদের কথা, সর্বোপরি দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ইত্যাদির চিত্র অকপটে তুলে ধরে জনপ্রিয় হয়েছে। পাশাপাশি ‘যুগান্তর’-এর পাতায় মুদ্রিত হয়েছে বহুমুখী প্রতিভাধর মনীষীদের জীবনকথা, বিভিন্ন উৎসব এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসগুলোর বিবরণ ও বিশ্লেষণধর্মী তথ্যাদি।

সাধারণ জনগণের এই সংবাদপত্রের ওপর সবসময় আস্থা অবিচল থেকেছে। তবে কখনও কখনও এ আস্থার জায়গাটি কিছুটা নড়বড়ে হলেও এখনও সেটি মজবুত আছে বলে মনে হয়। একটি নিরপেক্ষ সংবাদপত্র সবসময়ই নীতিবান মানুষের কথা, মানবিকতার কথা বলবে এটাই কাম্য। অন্যদিকে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার অর্থ মানুষের কথা বলার স্বাধীনতা। সামনের দিনগুলোতেও আমরা ‘যুগান্তর’কে এই ভূমিকায় দেখতে চাই।

অনেক সময়ে আমাদের দেশের সংবাদপত্রগুলোকে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়েছে। ওই পরিস্থিতিতে অবিচল থেকে সংকট উতরে সংবাদপত্র উত্তরোত্তর সামনে এগিয়েছে। একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ সংবাদপত্রই পারে দেশের জনগণের পক্ষে কাজ করে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে। কারণ, স্বাধীন সংবাদপত্রের ভাষা আর জনগণের অভিব্যক্তি এ দুয়ের মধ্যে বিরাজমান থাকে গভীরতর এক সম্পর্ক। তাই আমরা প্রত্যাশা করি ভবিষ্যতে ‘যুগান্তর’ সব ক্ষেত্রে যে কোনো চাপকে অগ্রাহ্য করে মুক্তমনে সাধারণ মানুষের মতামত প্রকাশের প্রতিভূ হয়ে পথ চলছে।

পরিচালক, বাংলা একাডেমি

কালজয়ী কাগজ ‘যুগান্তর’ : ফারথিবা রাহাত খান

বিশতম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে ‘দৈনিক যুগান্তর’কে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। একটি পত্রিকা তখনই কালজয়ী হয়ে ওঠে, যখন সেখানে সমাজের সব শ্রেণী-পেশার মানুষের আকাক্সক্ষার ছাপচিত্র ফুটে ওঠে। পোশাকশিল্পে কর্মরত বিপুলসংখ্যক নারী শ্রমিক দেশের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি। অথচ তাদের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য সেবা প্রাপ্তির অধিকার বহুলাংশে উপেক্ষিত। এসব নারী শ্রমিকের যৌন ও প্রজননস্বাস্থ্য সেবা প্রাপ্তির অধিকার নিয়ে ‘যুগান্তর’ সবসময় সচেতন থেকেছে। এ বিষয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। আমরা এজন্য ‘যুগান্তর’কে সাধুবাদ জানাই। আমরা আশা করি, ‘যুগান্তর’ এ প্রচেষ্টা ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখবে। ‘যুগান্তর’-এর বিশ বছরের অগ্রযাত্রা আমাদের অনুপ্রাণিত করে। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস সব শ্রেণী ও পেশার মানুষের মতের প্রতিফলন ঘটিয়ে কালজয়ী খবরের কাগজ হয়ে উঠবে যুগান্তর।

টিম লিডার, ওয়ার্কিং উইথ উমেন প্রজেক্ট-২, এসএনভি নেদারল্যান্ডস ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন

পিছিয়ে পড়া নারীদের সঙ্গে যেন থাকে সবসময় : শিরিন সুলতানা

‘দৈনিক যুগান্তর’ বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে এগিয়ে যাক তার লক্ষ্যে। ২০ বছর পদার্পণ উপলক্ষে ‘যুগান্তর’ এবং ‘যুগান্তর’ পরিবার সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভেচ্ছা। ভবিষ্যতে যেন সব পেশার নারীদের নিয়ে বেশি বেশি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। পিছিয়ে পড়া নারীদের সঙ্গে যেন থাকে সবসময়। ফুটবল ফেডারেশন, ক্রিকেট বোর্ড বেশি স্পন্সর পায়। অন্যান্য খেলাধুলায় খেলোয়াড়দের এগিয়ে নিতে ফেডারেশনগুলো যাতে স্পন্সর পায় এ বিষয়গুলো তুলে ধরতে পারে ‘যুগান্তর’।

সাবেক জাতীয় কুস্তিগীর

সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে কথা বলে : বিবি রাসেল

উনিশ পেরিয়ে বিশে পড়ছে ‘দৈনিক যুগান্তর’। ‘দৈনিক যুগান্তর’কে অনেক অভিনন্দন সততা, নিরপেক্ষতা ও বস্তুনিষ্ঠতার সঙ্গে সংবাদ পরিবেশনের জন্য। তাছাড়া প্রাত্যহিক জীবনের সব বিষয় নিয়েই ‘যুগান্তর’ সংবাদ পরিবেশনের সঙ্গে সঙ্গে গ্রামের খেটেখাওয়া মানুষের অধিকার, নারীর অধিকার, সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে কথা বলে। ‘যুগান্তর’-এর ২০ বছর পদাপর্ণে বিবি প্রোডাকশন্সের পক্ষ থেকে অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাংলাদেশি ফ্যাশন মডেল, নকশাকার, বিবি প্রোডাকশন্স

জেন্ডার সমতাভিত্তিক ইতিবাচক রিপোর্ট চাই : সালমা আলী

‘যুগান্তর’কে শুভেচ্ছা। পক্ষপাতহীনভাবে ‘যুগান্তর’ সংবাদ পরিবেশন করবে এই প্রত্যাশাই করি। ‘যুগান্তর’ রিপোর্ট তৈরির ক্ষেত্রে এ বিষয়গুলোকে গুরুত্বসহকারে দেখতে পারে। নারী নির্যাতনবিষয়ক ঘটনা, মামলাগুলোর বিচার না হওয়া পর্যন্ত রিপোর্ট চলমান রাখা। ফলোআপ রিপোর্ট করা। জেন্ডার সমতাভিত্তিক ইতিবাচক রিপোর্ট প্রকাশ করা। নিয়মিত আঠারোটি মন্ত্রণালয় শিশুদের নিয়ে কাজ করে। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়বিষয়ক কাজগুলোকে পর্যালোচনা করে রিপোর্ট প্রকাশ করা। সরকারকে জবাবদিহিতার ভেতরে রাখার জন্য ভুল-ক্রটিগুলো সাহসের সঙ্গে ধরিয়ে দেয়া। তৃণমূলের নারী-শিশুরা কোথায় কি সেবা পাবেন তা সংবাদের মাধ্যমে তুলে ধরা। ‘যুগান্তর’ পরিবারের সার্বিক মঙ্গল কামনা করি।

আইনজীবী, মানবাধিকার কর্মী

চলমান বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও প্রকাশ করছে : শাহীনা আমীন

‘দৈনিক যুগান্তর’ সোনার বাংলাদেশ, স্বপ্নের বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে চলা নির্ভুল সাংবাদিকতার চর্চা করছে। নারী-শিশুবিষয়ক, শিক্ষাবিষয়ক, বিনোদন বিষয়ক তথ্য প্রচারের পাশাপাশি চলমান অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও প্রকাশ করছে। বহুল প্রচারিত জনপ্রিয় ‘দৈনিক যুগান্তর’-এর ২০ বছরের যাত্রায় জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। সাহসী অভিযাত্রা, দুই দশকে পথচলা আরও দৃঢ় ও মসৃণ হোক।

অধিনায়ক (পুলিশ সুপার), ১১ এপিবিএন, উত্তরা, ঢাকা

নানা সমস্যা কর্তৃপক্ষের নজরে তুলে ধরতে পারে : ডা. সামছাদ জাহান শেলী

‘দৈনিক যুগান্তর’-এর ২০ বছর পদার্পণে অনেক শুভকামনা। নারীরা বিভিন্ন সেক্টরে কাজ করছেন। নারী চিকিৎসকরা পেশাগত দায়িত্ব পালনে হাসপাতালে বেশি সময় কাটান। প্রতিটি হাসপাতালে ডে কেয়ার সেন্টার দরকার। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখলে নারী চিকিৎসকরা সুস্থ পরিবেশে নিজের সন্তানকে রাখতে পারেন। শিশুটি সুস্থ পরিবেশে বেড়ে উঠবে। মাসিক বন্ধ হলেই কুমারী মেয়েরা এমএনকিট কিনে নিজেরাই ব্যবহার করছে। এমএনকিট বিক্রির ক্ষেত্রে ফার্মেসিগুলোতে কোনো বিধিনিষেধ না থাকায় চিকিৎসকের চিকিৎসাপত্র ছাড়াই যত্রতত্র বিক্রি হচ্ছে। এর ফলে মেয়েদের স্বাস্থ্যগত পার্শ্বিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে। মাতৃমৃত্যুর হার বাড়ছে। অটিস্টিক শিশুর জন্ম বাড়ছে। এ বিষয়গুলো নিয়ে রিপোর্ট করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের নজরে তুলে ধরতে পারে ‘যুগান্তর’। ‘যুগান্তর’-এর ২০তম যাত্রায় এই হোক প্রত্যাশা।

অধ্যাপক, গাইনী ও অবস, বারডেম জেনারেল হাসপাতাল

সর্বদা সোচ্চার ভূমিকা পালন করেছে নাছিমা আক্তার জলি

প্রকাশনার ২০ বছর পদার্পণ উপলক্ষে ‘দৈনিক যুগান্তর’-এর সম্পাদক, বার্তা সম্পাদক, প্রতিবেদক এবং সব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি রইল আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা। ‘যুগান্তর’ বিগত সময়গুলোতে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা সর্বোপরি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সোচ্চার ভূমিকা পালন করেছে। বিশেষ করে বাংলাদেশে নারী ও শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও তাদের ক্ষমতায়নে ‘যুগান্তর’-এর অবদান উল্লেখ করার মতো। আমি আশা করব, জনমানুষের পত্রিকা হিসেবে ‘যুগান্তর’ বিগত দিনগুলোতে যে সত্য ও সুন্দর ভূমিকা পালন করেছে, আগামীতেও একইভাবে কোনো চাপ ও ভীতির মুখে সত্য প্রকাশে বিরত না থেকে দেশকে এগিয়ে নিতে সহযোগী হবে। আমি ‘যুগান্তর’ এর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি।

উপ-পরিচালক (কর্মসূচি), দি হাঙ্গার প্রজেক্ট, সম্পাদক, জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম

আমার বিবেচনায় নিরপেক্ষতায় সেরা পত্রিকা : ড. আফরোজা পারভীন

নিরপেক্ষতায় সেরা পত্রিকা হিসেবে আমার কাছে ‘দৈনিক যুগান্তর’ প্রিয় একটি পত্রিকা। আমি এর উত্তরোত্তর সম্প্রসারণ কামনা করি। আমি ‘যুগান্তর’-এর একজন নিয়মিত পাঠক এবং লেখক। এর ২০ বছর পদার্পণ উপলক্ষে আমার শুভ কামনা রইল। আশা করব, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় এবং দুনীর্তিরোধে ‘যুগান্তর’-এর সংবাদ অনেক কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। পত্রিকাটি যদি কেউ নিয়মিত না পড়েন তাদেরকে পড়ার অনুরোধ রইল। ‘যুগান্তর’ নারী বিষয়ক লেখার জন্য আরও বেশি জায়গা দেবে। এগিয়ে আসা নারীদের ভূমিকা, কর্মকাণ্ড তুলে ধরছে। ভবিষ্যতেও তুলে ধরবে, নিয়মিত প্রচার করবে এই প্রত্যাশা রইল।

নির্বাহী পরিচালক, নারী উন্নয়ন শক্তি

গ্রন্থনা : রীতা ভৌমিক, আবুল বাশার ফিরোজ ও শিল্পী নাগ

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×