কর্মক্ষেত্রে ঈদ

ঈদের দিন কর্মব্যস্ততায় কাটবে এমন কর্মজীবী নারীর সংখ্যাও কম নয়। জনসাধারণের নিরাপত্তা প্রদানের দায়িত্বে থাকেন অনেক নারী পুলিশ। অসুস্থ মানুষের সেবা করেন অনেক নারী চিকিৎসক। কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি কীভাবে ঈদ উদযাপন করবেন জানালেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপারেশন) কাজী রুবাইয়াত রুমী এবং ডা. আসমা আলম। লিখেছেন-

  রীতা ভৌমিক ০৩ জুন ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

চাঁদ রাতেই ঈদের রান্নার আয়োজন করব : কাজী রুবাইয়াত রুমী

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপারেশন), ১১ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন

ঈদুল ফিতরের ঈদটা কর্মব্যস্ততার মধ্যে কাটবে। পরিবারের সদস্যদের মতো কর্মস্থলের সহকর্মীরাও আমার আপনজন। একমাত্র সন্তান হওয়ায় বাবা আমার সঙ্গেই ঈদ করবেন। দুই ছেলে ছোট। তাই ছেলেদের পছন্দমতো এবার ঈদের খাবারের মেন্যু হবে। চাঁদ রাতে ঈদের রান্নার আয়োজন করে রাখব। খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে বিরিয়ানি, পোলাও, মুরগির রোস্ট, পায়েস, সেমাই, নুডলস রান্না করব। ছেলেদের তৈরি করে নিজে তৈরি হব। বাবা, স্বামী ঈদের নামাজ পড়ে এলে সপরিবারে নাশতা করব। এরপর অফিসের জন্য বের হব। অফিসে অধিনায়ক, সহ-অধিনায়ক, সহকারী পুলিশ সুপারসহ যারা থাকবেন তাদের ঈদ শুভেচ্ছা জানাব। জনসাধারণের নিরাপদ ঈদ আনন্দ প্রদানে ফোর্সের সদস্যরা ঢাকার বিভিন্ন স্থানে, ঈদের জামাত, বায়তুল মোকাররম মসজিদ, চেকপোস্টে টহল দায়িত্বে থাকবেন। তারা ঠিকমতো নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করছেন কিনা তা তদারকির দায়িত্ব পালন করব। দায়িত্বরত ফোর্সের সদস্যদের তদারকির পর সময় পেলে অফিসে সহকর্মীদের সঙ্গে দুপুরে ঈদের খাবার খাব। সময় না পেলে খাওয়া হবে না। একেবারে বাড়ি ফিরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও খেতে পারি। সন্ধ্যায় বাচ্চাদের নিয়ে আশপাশের আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধবদের বাড়িতে বেড়াতে যেতে পারি। বাসায় অতিথি এলে তাদের আপ্যায়নের মধ্য দিয়েই কেটে যাবে এবারের ঈদ।

সপরিবারে একসঙ্গে সকালের খাবার খাব : ডা. আসমা আলম

মেডিকেল অফিসার, গাইনি ও অবস, বারডেম জেনারেল হাসপাতাল

চাঁদ রাতে বাকি কেনাকাটা সেরে শাশুড়ি মাকে ঈদের রান্নার আয়োজনে সহযোগিতা করব। ঈদের দিন খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে সকাল-বিকালের নাস্তা চটপটি, পাস্তা, পায়েস, গরুর মাংস রান্না করব। শাশুড়িমা খিচুড়ি, পোলাও, ইলিশ মাছ ভাজা, মুরগির রোস্ট আর সেমাই রান্না করবেন। মিষ্টি মুখ করে বর, শ্বশুর ঈদের জামাত পড়তে যাবেন। ওরা নামাজ পড়ে বাসায় ফিরে আসতে আসতে বাচ্চাকে গোসল করিয়ে নতুন জামা-কাপড় পরিয়ে তৈরি করে দিব। আমিও গোসল সেরে তৈরি হয়ে টেবিল সাজাব। ওরা ফিরে এলে সপরিবারে একসঙ্গে সকালের খাবার খাব। এরই মধ্যে অতিথিরা এলে তাদের আপ্যায়ন করব। দুপুরের খাবার খেয়ে দুটোর মধ্যে হাসপাতালে যাব। সহকর্মীদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা জানিয়ে রাউন্ডে বের হব। রোগীদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করে তাদের ফলোআপ করব। গাইনি ও অবস বিভাগে হঠাৎ জরুরি রোগী আসতে পারেন। আমাদের সব সময় তৈরি থাকতে হয়। রোগীর অবস্থা বুঝে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে যোগাযোগ করব। অপারেশনের দরকার হলে আবাসিক চিকিৎসক অথবা অন-কল চিকিৎসককে ডেকে আনব। ঈদের দিন ক্যাফেটেরিয়া বন্ধ থাকে। হালকা খাবার নিয়ে যাব। সবাই মিলে খাব। রাত আটটায় ডিউটি শেষ। বরকে বাচ্চা নিয়ে হাসপাতালে চলে আসতে বলব। হাসপাতাল থেকে কাছের আত্মীয়স্বজনদের বাড়িতে বেড়াতে যেতে পারি। নইলে অন্য কোথাও বেড়াতে যাব।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×