বিশিষ্টজনের হৃদয়াসনে যুগান্তর
jugantor
বিশিষ্টজনের হৃদয়াসনে যুগান্তর
বাইশ বছরে যুগান্তর। ১ ফেব্রুয়ারি যুগান্তরের ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। আমাদের এবারের স্লোগান : অগ্রযাত্রায় অবিচল। বিশিষ্টজনদের শুভেচ্ছা ও শুভকামনা

   

২৫ জানুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পাঠকের হৃদয়ে থাকবে যুগান্তর : মেহের আফরোজ চুমকী

সভাপতি, মহিলা ও শিশু বিষয়ক সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি

যুগান্তরের একুশ বছরের পূর্ণতায় জানাই অনেক অনেক শুভেচ্ছা। নির্ভীক, বস্তুনিষ্ঠ, নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে এক যুগ পেরিয়ে প্রায় দুই যুগের পথে হাঁটছে যুগান্তর। যুগে যুগে যুগান্তর এভাবেই পাঠকের হৃদয়ে থাকবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, নারীর সমঅধিকার, শিশু অধিকার ইত্যাদি বিষয়গুলো গুরুত্ব সহকারে যুগান্তর তুলে ধরে। আগামীতেও যুগান্তর এর ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন রাখবে। মানবিক চিন্তা-চেতনা, মূল্যবোধের মধ্য দিয়ে যুগান্তর এগিয়ে যাবে তার নির্দিষ্ট লক্ষ্যে।

যুগান্তর সব সময়ই যুগান্তকারী : অ্যারোমা দত্ত এমপি

নির্বাহী পরিচালক, প্রিপ ট্রাস্ট

সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে যুগান্তরের একটি ধারাবাহিকতা রয়েছে। কোভিড-১৯-এর সময়ে শহর থেকে গ্রাম পর্যায়ে যুগান্তর যেভাবে সঠিক তথ্য প্রকাশ করেছে এজন্য আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোভিড-১৯-এর সময়ে বিভিন্ন দিকগুলো যেভাবে মোকাবিলা করেছেন যুগান্তর সেই সংবাদগুলো সুন্দরভাবে তুলে ধরেছে। দেশে ঘটে যাওয়া নারী-শিশু নির্যাতন, ধর্ষণের ঘটনাগুলো সচেতনতার সঙ্গে পত্রিকায় প্রকাশ হয়েছে। এর ফলে সঠিক সময়ে সরকার ইতিবাচক উদ্যোগ নিতে পেরেছে। গণমাধ্যম জনগণের কাছে সঠিক তথ্য তুলে ধরলে জনগণ বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়। নারী-শিশু বিষয়ক সহিংসতার ঘটনাগুলোর বিচার প্রক্রিয়ার কথা জেনে সাধারণ মানুষ সচেতন হয়। ধর্ষণের বিরুদ্ধে আইন সম্পর্কিত তথ্যগুলো জুমের মাধ্যমে গ্রামগঞ্জে আলোচনা করলে ভালো হতো। তাহলে গ্রামের মানুষ সঠিক তথ্য জানতে পারত। তাদের মধ্যে বিভ্রান্তি কাজ করত না। যুগান্তর জুম আলোচনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন সংশোধন অধ্যাদেশ, ২০২০-এর যুগান্তকারী আইন নিয়ে বলতে পারে। যুগান্তর সবসময় যুগান্তকারী কাজ করে যাচ্ছে। এজন্য যুগান্তরকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ।

এগিয়ে যাক নিজ লক্ষ্যে : সেলিমা আহমদ এমপি

ভাইস প্রেসিডেন্ট, নিটল-নিলয় গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিস

যুগান্তর পরিবারের সবাইকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা ও অভিবাদন। এই বিশেষ দিনে যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বাবুল ভাইকে স্মরণ করি। তার সঙ্গে আমার বিভিন্ন সময়ে ব্যবসায়িক আলোচনা হতো। শহরের মতো গ্রামগঞ্জেও যুগান্তর একটি জনপ্রিয় পত্রিকা। এদিক থেকে যুগান্তরকে খেয়াল রাখতে হবে, যাতে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রকাশ না করে বস্তুনিষ্ঠ তথ্য প্রকাশ করে। বাংলাদেশ উন্নয়নমুখী কাজে এগিয়ে যাচ্ছে। উন্নয়নমূলক কাজের সংবাদগুলো পড়ে যেন আমরা অনুপ্রাণিত হই। পাশাপাশি বাংলাদেশের উন্নয়নে নারীর ক্ষমতায়নে দিক-নির্দেশনামূলক তথ্য সংবাদ আকারে প্রকাশ করা। আশা করব, নারী উন্নয়ন, অধিকার রক্ষায় যুগান্তর আরও ইতিবাচক সংবাদ প্রকাশ করবে। এভাবেই যুগান্তর এগিয়ে যাক নিজ লক্ষ্যে।

সামগ্রিক উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখছে : ড. শাহনাজ আফরিন

অতিরিক্ত সচিব, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ

প্রায় দুই যুগ ধরে নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধকে সঙ্গে নিয়ে যুগান্তরের পথচলা। একজন নিয়মিত পাঠক হিসাবে যুগান্তরের সঙ্গে থাকতে পেরে আমি আনন্দিত। সংবাদ পরিবেশনের জগতে যুগান্তরের আজকের এই বিশেষ অবস্থান অর্জনের পেছনে রয়েছে সময়োপযোগী নিরপেক্ষ, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন। বিশেষ করে নারীর অধিকার রক্ষায় এবং নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে এই দৈনিক পত্রিকাটির ইতিবাচক ভূমিকা নারীর সামগ্রিক উন্নয়নে বিশেষ অবদান রেখে চলেছে। যুগান্তরের নারীর অধিকার বিষয়ক পাতা ‘সুরঞ্জনা’ এবং করোনাকালে নারীর ঘুরে দাঁড়ানোর গল্পগুলোর মাধ্যমে একদিকে যেমন সমাজে নারীর সচেতনা সৃষ্টি করেছে, অন্যদিকে সংগ্রামী নারীর সঙ্গী হিসেবে তাদের পাশে সর্বদা থেকেছে। নারীদের বিভিন্ন সাফল্যের কথা তুলে ধরে যুগান্তর আমাদের দেশের সর্বস্তরের নারীদের নিজস্ব অধিকার রক্ষায় শুধু সচেতনতা সৃষ্টি করেনি বরং পাশাপাশি দেশের উন্নয়নমূলক সংবাদসহ সম্পাদকীয়তে সমসাময়িক ঘটনাগুলোর বিশ্লেষণ পাঠক সমাজকে উপকৃত করছে। সার্বিক বিচারে আজকের যুগান্তর প্রথম সারির পত্রিকা হিসাবে পাঠকের হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে।

এভাবেই ভবিষ্যতে যুগান্তর আরও এগিয়ে যাক এ প্রত্যাশা করছি।

নন্দিত জন্মদিন শুভ হোক : সেলিনা হোসেন

কথাসাহিত্যিক

যুগান্তর পত্রিকার ২২তম জন্মদিনে ভালোবাসার শুভেচ্ছা জানাই। এই পত্রিকার সঙ্গে আমার একটি আন্তরিক যোগাযোগ আছে। পত্রিকার সংবাদ উপস্থাপনা, সাহিত্য সাময়িকী, নারী পাতা সুরঞ্জনা, লাইফস্টাইল ঘরেবাইরে, বিনোদন-আনন্দনগর, তারাঝিলমিল, রম্য পাতা বিচ্ছু, শিক্ষাবিষয়ক পাতা টিউটোরিয়াল, সম্পাদকীয় ইত্যাদি পাতাগুলোতে নানা ধরনের লেখা ও খবর প্রকাশিত হয়। এ লেখাগুলো খুব ভালো লাগে। নানা বিষয়ের সংযোগ এসব পাতার বড় দিক। আশা করি যুগান্তর এই পদচারণা আগামী দিনেও সঠিক রাখবে। নন্দিত জন্মদিন শুভ হোক। জন্মদিনের শুভেচ্ছায় অনুপ্রাণিত হয়ে যুগান্তর প্রকাশে যারা যুক্ত আছেন তাদের সবাইকে ভালোবাসা।

অনেক দূর এগিয়ে যাক : বিবি রাসেল

প্রতিষ্ঠাতা, বিবি প্রোডাকসন্স, ফ্যাশন ফর ডেভেলপমেন্ট

যুগান্তরের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা। ‘সত্যের সন্ধানে নির্ভীক’ এই স্লোগান নিয়ে যুগান্তর ২২ বছরে পা দিল। এ বছর আমাদের স্বাধীনতার ৫০ বছর ও বঙ্গবন্ধুর ১০০ বছর পূর্ণ হলো। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও চেতনা এবং আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধারণ করে যুগান্তর আরও অনেক দূর এগিয়ে যাক এ কামনা করি। যুগান্তরের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এর সাংবাদিক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, গ্রাহক, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের জানাই আন্তরিক অভিনন্দন।

যুগান্তর বেঁচে থাকবে পাঠক হৃদয়ে : আনোয়ারা সৈয়দ হক

মনোবিজ্ঞানী ও লেখক

যুগান্তর একুশ বছর পূর্ণ করে বাইশে পদাপর্ণ করেছে। এভাবেই যুগান্তরের ৪৪ বছর পূর্ণ হোক। যুগান্তরকে শুভকামনা। যুগান্তর জনগণের মুখপাত্র হিসাবে সত্য, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে যাচ্ছে। সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে। যুগান্তরের চিন্তা-ভাবনার সঙ্গে পাঠকের চিন্তা-ভাবনার সাযুজ্য খুঁজে পাওয়া যায়। আমি নিয়মিত যুগান্তরের একজন পাঠক ও লেখক। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিই। বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক পত্রিকা হিসাবে যুগান্তর অনেক সুনাম কুড়িয়েছে। ভবিষ্যতেও এ সুনাম অক্ষুণ্ন রাখবে। যুগান্তর তার নির্দিষ্ট লক্ষ্যে এগিয়ে যাক। যুগান্তর বেঁচে থাকবে স্বর্ণাক্ষরের মতো পাঠকের হৃদয়ে এই আশা করি।

নারী আন্দোলনে কাজ করছে যুগান্তর : সীমা মোসলেম

যুগ্ম সম্পাদক, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ

যুগান্তরের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের পক্ষ থেকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। পত্রিকার সব গণমাধ্যম কর্মীর জন্য রইল শুভেচ্ছা। করোনা মহামারির এ সময়ে নানা বাঁধা-বিঘ্নের মধ্যে যুগান্তর তার কর্মধারা অব্যাহত রেখেছে। যুগান্তর সংবাদ পরিবেশনা ও পর্যালোচনার মাধ্যমে সমাজের অসংগতি তুলে ধরার পাশাপাশি ইতিবাচক ও সম্ভাবনার দিকগুলো উপস্থাপন করছে। যা গণমাধ্যমের প্রধান দায়িত্ব। বিশেষত নারীর অবস্থানের বাস্তবতা, নারীর প্রতি সহিংসতার চিত্র তুলে ধরে নারী আন্দোলনের সহযোগী হিসাবে ভূমিকা পালন করছে। আমাদের প্রত্যাশা যুগান্তর তার এই অঙ্গীকার সর্বদা বহন করে চলবে। যুগান্তরের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি।

তরুণদের উৎসাহিত করছে : অ্যাড. এলিনা খান

চেয়ারপার্সন, বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন

২২তম জন্মদিনে যুগান্তরকে শুভকামনা। তারুণ্যে যুগান্তর। পাঠকমহলে যুগান্তরের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। কারণ যুগান্তর বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে। নারীর অধিকার রক্ষা, নারীর প্রতি সহিংসতামূলক ঘটনার মামলার তথ্য সুনির্দিষ্টভাবে তুলে ধরা হয়। কিশোররা কিশোর গ্যাং গ্রুপে যুক্ত হয়ে অপরাধে জড়িয়ে যাচ্ছে। এ থেকে কিভাবে তাদের বের করে আনা যায়, এজন্য সমাজের সুন্দর জিনিসগুলো তুলে ধরা, নৈতিকতা, মূল্যবোধগুলো তুলে ধরা। এ অপরাধজগৎ থেকে কিশোররা কিভাবে বেরিয়ে আসতে পারে সে বিষয়ে মনোবিজ্ঞানীদের পরামর্শ বিষয়ক প্রতিবেদন প্রকাশ করা। অভিভাবকদের সচেতন করা। কেন তাদের সন্তানেরা এই কিশোর গ্যাং গ্রুপে যুক্ত হচ্ছে, কিভাবে তাদের বের করে এনে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনা সম্ভব। যুগান্তর ভবিষ্যতেও ইতিবাচক সংবাদ পরিবেশন করে তরুণদের উৎসাহিত করছে।

দুর্বার তারুণ্যে এগিয়ে যাবে : রাশেদা কে চৌধুরী

নির্বাহী পরিচালক, গণসাক্ষরতা অভিযান

যুগান্তর বাংলাদেশের জনমানুষের কাছে পৌঁছানো শুধু একটি পত্রিকা নয়। যুগান্তর সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কথা বলে, মাঠের কৃষকের কথা তুলে আনে। অধিকার বঞ্চিত নারী-শিশুর কথা তুলে আনে। প্রতিবন্ধীদের কথা তুলে আনে। রাজনীতি, অর্থনীতির কথা বলার পাশাপাশি উন্নয়নমূলক কাজেও সহযোগিতা করে। আমরা যারা উন্নয়নমূলক কাজে রয়েছি তাদের জন্য যুগান্তরের এই তথ্য সহায়ক ভূমিকা পালন করে। মানবজীবনে ২১ পেরিয়ে ২২ দুর্বার তারুণ্যের সময়। মানুষের আশা-আকাক্সক্ষার বার্তা নিয়ে যুগান্তরও ২১ পেরিয়ে ২২ বছরে পা রাখল। আশা করব যুগান্তরও দুর্বার তারুণ্যে এগিয়ে যাবে। সমাজ, রাজনীতি, অর্থনীতিতে যে কালো মেঘ রয়েছে তা সরিয়ে দেশ, রাষ্ট্র, সমাজে বিনোদন দিতে সঠিক তথ্য দেবে। বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সহযোগিতা করবে। যুগান্তরের উদ্যোক্তা, সংবাদকর্মী, কলাকুশলী সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা।

সমানাধিকার প্রতিষ্ঠায় আগের মতোই জোরালো ভূমিকা রেখে যাবে : রোকেয়া কবীর

নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘ

দৈনিক যুগান্তরের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্যিকীতে বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘ (বিএনপিএস) এবং আমার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। মানুষের কাছে সংবাদ ও তথ্য পৌঁছানোয় দৈনিক যুগান্তর দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে সাফল্যের সঙ্গে কাজ করে আসছে। এ সাফল্যের হাত ধরে পত্রিকাটি আরও বহুদূর যাবে এই প্রত্যাশা করি।

আমরা জানি, অবাধ তথ্যপ্রবাহের এই সময়ে অনেক অর্ধসত্য ও বিকৃত তথ্যও মানুষের সামনে হাজির হচ্ছে, যা মানুষকে বিভ্রান্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এ অবস্থায় বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের কোনো বিকল্প নেই। কারণ তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা উন্নয়নকে যেমন ত্বরান্বিত করে, তেমনি মানবাধিকার বাস্তবায়নের পথকেও প্রশস্ত করে। আশা করি বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও তথ্য পরিবেশন করে দৈনিক যুগান্তর নারী, দরিদ্র ও সংখ্যায় অল্প জনগোষ্ঠীর মানবাধিকার, বিশেষ করে নারীর সমানাধিকার প্রতিষ্ঠায় আগের মতোই জোরাল ভূমিকা রেখে যাবে।

নিরবচ্ছিন্ন পথপরিক্রমার প্রত্যাশা করছি : কানিজ আলমাস খান

এমডি, সম্পাদক ক্যানভাস

একুশ বছর ধরে বস্তুনিষ্ঠ তথ্য ও সংবাদ পরিবেশন করে আসছে দৈনিক যুগান্তর। কেবল খবরই নয়, শিল্পসাহিত্য, সংস্কৃতি, নারীর অধিকার-সাফল্য, বিনোদন, পরিবেশ, খেলাধুলা, দেশ ও বহির্বিশ্বের রাজনৈতিক ঘটনাবলির বিশ্লেষণ থেকে শুরু করে সৌন্দর্যশিল্পের সাম্প্রতিক বিষয়ও পত্রিকাটি বেশ গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থাপন করে চলেছে। এ গণমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত সব পর্যায়ের সংবাদকর্মী, যাদের নিরন্তর প্রচেষ্টায় আমরা দেশ-বিদেশের জরুরি খবর পেয়ে থাকি, তাদের প্রতি রইল প্রীতি ও শুভকামনা। দৈনিক যুগান্তরের নিরবচ্ছিন্ন ও উজ্জ্বল পথপরিক্রমার প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি। এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সবাইকে জানাই অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

যুগান্তর সব সময় অবিচল ও নির্ভীক : গুলসান নাসরীন চৌধুরী

চেয়ারপারসন, রেডিয়েন্ট ইনস্টিটিউট অব ডিজাইন

অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা ২২ বছরের যুগান্তরের জন্য। সত্য প্রকাশে যুগান্তর সব সময় অবিচল, নির্ভীক। আর এই দীর্ঘ পথ চলায় যুগান্তর আরও বেশি সাহসী, আরও বেশি দায়িত্বশীল। যুগান্তরের প্রতিটি পাতা পাঠকদের আকৃষ্ট করে.. বিশেষ করে নারী পাতা সুরঞ্জনায় খুবই সচেতনভাবে নারীর বিভিন্ন পেশা এবং তাদের সুবিধা-অসুবিধার কথা তুলে ধরা হয়। যা নারীদের আত্মবিশ্বাসী ও আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে সাহায্য করে। এছাড়াও যুগান্তরের বস্তুনিষ্ঠ-ফিচার, খেলার খবর, বাণিজ্য সংবাদ এবং সমসাময়িক সমস্যাগুলো নিয়ে সমাজকে সচেতন করে তোলে। ২২ বছরের জন্মদিনে অনেক ধন্যবাদ যুগান্তর পরিবারকে।

জনমানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করছে : ফরিদা আখতার

নির্বাহী পরিচালক, উবিনীগ

যুগান্তরকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা। ২১ পূর্ণ করে ২২ বছরে পা দিয়েছে। বস্তুনিষ্ঠ, নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে যুগান্তর জনগণকে সেবা দিয়ে আসছে। গত বছরে কোভিড-১৯-এর সময়ে সামাজিক-অর্থনৈতিক ইত্যাদি বিষয়ক অনুসন্ধানীমূলক রিপোর্টে অনেক তথ্য উঠে এসেছে। আমরা যারা উন্নয়নমূলক কাজ করি এই অনুসন্ধানীমূলক রিপোর্টগুলো সহায়ক হিসেবে কাজ করে। স্বাস্থ্যসেবা, নারীর অধিকার ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন হই। এ দিকটি যুগান্তর তুলে ধরবে। এভাবেই যুগান্তর জনমানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করছে। যুগান্তর পরিবারের প্রকাশক, সম্পাদক, সংবাদকর্মী, কলাকুশলী সবাইকে অভিবাদন জানাই।

আমাদের আন্দোলন বেগবান করেছে : সামিয়া আফরীন

প্রকল্প পরিচালক, নারীপক্ষ

যুগান্তরের ২১ বছর পূর্তিতে শুভকামনা। যুগান্তর প্রথম সারির একটি দৈনিক পত্রিকা। সমসাময়িক বিষয়গুলো সংবাদ আকারে প্রকাশ হয়। আমরা যারা নারী উন্নয়নকর্মী তারা এরকম তথ্যবহুল অনেক ঘটনা নিয়েই কাজ করি। নারীপক্ষ একটি নারী সংগঠন। সে কারণে নারী বিষয়ক তথ্যগুলোতেই বেশি গুরুত্ব দিই। নারী বিষয়ক পাতা সুরঞ্জনার নিয়মিত পাঠক। সুরঞ্জনায় প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো থেকে আমরা উপকৃত হই। সুরঞ্জনায় প্রকাশিত অনেক প্রতিবেদন আমাদের আন্দোলন বেগবান করেছে। উত্তরোত্তর যুগান্তরের সমৃদ্ধি কামনা করি। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যুগান্তর পরিবারের সবাইকে শুভেচ্ছা ও শুভকামনা।

সত্যনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে : রোকসানা সুলতানা

নির্বাহী পরিচালক, ব্রেকিং দ্যা সাইলেন্স

যুগান্তর ২২-এ পড়ল। দীর্ঘ এই পথ পরিক্রমায় আমরাও যুগান্তরের সঙ্গী হয়েছি। এজন্য যুগান্তরকে অভিনন্দন। নিরপেক্ষ, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মধ্য দিয়ে পাঠকমহলে যুগান্তর নিজের অবস্থান করে নিয়েছে। যুগান্তর কখনোই অতিরঞ্জিত সংবাদ পরিবেশন করে না। দেশের যে কোনো ক্রান্তিকালেও যুগান্তর সত্যনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে। এটি টিকে থাকার জন্য একটি ভালো দিক। পাঠকমহলে এর জনপ্রিয়তা রয়েছে। এভাবেই যুগান্তর এগিয়ে যাক, এটাই আমাদের চিরন্তন চাওয়া।

এর পাঠক প্রিয়তা রয়েছে : ডা. সামছাদ জাহান শেলী

অধ্যাপক, গাইনি ও অবস, বারডেম জেনারেল হাসপাতাল

যুগান্তরের ২২তম জন্মদিনে শুভকামনা। প্রতি বছরই যুগান্তর নতুন কিছু নিয়ে যাত্রা করে। স্বাস্থ্য, নারী-শিশু, বিনোদন, দেশ-বিদেশের সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে যুগান্তর নিজের শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে। এর পাঠকপ্রিয়তা রয়েছে। সত্য, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে যুগান্তর ২১ বছর ধরে নিজের জায়গাটা ঠিক রাখতে সক্ষম হয়েছে। যুগান্তরের প্রকাশক, সম্পাদকসহ সব সাংবাদিক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের শুভেচ্ছা। তাদের নিষ্ঠা, সততা, নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে দৈনিক যুগান্তর প্রথম সারির দৈনিক পত্রিকা হতে পেরেছে। এভাবেই যুগান্তর এগিয়ে যাবে বহুদূরে।

জীবনমান উন্নয়নে যুগান্তর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে : ড. আফরোজা পারভীন

নির্বাহী পরিচালক, নারী উন্নয়ন শক্তি

যুগান্তরের ২১ বছরের পূর্তিতে নারী উন্নয়ন শক্তির পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন। যুগান্তর নারী উন্নয়ন ও নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় নিরন্তর সংবাদ প্রকাশ করে পাঠকের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিচ্ছে। যা নারীর চলার পথ অনেকটা সহজতর হচ্ছে। নারী পাতা সুরঞ্জনা নারীদের কর্মসংস্থানের পরামর্শ বিষয়ক তথ্য প্রকাশ করতে পারে। নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে আরও জায়গা দিতে যুগান্তর কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করছি। এতে নারীর জীবনমান উন্নয়নে যুগান্তর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। যুগান্তরের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকুক। যুগান্তর এভাবেই আরও বিস্তার লাভ করুক। যুগান্তরে যারা নিরলস পরিশ্রম করছেন তাদের জন্য আমার আন্তরিক অভিবাদন রইল। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে যুগান্তর আরও উন্নতর, আধুনিক, সময়োপযোগী তথ্য পাঠকের কাছে পৌঁছে দিবে। যুগান্তর আমাদের সঙ্গে রয়েছে, ভবিষ্যতেও থাকবে।

দেশের অগ্রগামী একটি পত্রিকায় পরিণত হয়েছে : নাছিমা আক্তার জলি

সম্পাদক, জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা। ‘সত্যের সন্ধানে নির্ভীক’ স্লোগান সামনে রেখে দেশের অন্যতম জাতীয় দৈনিক যুগান্তর ২২তম বছরে পদার্পণ করছে। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে বলিষ্ঠ মত প্রকাশে যুগান্তর দেশের অগ্রগামী একটি পত্রিকায় পরিণত হয়েছে। আশা করি সৎ, সাহসী ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় যুগান্তর আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। স্বাধীনতার পক্ষে দেশের কথা, দেশের মানুষের কথা বলবে। নারী ও শিশুর অধিকার রক্ষায় কথা বলবে। সমাজ ও রাষ্ট্রে সমতার কথা বলবে। যুগান্তরের সাফল্য কামনা করছি। যুগান্তর আরও এগিয়ে যাক এই প্রত্যাশা করি।

নারীর অধিকারে বলিষ্ঠ হাতিয়ার : অধ্যাপক ইশরাত শামীম

প্রেসিডেন্ট, সেন্টার ফর ওমেন অ্যান্ড চিলড্রেন স্টাডিজ

যুগান্তরের জন্মদিনে অফুরন্ত শুভ কামনা। বিভিন্ন সামাজিক ইস্যু নিয়ে কাজ করছে। যুগান্তর নারীর অধিকারে বলিষ্ঠ হাতিয়ার। করোনাকালীন সময়ে দেশে ধর্ষণের সংখ্যা বেড়ে গেছে। পত্র-পত্রিকায় ধর্ষণের শিকার নারী-মেয়েশিশুর কথা প্রকাশ করে। এখানে ধর্ষণের শিকার নারী বা মেয়েশিশুর কথাই প্রকাশ করলে হবে না, ধর্ষণকারীর কথাও তুলে ধরতে হবে। যুগান্তর ধর্ষণকারীদের পরিচিতি, তাদের পরিবারিক, হতাশা, আর্থ-সামাজিক অবস্থান, চলাফেরা, অভ্যাস, সোশ্যাল মিডিয়ার কি প্রভাব তাদের ওপর পড়েছে কিনা ইত্যাদি তুলে ধরতে পারে। কারণ ধর্ষণকারীকে শাস্তি দিলেই এই সমস্যা সমাধান হবে না। ধষর্ণকারীদের মূল উদ্দেশ্য বের করে পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশ করতে হবে। ধর্ষণের শিকার হলে তার কি করণীয় এই তথ্য পত্রিকায় ম্যাসেজ আকারে দেয়া। এছাড়া বিচার ব্যবস্থা দ্রুত করতে আইনজীবী, পুলিশ প্রশাসন, চিকিৎসক, সমাজবিজ্ঞানী, মানবাধিকার কর্মীদের নিয়ে এ ঘটনাগুলো ধরে গোলটেবিলের আয়োজন করতে পারে। করোনাকালিন সময়ে নেতিবাচক রিপোর্টগুলো এড়িয়ে যাওয়াই পাঠকের জন্য মঙ্গল। কারণ করোনাকালে নেতিবাচক সংবাদ পাঠকের মনে মন্দ প্রভাব ফেলবে। সংবাদ এমনভাবে পরিবেশন করতে হবে যেন পাঠক ইতিবাচক ম্যাসেজ পায়।

প্রতিবন্ধী মানুষের চলার পথ সুন্দর করতে হবে : আশরাফুন নাহার মিষ্টি

নির্বাহী পরিচালক, প্রতিবন্ধী নারী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন

যুগান্তরের সঙ্গে জনমানুষের সখ্য ২১ বছর ধরে। তাই যুগান্তরের ২২তম প্রতিষ্ঠাবাষিকীতে অসংখ্য শুভেচ্ছা। বাংলাদেশের সব জনগোষ্ঠীর প্রতি বৈষম্যরোধ, অগ্রগতি এবং উন্নয়নের জন্য যুগান্তর নিরলসভাবে লিখে যাবে সেই প্রত্যাশা করছি। এদেশে প্রতিবন্ধী মানুষরা ভীষণভাবে অধিকার বঞ্চিত, তাদের জন্য আইন ও কর্মপরিকল্পনা আছে কিন্তু বাস্তবায়ন নাই। এখনো সর্বত্র প্রতিবন্ধী মানুষের প্রবেশগম্যতা নেই। যেমন অফিস-আদালত, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবন্ধীদের চলাফেরার সুযোগ সুবিধার ঘাটতি রয়েছে। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো এই বিষয়গুলোকে গুরুত্ব সহকারে দেখে প্রতিবন্ধীদের জীবন মানোন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে। প্রতিবন্ধী নারী-পুরুষ-শিশুর সমস্যাগুলো তুলে ধরে যুগান্তর সংবাদ পরিবেশন করতে পারে। প্রতিবন্ধী মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থান, পরিসেবা ব্যবস্থার পাশাপাশি তারা যেন সুস্থ পরিবেশে বেড়ে ওঠেন, প্রতিবন্ধী শিশুরা যেন শিশুবান্ধব পরিবেশ পায় সে বিষয়ে যুগান্তরের সময়োপযোগী লেখা প্রত্যাশা করি।

বিশিষ্টজনের হৃদয়াসনে যুগান্তর

বাইশ বছরে যুগান্তর। ১ ফেব্রুয়ারি যুগান্তরের ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। আমাদের এবারের স্লোগান : অগ্রযাত্রায় অবিচল। বিশিষ্টজনদের শুভেচ্ছা ও শুভকামনা
  
২৫ জানুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পাঠকের হৃদয়ে থাকবে যুগান্তর : মেহের আফরোজ চুমকী

সভাপতি, মহিলা ও শিশু বিষয়ক সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি

যুগান্তরের একুশ বছরের পূর্ণতায় জানাই অনেক অনেক শুভেচ্ছা। নির্ভীক, বস্তুনিষ্ঠ, নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে এক যুগ পেরিয়ে প্রায় দুই যুগের পথে হাঁটছে যুগান্তর। যুগে যুগে যুগান্তর এভাবেই পাঠকের হৃদয়ে থাকবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, নারীর সমঅধিকার, শিশু অধিকার ইত্যাদি বিষয়গুলো গুরুত্ব সহকারে যুগান্তর তুলে ধরে। আগামীতেও যুগান্তর এর ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন রাখবে। মানবিক চিন্তা-চেতনা, মূল্যবোধের মধ্য দিয়ে যুগান্তর এগিয়ে যাবে তার নির্দিষ্ট লক্ষ্যে।

যুগান্তর সব সময়ই যুগান্তকারী : অ্যারোমা দত্ত এমপি

নির্বাহী পরিচালক, প্রিপ ট্রাস্ট

সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে যুগান্তরের একটি ধারাবাহিকতা রয়েছে। কোভিড-১৯-এর সময়ে শহর থেকে গ্রাম পর্যায়ে যুগান্তর যেভাবে সঠিক তথ্য প্রকাশ করেছে এজন্য আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোভিড-১৯-এর সময়ে বিভিন্ন দিকগুলো যেভাবে মোকাবিলা করেছেন যুগান্তর সেই সংবাদগুলো সুন্দরভাবে তুলে ধরেছে। দেশে ঘটে যাওয়া নারী-শিশু নির্যাতন, ধর্ষণের ঘটনাগুলো সচেতনতার সঙ্গে পত্রিকায় প্রকাশ হয়েছে। এর ফলে সঠিক সময়ে সরকার ইতিবাচক উদ্যোগ নিতে পেরেছে। গণমাধ্যম জনগণের কাছে সঠিক তথ্য তুলে ধরলে জনগণ বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়। নারী-শিশু বিষয়ক সহিংসতার ঘটনাগুলোর বিচার প্রক্রিয়ার কথা জেনে সাধারণ মানুষ সচেতন হয়। ধর্ষণের বিরুদ্ধে আইন সম্পর্কিত তথ্যগুলো জুমের মাধ্যমে গ্রামগঞ্জে আলোচনা করলে ভালো হতো। তাহলে গ্রামের মানুষ সঠিক তথ্য জানতে পারত। তাদের মধ্যে বিভ্রান্তি কাজ করত না। যুগান্তর জুম আলোচনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন সংশোধন অধ্যাদেশ, ২০২০-এর যুগান্তকারী আইন নিয়ে বলতে পারে। যুগান্তর সবসময় যুগান্তকারী কাজ করে যাচ্ছে। এজন্য যুগান্তরকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ।

এগিয়ে যাক নিজ লক্ষ্যে : সেলিমা আহমদ এমপি

ভাইস প্রেসিডেন্ট, নিটল-নিলয় গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিস

যুগান্তর পরিবারের সবাইকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা ও অভিবাদন। এই বিশেষ দিনে যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বাবুল ভাইকে স্মরণ করি। তার সঙ্গে আমার বিভিন্ন সময়ে ব্যবসায়িক আলোচনা হতো। শহরের মতো গ্রামগঞ্জেও যুগান্তর একটি জনপ্রিয় পত্রিকা। এদিক থেকে যুগান্তরকে খেয়াল রাখতে হবে, যাতে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রকাশ না করে বস্তুনিষ্ঠ তথ্য প্রকাশ করে। বাংলাদেশ উন্নয়নমুখী কাজে এগিয়ে যাচ্ছে। উন্নয়নমূলক কাজের সংবাদগুলো পড়ে যেন আমরা অনুপ্রাণিত হই। পাশাপাশি বাংলাদেশের উন্নয়নে নারীর ক্ষমতায়নে দিক-নির্দেশনামূলক তথ্য সংবাদ আকারে প্রকাশ করা। আশা করব, নারী উন্নয়ন, অধিকার রক্ষায় যুগান্তর আরও ইতিবাচক সংবাদ প্রকাশ করবে। এভাবেই যুগান্তর এগিয়ে যাক নিজ লক্ষ্যে।

সামগ্রিক উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখছে : ড. শাহনাজ আফরিন

অতিরিক্ত সচিব, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ

প্রায় দুই যুগ ধরে নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধকে সঙ্গে নিয়ে যুগান্তরের পথচলা। একজন নিয়মিত পাঠক হিসাবে যুগান্তরের সঙ্গে থাকতে পেরে আমি আনন্দিত। সংবাদ পরিবেশনের জগতে যুগান্তরের আজকের এই বিশেষ অবস্থান অর্জনের পেছনে রয়েছে সময়োপযোগী নিরপেক্ষ, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন। বিশেষ করে নারীর অধিকার রক্ষায় এবং নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে এই দৈনিক পত্রিকাটির ইতিবাচক ভূমিকা নারীর সামগ্রিক উন্নয়নে বিশেষ অবদান রেখে চলেছে। যুগান্তরের নারীর অধিকার বিষয়ক পাতা ‘সুরঞ্জনা’ এবং করোনাকালে নারীর ঘুরে দাঁড়ানোর গল্পগুলোর মাধ্যমে একদিকে যেমন সমাজে নারীর সচেতনা সৃষ্টি করেছে, অন্যদিকে সংগ্রামী নারীর সঙ্গী হিসেবে তাদের পাশে সর্বদা থেকেছে। নারীদের বিভিন্ন সাফল্যের কথা তুলে ধরে যুগান্তর আমাদের দেশের সর্বস্তরের নারীদের নিজস্ব অধিকার রক্ষায় শুধু সচেতনতা সৃষ্টি করেনি বরং পাশাপাশি দেশের উন্নয়নমূলক সংবাদসহ সম্পাদকীয়তে সমসাময়িক ঘটনাগুলোর বিশ্লেষণ পাঠক সমাজকে উপকৃত করছে। সার্বিক বিচারে আজকের যুগান্তর প্রথম সারির পত্রিকা হিসাবে পাঠকের হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে।

এভাবেই ভবিষ্যতে যুগান্তর আরও এগিয়ে যাক এ প্রত্যাশা করছি।

নন্দিত জন্মদিন শুভ হোক : সেলিনা হোসেন

কথাসাহিত্যিক

যুগান্তর পত্রিকার ২২তম জন্মদিনে ভালোবাসার শুভেচ্ছা জানাই। এই পত্রিকার সঙ্গে আমার একটি আন্তরিক যোগাযোগ আছে। পত্রিকার সংবাদ উপস্থাপনা, সাহিত্য সাময়িকী, নারী পাতা সুরঞ্জনা, লাইফস্টাইল ঘরেবাইরে, বিনোদন-আনন্দনগর, তারাঝিলমিল, রম্য পাতা বিচ্ছু, শিক্ষাবিষয়ক পাতা টিউটোরিয়াল, সম্পাদকীয় ইত্যাদি পাতাগুলোতে নানা ধরনের লেখা ও খবর প্রকাশিত হয়। এ লেখাগুলো খুব ভালো লাগে। নানা বিষয়ের সংযোগ এসব পাতার বড় দিক। আশা করি যুগান্তর এই পদচারণা আগামী দিনেও সঠিক রাখবে। নন্দিত জন্মদিন শুভ হোক। জন্মদিনের শুভেচ্ছায় অনুপ্রাণিত হয়ে যুগান্তর প্রকাশে যারা যুক্ত আছেন তাদের সবাইকে ভালোবাসা।

অনেক দূর এগিয়ে যাক : বিবি রাসেল

প্রতিষ্ঠাতা, বিবি প্রোডাকসন্স, ফ্যাশন ফর ডেভেলপমেন্ট

যুগান্তরের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা। ‘সত্যের সন্ধানে নির্ভীক’ এই স্লোগান নিয়ে যুগান্তর ২২ বছরে পা দিল। এ বছর আমাদের স্বাধীনতার ৫০ বছর ও বঙ্গবন্ধুর ১০০ বছর পূর্ণ হলো। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও চেতনা এবং আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধারণ করে যুগান্তর আরও অনেক দূর এগিয়ে যাক এ কামনা করি। যুগান্তরের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এর সাংবাদিক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, গ্রাহক, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের জানাই আন্তরিক অভিনন্দন।

যুগান্তর বেঁচে থাকবে পাঠক হৃদয়ে : আনোয়ারা সৈয়দ হক

মনোবিজ্ঞানী ও লেখক

যুগান্তর একুশ বছর পূর্ণ করে বাইশে পদাপর্ণ করেছে। এভাবেই যুগান্তরের ৪৪ বছর পূর্ণ হোক। যুগান্তরকে শুভকামনা। যুগান্তর জনগণের মুখপাত্র হিসাবে সত্য, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে যাচ্ছে। সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে। যুগান্তরের চিন্তা-ভাবনার সঙ্গে পাঠকের চিন্তা-ভাবনার সাযুজ্য খুঁজে পাওয়া যায়। আমি নিয়মিত যুগান্তরের একজন পাঠক ও লেখক। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিই। বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক পত্রিকা হিসাবে যুগান্তর অনেক সুনাম কুড়িয়েছে। ভবিষ্যতেও এ সুনাম অক্ষুণ্ন রাখবে। যুগান্তর তার নির্দিষ্ট লক্ষ্যে এগিয়ে যাক। যুগান্তর বেঁচে থাকবে স্বর্ণাক্ষরের মতো পাঠকের হৃদয়ে এই আশা করি।

নারী আন্দোলনে কাজ করছে যুগান্তর : সীমা মোসলেম

যুগ্ম সম্পাদক, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ

যুগান্তরের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের পক্ষ থেকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। পত্রিকার সব গণমাধ্যম কর্মীর জন্য রইল শুভেচ্ছা। করোনা মহামারির এ সময়ে নানা বাঁধা-বিঘ্নের মধ্যে যুগান্তর তার কর্মধারা অব্যাহত রেখেছে। যুগান্তর সংবাদ পরিবেশনা ও পর্যালোচনার মাধ্যমে সমাজের অসংগতি তুলে ধরার পাশাপাশি ইতিবাচক ও সম্ভাবনার দিকগুলো উপস্থাপন করছে। যা গণমাধ্যমের প্রধান দায়িত্ব। বিশেষত নারীর অবস্থানের বাস্তবতা, নারীর প্রতি সহিংসতার চিত্র তুলে ধরে নারী আন্দোলনের সহযোগী হিসাবে ভূমিকা পালন করছে। আমাদের প্রত্যাশা যুগান্তর তার এই অঙ্গীকার সর্বদা বহন করে চলবে। যুগান্তরের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি।

তরুণদের উৎসাহিত করছে : অ্যাড. এলিনা খান

চেয়ারপার্সন, বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন

২২তম জন্মদিনে যুগান্তরকে শুভকামনা। তারুণ্যে যুগান্তর। পাঠকমহলে যুগান্তরের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। কারণ যুগান্তর বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে। নারীর অধিকার রক্ষা, নারীর প্রতি সহিংসতামূলক ঘটনার মামলার তথ্য সুনির্দিষ্টভাবে তুলে ধরা হয়। কিশোররা কিশোর গ্যাং গ্রুপে যুক্ত হয়ে অপরাধে জড়িয়ে যাচ্ছে। এ থেকে কিভাবে তাদের বের করে আনা যায়, এজন্য সমাজের সুন্দর জিনিসগুলো তুলে ধরা, নৈতিকতা, মূল্যবোধগুলো তুলে ধরা। এ অপরাধজগৎ থেকে কিশোররা কিভাবে বেরিয়ে আসতে পারে সে বিষয়ে মনোবিজ্ঞানীদের পরামর্শ বিষয়ক প্রতিবেদন প্রকাশ করা। অভিভাবকদের সচেতন করা। কেন তাদের সন্তানেরা এই কিশোর গ্যাং গ্রুপে যুক্ত হচ্ছে, কিভাবে তাদের বের করে এনে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনা সম্ভব। যুগান্তর ভবিষ্যতেও ইতিবাচক সংবাদ পরিবেশন করে তরুণদের উৎসাহিত করছে।

দুর্বার তারুণ্যে এগিয়ে যাবে : রাশেদা কে চৌধুরী

নির্বাহী পরিচালক, গণসাক্ষরতা অভিযান

যুগান্তর বাংলাদেশের জনমানুষের কাছে পৌঁছানো শুধু একটি পত্রিকা নয়। যুগান্তর সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কথা বলে, মাঠের কৃষকের কথা তুলে আনে। অধিকার বঞ্চিত নারী-শিশুর কথা তুলে আনে। প্রতিবন্ধীদের কথা তুলে আনে। রাজনীতি, অর্থনীতির কথা বলার পাশাপাশি উন্নয়নমূলক কাজেও সহযোগিতা করে। আমরা যারা উন্নয়নমূলক কাজে রয়েছি তাদের জন্য যুগান্তরের এই তথ্য সহায়ক ভূমিকা পালন করে। মানবজীবনে ২১ পেরিয়ে ২২ দুর্বার তারুণ্যের সময়। মানুষের আশা-আকাক্সক্ষার বার্তা নিয়ে যুগান্তরও ২১ পেরিয়ে ২২ বছরে পা রাখল। আশা করব যুগান্তরও দুর্বার তারুণ্যে এগিয়ে যাবে। সমাজ, রাজনীতি, অর্থনীতিতে যে কালো মেঘ রয়েছে তা সরিয়ে দেশ, রাষ্ট্র, সমাজে বিনোদন দিতে সঠিক তথ্য দেবে। বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সহযোগিতা করবে। যুগান্তরের উদ্যোক্তা, সংবাদকর্মী, কলাকুশলী সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা।

সমানাধিকার প্রতিষ্ঠায় আগের মতোই জোরালো ভূমিকা রেখে যাবে : রোকেয়া কবীর

নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘ

দৈনিক যুগান্তরের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্যিকীতে বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘ (বিএনপিএস) এবং আমার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। মানুষের কাছে সংবাদ ও তথ্য পৌঁছানোয় দৈনিক যুগান্তর দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে সাফল্যের সঙ্গে কাজ করে আসছে। এ সাফল্যের হাত ধরে পত্রিকাটি আরও বহুদূর যাবে এই প্রত্যাশা করি।

আমরা জানি, অবাধ তথ্যপ্রবাহের এই সময়ে অনেক অর্ধসত্য ও বিকৃত তথ্যও মানুষের সামনে হাজির হচ্ছে, যা মানুষকে বিভ্রান্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এ অবস্থায় বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের কোনো বিকল্প নেই। কারণ তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা উন্নয়নকে যেমন ত্বরান্বিত করে, তেমনি মানবাধিকার বাস্তবায়নের পথকেও প্রশস্ত করে। আশা করি বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও তথ্য পরিবেশন করে দৈনিক যুগান্তর নারী, দরিদ্র ও সংখ্যায় অল্প জনগোষ্ঠীর মানবাধিকার, বিশেষ করে নারীর সমানাধিকার প্রতিষ্ঠায় আগের মতোই জোরাল ভূমিকা রেখে যাবে।

নিরবচ্ছিন্ন পথপরিক্রমার প্রত্যাশা করছি : কানিজ আলমাস খান

এমডি, সম্পাদক ক্যানভাস

একুশ বছর ধরে বস্তুনিষ্ঠ তথ্য ও সংবাদ পরিবেশন করে আসছে দৈনিক যুগান্তর। কেবল খবরই নয়, শিল্পসাহিত্য, সংস্কৃতি, নারীর অধিকার-সাফল্য, বিনোদন, পরিবেশ, খেলাধুলা, দেশ ও বহির্বিশ্বের রাজনৈতিক ঘটনাবলির বিশ্লেষণ থেকে শুরু করে সৌন্দর্যশিল্পের সাম্প্রতিক বিষয়ও পত্রিকাটি বেশ গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থাপন করে চলেছে। এ গণমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত সব পর্যায়ের সংবাদকর্মী, যাদের নিরন্তর প্রচেষ্টায় আমরা দেশ-বিদেশের জরুরি খবর পেয়ে থাকি, তাদের প্রতি রইল প্রীতি ও শুভকামনা। দৈনিক যুগান্তরের নিরবচ্ছিন্ন ও উজ্জ্বল পথপরিক্রমার প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি। এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সবাইকে জানাই অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

যুগান্তর সব সময় অবিচল ও নির্ভীক : গুলসান নাসরীন চৌধুরী

চেয়ারপারসন, রেডিয়েন্ট ইনস্টিটিউট অব ডিজাইন

অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা ২২ বছরের যুগান্তরের জন্য। সত্য প্রকাশে যুগান্তর সব সময় অবিচল, নির্ভীক। আর এই দীর্ঘ পথ চলায় যুগান্তর আরও বেশি সাহসী, আরও বেশি দায়িত্বশীল। যুগান্তরের প্রতিটি পাতা পাঠকদের আকৃষ্ট করে.. বিশেষ করে নারী পাতা সুরঞ্জনায় খুবই সচেতনভাবে নারীর বিভিন্ন পেশা এবং তাদের সুবিধা-অসুবিধার কথা তুলে ধরা হয়। যা নারীদের আত্মবিশ্বাসী ও আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে সাহায্য করে। এছাড়াও যুগান্তরের বস্তুনিষ্ঠ-ফিচার, খেলার খবর, বাণিজ্য সংবাদ এবং সমসাময়িক সমস্যাগুলো নিয়ে সমাজকে সচেতন করে তোলে। ২২ বছরের জন্মদিনে অনেক ধন্যবাদ যুগান্তর পরিবারকে।

জনমানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করছে : ফরিদা আখতার

নির্বাহী পরিচালক, উবিনীগ

যুগান্তরকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা। ২১ পূর্ণ করে ২২ বছরে পা দিয়েছে। বস্তুনিষ্ঠ, নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে যুগান্তর জনগণকে সেবা দিয়ে আসছে। গত বছরে কোভিড-১৯-এর সময়ে সামাজিক-অর্থনৈতিক ইত্যাদি বিষয়ক অনুসন্ধানীমূলক রিপোর্টে অনেক তথ্য উঠে এসেছে। আমরা যারা উন্নয়নমূলক কাজ করি এই অনুসন্ধানীমূলক রিপোর্টগুলো সহায়ক হিসেবে কাজ করে। স্বাস্থ্যসেবা, নারীর অধিকার ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন হই। এ দিকটি যুগান্তর তুলে ধরবে। এভাবেই যুগান্তর জনমানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করছে। যুগান্তর পরিবারের প্রকাশক, সম্পাদক, সংবাদকর্মী, কলাকুশলী সবাইকে অভিবাদন জানাই।

আমাদের আন্দোলন বেগবান করেছে : সামিয়া আফরীন

প্রকল্প পরিচালক, নারীপক্ষ

যুগান্তরের ২১ বছর পূর্তিতে শুভকামনা। যুগান্তর প্রথম সারির একটি দৈনিক পত্রিকা। সমসাময়িক বিষয়গুলো সংবাদ আকারে প্রকাশ হয়। আমরা যারা নারী উন্নয়নকর্মী তারা এরকম তথ্যবহুল অনেক ঘটনা নিয়েই কাজ করি। নারীপক্ষ একটি নারী সংগঠন। সে কারণে নারী বিষয়ক তথ্যগুলোতেই বেশি গুরুত্ব দিই। নারী বিষয়ক পাতা সুরঞ্জনার নিয়মিত পাঠক। সুরঞ্জনায় প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো থেকে আমরা উপকৃত হই। সুরঞ্জনায় প্রকাশিত অনেক প্রতিবেদন আমাদের আন্দোলন বেগবান করেছে। উত্তরোত্তর যুগান্তরের সমৃদ্ধি কামনা করি। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যুগান্তর পরিবারের সবাইকে শুভেচ্ছা ও শুভকামনা।

সত্যনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে : রোকসানা সুলতানা

নির্বাহী পরিচালক, ব্রেকিং দ্যা সাইলেন্স

যুগান্তর ২২-এ পড়ল। দীর্ঘ এই পথ পরিক্রমায় আমরাও যুগান্তরের সঙ্গী হয়েছি। এজন্য যুগান্তরকে অভিনন্দন। নিরপেক্ষ, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মধ্য দিয়ে পাঠকমহলে যুগান্তর নিজের অবস্থান করে নিয়েছে। যুগান্তর কখনোই অতিরঞ্জিত সংবাদ পরিবেশন করে না। দেশের যে কোনো ক্রান্তিকালেও যুগান্তর সত্যনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে। এটি টিকে থাকার জন্য একটি ভালো দিক। পাঠকমহলে এর জনপ্রিয়তা রয়েছে। এভাবেই যুগান্তর এগিয়ে যাক, এটাই আমাদের চিরন্তন চাওয়া।

এর পাঠক প্রিয়তা রয়েছে : ডা. সামছাদ জাহান শেলী

অধ্যাপক, গাইনি ও অবস, বারডেম জেনারেল হাসপাতাল

যুগান্তরের ২২তম জন্মদিনে শুভকামনা। প্রতি বছরই যুগান্তর নতুন কিছু নিয়ে যাত্রা করে। স্বাস্থ্য, নারী-শিশু, বিনোদন, দেশ-বিদেশের সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে যুগান্তর নিজের শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে। এর পাঠকপ্রিয়তা রয়েছে। সত্য, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে যুগান্তর ২১ বছর ধরে নিজের জায়গাটা ঠিক রাখতে সক্ষম হয়েছে। যুগান্তরের প্রকাশক, সম্পাদকসহ সব সাংবাদিক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের শুভেচ্ছা। তাদের নিষ্ঠা, সততা, নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে দৈনিক যুগান্তর প্রথম সারির দৈনিক পত্রিকা হতে পেরেছে। এভাবেই যুগান্তর এগিয়ে যাবে বহুদূরে।

জীবনমান উন্নয়নে যুগান্তর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে : ড. আফরোজা পারভীন

নির্বাহী পরিচালক, নারী উন্নয়ন শক্তি

যুগান্তরের ২১ বছরের পূর্তিতে নারী উন্নয়ন শক্তির পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন। যুগান্তর নারী উন্নয়ন ও নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় নিরন্তর সংবাদ প্রকাশ করে পাঠকের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিচ্ছে। যা নারীর চলার পথ অনেকটা সহজতর হচ্ছে। নারী পাতা সুরঞ্জনা নারীদের কর্মসংস্থানের পরামর্শ বিষয়ক তথ্য প্রকাশ করতে পারে। নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে আরও জায়গা দিতে যুগান্তর কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করছি। এতে নারীর জীবনমান উন্নয়নে যুগান্তর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। যুগান্তরের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকুক। যুগান্তর এভাবেই আরও বিস্তার লাভ করুক। যুগান্তরে যারা নিরলস পরিশ্রম করছেন তাদের জন্য আমার আন্তরিক অভিবাদন রইল। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে যুগান্তর আরও উন্নতর, আধুনিক, সময়োপযোগী তথ্য পাঠকের কাছে পৌঁছে দিবে। যুগান্তর আমাদের সঙ্গে রয়েছে, ভবিষ্যতেও থাকবে।

দেশের অগ্রগামী একটি পত্রিকায় পরিণত হয়েছে : নাছিমা আক্তার জলি

সম্পাদক, জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা। ‘সত্যের সন্ধানে নির্ভীক’ স্লোগান সামনে রেখে দেশের অন্যতম জাতীয় দৈনিক যুগান্তর ২২তম বছরে পদার্পণ করছে। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে বলিষ্ঠ মত প্রকাশে যুগান্তর দেশের অগ্রগামী একটি পত্রিকায় পরিণত হয়েছে। আশা করি সৎ, সাহসী ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় যুগান্তর আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। স্বাধীনতার পক্ষে দেশের কথা, দেশের মানুষের কথা বলবে। নারী ও শিশুর অধিকার রক্ষায় কথা বলবে। সমাজ ও রাষ্ট্রে সমতার কথা বলবে। যুগান্তরের সাফল্য কামনা করছি। যুগান্তর আরও এগিয়ে যাক এই প্রত্যাশা করি।

নারীর অধিকারে বলিষ্ঠ হাতিয়ার : অধ্যাপক ইশরাত শামীম

প্রেসিডেন্ট, সেন্টার ফর ওমেন অ্যান্ড চিলড্রেন স্টাডিজ

যুগান্তরের জন্মদিনে অফুরন্ত শুভ কামনা। বিভিন্ন সামাজিক ইস্যু নিয়ে কাজ করছে। যুগান্তর নারীর অধিকারে বলিষ্ঠ হাতিয়ার। করোনাকালীন সময়ে দেশে ধর্ষণের সংখ্যা বেড়ে গেছে। পত্র-পত্রিকায় ধর্ষণের শিকার নারী-মেয়েশিশুর কথা প্রকাশ করে। এখানে ধর্ষণের শিকার নারী বা মেয়েশিশুর কথাই প্রকাশ করলে হবে না, ধর্ষণকারীর কথাও তুলে ধরতে হবে। যুগান্তর ধর্ষণকারীদের পরিচিতি, তাদের পরিবারিক, হতাশা, আর্থ-সামাজিক অবস্থান, চলাফেরা, অভ্যাস, সোশ্যাল মিডিয়ার কি প্রভাব তাদের ওপর পড়েছে কিনা ইত্যাদি তুলে ধরতে পারে। কারণ ধর্ষণকারীকে শাস্তি দিলেই এই সমস্যা সমাধান হবে না। ধষর্ণকারীদের মূল উদ্দেশ্য বের করে পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশ করতে হবে। ধর্ষণের শিকার হলে তার কি করণীয় এই তথ্য পত্রিকায় ম্যাসেজ আকারে দেয়া। এছাড়া বিচার ব্যবস্থা দ্রুত করতে আইনজীবী, পুলিশ প্রশাসন, চিকিৎসক, সমাজবিজ্ঞানী, মানবাধিকার কর্মীদের নিয়ে এ ঘটনাগুলো ধরে গোলটেবিলের আয়োজন করতে পারে। করোনাকালিন সময়ে নেতিবাচক রিপোর্টগুলো এড়িয়ে যাওয়াই পাঠকের জন্য মঙ্গল। কারণ করোনাকালে নেতিবাচক সংবাদ পাঠকের মনে মন্দ প্রভাব ফেলবে। সংবাদ এমনভাবে পরিবেশন করতে হবে যেন পাঠক ইতিবাচক ম্যাসেজ পায়।

প্রতিবন্ধী মানুষের চলার পথ সুন্দর করতে হবে : আশরাফুন নাহার মিষ্টি

নির্বাহী পরিচালক, প্রতিবন্ধী নারী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন

যুগান্তরের সঙ্গে জনমানুষের সখ্য ২১ বছর ধরে। তাই যুগান্তরের ২২তম প্রতিষ্ঠাবাষিকীতে অসংখ্য শুভেচ্ছা। বাংলাদেশের সব জনগোষ্ঠীর প্রতি বৈষম্যরোধ, অগ্রগতি এবং উন্নয়নের জন্য যুগান্তর নিরলসভাবে লিখে যাবে সেই প্রত্যাশা করছি। এদেশে প্রতিবন্ধী মানুষরা ভীষণভাবে অধিকার বঞ্চিত, তাদের জন্য আইন ও কর্মপরিকল্পনা আছে কিন্তু বাস্তবায়ন নাই। এখনো সর্বত্র প্রতিবন্ধী মানুষের প্রবেশগম্যতা নেই। যেমন অফিস-আদালত, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবন্ধীদের চলাফেরার সুযোগ সুবিধার ঘাটতি রয়েছে। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো এই বিষয়গুলোকে গুরুত্ব সহকারে দেখে প্রতিবন্ধীদের জীবন মানোন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে। প্রতিবন্ধী নারী-পুরুষ-শিশুর সমস্যাগুলো তুলে ধরে যুগান্তর সংবাদ পরিবেশন করতে পারে। প্রতিবন্ধী মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থান, পরিসেবা ব্যবস্থার পাশাপাশি তারা যেন সুস্থ পরিবেশে বেড়ে ওঠেন, প্রতিবন্ধী শিশুরা যেন শিশুবান্ধব পরিবেশ পায় সে বিষয়ে যুগান্তরের সময়োপযোগী লেখা প্রত্যাশা করি।