গোরমন্ড ওয়ার্ল্ড কুকবুক অ্যাওয়ার্ড পেলেন আলপনা হাবিব
jugantor
গোরমন্ড ওয়ার্ল্ড কুকবুক অ্যাওয়ার্ড পেলেন আলপনা হাবিব

  মাহবুব নাহিদ  

০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ছোটবেলায় খেলার ছলে শিখেছেন রান্না। ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময়েই রান্নার হাতেখড়ি। কে জানত সেই রান্নাই তাকে এনে দিবে এত বড় সম্মান। সম্প্রতি চলতি বছরের জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে ম্যাকাওতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের আলপনা হাবিব জিতেছেন গোরমন্ড ওয়ার্ল্ড কুকবুক অ্যাওয়ার্ড। বইমেলায় প্রথম বই ক্যাটাগরিতে আলপনা হাবিব তার আলপনা’জ কুকিং বইয়ের জন্য এ অ্যাওয়ার্ড পান। এ অ্যাওয়ার্ডকে অস্কার অব গ্যাস্ট্রোনমিও বলা হয়ে থাকে। প্রতি বছর রান্নার বইয়ের উপরে এ অ্যাওয়ার্ড দেয়া হয়। ১৯৯৫ সালে এ অ্যাওয়ার্ডের যাত্রা হয়। অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তির অনুভূতি বলতে গিয়ে আলপনা হাবিব বলেন, এ অবস্থান তৈরি করতে আমাকে অনেক শ্রম দিতে হয়েছে। মানুষের প্রশংসা, সততা আর নিরলস পরিশ্রমই আমাকে এ সাফল্য এনে দিয়েছে। মায়ের কাছে আমার রান্নার হাতেখড়ি। স্বামী আহসান হাবিবও আমাকে সর্বাত্মকভাবে সহযোগিতা করেছেন। আমাকে রান্নাবান্নায় সবচেয়ে বেশি উৎসাহিত করেছে বাংলাদেশের জননন্দিত রন্ধনশিল্পী অধ্যাপিকা সিদ্দিকা কবির। রন্ধনবিদ্যায় কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকলেও রন্ধনশিল্পী অধ্যাপিকা সিদ্দিকা কবিরের কাছ থেকেই যতটুকু শেখার শিখেছি।

আলপনা হাবিব ২০১২ সালে নিজের একটি ইউটিউব চ্যানেল করেন। সেখানেই তিনি নতুন নতুন রান্নার রেসিপি উপস্থাপন করেন। প্রতিটি রান্নায়েই তিনি চেষ্টা করেন নিজস্ব একটা টুইস্ট রাখতে, যা সবাইকে অবাক করে দেয়। তার চ্যানেলে ৮৩ হাজার সাবস্ক্রাইবার, তার ভিডিওগুলো ২ কোটিরও বেশি দেখা হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন রান্নার অনুষ্ঠানেও অংশগ্রহণ করেন তিনি। বিচারক হিসেবে অংশ নেন দুরন্ত টিভির ‘তীর লিটল শেফ’ অনুষ্ঠানে। ২০১৭ সালে তিনি উইমেন ইন লিডারশিপ ও ব্র্যান্ড ফোরাম কর্তৃক ‘ইন্সপায়ারিং উইমেন ইন কুলিনারি আর্ট’ নির্বাচিত হন। বাংলা ও ইংরেজি দু’ভাষায় প্রকাশিত ৫৫০ পৃষ্ঠার রঙিন ‘আলপনা’জ কুকিং’ বই বের হয় ২০১৮ সালের ১৩ মে। তিনি তার বইটি উৎসর্গ করেছেন অধ্যাপিকা সিদ্দিকা কবির ও ড. আফজালুন্নেসাকে। অ্যাওয়ার্ড কর্তৃপক্ষ নিজ উদ্যোগে আলপনা হাবিবের এ বইটি সংগ্রহ করেন। আলপনা হাবিবের মতে, তিনি দেশের নারী সমাজের উন্নয়নে, রন্ধনশিল্পের উন্নয়নে কাজ করতে চান। নিজের কোনো প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ইচ্ছা নেই। কিন্তু কেউ যদি তাকে এ কাজের জন্য ডাকেন তাহলে সবার জন্যই তার দরজা খোলা থাকবে। প্রয়োজনে দেশের নারীদের বিনা পারিশ্রমিকে রান্নাবিষয়ক শিক্ষা হাতেকলমে শেখাবেন।

গোরমন্ড ওয়ার্ল্ড কুকবুক অ্যাওয়ার্ড পেলেন আলপনা হাবিব

 মাহবুব নাহিদ 
০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ছোটবেলায় খেলার ছলে শিখেছেন রান্না। ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময়েই রান্নার হাতেখড়ি। কে জানত সেই রান্নাই তাকে এনে দিবে এত বড় সম্মান। সম্প্রতি চলতি বছরের জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে ম্যাকাওতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের আলপনা হাবিব জিতেছেন গোরমন্ড ওয়ার্ল্ড কুকবুক অ্যাওয়ার্ড। বইমেলায় প্রথম বই ক্যাটাগরিতে আলপনা হাবিব তার আলপনা’জ কুকিং বইয়ের জন্য এ অ্যাওয়ার্ড পান। এ অ্যাওয়ার্ডকে অস্কার অব গ্যাস্ট্রোনমিও বলা হয়ে থাকে। প্রতি বছর রান্নার বইয়ের উপরে এ অ্যাওয়ার্ড দেয়া হয়। ১৯৯৫ সালে এ অ্যাওয়ার্ডের যাত্রা হয়। অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তির অনুভূতি বলতে গিয়ে আলপনা হাবিব বলেন, এ অবস্থান তৈরি করতে আমাকে অনেক শ্রম দিতে হয়েছে। মানুষের প্রশংসা, সততা আর নিরলস পরিশ্রমই আমাকে এ সাফল্য এনে দিয়েছে। মায়ের কাছে আমার রান্নার হাতেখড়ি। স্বামী আহসান হাবিবও আমাকে সর্বাত্মকভাবে সহযোগিতা করেছেন। আমাকে রান্নাবান্নায় সবচেয়ে বেশি উৎসাহিত করেছে বাংলাদেশের জননন্দিত রন্ধনশিল্পী অধ্যাপিকা সিদ্দিকা কবির। রন্ধনবিদ্যায় কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকলেও রন্ধনশিল্পী অধ্যাপিকা সিদ্দিকা কবিরের কাছ থেকেই যতটুকু শেখার শিখেছি।

আলপনা হাবিব ২০১২ সালে নিজের একটি ইউটিউব চ্যানেল করেন। সেখানেই তিনি নতুন নতুন রান্নার রেসিপি উপস্থাপন করেন। প্রতিটি রান্নায়েই তিনি চেষ্টা করেন নিজস্ব একটা টুইস্ট রাখতে, যা সবাইকে অবাক করে দেয়। তার চ্যানেলে ৮৩ হাজার সাবস্ক্রাইবার, তার ভিডিওগুলো ২ কোটিরও বেশি দেখা হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন রান্নার অনুষ্ঠানেও অংশগ্রহণ করেন তিনি। বিচারক হিসেবে অংশ নেন দুরন্ত টিভির ‘তীর লিটল শেফ’ অনুষ্ঠানে। ২০১৭ সালে তিনি উইমেন ইন লিডারশিপ ও ব্র্যান্ড ফোরাম কর্তৃক ‘ইন্সপায়ারিং উইমেন ইন কুলিনারি আর্ট’ নির্বাচিত হন। বাংলা ও ইংরেজি দু’ভাষায় প্রকাশিত ৫৫০ পৃষ্ঠার রঙিন ‘আলপনা’জ কুকিং’ বই বের হয় ২০১৮ সালের ১৩ মে। তিনি তার বইটি উৎসর্গ করেছেন অধ্যাপিকা সিদ্দিকা কবির ও ড. আফজালুন্নেসাকে। অ্যাওয়ার্ড কর্তৃপক্ষ নিজ উদ্যোগে আলপনা হাবিবের এ বইটি সংগ্রহ করেন। আলপনা হাবিবের মতে, তিনি দেশের নারী সমাজের উন্নয়নে, রন্ধনশিল্পের উন্নয়নে কাজ করতে চান। নিজের কোনো প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ইচ্ছা নেই। কিন্তু কেউ যদি তাকে এ কাজের জন্য ডাকেন তাহলে সবার জন্যই তার দরজা খোলা থাকবে। প্রয়োজনে দেশের নারীদের বিনা পারিশ্রমিকে রান্নাবিষয়ক শিক্ষা হাতেকলমে শেখাবেন।