মিথ্যার কাছে পরাজিত হতে নেই
jugantor
মিথ্যার কাছে পরাজিত হতে নেই
মারিয়া অ্যাঞ্জেলিতা রেসা। ২০২১ সালের নোবেল শান্তির খেতাব জয় করেছেন।

  সাব্বিন হাসান  

০১ নভেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শুধু ‘মারিয়া’ নামেই সারা বিশ্বে এখন আলোচনার তুঙ্গে। পুরো নাম মারিয়া অ্যাঞ্জেলিতা রেসা। জন্ম ১৯৬৩ সালের ২ অক্টোবর। নিজে পেশায় একজন ফিলিপাইনের সাংবাদিক, লেখক, সংবাদমাধ্যম র‌্যাপলারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও। গড়েছেন ইতিহাস। ফিলিপাইনের হয়ে ৫৮ বছর বয়সে তিনিই প্রথম নোবেল জয় করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন তাবৎ বিশ্বকে।

সিএনএন-এর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রধান অনুসন্ধানী প্রতিবেদক হিসাবে দুই দশক দায়িত্ব পালন করেছেন। মারিয়া অবশ্য দিমিত্রি মুরাতভের সঙ্গে যৌথভাবে ২০২১ সালের নোবেল শান্তির খেতাব জয় করেছেন। ২০২০ সালে তাকে ফিলিপাইনের বিতর্কিত সাইবার অপরাধবিরোধী আইন, সাইবার-লাইবেলে (ইন্টারনেটে ই-মেইল বা অন্য কোনো মাধ্যমে কারও জন্য ক্ষতিকর তথ্য দেওয়া) দোষী সাব্যস্ত করা হয়। বহুল আলোচিত এ ঘটনায় বিশ্বের বিভিন্ন গোষ্ঠী ও সাংবাদিকরা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের ওপর চূড়ান্ত আঘাত হিসাবে তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেন।

২০১৮ সালে সারা বিশ্বে মারিয়াকে ভুয়া সংবাদের বিরুদ্ধে লড়াকু সাংবাদিকদের একজন হিসাবে ‘টাইমস পার্সন অব দ্য ইয়ার’ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ২০১৯ সালে ব্যবসায়ী উইলফ্রেডো কেং সম্পর্কিত একটি মিথ্যা সংবাদ র‌্যাপলারে প্রকাশ করার অভিযোগে তাকে সাইবার আইনের আওতায় গ্রেফতার করা হয়। পরে ম্যানিলার আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে। ফিলিপাইনের রাষ্ট্রপতি রদ্রিগো দুতের্তের কট্টর সমালোচক তিনি। তাই বিরোধী দল এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অনেকেই তাকে গ্রেফতার এবং দোষী সাব্যস্ত করা রদ্রিগো সরকারের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কাজ হিসাবেই দেখেছেন। রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস কর্তৃক চালু করা তথ্য ও গণতন্ত্র কমিশনের ২৫ জন শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তির মধ্যে মারিয়া অন্যতম।

ফিলিপাইনের সংবাদভিত্তিক সাইট র‌্যাপলারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও মারিয়া রেসাকে এ বছরের শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ঘোষণা করার পর সরকারের তরফ থেকে তেমন কোনো শুভেচ্ছা জানানো হয়নি। নীরবতা পালন করছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতের্তে। নিশ্চুপই আছেন সরকার মুখপাত্র ও রাজনৈতিক সহযোগীরাও। যদিও মারিয়ার এমন অভূতপূর্ব অর্জনে উচ্ছ্বসিত সাংবাদিক ও দেশটির জনগণ।

ফিলিপাইনে মাদকবিরোধী লড়াইয়ে ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীর বিচারবহির্ভূত হত্যা নিয়ে প্রতিবেদন করে দুতের্তে সরকারের নিরবচ্ছিন্ন আক্রমণের শিকার হয়ে আসছেন দেশটির বহু সাংবাদিক। মারিয়া এসব নির্যাতিত সাংবাদিকের একজন সরব প্রতিনিধি। তার এমন সাফল্যে দারুণ খুশি সহকর্মীরা। সারা দেশেই তিনি প্রশংসার জোয়ারে ভাসছেন। শান্তিতে নিজ দেশের নাগরিক নোবেল জিতলেও দুতের্তের নীরবতায় সবাই বিস্মিত। ২০১৮ সালে পুলিৎজার পুরস্কার বিজয়ী ম্যানুয়েল মোগাতো ব্যঙ্গ করেই টুইটে লিখেছেন, ধন্যবাদ রদ্রিগো দুতের্তে। বিশ্বের মানচিত্রে ফিলিপাইনকে স্থান করে নেওয়াকে প্রকৃতই আপনি সম্ভব করে তুলেছেন। সরকারের নিপীড়নের বিরুদ্ধে সাংবাদিক মারিয়া রেসা লড়াই করেই ২০২১ সালে শান্তিতে নোবেল ছিনিয়ে এনেছে। রদ্রিগোর মাদকবিরোধী লড়াইয়ের ওপর প্রতিবেদন করে পুরস্কার জিতেছেন মোগাতো। রদ্রিগো সরকারের শুধু একজন কর্মকর্তাই এখন অবধি মারিয়ার নোবেল জয় নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সাবেক সাংবাদিক তিওদোরো লকসিন বলেছেন, অভিনন্দন, মারিয়া। জয় জয়ই।

মারিয়ার ঐতিহাসিক সাফল্যে অভিনন্দন জানিয়েছে ফিলিপাইনে সাংবাদিকদের সংগঠন ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব জার্নালিস্টস অব দ্য ফিলিপাইনস। সংগঠনটি জানিয়েছে, এমন পুরস্কার শুধু কাজের স্বীকৃতি নয়, বরং তা ফিলিপাইন ও বিশ্বজুড়ে চলমান গণমাধ্যম এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার গুরুত্বকে সম্মানিত করেছে।

মারিয়া রেসা ফিলিপাইনের নাগরিক হিসাবে শান্তিতে প্রথম নোবেল পুরস্কার অর্জন করেছেন। সিএনএনের ফিলিপাইনের ব্যুরো প্রধান হিসাবে তিনি দায়িত্বরত। ২০১২ সালে তিনি র‌্যাপলার প্রতিষ্ঠা করেন। ফিলিপাইনে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে শত শত মানুষকে হত্যা করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা করে দ্রুত জনপ্রিয়তা পায় র‌্যাপলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির অর্থ ফিলিপাইনে পাচার করার বিষয়েও কিছু প্রতিবেদন প্রকাশ করে আলোচিত হয় র‌্যাপলার।

ফিলিপাইনে যে ক’টি সংবাদমাধ্যম প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো ও তার নীতির সরাসরি সমালোচনা করে, তার মধ্যে র‌্যাপলার অন্যতম। আর ঠিক সে কারণেই র‌্যাপলারের প্রধান মারিয়াকে বারবার সরকারের রোষানলে পড়তে হয়। তার বিরুদ্ধে মামলা আছে বহু। ফিলিপাইনের সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ আইনে দেশটির আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করেন। স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য তাকে জেলেও যেতে হয় বারবার।

নোবেল পুরস্কার জয়ী মারিয়া সিএনএনকে বলেন, আইনের শাসন ও সত্য প্রকাশের জন্য তিনি আজীবন লড়াই চালিয়ে যাবেন। সত্য তা সত্যই।

নিজেকে কখনো মিথ্যার কাছে পরাজিত হতে দিতে নেই। তাহলে জীবনের উৎসাহে ভাটা পড়ে। শক্তি হয়ে পড়ে নিষ্প্রাণ। সত্য সরল আর শক্তিশালী। সত্যকে কঠোরতা দিয়ে দীর্ঘদিন দমিয়ে রাখা যায় না। দাপুটে জীবনের মধ্যে শান্তির দর্শন মেলে। আর সে শান্তি হয় দীর্ঘস্থায়ী আর প্রাণবন্ত। নিজের আত্মবিশ্বাসের কথা এমনভাবেই সুব্যক্ত করেছেন শান্তিতে নোবেল জয়ী নির্ভীক সাংবাদিক মারিয়া রেসা।

মিথ্যার কাছে পরাজিত হতে নেই

মারিয়া অ্যাঞ্জেলিতা রেসা। ২০২১ সালের নোবেল শান্তির খেতাব জয় করেছেন।
 সাব্বিন হাসান 
০১ নভেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শুধু ‘মারিয়া’ নামেই সারা বিশ্বে এখন আলোচনার তুঙ্গে। পুরো নাম মারিয়া অ্যাঞ্জেলিতা রেসা। জন্ম ১৯৬৩ সালের ২ অক্টোবর। নিজে পেশায় একজন ফিলিপাইনের সাংবাদিক, লেখক, সংবাদমাধ্যম র‌্যাপলারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও। গড়েছেন ইতিহাস। ফিলিপাইনের হয়ে ৫৮ বছর বয়সে তিনিই প্রথম নোবেল জয় করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন তাবৎ বিশ্বকে।

সিএনএন-এর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রধান অনুসন্ধানী প্রতিবেদক হিসাবে দুই দশক দায়িত্ব পালন করেছেন। মারিয়া অবশ্য দিমিত্রি মুরাতভের সঙ্গে যৌথভাবে ২০২১ সালের নোবেল শান্তির খেতাব জয় করেছেন। ২০২০ সালে তাকে ফিলিপাইনের বিতর্কিত সাইবার অপরাধবিরোধী আইন, সাইবার-লাইবেলে (ইন্টারনেটে ই-মেইল বা অন্য কোনো মাধ্যমে কারও জন্য ক্ষতিকর তথ্য দেওয়া) দোষী সাব্যস্ত করা হয়। বহুল আলোচিত এ ঘটনায় বিশ্বের বিভিন্ন গোষ্ঠী ও সাংবাদিকরা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের ওপর চূড়ান্ত আঘাত হিসাবে তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেন।

২০১৮ সালে সারা বিশ্বে মারিয়াকে ভুয়া সংবাদের বিরুদ্ধে লড়াকু সাংবাদিকদের একজন হিসাবে ‘টাইমস পার্সন অব দ্য ইয়ার’ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ২০১৯ সালে ব্যবসায়ী উইলফ্রেডো কেং সম্পর্কিত একটি মিথ্যা সংবাদ র‌্যাপলারে প্রকাশ করার অভিযোগে তাকে সাইবার আইনের আওতায় গ্রেফতার করা হয়। পরে ম্যানিলার আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে। ফিলিপাইনের রাষ্ট্রপতি রদ্রিগো দুতের্তের কট্টর সমালোচক তিনি। তাই বিরোধী দল এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অনেকেই তাকে গ্রেফতার এবং দোষী সাব্যস্ত করা রদ্রিগো সরকারের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কাজ হিসাবেই দেখেছেন। রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস কর্তৃক চালু করা তথ্য ও গণতন্ত্র কমিশনের ২৫ জন শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তির মধ্যে মারিয়া অন্যতম।

ফিলিপাইনের সংবাদভিত্তিক সাইট র‌্যাপলারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও মারিয়া রেসাকে এ বছরের শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ঘোষণা করার পর সরকারের তরফ থেকে তেমন কোনো শুভেচ্ছা জানানো হয়নি। নীরবতা পালন করছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতের্তে। নিশ্চুপই আছেন সরকার মুখপাত্র ও রাজনৈতিক সহযোগীরাও। যদিও মারিয়ার এমন অভূতপূর্ব অর্জনে উচ্ছ্বসিত সাংবাদিক ও দেশটির জনগণ।

ফিলিপাইনে মাদকবিরোধী লড়াইয়ে ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীর বিচারবহির্ভূত হত্যা নিয়ে প্রতিবেদন করে দুতের্তে সরকারের নিরবচ্ছিন্ন আক্রমণের শিকার হয়ে আসছেন দেশটির বহু সাংবাদিক। মারিয়া এসব নির্যাতিত সাংবাদিকের একজন সরব প্রতিনিধি। তার এমন সাফল্যে দারুণ খুশি সহকর্মীরা। সারা দেশেই তিনি প্রশংসার জোয়ারে ভাসছেন। শান্তিতে নিজ দেশের নাগরিক নোবেল জিতলেও দুতের্তের নীরবতায় সবাই বিস্মিত। ২০১৮ সালে পুলিৎজার পুরস্কার বিজয়ী ম্যানুয়েল মোগাতো ব্যঙ্গ করেই টুইটে লিখেছেন, ধন্যবাদ রদ্রিগো দুতের্তে। বিশ্বের মানচিত্রে ফিলিপাইনকে স্থান করে নেওয়াকে প্রকৃতই আপনি সম্ভব করে তুলেছেন। সরকারের নিপীড়নের বিরুদ্ধে সাংবাদিক মারিয়া রেসা লড়াই করেই ২০২১ সালে শান্তিতে নোবেল ছিনিয়ে এনেছে। রদ্রিগোর মাদকবিরোধী লড়াইয়ের ওপর প্রতিবেদন করে পুরস্কার জিতেছেন মোগাতো। রদ্রিগো সরকারের শুধু একজন কর্মকর্তাই এখন অবধি মারিয়ার নোবেল জয় নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সাবেক সাংবাদিক তিওদোরো লকসিন বলেছেন, অভিনন্দন, মারিয়া। জয় জয়ই।

মারিয়ার ঐতিহাসিক সাফল্যে অভিনন্দন জানিয়েছে ফিলিপাইনে সাংবাদিকদের সংগঠন ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব জার্নালিস্টস অব দ্য ফিলিপাইনস। সংগঠনটি জানিয়েছে, এমন পুরস্কার শুধু কাজের স্বীকৃতি নয়, বরং তা ফিলিপাইন ও বিশ্বজুড়ে চলমান গণমাধ্যম এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার গুরুত্বকে সম্মানিত করেছে।

মারিয়া রেসা ফিলিপাইনের নাগরিক হিসাবে শান্তিতে প্রথম নোবেল পুরস্কার অর্জন করেছেন। সিএনএনের ফিলিপাইনের ব্যুরো প্রধান হিসাবে তিনি দায়িত্বরত। ২০১২ সালে তিনি র‌্যাপলার প্রতিষ্ঠা করেন। ফিলিপাইনে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে শত শত মানুষকে হত্যা করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা করে দ্রুত জনপ্রিয়তা পায় র‌্যাপলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির অর্থ ফিলিপাইনে পাচার করার বিষয়েও কিছু প্রতিবেদন প্রকাশ করে আলোচিত হয় র‌্যাপলার।

ফিলিপাইনে যে ক’টি সংবাদমাধ্যম প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো ও তার নীতির সরাসরি সমালোচনা করে, তার মধ্যে র‌্যাপলার অন্যতম। আর ঠিক সে কারণেই র‌্যাপলারের প্রধান মারিয়াকে বারবার সরকারের রোষানলে পড়তে হয়। তার বিরুদ্ধে মামলা আছে বহু। ফিলিপাইনের সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ আইনে দেশটির আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করেন। স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য তাকে জেলেও যেতে হয় বারবার।

নোবেল পুরস্কার জয়ী মারিয়া সিএনএনকে বলেন, আইনের শাসন ও সত্য প্রকাশের জন্য তিনি আজীবন লড়াই চালিয়ে যাবেন। সত্য তা সত্যই।

নিজেকে কখনো মিথ্যার কাছে পরাজিত হতে দিতে নেই। তাহলে জীবনের উৎসাহে ভাটা পড়ে। শক্তি হয়ে পড়ে নিষ্প্রাণ। সত্য সরল আর শক্তিশালী। সত্যকে কঠোরতা দিয়ে দীর্ঘদিন দমিয়ে রাখা যায় না। দাপুটে জীবনের মধ্যে শান্তির দর্শন মেলে। আর সে শান্তি হয় দীর্ঘস্থায়ী আর প্রাণবন্ত। নিজের আত্মবিশ্বাসের কথা এমনভাবেই সুব্যক্ত করেছেন শান্তিতে নোবেল জয়ী নির্ভীক সাংবাদিক মারিয়া রেসা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন