লবুচে পর্বতজয়ী জয়নাবের ইতিহাস
jugantor
লবুচে পর্বতজয়ী জয়নাবের ইতিহাস
জয়নাব বিন্তে হোসেন শান্তু বাংলাদেশি প্রথম নারী পর্বতারোহী। যিনি ‘লবুচে’ ৬ হাজার ১১৯ মিটার পর্বত জয় করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। লিখেছেন-

  রীতা ভৌমিক  

১৫ নভেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

১ নভেম্বর, সোমবার সকাল ৯টা ৫০ মিনিট। এ সময়টা আমার জীবনের একটি স্মরণীয় মুহূর্ত। নেপালের ‘লবুচে’ ৬ হাজার ১১৯ মিটার পর্বতে ওপরে ওঠা। সেখানে দাঁড়িয়ে আমার দেশের লাল-সবুজ পতাকা ওড়ানো। সবই যেন স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছিল আমার কাছে বললেন বাংলাদেশের পর্বতারোহী জয়নাব বিন্তে হোসেন শান্তু।

বাংলাদেশি প্রথম নারী পর্বতারোহী জয়নাব বিন্তে হোসেন শান্তু ‘লবুচে’ ৬ হাজার ১১৯ মিটার পর্বত জয় করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। এ বছরের ১১ অক্টোবর পর্বতারোহী জয়নাব বিন্তে হোসেন শান্তু নেপালে ফার্চামো অভিযানে যান। পরের দিনই তিনি লুকলা টেকিং শুরু করেন। তার সঙ্গে ছিলেন তিনজন শেরপা দাওয়া তেঞ্জিং, নিমা নুরু এবং সুভাষ তামাও। আর ছিল চেক প্রজাতন্ত্রের একটি দল। খুম্বু রিজিওনে ট্রেকিং শুরু করলেন। বেসক্যাম্পে পৌঁছতেই তুষারপাত শুরু হয়ে যায়। এ পর্বতের ৫ হাজার ৯০০ মিটার পর্যন্ত গিয়েও টানা ৩৬ ঘণ্টার তুষারপাতের কারণে এক সপ্তাহের মধ্যে দু’বার ‘সামিট পুশ’ দিয়েও সফল হতে পারলেন না। শেরপারা দু’বারই ‘রোপ ফিক্স’ করতে গিয়ে ‘তুষার ঝড়ে’র কারণে ব্যর্থ হলেন। এরপর ফিরে আসেন থ্যাংবো নামক একটি জায়গায়। পাহাড় থেকে কিছুটা নিচে। এখানে জয়নাব বিন্তে হোসেন শান্তু পাঁচদিন অবস্থান করেন। আবারও ওপরে ওঠার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। তুষারপাত এবং নরম বরফের কারণে পা রাখতে পারছিলেন না।

আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় এ অভিযান সফল হবে না। তবে এভাবে শূন্য হাতে ফিরে যাবেন না। এবার পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনলেন। তিনি লক্ষ্য স্থির করলেন এবার যাবেন এ পর্যন্ত বাংলাদেশিদের দ্বারা বিজয় না হওয়া ‘ফার্চামো’ পর্বতে। ‘ফার্চামো’ পর্বতে অভিযান করার অবস্থা না থাকায় গাইড দাওয়া তেঞ্জিং শেরপার পরামর্শে এভারেস্ট বেসক্যাম্পের পাশে অবস্থিত ‘লবুচে’ পাহাড়ে অভিযানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ‘থামো’ হয়ে পাংবোচে, পাংবোচ থেকে বেসক্যাম্প, বেসক্যাম্প থেকে হাইক্যাম্প হয়ে একটানা তিন দিন পর ১ নভেম্বর সোমবার খুম্বু হিমালয়ের এভারেস্ট বেসক্যাম্পের কাছে ৬ হাজার ১১৯ মিটার অর্থাৎ ২০ হাজার ৭০ ফুট উচ্চতার ‘লবুচে’ পর্বত জয় করেন।

লবুচে পর্বত জয় করে তিনি তার সামিট স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহিদ ও ২ লাখ নারী মুক্তিযোদ্ধার উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করেন।

জয়নাব বিন্তে হোসেন শান্তু প্রথম পবর্তারোহণ করেন ২০১৬ সালের নভেম্বরে। বন্ধুদের সঙ্গে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সান্দাকফু ফালুট এলাকার হিমালয়ে যান। শিলিগুড়ি দিয়ে গাড়িতে দার্জিলিং এরপর সান্দাকফু ফালুটে। এ প্রসঙ্গে জয়নাব বিন্তে হোসেন শান্তু বলেন, বন্ধুদের মধ্যে অনেকেই এ জায়গাটায় আগেই গিয়েছিলেন। ওদের সঙ্গে হিমালয় পর্বত দেখতে যাওয়াই ছিল মূল উদ্দেশ্য। এ পর্বতের উচ্চতা ছিল ১২ হাজার ফুটের মতো। একদিনের টেকিংয়ে আমরা হিমালয়ের সান্দাকফু ফালুটে পর্বতে আরোহণ করি। এরপরের বছরই ভারতের হিমাচলে হিমালয়ের হাম্পতা পাস আরোহণ করি। এরপর ২০১৮ সালের জুন মাসে ভারতের উত্তরাখণ্ডের রুদ্রগাইরা যাই। এ বছরই আগস্টে লাদাখের স্টক কাংরি পর্বত জয় করি। স্টক কাংরির উচ্চতা ছিল ৬ হাজার ১৫৩ মিটার। ঢাকা থেকে কলকাতা বিমানে, সেখান থেকে বিমানে লাদাখের রাজধানী লেহ শহরে যাই। লাদাখ থেকে গাইড ভাড়া করি ২০ হাজার রুপিতে। আগেই গাইডের সঙ্গে অনলাইনে যোগাযোগ করে নিয়েছিলাম। একই সময়ে কয়েকটা গ্রুপ গিয়েছিলাম। বাংলাদেশ থেকে আমি একা। ইউরোপ, আমেরিকা, ভারতের পর্বতারোহীরাও ছিলেন। প্রথম দিন ৩ ঘণ্টা টেকিং করে চাংমা পৌঁছি। সেখানে তাঁবুতে বিশ্রাম নিই। সঙ্গে করে নেওয়া শুকনো খাবার খাই। রান্না করেও খাই। বিকালে আবার দু’ঘণ্টা টেকিং করে মানকারমং পৌঁছি। সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় সেখানেই রাতে অবস্থান করি। পরের দিন মানকারমং থেকে টেকিং করে বেসক্যাম্পে পৌঁছি। সেখানে রাতে থেকে পরের দিন রাত বারোটায় বেসক্যাম্প থেকে যাত্রা শুরু করি। ১৯ সেপ্টেম্বরে বেলা ১১টায় তককাংরি সামিট জয় করি। সেদিন আবহাওয়া ভালো ছিল।

পারিবারিক সহযোগিতায় এভাবে একের পর এক পর্বতারোহণের নেশা জয়নাব বিন্তে হোসেন শান্তুকে পেয়ে বসে। ভারত-বাংলাদেশের যৌথ অভিযানে ২০১৮ সালের ৬ অক্টোবরে রুদ্রগাইরার উদ্দেশে যাত্রা করেন। বেসক্যাম্পে পৌঁছে আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় সামিট না করে ফিরে আসেন।

পর্বতারোহণে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তোলার জন্য জয়নাব বিন্তে হোসেন শান্তু ২০১৯ সালের মে মাসে ভারতের উত্তরাখণ্ডে নেহেরু ইনস্টিটিউট অফ মাউন্টেনিয়ারিংয়ে এক মাসের প্রশিক্ষণ নেন। এখানে পর্বতারোহণের তিনটি অংশের প্রশিক্ষণ নেন। রক, ক্রাস্টিং, স্নো স্টাটিং। প্রশিক্ষণের অংশ হিসাবে মাছাধর চূড়ায় আরোহণের সুযোগ হয় তার। ৮০ জন প্রশিক্ষণার্থীর মধ্যে তিনি একাই বিদেশি ছিলেন। আর সবাই ছিলেন ভারতীয়। ভারতীয়দের জন্য আবাসনসহ কোর্স ফি ১৪ হাজার রুপি হলেও বিদেশিদের জন্য কোর্স ফি ছিল ৮০০ ডলার। ৬ জনের একটি বাংলাদেশি দল ২০১৯ সালের ৯ আগস্ট লাদাখের কাং ইয়াং সেতে যান। আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় বেসক্যাম্পেই অবস্থান করেন।

জয়নাব বিন্তে হোসেন শান্তুর পৈতৃক নিবাস কুমিল্লায়। তার জন্ম, বেড়ে ওঠা ঢাকায়। হযরত শাহ আলী মডেল হাইস্কুল থেকে ২০০৭ সালে এসএসসি, বিসিআইসি কলেজ থেকে ২০০৯ সালে এইচএসসি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে ২০১৪ সালে স্নাতক এবং ২০১৫ সালে স্নাতকোত্তর করেন।

লবুচে পর্বতজয়ী জয়নাবের ইতিহাস

জয়নাব বিন্তে হোসেন শান্তু বাংলাদেশি প্রথম নারী পর্বতারোহী। যিনি ‘লবুচে’ ৬ হাজার ১১৯ মিটার পর্বত জয় করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। লিখেছেন-
 রীতা ভৌমিক 
১৫ নভেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

১ নভেম্বর, সোমবার সকাল ৯টা ৫০ মিনিট। এ সময়টা আমার জীবনের একটি স্মরণীয় মুহূর্ত। নেপালের ‘লবুচে’ ৬ হাজার ১১৯ মিটার পর্বতে ওপরে ওঠা। সেখানে দাঁড়িয়ে আমার দেশের লাল-সবুজ পতাকা ওড়ানো। সবই যেন স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছিল আমার কাছে বললেন বাংলাদেশের পর্বতারোহী জয়নাব বিন্তে হোসেন শান্তু।

বাংলাদেশি প্রথম নারী পর্বতারোহী জয়নাব বিন্তে হোসেন শান্তু ‘লবুচে’ ৬ হাজার ১১৯ মিটার পর্বত জয় করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। এ বছরের ১১ অক্টোবর পর্বতারোহী জয়নাব বিন্তে হোসেন শান্তু নেপালে ফার্চামো অভিযানে যান। পরের দিনই তিনি লুকলা টেকিং শুরু করেন। তার সঙ্গে ছিলেন তিনজন শেরপা দাওয়া তেঞ্জিং, নিমা নুরু এবং সুভাষ তামাও। আর ছিল চেক প্রজাতন্ত্রের একটি দল। খুম্বু রিজিওনে ট্রেকিং শুরু করলেন। বেসক্যাম্পে পৌঁছতেই তুষারপাত শুরু হয়ে যায়। এ পর্বতের ৫ হাজার ৯০০ মিটার পর্যন্ত গিয়েও টানা ৩৬ ঘণ্টার তুষারপাতের কারণে এক সপ্তাহের মধ্যে দু’বার ‘সামিট পুশ’ দিয়েও সফল হতে পারলেন না। শেরপারা দু’বারই ‘রোপ ফিক্স’ করতে গিয়ে ‘তুষার ঝড়ে’র কারণে ব্যর্থ হলেন। এরপর ফিরে আসেন থ্যাংবো নামক একটি জায়গায়। পাহাড় থেকে কিছুটা নিচে। এখানে জয়নাব বিন্তে হোসেন শান্তু পাঁচদিন অবস্থান করেন। আবারও ওপরে ওঠার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। তুষারপাত এবং নরম বরফের কারণে পা রাখতে পারছিলেন না।

আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় এ অভিযান সফল হবে না। তবে এভাবে শূন্য হাতে ফিরে যাবেন না। এবার পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনলেন। তিনি লক্ষ্য স্থির করলেন এবার যাবেন এ পর্যন্ত বাংলাদেশিদের দ্বারা বিজয় না হওয়া ‘ফার্চামো’ পর্বতে। ‘ফার্চামো’ পর্বতে অভিযান করার অবস্থা না থাকায় গাইড দাওয়া তেঞ্জিং শেরপার পরামর্শে এভারেস্ট বেসক্যাম্পের পাশে অবস্থিত ‘লবুচে’ পাহাড়ে অভিযানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ‘থামো’ হয়ে পাংবোচে, পাংবোচ থেকে বেসক্যাম্প, বেসক্যাম্প থেকে হাইক্যাম্প হয়ে একটানা তিন দিন পর ১ নভেম্বর সোমবার খুম্বু হিমালয়ের এভারেস্ট বেসক্যাম্পের কাছে ৬ হাজার ১১৯ মিটার অর্থাৎ ২০ হাজার ৭০ ফুট উচ্চতার ‘লবুচে’ পর্বত জয় করেন।

লবুচে পর্বত জয় করে তিনি তার সামিট স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহিদ ও ২ লাখ নারী মুক্তিযোদ্ধার উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করেন।

জয়নাব বিন্তে হোসেন শান্তু প্রথম পবর্তারোহণ করেন ২০১৬ সালের নভেম্বরে। বন্ধুদের সঙ্গে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সান্দাকফু ফালুট এলাকার হিমালয়ে যান। শিলিগুড়ি দিয়ে গাড়িতে দার্জিলিং এরপর সান্দাকফু ফালুটে। এ প্রসঙ্গে জয়নাব বিন্তে হোসেন শান্তু বলেন, বন্ধুদের মধ্যে অনেকেই এ জায়গাটায় আগেই গিয়েছিলেন। ওদের সঙ্গে হিমালয় পর্বত দেখতে যাওয়াই ছিল মূল উদ্দেশ্য। এ পর্বতের উচ্চতা ছিল ১২ হাজার ফুটের মতো। একদিনের টেকিংয়ে আমরা হিমালয়ের সান্দাকফু ফালুটে পর্বতে আরোহণ করি। এরপরের বছরই ভারতের হিমাচলে হিমালয়ের হাম্পতা পাস আরোহণ করি। এরপর ২০১৮ সালের জুন মাসে ভারতের উত্তরাখণ্ডের রুদ্রগাইরা যাই। এ বছরই আগস্টে লাদাখের স্টক কাংরি পর্বত জয় করি। স্টক কাংরির উচ্চতা ছিল ৬ হাজার ১৫৩ মিটার। ঢাকা থেকে কলকাতা বিমানে, সেখান থেকে বিমানে লাদাখের রাজধানী লেহ শহরে যাই। লাদাখ থেকে গাইড ভাড়া করি ২০ হাজার রুপিতে। আগেই গাইডের সঙ্গে অনলাইনে যোগাযোগ করে নিয়েছিলাম। একই সময়ে কয়েকটা গ্রুপ গিয়েছিলাম। বাংলাদেশ থেকে আমি একা। ইউরোপ, আমেরিকা, ভারতের পর্বতারোহীরাও ছিলেন। প্রথম দিন ৩ ঘণ্টা টেকিং করে চাংমা পৌঁছি। সেখানে তাঁবুতে বিশ্রাম নিই। সঙ্গে করে নেওয়া শুকনো খাবার খাই। রান্না করেও খাই। বিকালে আবার দু’ঘণ্টা টেকিং করে মানকারমং পৌঁছি। সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় সেখানেই রাতে অবস্থান করি। পরের দিন মানকারমং থেকে টেকিং করে বেসক্যাম্পে পৌঁছি। সেখানে রাতে থেকে পরের দিন রাত বারোটায় বেসক্যাম্প থেকে যাত্রা শুরু করি। ১৯ সেপ্টেম্বরে বেলা ১১টায় তককাংরি সামিট জয় করি। সেদিন আবহাওয়া ভালো ছিল।

পারিবারিক সহযোগিতায় এভাবে একের পর এক পর্বতারোহণের নেশা জয়নাব বিন্তে হোসেন শান্তুকে পেয়ে বসে। ভারত-বাংলাদেশের যৌথ অভিযানে ২০১৮ সালের ৬ অক্টোবরে রুদ্রগাইরার উদ্দেশে যাত্রা করেন। বেসক্যাম্পে পৌঁছে আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় সামিট না করে ফিরে আসেন।

পর্বতারোহণে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তোলার জন্য জয়নাব বিন্তে হোসেন শান্তু ২০১৯ সালের মে মাসে ভারতের উত্তরাখণ্ডে নেহেরু ইনস্টিটিউট অফ মাউন্টেনিয়ারিংয়ে এক মাসের প্রশিক্ষণ নেন। এখানে পর্বতারোহণের তিনটি অংশের প্রশিক্ষণ নেন। রক, ক্রাস্টিং, স্নো স্টাটিং। প্রশিক্ষণের অংশ হিসাবে মাছাধর চূড়ায় আরোহণের সুযোগ হয় তার। ৮০ জন প্রশিক্ষণার্থীর মধ্যে তিনি একাই বিদেশি ছিলেন। আর সবাই ছিলেন ভারতীয়। ভারতীয়দের জন্য আবাসনসহ কোর্স ফি ১৪ হাজার রুপি হলেও বিদেশিদের জন্য কোর্স ফি ছিল ৮০০ ডলার। ৬ জনের একটি বাংলাদেশি দল ২০১৯ সালের ৯ আগস্ট লাদাখের কাং ইয়াং সেতে যান। আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় বেসক্যাম্পেই অবস্থান করেন।

জয়নাব বিন্তে হোসেন শান্তুর পৈতৃক নিবাস কুমিল্লায়। তার জন্ম, বেড়ে ওঠা ঢাকায়। হযরত শাহ আলী মডেল হাইস্কুল থেকে ২০০৭ সালে এসএসসি, বিসিআইসি কলেজ থেকে ২০০৯ সালে এইচএসসি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে ২০১৪ সালে স্নাতক এবং ২০১৫ সালে স্নাতকোত্তর করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন