হাঁসের খামার গড়ে স্বপ্ন পূরণ কাকলীর
jugantor
হাঁসের খামার গড়ে স্বপ্ন পূরণ কাকলীর

  আবুল হাশেম  

১৮ জানুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

হাঁসের বাচ্চাদের খাবার দিচ্ছিলেন ময়মনসিংহ জেলার ধোবাউড়া উপজেলার ধোবাউড়া সদর ইউনিয়নের সাপমারী গ্রামের কাকলী চিছাম। স্বামী-সন্তানদের সহযোগিতায় করোনাকালীন কাকলী গড়ে তুলেছেন একটি দেশি জাতের হাসের খামার। অনেকদিন ধরেই তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন একটি দেশি হাঁসের খামার গড়ে তোলার। এ স্বপ্ন পূরণের জন্য নিজের জমানো সঞ্চয় এবং এনজিও থেকে ২০ হাজার টাকার ঋণ নিয়ে গড়ে তোলেন এ খামার। করোনাকালীন তিনি প্রতিটি হাঁসের বাচ্চা ৩৫ টাকা দরে ৭০০ হাঁসের বাচ্চা কিনেন। ২৪ হাজার ৫০০ টাকার হাঁসের বাচ্চা কিনে পরিচর্যা করছেন। এখন প্রতিটি হাঁসের বাজারমূল্য ১০০ টাকা।

স্বামী-স্ত্রী আর এক ছেলে ও দুই মেয়ে নিয়ে তার সংসার। দুই ছেলেমেয়ে স্কুলে পড়ে। ছোট মেয়ের স্কুলে যাওয়ার বয়স হয়নি। হাঁস প্রতিপালন, সংসার দেখাশোনার পাশাপাশি কাকলী চিছাম বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে জড়িত। তিনি স্বাবলম্বী সিডস প্রকল্পের অনুসন্ধান এসআরজি দলের সভাপতি। সাপমারী গ্রামের ১নং ওয়ার্ডের লিলি জনসংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক।

এ প্রসঙ্গে কাকলী চিছাম বলেন, চার মাস পর পর ৬০০ হাঁস বিক্রি করব। প্রতিটি হাস ১৫০-১৮০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করতে পারব। যার বাজারমূল্য পাব ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। হাঁস পরিচর্যার খরচ বাদ দিয়ে ৪ মাসে লাভ হবে ৫০ হাজার টাকার মতো। বাকি যা থাকবে সেটা ডিমের জন্য রেখে দেব। বৈশাখ মাসে আরও ১ হাজার হাঁসের বাচ্চা কিনবেন। হাঁসগুলো পরিচর্যার নানা পরামর্শ পেয়েছি সিএসপি (প্রাণী) মোঃ আরব আলীর কাছ থেকে। তিনি সার্বিকভাবে আমাকে সহযোগিতা করেছেন। নিয়মিত ভ্যাকসিন দিয়েছেন। তার সঙ্গে আমার কথা হয়েছে, বাজারে বিক্রি করার আগ পর্যন্ত তিনি হাঁসগুলোর নিয়মিত চিকিৎসাসেবা দেবেন। আমার একটাই স্বপ্ন, ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া শিখে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হবে। বসবাসের জন্য একটি সুন্দর বাড়ি তৈরি করতে চাই।

হাঁসের খামার গড়ে স্বপ্ন পূরণ কাকলীর

 আবুল হাশেম 
১৮ জানুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

হাঁসের বাচ্চাদের খাবার দিচ্ছিলেন ময়মনসিংহ জেলার ধোবাউড়া উপজেলার ধোবাউড়া সদর ইউনিয়নের সাপমারী গ্রামের কাকলী চিছাম। স্বামী-সন্তানদের সহযোগিতায় করোনাকালীন কাকলী গড়ে তুলেছেন একটি দেশি জাতের হাসের খামার। অনেকদিন ধরেই তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন একটি দেশি হাঁসের খামার গড়ে তোলার। এ স্বপ্ন পূরণের জন্য নিজের জমানো সঞ্চয় এবং এনজিও থেকে ২০ হাজার টাকার ঋণ নিয়ে গড়ে তোলেন এ খামার। করোনাকালীন তিনি প্রতিটি হাঁসের বাচ্চা ৩৫ টাকা দরে ৭০০ হাঁসের বাচ্চা কিনেন। ২৪ হাজার ৫০০ টাকার হাঁসের বাচ্চা কিনে পরিচর্যা করছেন। এখন প্রতিটি হাঁসের বাজারমূল্য ১০০ টাকা।

স্বামী-স্ত্রী আর এক ছেলে ও দুই মেয়ে নিয়ে তার সংসার। দুই ছেলেমেয়ে স্কুলে পড়ে। ছোট মেয়ের স্কুলে যাওয়ার বয়স হয়নি। হাঁস প্রতিপালন, সংসার দেখাশোনার পাশাপাশি কাকলী চিছাম বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে জড়িত। তিনি স্বাবলম্বী সিডস প্রকল্পের অনুসন্ধান এসআরজি দলের সভাপতি। সাপমারী গ্রামের ১নং ওয়ার্ডের লিলি জনসংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক।

এ প্রসঙ্গে কাকলী চিছাম বলেন, চার মাস পর পর ৬০০ হাঁস বিক্রি করব। প্রতিটি হাস ১৫০-১৮০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করতে পারব। যার বাজারমূল্য পাব ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। হাঁস পরিচর্যার খরচ বাদ দিয়ে ৪ মাসে লাভ হবে ৫০ হাজার টাকার মতো। বাকি যা থাকবে সেটা ডিমের জন্য রেখে দেব। বৈশাখ মাসে আরও ১ হাজার হাঁসের বাচ্চা কিনবেন। হাঁসগুলো পরিচর্যার নানা পরামর্শ পেয়েছি সিএসপি (প্রাণী) মোঃ আরব আলীর কাছ থেকে। তিনি সার্বিকভাবে আমাকে সহযোগিতা করেছেন। নিয়মিত ভ্যাকসিন দিয়েছেন। তার সঙ্গে আমার কথা হয়েছে, বাজারে বিক্রি করার আগ পর্যন্ত তিনি হাঁসগুলোর নিয়মিত চিকিৎসাসেবা দেবেন। আমার একটাই স্বপ্ন, ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া শিখে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হবে। বসবাসের জন্য একটি সুন্দর বাড়ি তৈরি করতে চাই।