দ্রুততম মানবী শিরিন আক্তার
jugantor
দ্রুততম মানবী শিরিন আক্তার
এ বছরও মাঠ কাঁপিয়েছেন শিরিন আক্তার। দ্রুততম মানবীর তকমাটা ধরে রেখেছেন। ৪৪তম জাতীয় অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতায় ১০০ মিটার স্প্রিন্ট জিতে দ্রুততম মানবী হয়েছেন শিরিন আক্তার। লিখেছেন-

  সুভাষ চৌধুরী  

২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দ্রুততম মানবী শিরিন আক্তার

স্কুলে দৌড়ে সবার আগে। আবার ছুটি হলেও এক দৌড়ে সবার আগে বাড়ি পৌঁছানো। এভাবেই স্কুল জীবনের খেলাধুলায়ও সবসময়ই প্রথম সেই মেয়েশিশুটি এখন বাংলাদেশের দ্রুততম মানবী শিরিন আক্তার। চটপটে স্বভাবের এ তরুণী ১০০ মিটার দৌড় প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের মাটিতে বারবার জিতেছেন স্বর্ণপদক। দৌড়েছেন বিদেশের মাটিতেও। জিতে এনেছেন রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ পদক। শিরিন এখন ২০২৪-এ প্যারিস অলিম্পিকে দৌড়াবেন বাংলাদেশের পতাকা হাতে নিয়ে। বয়ে আনবেন স্বদেশের সম্মান। এ প্রত্যাশা নিয়ে তিনি এখনো মাঠে নামছেন বারবার।

সাতক্ষীরা শহরতলির দহাকুলা গ্রামের মেয়ে শিরিন আক্তার চার বোনের মধ্যে তৃতীয়। বাবা শেখ আবদুল মজিদ একজন কৃষিজীবী। মা আঙ্গুরা খাতুন গৃহিণী। চার বোনের দুইবোন আফরোজা সুলতানা ও তাজমিন পারভিন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্পোর্টস বিভাগে লেখাপড়া করছেন। বড় বোন চলে গেছেন শ্বশুরবাড়িতে। শিরিন লেখাপড়ার প্রাথমিক পর্ব শেষ করেছেন দহাকুলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছেন কারিমা উচ্চ বিদ্যালয়ে।

স্কুলে থাকতে একদিন জানলেন সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে বিকেএসপির প্রতিনিধি এসেছেন। তারা খেলোয়াড় বাছাই করবেন। পাঁচ কিলোমিটার দূরের স্কুল থেকে ছুটে এসে নাম লেখালেন শিরিন। এরপর প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে এসে যোগ দিতেন দৌড় প্রতিযোগিতায়। বাছাই পর্বে উত্তীর্ণ হয়ে শিরিন আক্তার ২০০৭ সালে সপ্তম শ্রেণীতে ভর্তি হন বিকেএসপিতে। এরপর থেকে তার সম্মুখ যাত্রা শুরু। প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে এসএসসি ও এইচএসসি পাস করেন বিকেএসপি থেকে। সেই সঙ্গে দৌড় প্রতিযোগিতার সব কলাকৌশল রপ্ত করার কাজও। শিরিন আক্তার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে অনার্স শেষ করে এমএ করেছেন। এখন তিনি যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্পোর্টস বিভাগে এমএসসি করছেন। একই সঙ্গে উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্পন্ন করেন বিপিএড।

শিরিন আক্তার জাতীয় জুনিয়র অ্যাথলেটসে প্রথমে বালিকা ও পরে কিশোরী ক্যাটাগরিতে দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে বারবার সফল হন। ২০১৮ থেকে জাতীয় অ্যাথলেটস, জাতীয় সামার অ্যাথলেটসে এবং নবম বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ গেমসে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। এভাবে ১২ বার চ্যাম্পিয়ন হয়ে ১২টি গোল্ড মেডেল অর্জন করে সাতক্ষীরার মেয়ে শিরিন আক্তার হয়েছেন বাংলাদেশের দ্রুততম মানবী। শিরিনের লক্ষ্য ২০২৪-এ প্যারিসে অনুষ্ঠেয় অলিম্পিকে দৌড়ে অংশ নেবেন এবং বয়ে আনবেন জাতীয় সম্মান। এর আগে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সব প্রতিযোগিতায় তিনি অংশ নেবেন। বাংলাদেশের শিরিন শুধু নিজ দেশে নয় মাঠ কাঁপিয়েছেন বিদেশেও।

দ্রুততম মানবী শিরিন আক্তার বলেন, সাতক্ষীরার মতো জায়গায় অ্যাথলেটসে অংশগ্রহণ ছিল দারুণ চ্যালেঞ্জিং। কিন্তু আমার বাবা-মা ও স্কুলের শিক্ষকদের উদ্দীপনায় নিজেকে এগিয়ে নিতে পেরেছি। আমি প্রথম পর্যায় থেকে সব সহযোগিতা পেয়েছি সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাছ থেকে। সেই সঙ্গে বিকেএসপিতে ভর্তি হয়ে শিক্ষা ও ক্রীড়া প্রশিক্ষণ কলা কৌশল রপ্ত করেছি। যা আমাকে প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে সব ধরনের শক্তি, সাহস ও অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। প্যারিস অলিম্পিকে অংশ নেওয়ার পর আমি সাতক্ষীরায় নারী খেলোয়াড় তৈরিতে কাজ করব।

বিদেশের মাটি কাঁপাতে শিরিন ২০১৯-এ কাতারে অনুষ্ঠিত এশিয়ান গেমস চ্যাম্পিয়নশীপ, ইতালিতে ২০১৯-এর ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি গেমস, ২০১৯-এ নেপালের কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত সাউথ এশিয়ান গেমস, অস্ট্রেলিয়ায় ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ গেমস, ২০১৬ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত অলিম্পিক গেমস রিও, ২০১৪ সালে স্কটল্যান্ডে অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ গেমস, ২০১৫ সালে চীনে অনুষ্ঠিত এশিয়ান অ্যাথলেটিক চ্যাম্পিয়নশীপ, ২০১৫ সালে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত বীচ গেমস, ২০১৩ সালে ভারতের ঝাড়খন্ডে অনুষ্ঠিত এসএ জুনিয়র অ্যাথলেটিক চ্যাম্পিয়নশীপ, ২০১৬ সালে ভারতের গৌহাটিতে অনুষ্ঠিত সাউথ এশিয়ান গেমস, ২০১৩ সালে ভারতের পুনেতে অনুষ্ঠিত এশিয়ান অ্যাথলেটিক চ্যাম্পিয়নশীপ, ২০১৭ সালে এথেন্সে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল সেশন ফর ইয়ং, ২০২০ সালে অনুষ্ঠিত সাফ এফআই টেকনিক্যাল অনলাইন সেমিনার ফর উইমেন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে স্বদেশের জন্য বয়ে এনেছেন নানা পদক ও বিরল সম্মান।

২০১৪ থেকে ২০২১ পর্যন্ত ১২টি গোল্ড মেডেল জেতা শিরিন, ১০০ মিটার থেকে ২০০ মিটার স্প্রিন্ট কারেন্ট ন্যাশনাল রেকর্ড গড়েছেন। গোল্ড মেডেল ৩৩টি, সিলভার মেডেল ৪টি ও ব্রোঞ্জ পদক জিতে তিনি হয়ে উঠেছেন অপ্রতিরোধ্য। জাতীয় অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশীপ ২০১৪ থেকে ২০২১ পর্যন্ত বারবার অংশ নিয়ে মাঠ কাঁপিয়েছেন শিরিন আক্তার। এখন লক্ষ্য শুধু সামনে এগিয়ে যাওয়া।

বাংলাদেশের দ্রুততম মানবী শিরিন আক্তার আরও বলেন, ক্রীড়াঙ্গনে সক্ষমতা অনুযায়ী নারীদের পদচারণা আরও বাড়ানো দরকার। এ লক্ষ্যে আমি সাতক্ষীরায় মেয়েদের সংগঠিত করে মাঠে আনতে চাই।

দ্রুততম মানবী শিরিন আক্তার

এ বছরও মাঠ কাঁপিয়েছেন শিরিন আক্তার। দ্রুততম মানবীর তকমাটা ধরে রেখেছেন। ৪৪তম জাতীয় অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতায় ১০০ মিটার স্প্রিন্ট জিতে দ্রুততম মানবী হয়েছেন শিরিন আক্তার। লিখেছেন-
 সুভাষ চৌধুরী 
২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
দ্রুততম মানবী শিরিন আক্তার
ফাইল ছবি

স্কুলে দৌড়ে সবার আগে। আবার ছুটি হলেও এক দৌড়ে সবার আগে বাড়ি পৌঁছানো। এভাবেই স্কুল জীবনের খেলাধুলায়ও সবসময়ই প্রথম সেই মেয়েশিশুটি এখন বাংলাদেশের দ্রুততম মানবী শিরিন আক্তার। চটপটে স্বভাবের এ তরুণী ১০০ মিটার দৌড় প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের মাটিতে বারবার জিতেছেন স্বর্ণপদক। দৌড়েছেন বিদেশের মাটিতেও। জিতে এনেছেন রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ পদক। শিরিন এখন ২০২৪-এ প্যারিস অলিম্পিকে দৌড়াবেন বাংলাদেশের পতাকা হাতে নিয়ে। বয়ে আনবেন স্বদেশের সম্মান। এ প্রত্যাশা নিয়ে তিনি এখনো মাঠে নামছেন বারবার।

সাতক্ষীরা শহরতলির দহাকুলা গ্রামের মেয়ে শিরিন আক্তার চার বোনের মধ্যে তৃতীয়। বাবা শেখ আবদুল মজিদ একজন কৃষিজীবী। মা আঙ্গুরা খাতুন গৃহিণী। চার বোনের দুইবোন আফরোজা সুলতানা ও তাজমিন পারভিন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্পোর্টস বিভাগে লেখাপড়া করছেন। বড় বোন চলে গেছেন শ্বশুরবাড়িতে। শিরিন লেখাপড়ার প্রাথমিক পর্ব শেষ করেছেন দহাকুলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছেন কারিমা উচ্চ বিদ্যালয়ে।

স্কুলে থাকতে একদিন জানলেন সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে বিকেএসপির প্রতিনিধি এসেছেন। তারা খেলোয়াড় বাছাই করবেন। পাঁচ কিলোমিটার দূরের স্কুল থেকে ছুটে এসে নাম লেখালেন শিরিন। এরপর প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে এসে যোগ দিতেন দৌড় প্রতিযোগিতায়। বাছাই পর্বে উত্তীর্ণ হয়ে শিরিন আক্তার ২০০৭ সালে সপ্তম শ্রেণীতে ভর্তি হন বিকেএসপিতে। এরপর থেকে তার সম্মুখ যাত্রা শুরু। প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে এসএসসি ও এইচএসসি পাস করেন বিকেএসপি থেকে। সেই সঙ্গে দৌড় প্রতিযোগিতার সব কলাকৌশল রপ্ত করার কাজও। শিরিন আক্তার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে অনার্স শেষ করে এমএ করেছেন। এখন তিনি যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্পোর্টস বিভাগে এমএসসি করছেন। একই সঙ্গে উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্পন্ন করেন বিপিএড।

শিরিন আক্তার জাতীয় জুনিয়র অ্যাথলেটসে প্রথমে বালিকা ও পরে কিশোরী ক্যাটাগরিতে দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে বারবার সফল হন। ২০১৮ থেকে জাতীয় অ্যাথলেটস, জাতীয় সামার অ্যাথলেটসে এবং নবম বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ গেমসে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। এভাবে ১২ বার চ্যাম্পিয়ন হয়ে ১২টি গোল্ড মেডেল অর্জন করে সাতক্ষীরার মেয়ে শিরিন আক্তার হয়েছেন বাংলাদেশের দ্রুততম মানবী। শিরিনের লক্ষ্য ২০২৪-এ প্যারিসে অনুষ্ঠেয় অলিম্পিকে দৌড়ে অংশ নেবেন এবং বয়ে আনবেন জাতীয় সম্মান। এর আগে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সব প্রতিযোগিতায় তিনি অংশ নেবেন। বাংলাদেশের শিরিন শুধু নিজ দেশে নয় মাঠ কাঁপিয়েছেন বিদেশেও।

দ্রুততম মানবী শিরিন আক্তার বলেন, সাতক্ষীরার মতো জায়গায় অ্যাথলেটসে অংশগ্রহণ ছিল দারুণ চ্যালেঞ্জিং। কিন্তু আমার বাবা-মা ও স্কুলের শিক্ষকদের উদ্দীপনায় নিজেকে এগিয়ে নিতে পেরেছি। আমি প্রথম পর্যায় থেকে সব সহযোগিতা পেয়েছি সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাছ থেকে। সেই সঙ্গে বিকেএসপিতে ভর্তি হয়ে শিক্ষা ও ক্রীড়া প্রশিক্ষণ কলা কৌশল রপ্ত করেছি। যা আমাকে প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে সব ধরনের শক্তি, সাহস ও অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। প্যারিস অলিম্পিকে অংশ নেওয়ার পর আমি সাতক্ষীরায় নারী খেলোয়াড় তৈরিতে কাজ করব।

বিদেশের মাটি কাঁপাতে শিরিন ২০১৯-এ কাতারে অনুষ্ঠিত এশিয়ান গেমস চ্যাম্পিয়নশীপ, ইতালিতে ২০১৯-এর ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি গেমস, ২০১৯-এ নেপালের কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত সাউথ এশিয়ান গেমস, অস্ট্রেলিয়ায় ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ গেমস, ২০১৬ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত অলিম্পিক গেমস রিও, ২০১৪ সালে স্কটল্যান্ডে অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ গেমস, ২০১৫ সালে চীনে অনুষ্ঠিত এশিয়ান অ্যাথলেটিক চ্যাম্পিয়নশীপ, ২০১৫ সালে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত বীচ গেমস, ২০১৩ সালে ভারতের ঝাড়খন্ডে অনুষ্ঠিত এসএ জুনিয়র অ্যাথলেটিক চ্যাম্পিয়নশীপ, ২০১৬ সালে ভারতের গৌহাটিতে অনুষ্ঠিত সাউথ এশিয়ান গেমস, ২০১৩ সালে ভারতের পুনেতে অনুষ্ঠিত এশিয়ান অ্যাথলেটিক চ্যাম্পিয়নশীপ, ২০১৭ সালে এথেন্সে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল সেশন ফর ইয়ং, ২০২০ সালে অনুষ্ঠিত সাফ এফআই টেকনিক্যাল অনলাইন সেমিনার ফর উইমেন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে স্বদেশের জন্য বয়ে এনেছেন নানা পদক ও বিরল সম্মান।

২০১৪ থেকে ২০২১ পর্যন্ত ১২টি গোল্ড মেডেল জেতা শিরিন, ১০০ মিটার থেকে ২০০ মিটার স্প্রিন্ট কারেন্ট ন্যাশনাল রেকর্ড গড়েছেন। গোল্ড মেডেল ৩৩টি, সিলভার মেডেল ৪টি ও ব্রোঞ্জ পদক জিতে তিনি হয়ে উঠেছেন অপ্রতিরোধ্য। জাতীয় অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশীপ ২০১৪ থেকে ২০২১ পর্যন্ত বারবার অংশ নিয়ে মাঠ কাঁপিয়েছেন শিরিন আক্তার। এখন লক্ষ্য শুধু সামনে এগিয়ে যাওয়া।

বাংলাদেশের দ্রুততম মানবী শিরিন আক্তার আরও বলেন, ক্রীড়াঙ্গনে সক্ষমতা অনুযায়ী নারীদের পদচারণা আরও বাড়ানো দরকার। এ লক্ষ্যে আমি সাতক্ষীরায় মেয়েদের সংগঠিত করে মাঠে আনতে চাই।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন