বাজেট : নারী ও শিশুদের চাওয়া-পাওয়া

  রীতা ভৌমিক ২৪ জুন ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বাজেট : নারী ও শিশুদের চাওয়া-পাওয়া
নাজনীন আহমেদ, ফারাহ কবির ও সায়মা হক বিদিশা (বাঁ থেকে)

‘সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ : সময় এখন আমাদের, সময় এখন বাংলাদেশের’ শীর্ষক বাজেট উপস্থাপনে ২০১৯-২০ অর্থবছরে জেন্ডার বাজেট কতটা নারীর অগ্রগতি, শিশুকেন্দ্রিক বাজেট শিশুর বিকাশে কতটা ভূমিকা রাখবে তা উঠে এসেছে।

২০১৯-২০ অর্থবছরে নারী উন্নয়নে ১ লাখ ৬১ হাজার ২৪৭ কোটি টাকার জেন্ডার সংবেদনশীল বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে। যা গত অর্থবছরের তুলনায় ২৩ হাজার ৫০৫ কোটি টাকা বেশি। নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দকৃত জেন্ডার সংবেদনশীল বাজেটের কতটা প্রণয়ন হবে। তা সঠিক খাতে ব্যয় হবে কিনা?

এর সঠিক মূল্যায়ন হবে কিনা ইত্যাদি বিষয়গুলো বাজেট তৈরির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় নারীর শিক্ষাবিষয়ক লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হয়েছে। রূপকল্প- ২০২১, সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা এবং এসডিজিতে নারী উন্নয়নে বিভিন্ন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

জেন্ডার বাজেট হচ্ছে এক ধরনের বাজেট প্রক্রিয়া যার আর্থিক বরাদ্দ, করারোপ ও রাজস্বনীতির মাধ্যমে নারীর সমঅধিকার নিশ্চিত করা যায়। আরও একটু সূক্ষ্মভাবে বলতে গেলে জেন্ডার বাজেটিং-এর মাধ্যমে বাজেটের সব খাতে নারী-পুরুষের সমতার বিষয়টি অন্তর্ভুক্তিকরণ, রাজস্ব আয়-ব্যয়ের পুনর্বিন্যাসে জেন্ডারসমতা রক্ষাকরণ, বাজেটের জেন্ডারভিত্তিক মূল্যায়ন- এ ব্যাপারগুলো প্রতিফলিত হয়ে থাকে।

সামাজিক নিরাপত্তা খাতের মধ্যে সাধারণ বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, দরিদ্র নারীদের মাতৃত্বকালীন ভাতা, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা ভাতা ইত্যাদি রয়েছে।

শিশুকেন্দ্রিক বাজেট বৃদ্ধিতে সরকারের অগ্রাধিকার অব্যাহত রয়েছে। বিগত অর্থবছরের তুলনায় ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাজেটে শিশুকেন্দ্রিক বাজেট উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে দেশের জাতীয় বাজেটের প্রবৃদ্ধির তুলনায় শিশুকেন্দ্রিক বাজেট প্রবৃদ্ধি প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটের তুলনায় ২০১৯-২০ অর্থবছরে নির্বাচিত ১৫টি মন্ত্রণালয়ের বাজেটে বেড়েছে ১১.৮ শতাংশ। একই সময়ে শিশুকেন্দ্রিক বাজেটে ৬৫ হাজার ৬৪৭ কোটি টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮০ হাজার ১৯৭ কোটি টাকায়। প্রবৃদ্ধির হিসেবে যা ২২.১৬ শতাংশ।

নারীর সম্পদ না থাকলে ক্ষমতাও থাকবে না

-রাখী দাশ পুরকায়স্থ

২০১৯-২০ অর্থবছরে জেন্ডার বাজেট তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়েছে। এক. সামাজিক নিরাপত্তা-বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, দরিদ্র নারীদের মাতৃত্বকালীন ভাতার সংখ্যা বাড়িয়েছে। ২৭টি মন্ত্রণালয় এবং ১৬টি বিভাগ জেন্ডার বাজেটের আওতায়। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবারের বাজেটে দেখানোর চেষ্টা করেছে তাদের কয়েকটি প্রকল্পের অগ্রগতি কতটা হয়েছে, কতটা হয়নি। কিন্তু যে বিষয়গুলোতে দৃষ্টি দেয়া দরকার, তার মধ্যে সামাজিক নিরাপত্তার দিকটিতে সুনির্দিষ্ট এবং আরো গুরুত্ব দেয়ার দরকার ছিল। সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে সরকারের যে ঘোষণা এবং ইতিবাচক পদক্ষেপ তা এখানে কতখানি প্রতিফলিত হবে সেই চিত্রটি তেমনভাবে দেখা যাচ্ছে না। নারী নির্যাতন প্রতিরোধে প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল - জেলার প্রতিটি হাসপাতালে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার করার জন্য গত বছর সরকারকে সুপারিশ করা হয়েছে। ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে যারা কাজ করছেন তাদের প্রশিক্ষণ, যথাযথ জনবল নিয়োগ ও তাদের প্রশিক্ষণ ইত্যাদির জন্য বাজেট বরাদ্দের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে আরও জনবল, বরাদ্দ অর্থ এবং প্রশিক্ষণ, নির্যাতনের শিকার কন্যা ও নারীদের সুরক্ষা দেয়া ইত্যাদি। এ বিষয়ে কি হয়েছে সেটাও দেখার বিষয়। দুই. অর্থনীতিতে শ্রমজীবী নারী, গার্মেন্ট নারীকর্মী তাদের সুরক্ষার ক্ষেত্রে বাজেটে কী কী গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা এখনও সুস্পষ্ট নয়। কৃষিক্ষেত্রে নারীর উৎপাদিত পণ্য বিক্রির জন্য বাজারে তার অভিগম্যতা, পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ, কৃষি যন্ত্রপাতির ওপর তার দক্ষতা এই বিষয়গুলো, পণ্য গুদামজাতকরণে সুযোগ-সুবিধা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নারী উদ্যোক্তাদের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, যেসব নারী ঘরভাড়া করে ব্যবসা করবে, তাদের ঘরভাড়ার ক্ষেত্রে ভ্যাট দিতে হবে না।

কিন্তু ব্যবসা লাভের ক্ষেত্রে ভ্যাট প্রদান করতে হবে। এতে করে ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তাদের জন্য প্রণোদনার কথা বলা হচ্ছে তা কতটুকু কার্যকর হবে এটাও বলা মুশকিল। নারীর হাতে তার সম্পদ না থাকলে ক্ষমতাও থাকবে না। তার কোনো ক্ষমতায়ন হবে না।

সেদিক থেকে বলতে গেলে, যে কোনো বাজেট দেয়ার পর তা কতখানি বাস্তবায়িত হয়েছে তার বিশ্লেষণই বলে দিবে বাজেট ঘোষণা এবং বরাদ্দই নয়। এই জেন্ডার বাজেটটি পরিকল্পনা অনুযায়ী কিভাবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং সেটা নারীর জীবনে সুফল কি এনেছে, পরের বছরের বাজেটে তা দৃশ্যমান হওয়া দরকার। এবার জেন্ডার বাজেটে গবেষণার ক্ষেত্রে বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সেই গবেষণার ক্ষেত্রে জেন্ডার পাসফেকটিভ কতখানি গুরুত্ব দেয়া হবে।

সব মিলিয়ে গতানুগতিক জেন্ডার বাজেট মনে হয়েছে। অগ্রগতির জন্য যে জেন্ডার বাজেট বরাদ্দ রাখা হয়েছে, তা কতখানি সময় অনুযায়ী, বরাদ্দ অনুযায়ী মনিটর করে বাস্তবায়নের পক্ষে নেয়া হবে সেটা এখন দেখার বিষয়। গত অর্থবছরে, যে জেন্ডার বাজেট নির্ধারিত হয়েছিল তার কতটা সামগ্রিকভাবে বাস্তবায়ন হয়েছে, কোথায় সমস্যা রয়েছে তা দেখা হয়নি। মূল বিষয়টি মনে হয়েছে তড়িঘড়ির একটা জেন্ডার বাজেট হয়েছে।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ

অর্থব্যয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নারীর উন্নয়ন

-ফারাহ্ কবির

সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক নানা ক্ষেত্রে যেমন নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাচ্ছে তেমনি বৃদ্ধি পাচ্ছে নারীদের এগিয়ে চলার পথে প্রতিবন্ধকতা। ২০০৯-১০ অর্থবছর থেকে প্রতি বছর সরকার জেন্ডার বাজেট ঘোষণা করে আসছে। কিন্তু বাজেটে নারীর নিরাপত্তার বিষয়টি রয়ে গেছে উপেক্ষিত। নারীর বিরুদ্ধে সংঘটিত সহিংসতার ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে, আছে ঘরে-বাইরে, কর্মস্থলে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপদ পরিবেশের অভাব।

এসব চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, বাজেটে সুনির্দিষ্ট বরাদ্দ ও তার কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে, বাজেটে নারীর উন্নয়নের বিষয়টি শুধু অর্থব্যয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয়ে থাকবে। গেল অর্থবছরগুলোর বাজেটে আমরা দেখেছি নারীর জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ সংশোধিত বাজেটে কমেছে, যা কাম্য নয়।

এ বছর ৪৩টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের বাজেটে নারীদের উন্নয়নের উদ্দেশ্যে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও সমানুপাতে বৃদ্ধি পাচ্ছে না বরাদ্দ। আছে বাস্তবায়নের সমস্যা।

নারীর ক্ষমতায়ন ও তার সমস্যাগুলোর সমাধানের জন্য অবশ্যই বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। জোর দিতে হবে গুণগত বাস্তবায়ন ও উন্নয়নের ওপর। আমাদের মনে রাখতে হবে, নারীর উন্নয়ন ও ক্ষমতায়ন ছাড়া এ দেশের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। আর সেই টেকসই উন্নয়নের জন্য দরকার বাজেটের গুণগত পরিবর্তন।

কান্ট্রি ডিরেক্টর, একশনএইড বাংলাদেশ

নির্দিষ্ট কোনো পদক্ষেপ নেই

-সায়মা হক বিদিশা

অনেকে ভাবে জেন্ডার বাজেট মানে নারীর জন্য বাজেট। জেন্ডার বাজেট শুধু নারী নয়, নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য। এবারের বাজেট পরিমাণগত দিক থেকে বেড়েছে। এবারের নারী উন্নয়নে বরাদ্দ মোট বাজেটের ৩০.৮২ শতাংশ। যা ২২ শতাংশ হারে বেড়েছে। জিডিপি’র ৫.৫৬ শতাংশ।

এটা একটা ইতিবাচক দিক। তবে জেন্ডার বাজেট তৈরির প্রক্রিয়ায় কিছুটা দ্বিমত রয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে একটি ডকুমেন্ট পাঠান হয় বাজেট কল সার্কুলার ১। এই সার্কুলার ১ এ কিছু নির্দেশাবলী থাকে।

নির্দেশগুলোর ভিত্তিতে মন্ত্রণালয়গুলো তাদের প্রকল্পগুলো জেন্ডার সংবেদনশীলতা সম্পর্কে হিসাব করে থাকে। শূন্য থেকে ১০০-এর মধ্যে প্রকল্পগুলোকে কয়েকটা ভাগে ভাগ করা হয়। এই রিপোর্টের ভিত্তিতে মন্ত্রণালয়গুলো তাদের প্রকল্পগুলো জেন্ডার সংবেদনশীলতার বিশ্লেষণ করে থাকে। তাদের পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে অর্থ মন্ত্রণালয় নিজস্ব নির্দিষ্ট মডেলের মাধ্যমে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে জেন্ডার বাজেট তৈরি করে।

বিভিন্ন মন্ত্রণালয় যেভাবে তাদের প্রকল্পগুলোর জেন্ডার সংবেদনশীলতা নির্ণয় করে সেই পদ্ধতি নিয়ে বিচার বিশ্লেষণের দরকার রয়েছে। যেভাবে জেন্ডার সংবেদনশীলতা বিচার করা হয় সেটা সঠিকভাবে হচ্ছে কিনা তা যাচাইয়ের জন্য, বোঝার জন্য। বিভিন্ন প্রকল্পগুলোতে নারীর চাহিদা, প্রয়োজনীয়তা কতটুকু গুরুত্ব দেয়া হয়েছে সেটা বোঝাটাও জরুরি।

গত বছর একটি জেন্ডার বাজেটিং মনিটরিং সেল গঠন করার চিন্তভাবনা করা হয়েছিল। যা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। এই বাজেটে এ সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট কোনো ইতিবাচক পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যায়নি।

সহযোগী অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

আর্থিক বরাদ্দের মাধ্যমে সহিংসতা দূর হবে না

-নাজনীন আহমেদ

বরাবরের মতো এবারের জেন্ডার বাজেটে নারী উন্নয়নে বরাদ্দ বেড়েছে। জেন্ডার বাজেটে বরাদ্দ বাড়লেই নারী উন্নয়ন হবে, নারী উপকৃত হবেন এমন কথা ভাবার কিছু নেই। সুতরাং মোট বরাদ্দ বাড়া নিয়ে খুশি হওয়ারও কিছু নেই। বরং এই বাজেট নারী উন্নয়নে কতটা কাজে লাগান যাবে সেটাই মূলকথা।

গত অর্থবছরে জেন্ডার বাজেট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পগুলোর দ্বারা নারী উন্নয়নে কী কী উপকারে এসেছে তা খতিয়ে দেখা। কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পগুলোর কার্যক্রম মনিটরিং করা দরকার ছিল। যা হয়ে ওঠেনি। তবে এবারের জেন্ডার বাজেটে নারীর অগ্রগতির বিশ্লেষণ কিছুটা হলেও দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। সামাজিক নিরাপত্তা খাতে সাধারণ বয়স্কভাতা, বিধ্বাভাতা, দরিদ্র মায়েদের মাতৃত্বকালীন ভাতার কথা এবারের জেন্ডার বাজেটেও বলা হয়েছে।

তরুণ উদ্যোক্তা তৈরিতে ‘স্টার্ট আপ ফান্ড’ নামে ১০০ কোটি টাকার একটি তহবিল গঠন করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এটা একটা ইতিবাচক দিক। নারীর প্রতি সহিংসতা দূরীকরণে সরকার পদক্ষেপ নিয়েছে। শুধু জেন্ডার বাজেটে আর্থিক বরাদ্দের মাধ্যমে নারীর প্রতি সহিংসতা দূরীকরণ সম্ভব হবে না। এটি দূর করতে প্রশাসন, আইন, বিচার বিভাগকে জোরদার ভূমিকা পালন করতে হবে।

সিনিয়র রিসার্চ ফেলো, বিআইডিএস

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×