নারী উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্প
jugantor
নারী উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্প

  মোছাঃ জেলি খাতুন  

০১ নভেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন নারী উদ্যোক্তা সাদিয়া ইসলাম মৌ। হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। প্রথমে উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার কোনো পরিকল্পনা ছিল না তার। করোনাকালীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। সময়টাকে কাজে লাগান তিনি। দেখলেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বন্ধের সুযোগটাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় ভাইবোন, বন্ধু-বান্ধবীরা যার যার মতে কাজে লাগাচ্ছেন। কেউ পোশাক, কেউ বা ড্রাই ফুডস, কেউ হ্যান্ড পেইন্টেড ড্রেস, কেউ বা কসমেটিকস আইটেম ইত্যাদি অনলাইনে বিক্রি করছেন। তিনিও তাদের পথ অনুসরণ করলেন। লেখাপড়ার পাশাপাশি অনলাইনে পোশাক ব্যবসা শুরু করলেন।

এ প্রসঙ্গে সাদিয়া ইসলাম মৌ বলেন, তখনই শুরু হলো শূন্য থেকে শুরুর গল্প। প্রথমে ব্যবসা করাটা সহজ ছিল না। একে তো পুঁজি নেই, তার ওপর করোনাকালীন পরিস্থিতিতে বাসা থেকে বাইরে বের হওয়ার অনুমতি নেই। তবুও ইচ্ছাশক্তির জোরে বন্ধুর কাছ থেকে চার হাজার টাকা নিয়ে বাবা-মাকে বোঝাই। এ চার হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে কাজ শুরু করি রংপুরের উদ্যোক্তাদের নিয়ে গড়া একটা অনলাইন সাইটে। আস্তে আস্তে রংপুরে পরিচিতি হচ্ছিল। লাভ আসলে তেমন কিছুই ছিল না প্রথমে। তবুও হাল ছাড়িনি। শুরুর দিকে গ্রাহকদের সঙ্গে ডিল করা, কীভাবে দাম নির্ধারণ করা, কীভাবে ডেলিভারি সেবা দিতে হয় এসব প্রাথমিক কাজগুলো শিখি। এরপর ভাবি পরিচিতি বাড়াতে হবে। লোকে যাকে চিনে তার ওপরই আস্থা রাখে বেশি। ক্যাম্পাসের সংখ্যাগরিষ্ঠ শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘Students E-commerce platform’ নামে একটা প্ল্যাটফরম আছে। এ প্ল্যাটফরমের উদ্দেশ্য সব শিক্ষার্থীকে স্বাবলম্বী করে তোলা। এরপর বাবার চাকরি সূত্রে রংপুর থেকে কুমিল্লায় আসি। কুমিল্লা এসে যুক্ত হই সেখানকার সেলার হিসাবে। কাজ শুরু করি একদম নতুনভাবে। সেখানকার ঐতিহ্যবাহী খাদি পোশাক নিয়ে। খাদি কাপড়ের পাঞ্জাবি, শাড়ি, থ্রিপিস ইত্যাদি পণ্য নিয়ে। সাত মাসের উদ্যোক্তা জীবনে বিক্রি করেছি প্রায় ২০ লাখ টাকার পণ্য। প্রতিকূলতা পেরিয়ে শূন্য থেকে এভাবেই সামনে এগিয়ে যাচ্ছি।

নারী উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্প

 মোছাঃ জেলি খাতুন 
০১ নভেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন নারী উদ্যোক্তা সাদিয়া ইসলাম মৌ। হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। প্রথমে উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার কোনো পরিকল্পনা ছিল না তার। করোনাকালীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। সময়টাকে কাজে লাগান তিনি। দেখলেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বন্ধের সুযোগটাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় ভাইবোন, বন্ধু-বান্ধবীরা যার যার মতে কাজে লাগাচ্ছেন। কেউ পোশাক, কেউ বা ড্রাই ফুডস, কেউ হ্যান্ড পেইন্টেড ড্রেস, কেউ বা কসমেটিকস আইটেম ইত্যাদি অনলাইনে বিক্রি করছেন। তিনিও তাদের পথ অনুসরণ করলেন। লেখাপড়ার পাশাপাশি অনলাইনে পোশাক ব্যবসা শুরু করলেন।

এ প্রসঙ্গে সাদিয়া ইসলাম মৌ বলেন, তখনই শুরু হলো শূন্য থেকে শুরুর গল্প। প্রথমে ব্যবসা করাটা সহজ ছিল না। একে তো পুঁজি নেই, তার ওপর করোনাকালীন পরিস্থিতিতে বাসা থেকে বাইরে বের হওয়ার অনুমতি নেই। তবুও ইচ্ছাশক্তির জোরে বন্ধুর কাছ থেকে চার হাজার টাকা নিয়ে বাবা-মাকে বোঝাই। এ চার হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে কাজ শুরু করি রংপুরের উদ্যোক্তাদের নিয়ে গড়া একটা অনলাইন সাইটে। আস্তে আস্তে রংপুরে পরিচিতি হচ্ছিল। লাভ আসলে তেমন কিছুই ছিল না প্রথমে। তবুও হাল ছাড়িনি। শুরুর দিকে গ্রাহকদের সঙ্গে ডিল করা, কীভাবে দাম নির্ধারণ করা, কীভাবে ডেলিভারি সেবা দিতে হয় এসব প্রাথমিক কাজগুলো শিখি। এরপর ভাবি পরিচিতি বাড়াতে হবে। লোকে যাকে চিনে তার ওপরই আস্থা রাখে বেশি। ক্যাম্পাসের সংখ্যাগরিষ্ঠ শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘Students E-commerce platform’ নামে একটা প্ল্যাটফরম আছে। এ প্ল্যাটফরমের উদ্দেশ্য সব শিক্ষার্থীকে স্বাবলম্বী করে তোলা। এরপর বাবার চাকরি সূত্রে রংপুর থেকে কুমিল্লায় আসি। কুমিল্লা এসে যুক্ত হই সেখানকার সেলার হিসাবে। কাজ শুরু করি একদম নতুনভাবে। সেখানকার ঐতিহ্যবাহী খাদি পোশাক নিয়ে। খাদি কাপড়ের পাঞ্জাবি, শাড়ি, থ্রিপিস ইত্যাদি পণ্য নিয়ে। সাত মাসের উদ্যোক্তা জীবনে বিক্রি করেছি প্রায় ২০ লাখ টাকার পণ্য। প্রতিকূলতা পেরিয়ে শূন্য থেকে এভাবেই সামনে এগিয়ে যাচ্ছি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন