সমাজের উন্নয়নে কাজ করতে চাই
jugantor
সমাজের উন্নয়নে কাজ করতে চাই
নীলফামারী আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে মহিলা সংরক্ষিত আসনে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন মোছাঃ আফরোজা সুলতানা, নূরজাহান বেগম নূরী, শাকিলা বানু পুন্নী ও বদরুন নাহার ববি। স্বল্প পরিসরে নয় বৃহত্তর নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করার প্রতিশ্রুতি নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। লিখেছেন-

  মোঃ মোস্তফা আবিদ  

২২ নভেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পাড়া-মহল্লায় ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছেন নীলফামারী পৌরসভা নির্বাচনে মহিলা সংরক্ষিত আসনে নির্বাচনে অংশ নেওয়া মোছাঃ আফরোজা সুলতানা। তিনি নীলফামারী পৌরসভার ৭, ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন অপর তিন নারীর বিরুদ্ধে।

এ প্রসঙ্গে মোছাঃ আফরোজা বলেন, বৃহত্তর নারী গোষ্ঠীর উন্নয়ন, মেয়েদের শিক্ষার ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা দূর করা, নারীদের স্বাবলম্বী করে তোলা ইত্যাদি বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়েছি। নারীদের স্বাবলম্বী করার জন্য একটি সংগঠন গড়ে তুলেছি। যেখানে ৮ থেকে ১০ জন নারী সদস্য রয়েছেন। এখানেও রয়েছে কিছু সমস্যা। কারণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে গড়ে তোলা সংগঠনে ইচ্ছা থাকলেও অনেক কাজই করা সম্ভব হয়ে ওঠে না আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে। তারা অনেকেই এনজিওর মতো সুযোগ-সুবিধা চায়। সেটা তো আর আমার পক্ষে দেওয়া সম্ভব হয়ে ওঠে না। আমি তাদের পরামর্শ দিয়েছি কিছু টাকা সঞ্চয় করতে হবে। প্রতি মাসে তারা কিছু কিছু করে টাকা জমাচ্ছেন। এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেইনি। এ ছাড়া মেয়েদের ক্ষেত্রে বয়ঃসন্ধিকালীন যে সমস্যাগুলো হয় এগুলো নিয়ে এলাকার স্কুলে গিয়ে ছাত্রীদের সঙ্গে আলোচনা করি। করণীয় সম্পর্কে পরামর্শ দিই।

তিনি আরও বলেন, শুধু নেতৃত্ব দিলেই হয় না। একটি সুবিধাজনক স্থানে থেকে, ক্ষমতার সঙ্গে তাদের জন্য কাজ করতে পারলে আমি সম্পূর্ণরূপে সফল হব। এর পাশাপাশি এলাকার মানুষের জন্য কিছু করা সম্ভব হবে। মানুষের উন্নয়নে কাজ করার জন্য আমি মহিলা সংরক্ষিত আসনে সদস্য হিসাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি। আমার কাজকর্ম সম্পর্কে এলাকার লোকজন অবগত আছেন। সেহেতু আমি আশা করছি তারা আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।

একই আসনে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন আরও তিন নারী প্রার্থী। তাদের মধ্যে মহিলা সংরক্ষিত আসনে নূরজাহান বেগম নূরী, শাকিলা বানু পুন্নী ও বদরুন নাহার ববি। বদরুন নাহার ববি এবারই প্রথম নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। তারা সবাই নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। প্রতিটি ঘরে ঘরে গিয়ে নিজেদের প্রতিশ্রুতির কথা বলছেন। ভোট চাইছেন ভোটারদের কাছে।

নূরজাহান বেগম নূরী এর আগেও নির্বাচিত হয়েছেন। নূরজাহান বেগম নূরীর মতে, আমার অসমাপ্ত কিছু কাজ রয়ে গেছে, সেগুলো শেষ করার জন্য নির্বাচন করছি। নির্বাচিত হলে ওই কাজগুলো শেষ করব। সেই সঙ্গে আরও নতুন উন্নয়নমূলক কাজ করব।

শাকিলা বানু পুন্নী মহিলা সংরক্ষিত আসনে আগেও নির্বাচিত হয়ে জনগণের কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন। এবারও তিনি নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। শাকিলা বানু পুন্নী বলেন, এখানে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। সরকার বিভিন্ন ধরনের কাজের পরিধি বাড়িয়েছে। আবার নির্বাচিত হলে পুরোনো অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে জনগণের জন্য কাজ করব। এলাকার নারীদের উন্নয়নে কাজ করব।

বদরুন নাহার ববি নির্বাচনে নতুন মুখ। বদরুন নাহার ববি মনে করেন, এককভাবে কোনো কাজই সুষ্ঠুভাবে করা সম্ভব হয় না। এ জন্য প্রয়োজন একটি প্ল্যাটফরম। নির্বাচিত হলে একদিকে যেমন পদ-পদবির পরিচয় থাকে, তেমনি কাজেও স্বাচ্ছন্দ্যবোধ আসে। কাজ করতে প্রতিবন্ধকতা এলেও তা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। সব সমস্যা নিরসন সম্ভব হবে কিনা তা বলতে পারি না। কারণ সব প্রতিষ্ঠানের কাজের একটা নিয়ম ও সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

সমাজের উন্নয়নে কাজ করতে চাই

নীলফামারী আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে মহিলা সংরক্ষিত আসনে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন মোছাঃ আফরোজা সুলতানা, নূরজাহান বেগম নূরী, শাকিলা বানু পুন্নী ও বদরুন নাহার ববি। স্বল্প পরিসরে নয় বৃহত্তর নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করার প্রতিশ্রুতি নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। লিখেছেন-
 মোঃ মোস্তফা আবিদ 
২২ নভেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পাড়া-মহল্লায় ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছেন নীলফামারী পৌরসভা নির্বাচনে মহিলা সংরক্ষিত আসনে নির্বাচনে অংশ নেওয়া মোছাঃ আফরোজা সুলতানা। তিনি নীলফামারী পৌরসভার ৭, ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন অপর তিন নারীর বিরুদ্ধে।

এ প্রসঙ্গে মোছাঃ আফরোজা বলেন, বৃহত্তর নারী গোষ্ঠীর উন্নয়ন, মেয়েদের শিক্ষার ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা দূর করা, নারীদের স্বাবলম্বী করে তোলা ইত্যাদি বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়েছি। নারীদের স্বাবলম্বী করার জন্য একটি সংগঠন গড়ে তুলেছি। যেখানে ৮ থেকে ১০ জন নারী সদস্য রয়েছেন। এখানেও রয়েছে কিছু সমস্যা। কারণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে গড়ে তোলা সংগঠনে ইচ্ছা থাকলেও অনেক কাজই করা সম্ভব হয়ে ওঠে না আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে। তারা অনেকেই এনজিওর মতো সুযোগ-সুবিধা চায়। সেটা তো আর আমার পক্ষে দেওয়া সম্ভব হয়ে ওঠে না। আমি তাদের পরামর্শ দিয়েছি কিছু টাকা সঞ্চয় করতে হবে। প্রতি মাসে তারা কিছু কিছু করে টাকা জমাচ্ছেন। এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেইনি। এ ছাড়া মেয়েদের ক্ষেত্রে বয়ঃসন্ধিকালীন যে সমস্যাগুলো হয় এগুলো নিয়ে এলাকার স্কুলে গিয়ে ছাত্রীদের সঙ্গে আলোচনা করি। করণীয় সম্পর্কে পরামর্শ দিই।

তিনি আরও বলেন, শুধু নেতৃত্ব দিলেই হয় না। একটি সুবিধাজনক স্থানে থেকে, ক্ষমতার সঙ্গে তাদের জন্য কাজ করতে পারলে আমি সম্পূর্ণরূপে সফল হব। এর পাশাপাশি এলাকার মানুষের জন্য কিছু করা সম্ভব হবে। মানুষের উন্নয়নে কাজ করার জন্য আমি মহিলা সংরক্ষিত আসনে সদস্য হিসাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি। আমার কাজকর্ম সম্পর্কে এলাকার লোকজন অবগত আছেন। সেহেতু আমি আশা করছি তারা আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।

একই আসনে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন আরও তিন নারী প্রার্থী। তাদের মধ্যে মহিলা সংরক্ষিত আসনে নূরজাহান বেগম নূরী, শাকিলা বানু পুন্নী ও বদরুন নাহার ববি। বদরুন নাহার ববি এবারই প্রথম নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। তারা সবাই নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। প্রতিটি ঘরে ঘরে গিয়ে নিজেদের প্রতিশ্রুতির কথা বলছেন। ভোট চাইছেন ভোটারদের কাছে।

নূরজাহান বেগম নূরী এর আগেও নির্বাচিত হয়েছেন। নূরজাহান বেগম নূরীর মতে, আমার অসমাপ্ত কিছু কাজ রয়ে গেছে, সেগুলো শেষ করার জন্য নির্বাচন করছি। নির্বাচিত হলে ওই কাজগুলো শেষ করব। সেই সঙ্গে আরও নতুন উন্নয়নমূলক কাজ করব।

শাকিলা বানু পুন্নী মহিলা সংরক্ষিত আসনে আগেও নির্বাচিত হয়ে জনগণের কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন। এবারও তিনি নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। শাকিলা বানু পুন্নী বলেন, এখানে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। সরকার বিভিন্ন ধরনের কাজের পরিধি বাড়িয়েছে। আবার নির্বাচিত হলে পুরোনো অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে জনগণের জন্য কাজ করব। এলাকার নারীদের উন্নয়নে কাজ করব।

বদরুন নাহার ববি নির্বাচনে নতুন মুখ। বদরুন নাহার ববি মনে করেন, এককভাবে কোনো কাজই সুষ্ঠুভাবে করা সম্ভব হয় না। এ জন্য প্রয়োজন একটি প্ল্যাটফরম। নির্বাচিত হলে একদিকে যেমন পদ-পদবির পরিচয় থাকে, তেমনি কাজেও স্বাচ্ছন্দ্যবোধ আসে। কাজ করতে প্রতিবন্ধকতা এলেও তা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। সব সমস্যা নিরসন সম্ভব হবে কিনা তা বলতে পারি না। কারণ সব প্রতিষ্ঠানের কাজের একটা নিয়ম ও সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন