এখনো খোঁজ মেলেনি ৫ বছরের জান্নাতুলের
jugantor
এখনো খোঁজ মেলেনি ৫ বছরের জান্নাতুলের

  রীতা ভৌমিক  

১৮ জানুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পাবনার আটঘরিয়া থানার চকধলেশ্বর গ্রামের ৯নং ওয়ার্ডে আমেনা খাতুন গত বছরের ২ নভেম্বর খুন হন। হত্যাকারী শ্বশুর মো. হায়দার আলী শেখ (৫০) ৫ বছরের নাতনি জান্নাতুলকে নিয়ে পলাতক। পুলিশ এখনো আমেনার শ্বশুরকে গ্রেফতার ও মেয়ে জান্নাতুলকে উদ্ধার করতে পারেননি। স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়ি আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা আমেনা খাতুনকে (২৫) পুকুরে ডুবিয়ে হত্যা করে। দিবাগত রাত তিনটায় বাড়ির পাশে স্থানীয় ব্যক্তি রাজ্জাকের পুকুর থেকে আমেনা খাতুনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। মা মর্জিনা খাতুন ও বাবা মো. আমিন উদ্দিন মেয়ে হত্যার সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে এবং ৫ বছরের নাতনিকে উদ্ধারের জন্য আটঘরিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন।

আমেনা খাতুনের হত্যায় স্বামী মো. আজিম উদ্দিন শেখ (৩০), শ্বশুর মো. হায়দার আলী শেখ (৫০), শাশুড়ি রাশিদা বেগম (৪৫) ও ননদের স্বামী মো. মাসুদ রানা (২৮) চারজনকে আসামি করে বাদী মো. আমিন উদ্দিন ১১(ক)/৩০ ২০২০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনী ২০০৩ ধারায় যৌতুকের জন্য মারপিট করে হত্যা ও সহায়তা করার অপরাধে মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর ৩। আমেনার হত্যার প্রায় দুই মাসের অধিক হলেও চার্জশিট এখনও দাখিল করেননি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার চকধলেশ্বর গ্রামের মো. আজিম উদ্দিন শেখ পেশায় একজন দিনমজুর। তার সঙ্গে বছর সাতেক আগে এক লাখ টাকা যৌতুকে বিয়ে হয় ধলেশ্বর গ্রামের নবম শ্রেণির ছাত্রী আমেনা খাতুনের। বাবা মো. আমিন উদ্দিন মালয়েশিয়ায় চাকরি করতেন।

বিয়ের পরই স্বামী, শাশুড়ি, শ্বশুর প্রায়ই আমেনার ওপর শারীরিক-মানসিক দু’রকমেরই নির্যাতন চালায়। মাঝে মাঝেই আজিম উদ্দিন শেখ স্ত্রীকে চাপ দিত বাবার বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য। স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়ির অকথ্য নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে আমেনা বাবার বাড়ি চলে আসেন। পৌরসভার মেয়র শহীদুল ইসলাম রতন সালিশির মাধ্যমে মীমাংসা করে দেন। আমেনা খাতুনের কোলজুড়ে আসে এক মেয়ে সন্তান। এরপর ওর ওপর শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নির্যাতনের মাত্রা বাড়তে থাকে।

মেয়ে আমেনা খাতুনের মৃত্যুতে মা মর্জিনা খাতুন পাগলপ্রায়। তিনি বলেন, ‘বেটিরে যাতে নির্যাতন না করে, মারধর না করে তার জন্য এ পর্যন্ত সাত থেকে আট লাখ টাকা জামাইরে দিছি। এরপরও আমেনার শাশুড়ি বেটিরে বলত, ‘এক ছাওয়াল দিয়া সাত বউ দেখমু।’ শ্বশুর রাগারাগি কইর‌্যা ওর আখা (উনুন) ভাইঙা দেয়। এজন্য বেটিরে গ্যাসের চুলা কিনা দিলাম। যেদিন আমার বেটিরে ওরা খুন করে সেদিন বিকালে ননদের ছাওয়ালরে নিয়া আমাগো বাড়ি আইছিল। বেটি বলল, ‘মা ছোট মাছ দাও, তোমার জামাই বড় মাছ খাবে না।’ দুই প্যাকেট ছোট মাছ ছিল, সেসঙ্গে বড় মাছের প্যাকেটও দিলাম। বেটিরে বললাম, আম্মু চাইরটা খাওয়া-দাওয়া কর। বেটি বলল, ‘তাড়াতাড়ি মাছ দাও, তোমার জামাই আইস্যা না দেখলে রাগারাগি করব। ননদে বাড়ি আইছে।’ বেটি না খাইয়াই চইল্যা গেল। ওই রাতেই তিনটার দিকে বাড়িওয়ালার ফোন বাজে। ফোন ধরতেই ওপাশ থেকে জামাইর মা কয়, ‘আমেনারে পাওয়া যাইতাছে না। ছাওয়াল মানা করছে মাইঠালে যাইতে। তারপরও আমেনা মাইঠালে গেছে।’ এই কথা শোনামাত্র চিৎকুর দিয়া বলছি, বেটি নাই। দৌড়ে যাইয়া দেখি জামাইর বাবা-মা মাইঠাল থিক্যা বাড়ির দিকে যাইতাছে। মাইঠালে গিয়া দেখি অল্প পানিতে আমার আমেনা ভাইসা রইছে। ওগো বাড়িতে গিয়া দেখি জামাই কবুতরের খোপ ধইর‌্যা দাঁড়াইয়া রইছে। নাতনি বাড়িত নাই। নাতনিরে নিয়া দাদায় পলাইছে।

আমেনা খাতুনের ময়না তদন্তের প্রতিবেদন এবং শ্বশুরকে গ্রেফতার ও জান্নাতুলকে উদ্ধার প্রসঙ্গে আটঘরিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ আসিফ মোহাম্মদ সিদ্দিকুল ইসলাম জানান, এলাকাবাসীর সহায়তায় নিহত আমেনা খাতুনের স্বামী মো. আজিম উদ্দিন শেখ, শাশুড়ি মোছা. রাশিদা খাতুন ও ননদের স্বামী মো. মাসুদ রানাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শ্বশুরকে আমরা এখনও ধরতে পারিনি। কুষ্টিয়ার চরে আত্মগোপন করেছে সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে গিয়েও তাদের পাওয়া যায়নি। আমেনার মেয়েকে উদ্ধারের চেষ্টা করছি। ময়না তদন্তের প্রতিবেদন পেলেই চার্জশিট দাখিল করব। ১৬৪ ধারায় আমেনা খাতুনের স্বামী মো. আজিম উদ্দিন শেখ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

আমেনা খাতুনের বাবা মো. আমিন উদ্দিনের মতে, মো. হায়দার আলী ধরা পড়ে নাই। আমার নাতনি জান্নাতুলরে নিয়া কোথায় আছে জানিনা। বেটিরে হারাইছি, নাতনি জান্নাতুলকে হারাইতে চাই না। বেটির খুনের সুষ্ঠু বিচার চাই।

তিনি আরও বলেন, এখন শুনছি, জামাই বোনের ননদরে বিয়ে করছে। এই কথা আমরা কেউ জানতাম না। সেই বৌও দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা। ওই বৌরে বাড়ি আনতেই অতরাতে বেটিরে মাইঠালে নিয়া ওরা খুন করে।

পাবনার আটঘরিয়া থানার দেবোত্তর ইউনিয়নে আমরাই পারি পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ জোটের চেঞ্জমেকার মোছা. নূরুন নাহার খাতুন আমেনার হত্যা প্রসঙ্গে বলেন, পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধে আমরা এ এলাকার চেঞ্জমেকাররা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছি। আমেনার খুনের সংবাদ পাওয়ামাত্রই আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি পুলিশ তিনজন আসামিকে গ্রেফতার করেছে। মামলার ফলোআপ করছি। এখানে স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে, পরিকল্পিতভাবে স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়ি দ্বারা আমেনা খাতুন খুন হয়েছে। আমেনার মেয়েকে যাতে উদ্ধার করা যায় এবং ওর হত্যা মামলায় বাবা-মা সুষ্ঠু বিচার পায় এই বিষয়টিও আমরা দেখছি। অপরাধী শাস্তি পেলে এরকম ঘটনা এলাকায় আর কেউ ঘটাতে সাহস পাবে না।

এখনো খোঁজ মেলেনি ৫ বছরের জান্নাতুলের

 রীতা ভৌমিক 
১৮ জানুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পাবনার আটঘরিয়া থানার চকধলেশ্বর গ্রামের ৯নং ওয়ার্ডে আমেনা খাতুন গত বছরের ২ নভেম্বর খুন হন। হত্যাকারী শ্বশুর মো. হায়দার আলী শেখ (৫০) ৫ বছরের নাতনি জান্নাতুলকে নিয়ে পলাতক। পুলিশ এখনো আমেনার শ্বশুরকে গ্রেফতার ও মেয়ে জান্নাতুলকে উদ্ধার করতে পারেননি। স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়ি আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা আমেনা খাতুনকে (২৫) পুকুরে ডুবিয়ে হত্যা করে। দিবাগত রাত তিনটায় বাড়ির পাশে স্থানীয় ব্যক্তি রাজ্জাকের পুকুর থেকে আমেনা খাতুনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। মা মর্জিনা খাতুন ও বাবা মো. আমিন উদ্দিন মেয়ে হত্যার সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে এবং ৫ বছরের নাতনিকে উদ্ধারের জন্য আটঘরিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন।

আমেনা খাতুনের হত্যায় স্বামী মো. আজিম উদ্দিন শেখ (৩০), শ্বশুর মো. হায়দার আলী শেখ (৫০), শাশুড়ি রাশিদা বেগম (৪৫) ও ননদের স্বামী মো. মাসুদ রানা (২৮) চারজনকে আসামি করে বাদী মো. আমিন উদ্দিন ১১(ক)/৩০ ২০২০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনী ২০০৩ ধারায় যৌতুকের জন্য মারপিট করে হত্যা ও সহায়তা করার অপরাধে মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর ৩। আমেনার হত্যার প্রায় দুই মাসের অধিক হলেও চার্জশিট এখনও দাখিল করেননি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার চকধলেশ্বর গ্রামের মো. আজিম উদ্দিন শেখ পেশায় একজন দিনমজুর। তার সঙ্গে বছর সাতেক আগে এক লাখ টাকা যৌতুকে বিয়ে হয় ধলেশ্বর গ্রামের নবম শ্রেণির ছাত্রী আমেনা খাতুনের। বাবা মো. আমিন উদ্দিন মালয়েশিয়ায় চাকরি করতেন।

বিয়ের পরই স্বামী, শাশুড়ি, শ্বশুর প্রায়ই আমেনার ওপর শারীরিক-মানসিক দু’রকমেরই নির্যাতন চালায়। মাঝে মাঝেই আজিম উদ্দিন শেখ স্ত্রীকে চাপ দিত বাবার বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য। স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়ির অকথ্য নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে আমেনা বাবার বাড়ি চলে আসেন। পৌরসভার মেয়র শহীদুল ইসলাম রতন সালিশির মাধ্যমে মীমাংসা করে দেন। আমেনা খাতুনের কোলজুড়ে আসে এক মেয়ে সন্তান। এরপর ওর ওপর শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নির্যাতনের মাত্রা বাড়তে থাকে।

মেয়ে আমেনা খাতুনের মৃত্যুতে মা মর্জিনা খাতুন পাগলপ্রায়। তিনি বলেন, ‘বেটিরে যাতে নির্যাতন না করে, মারধর না করে তার জন্য এ পর্যন্ত সাত থেকে আট লাখ টাকা জামাইরে দিছি। এরপরও আমেনার শাশুড়ি বেটিরে বলত, ‘এক ছাওয়াল দিয়া সাত বউ দেখমু।’ শ্বশুর রাগারাগি কইর‌্যা ওর আখা (উনুন) ভাইঙা দেয়। এজন্য বেটিরে গ্যাসের চুলা কিনা দিলাম। যেদিন আমার বেটিরে ওরা খুন করে সেদিন বিকালে ননদের ছাওয়ালরে নিয়া আমাগো বাড়ি আইছিল। বেটি বলল, ‘মা ছোট মাছ দাও, তোমার জামাই বড় মাছ খাবে না।’ দুই প্যাকেট ছোট মাছ ছিল, সেসঙ্গে বড় মাছের প্যাকেটও দিলাম। বেটিরে বললাম, আম্মু চাইরটা খাওয়া-দাওয়া কর। বেটি বলল, ‘তাড়াতাড়ি মাছ দাও, তোমার জামাই আইস্যা না দেখলে রাগারাগি করব। ননদে বাড়ি আইছে।’ বেটি না খাইয়াই চইল্যা গেল। ওই রাতেই তিনটার দিকে বাড়িওয়ালার ফোন বাজে। ফোন ধরতেই ওপাশ থেকে জামাইর মা কয়, ‘আমেনারে পাওয়া যাইতাছে না। ছাওয়াল মানা করছে মাইঠালে যাইতে। তারপরও আমেনা মাইঠালে গেছে।’ এই কথা শোনামাত্র চিৎকুর দিয়া বলছি, বেটি নাই। দৌড়ে যাইয়া দেখি জামাইর বাবা-মা মাইঠাল থিক্যা বাড়ির দিকে যাইতাছে। মাইঠালে গিয়া দেখি অল্প পানিতে আমার আমেনা ভাইসা রইছে। ওগো বাড়িতে গিয়া দেখি জামাই কবুতরের খোপ ধইর‌্যা দাঁড়াইয়া রইছে। নাতনি বাড়িত নাই। নাতনিরে নিয়া দাদায় পলাইছে।

আমেনা খাতুনের ময়না তদন্তের প্রতিবেদন এবং শ্বশুরকে গ্রেফতার ও জান্নাতুলকে উদ্ধার প্রসঙ্গে আটঘরিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ আসিফ মোহাম্মদ সিদ্দিকুল ইসলাম জানান, এলাকাবাসীর সহায়তায় নিহত আমেনা খাতুনের স্বামী মো. আজিম উদ্দিন শেখ, শাশুড়ি মোছা. রাশিদা খাতুন ও ননদের স্বামী মো. মাসুদ রানাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শ্বশুরকে আমরা এখনও ধরতে পারিনি। কুষ্টিয়ার চরে আত্মগোপন করেছে সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে গিয়েও তাদের পাওয়া যায়নি। আমেনার মেয়েকে উদ্ধারের চেষ্টা করছি। ময়না তদন্তের প্রতিবেদন পেলেই চার্জশিট দাখিল করব। ১৬৪ ধারায় আমেনা খাতুনের স্বামী মো. আজিম উদ্দিন শেখ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

আমেনা খাতুনের বাবা মো. আমিন উদ্দিনের মতে, মো. হায়দার আলী ধরা পড়ে নাই। আমার নাতনি জান্নাতুলরে নিয়া কোথায় আছে জানিনা। বেটিরে হারাইছি, নাতনি জান্নাতুলকে হারাইতে চাই না। বেটির খুনের সুষ্ঠু বিচার চাই।

তিনি আরও বলেন, এখন শুনছি, জামাই বোনের ননদরে বিয়ে করছে। এই কথা আমরা কেউ জানতাম না। সেই বৌও দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা। ওই বৌরে বাড়ি আনতেই অতরাতে বেটিরে মাইঠালে নিয়া ওরা খুন করে।

পাবনার আটঘরিয়া থানার দেবোত্তর ইউনিয়নে আমরাই পারি পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ জোটের চেঞ্জমেকার মোছা. নূরুন নাহার খাতুন আমেনার হত্যা প্রসঙ্গে বলেন, পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধে আমরা এ এলাকার চেঞ্জমেকাররা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছি। আমেনার খুনের সংবাদ পাওয়ামাত্রই আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি পুলিশ তিনজন আসামিকে গ্রেফতার করেছে। মামলার ফলোআপ করছি। এখানে স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে, পরিকল্পিতভাবে স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়ি দ্বারা আমেনা খাতুন খুন হয়েছে। আমেনার মেয়েকে যাতে উদ্ধার করা যায় এবং ওর হত্যা মামলায় বাবা-মা সুষ্ঠু বিচার পায় এই বিষয়টিও আমরা দেখছি। অপরাধী শাস্তি পেলে এরকম ঘটনা এলাকায় আর কেউ ঘটাতে সাহস পাবে না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন