একুশের প্রেরণায় এগিয়ে যাবে যুগান্তর

  গ্রন্থনা : সংগ্রাম সিংহ, সাইদুর রহমান পান্থ, মানিক রাইহান বাপ্পী ও নুরুল ইসলাম রকি ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

একুশের প্রেরণায় এগিয়ে যাবে যুগান্তর

একুশ মানেই এগিয়ে চলা। এই স্লোগানকে সামনে রেখে ‘দৈনিক যুগান্তর’ ২১তম বছরে পদাপর্ণ করল। জন্মলগ্ন থেকে এ পত্রিকা দেশের উন্নয়ন, নারী ও শিশুদের কথা বলে এসেছে।

কখনও তুলে ধরেছে নারীদের উন্নয়নের কথা, সাফল্য ও গৌরবগাথার গল্প। আর এ গল্পের মাধ্যমে উৎসাহিত হয়েছেন দেশ-বিদেশের নারী।

শুধু নারী ও শিশুই নয়, অবহেলিত, বঞ্চিত নারীদের কথাও উঠে এসেছে নানা প্রতিবেদনে। এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকার প্রয়াস নিয়েই এগিয়ে যাবে ‘যুগান্তর’।

‘দৈনিক যুগান্তর’ গণমানুষের কণ্ঠস্বর : সৈয়দ জোহরা আলাউদ্দিন এমপি

বহুল প্রচারিত ‘দৈনিক যুগান্তর’ ২০ বছর পেরিয়ে ২১ বছরে পদার্পণ করেছে। সত্য, নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে একটি প্রথমসারির জাতীয় দৈনিকের পক্ষে এটা কম কথা নয়। এরই মধ্যে অনেক বাধা, প্রতিবন্ধকতা, সীমাবদ্ধতাও অতিক্রম করতে হয়েছে। ফলে সর্বমহলে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে পত্রিকাটি।

প্রতিটি ক্ষেত্রে দেশের উন্নয়নের অংশীদার হয়েছে ‘যুগান্তর’ পরিবার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন-মিশন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও পত্রিকাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আমার প্রত্যাশা আগামীতেও সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে ‘যুগান্তর’ মুক্তিযুদ্ধ, রাষ্ট্রের হিতকর এবং সত্য ঘটনাকেই প্রাধান্য দিয়ে যাবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে দুর্নীতি, অন্যায় ও অপকর্ম দূর করতে ‘যুগান্তরে’র ভূমিকা থাকবে যুগান্তকারী, সেই প্রত্যাশা করি। ‘যুগান্তরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি রইল শুভকামনা।

সংসদ সদস্য, মহিলা আওয়ামী লীগ, মৌলভীবাজার জেলা শাখার প্রতিষ্ঠাতা সভানেত্রী

নারীবান্ধব সমাজ প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসুক : আমেনা বেগম

দুই দশক পার করে তিন দশকে পড়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় ‘দৈনিক যুগান্তর’। পত্রিকাটি তার বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে পাঠকের অন্তর জয় করতে সক্ষম হয়েছে। ‘যুগান্তর’ নারীবান্ধব সমাজ প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসুক এ কামনা করি। কারণ নারীরা নারীদের ভালো বুঝলেও পুরুষ সমাজ বোঝে না। তাই পুরুষদের মন-মানসিকতা পরিবর্তনে সহায়ক নিউজ, গল্প, ছবি যেন বেশি করে প্রকাশ করে ‘যুগান্তর’। যাতে পুরুষের মধ্যে নারীবান্ধব মন-মানসিকতা তৈরি হয়। ‘যুগান্তর’ এ ক্ষেত্রে বিরাট ভূমিকা রাখতে পারে।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন), চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ

পর্যটন শিল্পের বিকাশে ভূমিকা রাখতে পারে : মনোয়ারা হাকিম আলী

চট্টগ্রামে সরকারের উন্নয়ন অন্য সব আমলের উন্নয়নের রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। এ বিষয়গুলো সুন্দর ও সাবলীলভাবে তুলে ধরতে হবে। এ ধরনের উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে হলে সরকারের হাতকে শক্তিশালী করতে হবে। চট্টগ্রাম বাণিজ্যিক রাজধানী বলা হলেও এখনও আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি মেলেনি।

স্বীকৃতির ব্যাপারে ‘যুগান্তর’ বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে পারে। চট্টগ্রামের পর্যটন শিল্পের বিকাশে ভূমিকা রাখতে পারে। কেননা চট্টগ্রামে পর্যটন শিল্পের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। এসব নিয়ে যত বেশি লেখালেখি হবে পর্যটন শিল্প তত বেশি বিকশিত হবে। দেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।

প্রেসিডেন্ট, চট্টগ্রাম উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ

নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করবে ‘যুগান্তর’ : ড. মুর্শিদা ফেরদৌস বিনতে হাবিব

‘যুগান্তরে’র একুশ বছরে পদার্পণে শুভেচ্ছা। দীর্ঘ বিশটি বছর সফলতার সঙ্গে পাড়ি দিয়েছে তা অবশ্যই আনন্দের বিষয়। আমি পত্রিকাটির সাফল্য কামনা করছি। প্রত্যাশা রইল অতীতের মতো দেশ ও জাতির উন্নয়নে গঠনমূলক ও বলিষ্ঠ ভূমিকা অব্যাহত রাখবে।

‘যুগান্তর’ দেশের নারী উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে। আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে নারী উন্নয়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সমাজে বিদ্যমান নারীদের প্রতি বৈষম্যমূলক বিভিন্ন প্রথা ও কুসংস্কার দূর করে নারীদের সামনে এগিয়ে নিতে গণমাধ্যম বিশেষ করে ‘যুগান্তর’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নারী শিক্ষার প্রসারসহ নারীদের জীবনের সর্বক্ষেত্রে উন্নয়ন আনয়নে এ পত্রিকার ভূমিকা অনস্বীকার্য।

আমি প্রত্যাশা করি, গণমাধ্যম ক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে ‘যুগান্তর’ অগ্রণী ভূমিকা রাখবে। নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করবে। প্রত্যাশা করি, ‘যুগান্তর’ নারীদের মেধা ও সৃজনশীলতার বিকাশে, নারীদের মধ্যে সুপ্ত সম্ভাবনাগুলোর পরিস্ফুটনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। প্রতিশ্রুতিশীল ও সম্ভাবনাময় নারীদের তুলে আনবে।

অধ্যাপক, মনোবিজ্ঞান বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

গণমানুষের আস্থার আরেক নাম ‘যুগান্তর’ : মর্জিনা পারভিন

দেশের প্রথম সারির পত্রিকা ‘যুগান্তরে’র বিশ বছর পেরিয়ে একুশ বছরে পদার্পণে শুভকামনা। এ দীর্ঘ পথ চলায় বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে গণমানুষের মাঝে এক অনন্য অবস্থা তৈরি করে নিয়েছে। গণমানুষের কাছে ‘যুগান্তর’ এখন আস্থার আরেক নাম। সংবাদপত্রকে সমাজের দর্পণ বলে অভিহিত করা হয়ে থাকে।

সমাজে বিদ্যমান অসামঞ্জস্য ও অসংগতি জনমানুষের সামনে তুলে ধরে তা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এ সংবাদপত্র। ‘যুগান্তর’ সাহসিকতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে রাষ্ট্র ও সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনায় অগ্রণী ভূমিকা রাখছে। প্রত্যাশা থাকবে, আগামীতেও তাদের এ কর্মপ্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। ‘যুগান্তরে’র উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করছি। ‘যুগান্তর’ পরিবারসংশ্লিষ্ট সবার সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করছি। দীর্ঘজীবী হোক যুগান্তর, এগিয়ে যাক যুগান্তর।

সভানেত্রী, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ, রাজশাহী।

তারুণ্যকে উদ্বুদ্ধ করতে এগিয়ে আসতে হবে ‘যুগান্তর’কে : সোনালী সেন

‘যুগান্তর’ ২০ বছর ধরে কাজ করে চলেছে। তারুণ্যকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য ‘যুগান্তর’কে এগিয়ে আসতে হবে। ধর্ষণের বিরুদ্ধে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে আরও বেশি কাজ করতে হবে। ‘যুগান্তর’ তৃণমূলের নারীদের সমস্যা-সাফল্যের কথা বলে। এরপরও গ্রামগঞ্জের সাহসী নারীদের নিয়ে ভালো ভালো প্রতিবেদন তৈরির মাধ্যমে তরুণদের উদ্বুদ্ধ করার আরও পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে।

অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার, কেএমপি, খুলনা

তৃণমূল নারীদের নিয়ে কাজ করুক ‘যুগান্তর’ : শাহীন আকতার রেনী

মুজিব জন্মশতবর্ষে ‘যুগান্তরে’র ২১ বছর পদার্পণে অভিনন্দন জানাচ্ছি। প্রতিষ্ঠা থেকেই ‘যুগান্তর’ নারীর উন্নয়নের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখে আসছে। নারীর সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে ‘সুরঞ্জনা’ পাতায় নিয়মিত প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। নারীসমাজকে এগিয়ে নিতে এ পাতার ভূমিকা অতুলনীয়। নারীদের নিয়ে ‘যুগান্তরে’র এ কর্মপ্রচেষ্টা অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখে।

দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য নারীদের নিয়ে পরিকল্পনা জরুরি; এর কোনো বিকল্প নেই। নারীর ক্ষমতায়নে পাশ্ববর্তী দেশগুলো থেকে অনেকাংশে এগিয়ে আছি আমরা। এসডিজি উন্নয়ন গোলসমূহে নারী ও শিক্ষার উন্নয়ন এবং দারিদ্র্য দূরীকরণ অন্যতম লক্ষ্য।

সিনিয়র সহ-সভাপতি, রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ

‘যুগান্তরে’ সামাজিক কর্মকাণ্ডগুলো আরও তুলে ধরতে হবে : জেসমিন পারভীন জলি

‘যুগান্তর’ সব সময়ই বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে। যার কারণে পাঠকপ্রিয়তা অনেক। তবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিষয়গুলো ‘যুগান্তরে’ প্রকাশ করা প্রয়োজন। এতে করে অনেকে উৎসাহী হবে।

আইনজীবী, নারী ও নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর পিপি, খুলনা

‘যুগান্তর’ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বন্ধু : আতিকা ইসলাম

‘সত্যের সন্ধানে নির্ভীক’ এই স্লোগানকে ধারণ করে সত্য, বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে পাঠকের আস্থা অর্জন করেছে ‘দৈনিক যুগান্তর’। পত্রিকাটি ২১তম বর্ষে পদার্পণ করায় পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও প্রাণঢালা অভিনন্দন।

গণমানুষের তথ্য চাহিদা পূরণে, দেশ ও জাতির স্বার্থ সুরক্ষায় যুগান্তরের এই পথচলায় তার সাহসী ভূমিকায় সাধুবাদ জানাই। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাঙালির জাতিসত্ত্বা, ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিকাশে অসাম্প্রদায়িক সমাজ উন্নয়নে ‘যুগান্তর’ আপসহীন ভূমিকা পালন করছে।

মুজিববর্ষে ‘যুগান্তরে’র গৌরবময় পদার্পণ বঙ্গবন্ধুর আজন্ম লালিত স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়নে সঞ্জীবনী শক্তি জোগাবে- এ প্রত্যাশা রইল। একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও ক্ষুধা দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা বিনির্মাণে দেশের সাম্প্রদায়িকতা, জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালন করবে পত্রিকাটি।

অধিকায়ক (অ্যাডিশনাল ডিআইজি), র‌্যাব-৮, বরিশাল

সহযাত্রী হিসেবে ‘যুগান্তর’কে পাশে চাই : রাশিদা বেগম

বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে ‘দৈনিক যুগান্তর’ ২১ বছরে পড়ল। দেশের পাঠকের মাঝে একটি পত্রিকা এত বছর চলমান অবস্থায় থাকা অবশ্যই পেশাদারিত্বের পরিচয় দেয়। পত্রিকাটি অতীতে যেমন দেশের উন্নয়ন, সমস্যা-সম্ভাবনা তুলে ধরেছে তা চলমান থাকবে বলে আমার বিশ্বাস।

পাশাপাশি অবহেলিত জনগোষ্ঠী, নারী ও শিশুবিষয়ক সংবাদ আরও বেশি প্রত্যাশা করছি। নারীরা যেটুকু এগিয়েছেন তার পেছনে অবশ্যই গণমাধ্যমের ভূমিকা ব্যাপক। তাই আমাদের এগিয়ে যাওয়ার সহযাত্রী হিসেবে আমরা আজীবন ‘যুগান্তর’কে পাশে চাই। পাশাপাশি প্রত্যাশা থাকবে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও সততার সঙ্গে সংবাদ প্রকাশ করে ‘যুগান্তর’ শীর্ষ অবস্থান ধরে রাখবে। ‘যুগান্তরে’র সঙ্গে জড়িত সবার প্রতি রইল অফুরন্ত ভালোবাসা।

উপপরিচালক, মহিলাবিষয়ক অধিদফতর, বরিশাল বিভাগ

শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকায় ‘যুগান্তর’ : পাপিয়া জেসমিন

২১ বছরে ‘যুগান্তর’! অসাম্প্রদায়িক চেতনায় এগিয়ে যাচ্ছে এ পত্রিকাটি। বিষয়টি আনন্দের! সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের পেছনে যারা অক্লান্ত শ্রম দিয়েছেন তাদের সবার প্রতি রইল ভালোবাসা। পত্রিকাটি দেশ ও জাতির অগ্রগতির খবরের পাশাপাশি শিক্ষাবিষয়ক নানাবিধ সংবাদ প্রকাশ করে। এতে দেশের শিক্ষার্থীরা উপকৃত হচ্ছে।

এভাবে দেশের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে ‘যুগান্তর’। পত্রিকাটি শিক্ষাবিষয়ক সংবাদ চলমান রাখবে বলে আমার বিশ্বাস। পাশাপাশি অন্যান্য বিভাগেও চাই নতুনত্ব। কারণ আমাদের প্রত্যাশার শেষ নেই! স্বচ্ছতার সঙ্গে এগিয়ে যাবে ‘যুগান্তর’। সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনা করি।

প্রধান শিক্ষক, শহীদ আবদুর বর সেরনিয়াবাত সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বরিশাল।

খবরের পেছনের খবরকে করে আনতে হবে : অধ্যাপক শাহেদা ইসলাম

‘যুগান্তর’ মানে ‘সময়ের সঙ্গে চলা’। আমি ‘যুগান্তর’ পত্রিকাকে আধুনিক পত্রিকা হিসেবে দেখি। পাঠকদের চাওয়াও অনেক বেড়েছে। এই বিশাল চাহিদা পূরণে ‘যুগান্তরে’র একটা অভাবনীয় প্রচেষ্টা রয়েছে। কী ধরনের রিপোর্টে পাঠকদের সন্তুষ্ট করা যায়; এদিকে ‘যুগান্তরে’র শতভাগ প্রচেষ্টা রয়েছে। ‘পৃথিবী এখন গ্লোবাল ভিলেজ।

তাই কোনো ধরনের সুপারফিশিয়াল খবর দিয়ে পাঠককে আকৃষ্ট করা যায় না। পাঠককে সন্তুষ্ট করতে হলে গভীর সত্য যেটা, খবরের পেছনের খবরকে করে আনতে হবে। ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভকামনা রইল।

সাবেক চেয়ারম্যান, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড

নারীর ন্যায্যতার পক্ষে কথা বলে ‘যুগান্তর’ : শাহ্ সাজেদা

‘যুগান্তরে’র ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পত্রিকার সম্পাদক, প্রকাশক, সাংবাদিক, কলাকুশলী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। নারীর সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় গণমাধ্যমের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। অতীতের মতোই ‘যুগান্তর’ কাজটি অব্যাহত রাখবে।

সমাজের সর্বস্তরের নারী ও মেয়েশিশু ধর্ষণ ও হত্যাসহ নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে গেছে, তা প্রতিরোধে পাশে থাকবে এ প্রত্যাশা করি। নারীর যেটুকু অগ্রগতি সাধিত হয়েছে তা শুধু সরকারের একার সদিচ্ছায় নয়। সেটা সম্ভব হয়েছে তৃণমূল থেকে উচ্চপর্যায়ের নারীদের আন্দোলন-সংগ্রাম ও আকাক্সক্ষার ফলে।

জন্মলগ্ন থেকেই নারীর অধিকারের পক্ষে লিখে যাচ্ছে পত্রিকাটি। অসহায় নারীদের পথচলার সহযাত্রী এই ‘যুগান্তর’। তাই ভবিষ্যতেও নারীর ন্যায্য অধিকার আদায়ের আন্দোলনে ‘যুগান্তর’কে পাশে পাব এ প্রত্যাশা রইল।

অধ্যাপক, সভাপতি, সচেতন নাগরিক কমিটি, বরিশাল

‘যুগান্তর’ গণমানুষের কথা বলে : রহিমা সুলতানা কাজল

‘দৈনিক যুগান্তর’ ২০ বছর ধরে অবহেলিত গণমানুষের কথা বলে আসছে। তাদের লেখনী থেকে বাদ যায়নি সমাজের পিছিয়ে পড়া নারী ও শিশুরা। আমরা যারা ‘যুগান্তরে’র নারী পাঠক আছি তাদের নিয়েও লেখা উচিত। লেখা উচিত সমাজের প্রত্যেক নারীকে নিয়ে।

যারা এখনও গোপনে নানা বঞ্চনা, নির্যাতন মুখ বুঝে সহ্য করেন। তাদের কষ্টের কথা সমাজের প্রত্যেকের জানা দরকার। এতে আমরা সচেতন হতে পারব। পত্রিকাটি অতীত সুনাম অক্ষুণ্ন রেখে সামনে এগিয়ে যাক এ কামনা থাকল।

নির্বাহী পরিচালক, আভাস, বরিশাল

‘যুগান্তরে’র জন্য ভালোবাসা : স্বর্ণলতা রায়

নানা প্রতিকূলতাকে মোকাবেলা করে দুই দশক পেরিয়ে একুশে পদার্পণের লগ্নে ‘যুগান্তর’ পরিবারের সবাইকে শুভেচ্ছা জানাই। সত্য, নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে দীর্ঘ এ পথচলা ‘যুগান্তরে’র। দেশবাসী জানেন ‘যুগান্তর’ প্রকাশনা কর্তৃপক্ষ দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্প প্রতিষ্ঠান ‘যমুনা গ্রুপ’।

শিল্প-বাণিজ্যের নানা প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে দেশে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে ‘যুগান্তরে’র আরও বলিষ্ঠ পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছি।

সভাপতি, সিলেট উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি

‘যুগান্তর’ বাতিঘর হয়ে থাকুক অনাদিকাল : শামছুন নাহার বেগম (শাহানা রব্বানী)

২০ বছর পেরিয়ে আসা যে কোনো দৈনিক পত্রিকার জন্য অত্যন্ত গৌরবের। আমাদের ভালোবাসার ‘দৈনিক যুগান্তর’ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের নির্ভরশীল কণ্ঠস্বর। একই সঙ্গে সত্য, নিরপেক্ষ, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে ‘যুগান্তর’ যুগান্তকারী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। প্রকাশনার পর থেকে ‘দৈনিক যুগান্তর’ সমাজের অসঙ্গতির কথা সাহসিকতার সঙ্গে তুলে ধরছে। যে কারণে কম সময়ের মধ্যে পত্রিকাটি পাঠকপ্রিয়তা পায়।

তৃণমূল থেকে সংবাদ তুলে আনার ক্ষেত্রে ‘যুগান্তরে’র জুড়ি মেলা ভার। দুর্নীতির বিরুদ্ধে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের ক্ষেত্রে ‘যুগান্তর’ সবসময় ছিল ব্যতিক্রম। নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় হাজারো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে এগিয়ে যেতে হচ্ছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নারীর অগ্রযাত্রায় ‘যুগান্তর’ অগ্রণী ভূমিকা রাখবে এ প্রত্যাশা রইল।

‘যুগান্তর’ ২১ বছরে পা দিয়েছে মানে পত্রিকাটি যৌবনে পা দিয়েছে। পত্রিকাটি যেন তার যৌবন আজীবন ধরে রাখতে পারে। পাঠকপ্রিয় পত্রিকা ‘যুগান্তরে’র ২০ বছর পূর্তিতে আবারও অভিনন্দন জানাচ্ছি। ‘যুগান্তর’ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন।

সাবেক সংসদ সদস্য (সংরক্ষিত নারী আসন সুনামগঞ্জ-মৌলভীবাজার), আইনজীবী, পিপি, জজকোর্ট সুনামগঞ্জ

নারীর মূল্যায়নে এগিয়ে থেকেছে ‘যুগান্তর’ : ড. লাইলা আরজুমান বানু

পাঠক নন্দিত সংবাদপত্র ‘দৈনিক যুগান্তর’ দীর্ঘ পথ পেরিয়ে ২১ বছরে পদার্পণ করেছে। একজন পাঠক হিসেবে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অংশীদার হতে পারাটা অত্যন্ত আনন্দের। একসময় পর্যন্ত গণমাধ্যমেও নারীর দুর্বল উপস্থাপন হয়েছে। সেটা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছে ‘যুগান্তর’। সংবাদপত্রে ইতিবাচক সংবাদ প্রকাশ পরিস্থিতি বদলে দিতে শুরু করেছে। উদ্যমী নারীরা নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে।

গ্রামীণ নারীরা তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হচ্ছেন। এ সাফল্যের জন্য পাঠকপ্রিয় ‘দৈনিক যুগান্তরে’র অবদান অস্বীকার করা যায় না। বিশেষ করে ‘যুগান্তরে’র ‘সুরঞ্জনা’ পাতায় নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠা, নারীর সংগ্রাম, সফলতার গল্প তুলে ধরে চলেছে নিয়মিত। যার কারণে অন্য নারীরাও উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন ভালো কাজে এগিয়ে থাকার জন্য। নারীকে এগিয়ে নেয়ার জন্য ‘যুগান্তরে’র এ আয়োজন সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে।

ছাত্র উপদেষ্টা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

পাশে আছি থাকব : সুষমা দাশ

‘দৈনিক যুগান্তরে’র ২১ বছরে পদার্পণের মাহেন্দ্রক্ষণে শুভেচ্ছা জানাই সংশ্লিষ্ট সবাইকে। সত্যের সন্ধানে অটল, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে থেকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার। আগামীতেও পত্রিকাটি স্বচ্ছ শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতির কথা তুলে ধরবে।

মফস্বল আর প্রত্যন্ত এলাকা বলে যেন যোগ্য ব্যক্তিকে এড়িয়ে না যায়। আমরা পাশে আছি, আগামীতেও থাকব। ‘যুগান্তর’ এগিয়ে যাক। সবার জন্য শুভকামনা।

একুশে পদকপ্রাপ্ত লোকসঙ্গীত শিল্পী, সিলেট

আরও পড়ুন

'কোভিড-১৯' সর্বশেষ আপডেট

# আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ ৪৮ ১৫
বিশ্ব ৭,১০,৯৮৭১,৫০,৭৮৮৩৩,৫৫৭
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

 
×