টেনিসকন্যা এমা রাদুকানুকে রানির অভিনন্দন
jugantor
টেনিসকন্যা এমা রাদুকানুকে রানির অভিনন্দন
প্রথম ব্রিটিশ নারী টেনিস তারকা এমা রাদুকানু জয় করেছেন তার ক্যারিয়ারের প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম খেতাব। লিখেছেন-

  শিল্পী নাগ  

১১ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

টেনিসকন্যা এমা রাদুকানুকে রানির অভিনন্দন

আঠারো বছর বয়সে ব্রিটিশ টেনিস তারকা এমা রাদুকানু জয় করেছেন ক্যারিয়ারের প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম। এ জয়ে তিনি পেয়েছেন ব্রিটিশ রানির চিঠি। ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ রাদুকানুর এ কীর্তিতে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। গ্রান্ড স্লাম নিশ্চিত হওয়ার পর এলিজাবেথ চিঠিতে রাদুকানুকে লিখেছেন, ‘তুমি অনেক ভালো পারফর্ম করেছ। তাতে আমার কোনো সন্দেহ নেই। তোমার প্রতিপক্ষ লায়লাও ভালো খেলেছে। এ খেলা তোমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে নিশ্চিতভাবে প্রেরণা জোগাবে। আমি তোমাকে আর তোমার সমর্থকদের উষ্ণ অভিনন্দন জ্ঞাপন করছি।’

রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের কাছ থেকে চিঠিতে অভিনন্দন! যারপরানই খুশি হয়েছেন রাদুকানু। রানির কাছ থেকে পাওয়া এ চিঠি তিনি বাঁধিয়ে রাখার পরিকল্পনা করেছেন। এ প্রসঙ্গে ব্রিটিশ তারকা বলেন, আমি অনেক গর্ববোধ করছি, রানি এলিজাবেথও আমার খেলা দেখেন। এটা আমি বিশ্বাস করতে পারছি না। এখন এটা আমি বাঁধিয়ে রাখতে চাই।

ওপেন ফাইনালে তিনি ১৯ বছর বয়সি লায়লা ফার্নান্দেজকে নারী এককে পরাজিত করেন ৬-৪, ৬-৩ এ। ৪৪ বছরে ইতিহাসে রাদুকানু প্রথম ব্রিটিশ নারী টেনিস তারকা যিনি গ্র্যান্ড স্লাম খেতাব জয় করেছেন। অন্যদিকে ২০০৪ সালে মারিয়া শারাপোভার পর এমা রাদুকানু সর্বকনিষ্ঠ নারী টেনিস তারকা হিসাবে গ্র্যান্ড স্লাম চ্যাম্পিয়ন হলেন। তবে ইউএস ওপেন ফাইনাল ম্যাচে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখে কারোর মনে হয়নি এ দুই তারকা প্রথমবার ইউএস ওপেন ফাইনালে খেলছেন।

কঠিন সময়ে নিজের নার্ভ শক্ত করে ধরে রাখেন এমা রাদুকানু। আর সেই সঙ্গে অসাধারণ একটা জয় ছিনিয়ে আনেন। এ টুর্নামেন্টের আগে বিশ্ব টেনিস র‌্যাংকিংয়ে ১৫০ নম্বরে ছিলেন। সেখান থেকে তিনটে যোগ্যতা অর্জনকারী ম্যাচ টপকে এ টুর্নামেন্টের মূলপর্বে অংশগ্রহণ করেন তিনি। আর তারপরই ম্যাজিক দেখান গোটা বিশ্বকে। অবশেষে কোনো সেটে পরাস্ত না হয়েই ইউএস ওপেন ফাইনালে (নারী এককে) খেতাব জয় করেন।

২০২০ সালে, কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে অনেক টেনিস ইভেন্ট বাতিল হয়ে যায়। রাদুকানু যুক্তরাজ্যে প্রদর্শনী ম্যাচ এবং ছোট টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করেন। তিনি ২০২০ সালের ডিসেম্বরে এলটিএ ব্রিটিশ ট্যুর মাস্টার্স শিরোপা জিতেন। পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা এ লেভেলে মনোযোগ দেন। জুনের শুরুতে, রাদুকানু ২০২১ নটিংহাম ওপেনে ওয়াইল্ডকার্ড এন্ট্রি হিসাবে তার ডব্লিউটিএ ট্যুরের মূল ড্র শুরু করেন। প্রথম রাউন্ডে সহকর্মী ব্রিটেন হ্যারিয়েট ডার্টের কাছে হেরে যান। তবে মনোবল হারান না। আগস্ট মাসে বার্ষিক ইউএস ওপেন সিরিজের প্রথম নারী টুর্নামেন্ট সিলিকন ভ্যালি ক্লাসিক খেলেন। আবার টুর্নামেন্টে প্রবেশের জন্য ওয়াইল্ডকার্ড পান। কিন্তু প্রথম রাউন্ডে ঝাং শুইয়ের কাছে হেরে যান। এ সময় তিনি তার কোচ পরিবর্তন করেন। তার যুব কোচদের মধ্যে একজন অ্যান্ড্রু রিচার্ডসন। ইউএস ওপেনের প্রস্তুতিতে রাদুকানু শিকাগোতে ডব্লিউটিএ ১২৫ ইভেন্টের ফাইনালে পৌঁছেন। কিন্তু ক্লারা টাউসনের কাছে হেরে গিয়েছিলেন তিনি।

ব্রিটিশ টেনিস তারকা এমা রাদুকানুর জন্ম ১৩ নভেম্বর ২০০২ সালে কানাডার টরন্টোতে। তিনি বেড়ে ওঠেন লন্ডনে। বাবা ইয়ান এবং মা রিনি রাদুকানু। দুই বছর বয়সে তিনি তার পরিবারের সঙ্গে ইংল্যান্ডে চলে আসেন। টেনিস খেলায় তার হাতেখড়ি পাঁচ বছর বয়সে। খেলাধুলার পাশাপাশি লেখাপড়াও চালিয়ে যান। তার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শুরু হয় বিকলি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এরপর নিউস্টেড উড স্কুলে ভর্তি হন। ছোটবেলায়, তিনি বাস্কেটবল, গলফ, কার্টিং, মোটোক্রস, স্কিইং, রাইডিং এবং ব্যালেসহ বিভিন্ন খেলা খেলেন।

এমা রাদুকানু একজন বেসলাইন খেলোয়াড়। ২০১৮ সালের শুরুতে ভারতের চণ্ডীগড়ে আইটিএফ গ্রেড-৩ মেয়েদের টেনিস টুর্নামেন্ট জিতেন। নয়াদিল্লিতে গ্রেড-২ জুনিয়র টুর্নামেন্ট জিতেন। চণ্ডীগড়ে ফাইনালে তিনি ইউক্রেনের ডায়ানা খোদানকে পরাজিত করে শিরোপা অর্জন করেন। রাদুকানু ২০১৮ সালে পেশাদার খেলোয়াড় হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেন। তিনি ২০১৮ এবং ২০১৯ সালে জুনিয়র এবং পেশাদার টুর্নামেন্টে খেলেন। ২০১৯ সালে রাদুকানু ভারতের মহারাষ্ট্রের সোলাপুর ওপেনে প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। তিনি সোলাপুর ওপেন মহিলা আইটিএফ টেনিস টুর্নামেন্টে দ্বিতীয় রাউন্ডে পৌঁছেন। এ বছরই তিনি ডিসেম্বরে ভারতের পুনেতে আইটিএফ, এনইসিসি-ডেকান ইত্যাদি টুর্নামেন্ট জিতেন। ডেকান জিমখানা ক্লাবের ফাইনালে, তিনি নাইকাথা বেনসের বিরুদ্ধে তিন সেটে জিতেন। ২০২১ সালে ইউএস ওপেন জেতার আগে এটি ছিল তার সেরা শিরোপা জয়। ২০২১ সালের জুন মাসে তার অভিষেক হয় ওয়াইল্ডকার্ডে উইম্বলডন চ্যাম্পিয়নশিপে। তিনি এই প্রথম বড় টুর্নামেন্টে চতুর্থ রাউন্ডে পৌঁছান। তিনি ভিটালিয়া দিয়াচেনকো এবং মার্কেটা ভন্ড্রুভোভোর বিরুদ্ধে প্রাথমিক বিজয় নিয়ে তৃতীয় রাউন্ডে উন্নীত হন। ২০০২ সালে এলিনা বালতাচার পর উইম্বলডন তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছানো তিনি সর্বকনিষ্ঠ ব্রিটিশ নারী টেনিস তারকা। এরপর তিনি সোরানা কর্স্টিয়াকে পরাজিত করে চতুর্থ রাউন্ডে ওঠেন।

টেনিসকন্যা এমা রাদুকানুকে রানির অভিনন্দন

প্রথম ব্রিটিশ নারী টেনিস তারকা এমা রাদুকানু জয় করেছেন তার ক্যারিয়ারের প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম খেতাব। লিখেছেন-
 শিল্পী নাগ 
১১ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
টেনিসকন্যা এমা রাদুকানুকে রানির অভিনন্দন
ফাইল ছবি

আঠারো বছর বয়সে ব্রিটিশ টেনিস তারকা এমা রাদুকানু জয় করেছেন ক্যারিয়ারের প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম। এ জয়ে তিনি পেয়েছেন ব্রিটিশ রানির চিঠি। ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ রাদুকানুর এ কীর্তিতে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। গ্রান্ড স্লাম নিশ্চিত হওয়ার পর এলিজাবেথ চিঠিতে রাদুকানুকে লিখেছেন, ‘তুমি অনেক ভালো পারফর্ম করেছ। তাতে আমার কোনো সন্দেহ নেই। তোমার প্রতিপক্ষ লায়লাও ভালো খেলেছে। এ খেলা তোমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে নিশ্চিতভাবে প্রেরণা জোগাবে। আমি তোমাকে আর তোমার সমর্থকদের উষ্ণ অভিনন্দন জ্ঞাপন করছি।’

রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের কাছ থেকে চিঠিতে অভিনন্দন! যারপরানই খুশি হয়েছেন রাদুকানু। রানির কাছ থেকে পাওয়া এ চিঠি তিনি বাঁধিয়ে রাখার পরিকল্পনা করেছেন। এ প্রসঙ্গে ব্রিটিশ তারকা বলেন, আমি অনেক গর্ববোধ করছি, রানি এলিজাবেথও আমার খেলা দেখেন। এটা আমি বিশ্বাস করতে পারছি না। এখন এটা আমি বাঁধিয়ে রাখতে চাই।

ওপেন ফাইনালে তিনি ১৯ বছর বয়সি লায়লা ফার্নান্দেজকে নারী এককে পরাজিত করেন ৬-৪, ৬-৩ এ। ৪৪ বছরে ইতিহাসে রাদুকানু প্রথম ব্রিটিশ নারী টেনিস তারকা যিনি গ্র্যান্ড স্লাম খেতাব জয় করেছেন। অন্যদিকে ২০০৪ সালে মারিয়া শারাপোভার পর এমা রাদুকানু সর্বকনিষ্ঠ নারী টেনিস তারকা হিসাবে গ্র্যান্ড স্লাম চ্যাম্পিয়ন হলেন। তবে ইউএস ওপেন ফাইনাল ম্যাচে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখে কারোর মনে হয়নি এ দুই তারকা প্রথমবার ইউএস ওপেন ফাইনালে খেলছেন।

কঠিন সময়ে নিজের নার্ভ শক্ত করে ধরে রাখেন এমা রাদুকানু। আর সেই সঙ্গে অসাধারণ একটা জয় ছিনিয়ে আনেন। এ টুর্নামেন্টের আগে বিশ্ব টেনিস র‌্যাংকিংয়ে ১৫০ নম্বরে ছিলেন। সেখান থেকে তিনটে যোগ্যতা অর্জনকারী ম্যাচ টপকে এ টুর্নামেন্টের মূলপর্বে অংশগ্রহণ করেন তিনি। আর তারপরই ম্যাজিক দেখান গোটা বিশ্বকে। অবশেষে কোনো সেটে পরাস্ত না হয়েই ইউএস ওপেন ফাইনালে (নারী এককে) খেতাব জয় করেন।

২০২০ সালে, কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে অনেক টেনিস ইভেন্ট বাতিল হয়ে যায়। রাদুকানু যুক্তরাজ্যে প্রদর্শনী ম্যাচ এবং ছোট টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করেন। তিনি ২০২০ সালের ডিসেম্বরে এলটিএ ব্রিটিশ ট্যুর মাস্টার্স শিরোপা জিতেন। পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা এ লেভেলে মনোযোগ দেন। জুনের শুরুতে, রাদুকানু ২০২১ নটিংহাম ওপেনে ওয়াইল্ডকার্ড এন্ট্রি হিসাবে তার ডব্লিউটিএ ট্যুরের মূল ড্র শুরু করেন। প্রথম রাউন্ডে সহকর্মী ব্রিটেন হ্যারিয়েট ডার্টের কাছে হেরে যান। তবে মনোবল হারান না। আগস্ট মাসে বার্ষিক ইউএস ওপেন সিরিজের প্রথম নারী টুর্নামেন্ট সিলিকন ভ্যালি ক্লাসিক খেলেন। আবার টুর্নামেন্টে প্রবেশের জন্য ওয়াইল্ডকার্ড পান। কিন্তু প্রথম রাউন্ডে ঝাং শুইয়ের কাছে হেরে যান। এ সময় তিনি তার কোচ পরিবর্তন করেন। তার যুব কোচদের মধ্যে একজন অ্যান্ড্রু রিচার্ডসন। ইউএস ওপেনের প্রস্তুতিতে রাদুকানু শিকাগোতে ডব্লিউটিএ ১২৫ ইভেন্টের ফাইনালে পৌঁছেন। কিন্তু ক্লারা টাউসনের কাছে হেরে গিয়েছিলেন তিনি।

ব্রিটিশ টেনিস তারকা এমা রাদুকানুর জন্ম ১৩ নভেম্বর ২০০২ সালে কানাডার টরন্টোতে। তিনি বেড়ে ওঠেন লন্ডনে। বাবা ইয়ান এবং মা রিনি রাদুকানু। দুই বছর বয়সে তিনি তার পরিবারের সঙ্গে ইংল্যান্ডে চলে আসেন। টেনিস খেলায় তার হাতেখড়ি পাঁচ বছর বয়সে। খেলাধুলার পাশাপাশি লেখাপড়াও চালিয়ে যান। তার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শুরু হয় বিকলি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এরপর নিউস্টেড উড স্কুলে ভর্তি হন। ছোটবেলায়, তিনি বাস্কেটবল, গলফ, কার্টিং, মোটোক্রস, স্কিইং, রাইডিং এবং ব্যালেসহ বিভিন্ন খেলা খেলেন।

এমা রাদুকানু একজন বেসলাইন খেলোয়াড়। ২০১৮ সালের শুরুতে ভারতের চণ্ডীগড়ে আইটিএফ গ্রেড-৩ মেয়েদের টেনিস টুর্নামেন্ট জিতেন। নয়াদিল্লিতে গ্রেড-২ জুনিয়র টুর্নামেন্ট জিতেন। চণ্ডীগড়ে ফাইনালে তিনি ইউক্রেনের ডায়ানা খোদানকে পরাজিত করে শিরোপা অর্জন করেন। রাদুকানু ২০১৮ সালে পেশাদার খেলোয়াড় হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেন। তিনি ২০১৮ এবং ২০১৯ সালে জুনিয়র এবং পেশাদার টুর্নামেন্টে খেলেন। ২০১৯ সালে রাদুকানু ভারতের মহারাষ্ট্রের সোলাপুর ওপেনে প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। তিনি সোলাপুর ওপেন মহিলা আইটিএফ টেনিস টুর্নামেন্টে দ্বিতীয় রাউন্ডে পৌঁছেন। এ বছরই তিনি ডিসেম্বরে ভারতের পুনেতে আইটিএফ, এনইসিসি-ডেকান ইত্যাদি টুর্নামেন্ট জিতেন। ডেকান জিমখানা ক্লাবের ফাইনালে, তিনি নাইকাথা বেনসের বিরুদ্ধে তিন সেটে জিতেন। ২০২১ সালে ইউএস ওপেন জেতার আগে এটি ছিল তার সেরা শিরোপা জয়। ২০২১ সালের জুন মাসে তার অভিষেক হয় ওয়াইল্ডকার্ডে উইম্বলডন চ্যাম্পিয়নশিপে। তিনি এই প্রথম বড় টুর্নামেন্টে চতুর্থ রাউন্ডে পৌঁছান। তিনি ভিটালিয়া দিয়াচেনকো এবং মার্কেটা ভন্ড্রুভোভোর বিরুদ্ধে প্রাথমিক বিজয় নিয়ে তৃতীয় রাউন্ডে উন্নীত হন। ২০০২ সালে এলিনা বালতাচার পর উইম্বলডন তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছানো তিনি সর্বকনিষ্ঠ ব্রিটিশ নারী টেনিস তারকা। এরপর তিনি সোরানা কর্স্টিয়াকে পরাজিত করে চতুর্থ রাউন্ডে ওঠেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন