মানুষের মূল্যায়ন মূল্যবোধে, আচরণে
jugantor
মানুষের মূল্যায়ন মূল্যবোধে, আচরণে
মানুষকে বিবেচনা করতে হবে তার পারিপার্শ্বিক সবকিছুর ওপর ভিত্তি করে। এমন মন্তব্য করে আবারও সামাজিক যোগাযোগে সরব হয়েছেন এমা ওয়াটসন। লিখেছেন-

  সাব্বিন হাসান  

১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্বের সিনে জগতে সুপরিচিতি হ্যারি পটারের ‘এমা’ হিসাবে। পুরো নাম এমা শার্লট ডিউয়ার ওয়াটসন। জন্ম ১৯৯০ সালের ১৫ এপ্রিল। জন্ম ঐতিহ্যের প্যারিস শহরে। কারো ব্র্যান্ডের পোশাক দেখে তাকে সামাজিক মূল্যায়ন করা উচিত নয়। কারণ তাকে তার পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের জোগান দিতে হয়। মানুষের মূল্যায়ন তার মূল্যবোধে, আচরণে। সাফল্য আর ব্যর্থতা আপেক্ষিক। যা সময়ের আর ভাগ্যের হাতে ন্যস্ত। মানুষকে বিবেচনা করতে হবে তার পারিপার্শ্বিক সবকিছুর ওপর ভিত্তি করে। এমন মন্তব্য করে আবারও সামাজিক যোগাযোগে সরব হয়েছেন এমা।

বয়স তখন সবে ছয়। তখন থেকেই অভিনেত্রী হওয়ার স্বপ্ন বুনতেন। অদম্য আগ্রহের কারণেই এমা স্টেজকোচ থিয়েটার আর্টসের অক্সফোর্ড শাখায় সঙ্গীত, নাচ ও অভিনয়ে প্রশিক্ষণ নেন। বাবা জ্যাকলিন লুসবি। মা ক্রিস ওয়াটসন। ব্যক্তি জীবনে পেশায় দু’জনই ব্রিটিশ আইনজীবী। তবে ওয়াটসনের বাবা-মা দুজনেই আজ দুই ঘরের বাসিন্দা। তাই এমা বেড়ে উঠেছেন অনেকটা যাযাবরের মতো করেই। সাফল্য আর প্রশংসা কুড়িয়েছেন সমানে। যাকে বলে একাই লড়ে জীবন যুদ্ধে জয়ী হওয়া।

মাত্র ১০ বছর বয়সেই তিনি স্টেজকোচের বেশ কটি নাটকে অভিনয়ে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। কিন্তু হ্যারি পটার চলচ্চিত্রে অভিনয়ের আগে তিনি কখনো পেশাগত অভিনয় করেননি। সাক্ষাৎকারে এমা বলেছিলেন, হ্যারি পটার চলচ্চিত্র সিরিজের ধারাবাহিকতা নিয়ে কোনো ধারণাই ছিল না। আর তেমন ধারণা থাকাও ছিল বিস্ময়কর। কারণ ইতিহাসকে খুব বেশি আগে থেকে অনুমান করা সহজ নয়।

ব্যক্তিজীবনে ওয়াটসন দ্য ড্রাগন স্কুলে ২০০৩ অবধি পড়ালেখা করেছেন। পরে হেডিংটন স্কুলে ভর্তি হন। এটি শুধু ছাত্রীদের জন্য পরিচালিত একটি ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্কুল। স্কুলটি অক্সফোর্ডে অবস্থিত। ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ওরচেস্টার কলেজে অস্থায়ী শিক্ষার্থী হয়ে অধ্যয়ন করেন। ২০১৪ সালে ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক করেন। অভিনয়ের পাশাপাশি ওয়াটসন দিনে পাঁচ ঘণ্টা পড়াশোনা করতেন। অভিনয়ের বাড়তি চাপ থাকলেও বরাবরই পরীক্ষায় ভালো ফল করেছেন। ২০০৬ সালে জিসিএসই পরীক্ষায় অংশ নেন। পরীক্ষায় ১০টি পাঠ্য বিষয়ের মধ্যে আটটিতে ‘এ প্লাস’ আর বাকি দুটিতে এ গ্রেড অর্জন করেন। ২০০৮ সালের এ লেভেল পরীক্ষায় ওয়াটসন ইংরেজি সাহিত্য, ভুগোল ও মানবিক বিষয়ে এ গ্রেড অর্জন করেন। বিদ্যালয় ছাড়ার পর ওয়াটসন ২০০৯ সালে ‘হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস’ এ অভিনয়ের জন্য এক বছরের জন্য শিক্ষা বিরতি নিয়েছিলেন।

সময় চক্রে এরপর আসে ২০০৭ সালের সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। হ্যারি পটার সিরিজে দুর্দান্ত অভিনয়ের জন্য এমা ১ কোটিরও বেশি পাউন্ড আয় করেন। তিনি অর্থের জন্য অভিনয় করবেন না বলেও সাফ মন্তব্য করে সমালোচনা তোপে পড়েছিলেন। ২০০৯ সালে বিখ্যাত ম্যাগাজিন ফোর্বস এমাকে বিশ্বের ষষ্ঠ মূল্যবান তরুণ তারকার মর্যাদা দেয়। ২০০৯ এমার আয় ১ কোটি ৯০ লাখ ডলারে পৌঁছায়। ২০১০ সালে এমা হলিউডের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকের নারী তারকা বনে যান।

কিন্তু উচ্চশিক্ষার মোহ ছেড়ে অভিনেত্রী হওয়ার ব্যাপারে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছেন। এমার মতে, শিক্ষাজীবন আমাকে বন্ধুদের সান্নিধ্যে রাখে। বাস্তবতার খুব কাছাকাছি করে। যা হয়ত অনেকেই অনুধাবন করতে পারি না। কিন্তু শিশু অভিনেত্রী হিসাবে কাজ করার বিষয়ে এমা বরাবরই ইতিবাচক। এমা তার অভিভাবক ও সহকর্মীদের কাছ থেকে এ বিষয়ে অনেক সহায়তা পেয়েছেন। কিন্তু এমার ইতিহাসের শুরুটা ছিল দৃঢ়চেতা পদক্ষেপ আর টানটান উত্তেজনা পূর্ণ। ১৯৯৯ সালে হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ফিলোসফার্স স্টোনের চিত্রগ্রহণ শুরু হয়। ব্রিটিশ লেখিকা জে কে রাউলিং-এর লেখা জনপ্রিয় উপন্যাস অবলম্বনে চলচ্চিত্র নির্মাণের কাজ শুরু হয়।

ওই সময় নির্মাতা সংস্থা অক্সফোর্ডের স্টেজকোচ থিয়েটার আর্টসের শিক্ষকের মাধ্যমে এমা ওয়াটসনের খোঁজ পায় হ্যারি গল্প। তারা এমার নৈতিক আত্মবিশ্বাসে বিমোহিত হয়ে যান। একটানা আটবার অডিশনের পর হ্যারি পটার চলচ্চিত্রের প্রযোজক ডেভিড হেম্যান যথাক্রমে হারমায়োনি গ্রেঞ্জার, হ্যারি পটার ও রন উইজলি চরিত্রে অভিনয়ের জন্য এমাকে নির্বাচিত করেন। আর হ্যারি গল্পের লেখিকা জে কে রাউলিং নিজেও এমার প্রথম দর্শনেই যোগ্য অভিনেত্রীর সমর্থন দিয়েছিলেন।

এরপর একে একে শুধুই ইতিহাসের পাতায় নিজেকে বিনির্মাণ করেছেন এমা ওয়াটসন। অর্থ আর অল্প বয়সেই সেলিব্রেটি খ্যাতি পেলেও লেখাপড়ায় টেবিল থেকে কখনই মন উঠিয়ে নেননি এ তরুণ বিশ্ব তারকা। চরিত্রের জন্য নিজেকে তৈরি করেছেন নিখুঁতভাবে। তাই ভবিষ্যতে আরও সাফল্যের অপেক্ষায় আছেন এমা।

শুধু কী অভিনয় দক্ষতা, তা নয়। এমা সংগীত, নাচ, ফিল্ড হকি, টেনিস এবং শিল্পকলা বিষয়ে সমান পারদর্শী। এমা ওয়াটসন তিনি নিজেকে নারীবাদী হিসাবে পরিচয় দিয়ে থাকেন। সাধারণ মানুষের মতো স্বাভাবিক থাকতে চাই। শিক্ষা গ্রহণে আর সবার মতোই তা সঠিকভাবে শেষ করতে হবে। যতই অর্থ থাকুক না কেন, শিক্ষাজীবনকে কোনোভাবে অবহেলা করার সুযোগ নেই। নিজের জীবনের কথাগুলো এভাবেই বলেছেন এমা ওয়াটসন।

মানুষের মূল্যায়ন মূল্যবোধে, আচরণে

মানুষকে বিবেচনা করতে হবে তার পারিপার্শ্বিক সবকিছুর ওপর ভিত্তি করে। এমন মন্তব্য করে আবারও সামাজিক যোগাযোগে সরব হয়েছেন এমা ওয়াটসন। লিখেছেন-
 সাব্বিন হাসান 
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্বের সিনে জগতে সুপরিচিতি হ্যারি পটারের ‘এমা’ হিসাবে। পুরো নাম এমা শার্লট ডিউয়ার ওয়াটসন। জন্ম ১৯৯০ সালের ১৫ এপ্রিল। জন্ম ঐতিহ্যের প্যারিস শহরে। কারো ব্র্যান্ডের পোশাক দেখে তাকে সামাজিক মূল্যায়ন করা উচিত নয়। কারণ তাকে তার পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের জোগান দিতে হয়। মানুষের মূল্যায়ন তার মূল্যবোধে, আচরণে। সাফল্য আর ব্যর্থতা আপেক্ষিক। যা সময়ের আর ভাগ্যের হাতে ন্যস্ত। মানুষকে বিবেচনা করতে হবে তার পারিপার্শ্বিক সবকিছুর ওপর ভিত্তি করে। এমন মন্তব্য করে আবারও সামাজিক যোগাযোগে সরব হয়েছেন এমা।

বয়স তখন সবে ছয়। তখন থেকেই অভিনেত্রী হওয়ার স্বপ্ন বুনতেন। অদম্য আগ্রহের কারণেই এমা স্টেজকোচ থিয়েটার আর্টসের অক্সফোর্ড শাখায় সঙ্গীত, নাচ ও অভিনয়ে প্রশিক্ষণ নেন। বাবা জ্যাকলিন লুসবি। মা ক্রিস ওয়াটসন। ব্যক্তি জীবনে পেশায় দু’জনই ব্রিটিশ আইনজীবী। তবে ওয়াটসনের বাবা-মা দুজনেই আজ দুই ঘরের বাসিন্দা। তাই এমা বেড়ে উঠেছেন অনেকটা যাযাবরের মতো করেই। সাফল্য আর প্রশংসা কুড়িয়েছেন সমানে। যাকে বলে একাই লড়ে জীবন যুদ্ধে জয়ী হওয়া।

মাত্র ১০ বছর বয়সেই তিনি স্টেজকোচের বেশ কটি নাটকে অভিনয়ে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। কিন্তু হ্যারি পটার চলচ্চিত্রে অভিনয়ের আগে তিনি কখনো পেশাগত অভিনয় করেননি। সাক্ষাৎকারে এমা বলেছিলেন, হ্যারি পটার চলচ্চিত্র সিরিজের ধারাবাহিকতা নিয়ে কোনো ধারণাই ছিল না। আর তেমন ধারণা থাকাও ছিল বিস্ময়কর। কারণ ইতিহাসকে খুব বেশি আগে থেকে অনুমান করা সহজ নয়।

ব্যক্তিজীবনে ওয়াটসন দ্য ড্রাগন স্কুলে ২০০৩ অবধি পড়ালেখা করেছেন। পরে হেডিংটন স্কুলে ভর্তি হন। এটি শুধু ছাত্রীদের জন্য পরিচালিত একটি ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্কুল। স্কুলটি অক্সফোর্ডে অবস্থিত। ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ওরচেস্টার কলেজে অস্থায়ী শিক্ষার্থী হয়ে অধ্যয়ন করেন। ২০১৪ সালে ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক করেন। অভিনয়ের পাশাপাশি ওয়াটসন দিনে পাঁচ ঘণ্টা পড়াশোনা করতেন। অভিনয়ের বাড়তি চাপ থাকলেও বরাবরই পরীক্ষায় ভালো ফল করেছেন। ২০০৬ সালে জিসিএসই পরীক্ষায় অংশ নেন। পরীক্ষায় ১০টি পাঠ্য বিষয়ের মধ্যে আটটিতে ‘এ প্লাস’ আর বাকি দুটিতে এ গ্রেড অর্জন করেন। ২০০৮ সালের এ লেভেল পরীক্ষায় ওয়াটসন ইংরেজি সাহিত্য, ভুগোল ও মানবিক বিষয়ে এ গ্রেড অর্জন করেন। বিদ্যালয় ছাড়ার পর ওয়াটসন ২০০৯ সালে ‘হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস’ এ অভিনয়ের জন্য এক বছরের জন্য শিক্ষা বিরতি নিয়েছিলেন।

সময় চক্রে এরপর আসে ২০০৭ সালের সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। হ্যারি পটার সিরিজে দুর্দান্ত অভিনয়ের জন্য এমা ১ কোটিরও বেশি পাউন্ড আয় করেন। তিনি অর্থের জন্য অভিনয় করবেন না বলেও সাফ মন্তব্য করে সমালোচনা তোপে পড়েছিলেন। ২০০৯ সালে বিখ্যাত ম্যাগাজিন ফোর্বস এমাকে বিশ্বের ষষ্ঠ মূল্যবান তরুণ তারকার মর্যাদা দেয়। ২০০৯ এমার আয় ১ কোটি ৯০ লাখ ডলারে পৌঁছায়। ২০১০ সালে এমা হলিউডের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকের নারী তারকা বনে যান।

কিন্তু উচ্চশিক্ষার মোহ ছেড়ে অভিনেত্রী হওয়ার ব্যাপারে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছেন। এমার মতে, শিক্ষাজীবন আমাকে বন্ধুদের সান্নিধ্যে রাখে। বাস্তবতার খুব কাছাকাছি করে। যা হয়ত অনেকেই অনুধাবন করতে পারি না। কিন্তু শিশু অভিনেত্রী হিসাবে কাজ করার বিষয়ে এমা বরাবরই ইতিবাচক। এমা তার অভিভাবক ও সহকর্মীদের কাছ থেকে এ বিষয়ে অনেক সহায়তা পেয়েছেন। কিন্তু এমার ইতিহাসের শুরুটা ছিল দৃঢ়চেতা পদক্ষেপ আর টানটান উত্তেজনা পূর্ণ। ১৯৯৯ সালে হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ফিলোসফার্স স্টোনের চিত্রগ্রহণ শুরু হয়। ব্রিটিশ লেখিকা জে কে রাউলিং-এর লেখা জনপ্রিয় উপন্যাস অবলম্বনে চলচ্চিত্র নির্মাণের কাজ শুরু হয়।

ওই সময় নির্মাতা সংস্থা অক্সফোর্ডের স্টেজকোচ থিয়েটার আর্টসের শিক্ষকের মাধ্যমে এমা ওয়াটসনের খোঁজ পায় হ্যারি গল্প। তারা এমার নৈতিক আত্মবিশ্বাসে বিমোহিত হয়ে যান। একটানা আটবার অডিশনের পর হ্যারি পটার চলচ্চিত্রের প্রযোজক ডেভিড হেম্যান যথাক্রমে হারমায়োনি গ্রেঞ্জার, হ্যারি পটার ও রন উইজলি চরিত্রে অভিনয়ের জন্য এমাকে নির্বাচিত করেন। আর হ্যারি গল্পের লেখিকা জে কে রাউলিং নিজেও এমার প্রথম দর্শনেই যোগ্য অভিনেত্রীর সমর্থন দিয়েছিলেন।

এরপর একে একে শুধুই ইতিহাসের পাতায় নিজেকে বিনির্মাণ করেছেন এমা ওয়াটসন। অর্থ আর অল্প বয়সেই সেলিব্রেটি খ্যাতি পেলেও লেখাপড়ায় টেবিল থেকে কখনই মন উঠিয়ে নেননি এ তরুণ বিশ্ব তারকা। চরিত্রের জন্য নিজেকে তৈরি করেছেন নিখুঁতভাবে। তাই ভবিষ্যতে আরও সাফল্যের অপেক্ষায় আছেন এমা।

শুধু কী অভিনয় দক্ষতা, তা নয়। এমা সংগীত, নাচ, ফিল্ড হকি, টেনিস এবং শিল্পকলা বিষয়ে সমান পারদর্শী। এমা ওয়াটসন তিনি নিজেকে নারীবাদী হিসাবে পরিচয় দিয়ে থাকেন। সাধারণ মানুষের মতো স্বাভাবিক থাকতে চাই। শিক্ষা গ্রহণে আর সবার মতোই তা সঠিকভাবে শেষ করতে হবে। যতই অর্থ থাকুক না কেন, শিক্ষাজীবনকে কোনোভাবে অবহেলা করার সুযোগ নেই। নিজের জীবনের কথাগুলো এভাবেই বলেছেন এমা ওয়াটসন।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন