নিজের কাছে সুস্পষ্ট থাকা জরুরি
jugantor
নিজের কাছে সুস্পষ্ট থাকা জরুরি

  সাব্বিন হাসান  

১০ জানুয়ারি ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শুধু ‘ম্যাগডালেনা’ নামেই সারা বিশ্বের রাজনৈতিক অঙ্গনে সুপরিচিত। পুরো নাম ইভা ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসন। জন্ম ১৯৬৭ সালের ২৩ জানুয়ারি। গড়েছেন ইতিহাস। নির্বাচিত হয়েছেন ইউরোপের দেশ সুইডেনের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। তিনি ছিলেন দেশটির সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতা ও অর্থমন্ত্রী ম্যাগডালেনা। তবে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার মাত্র ১২ ঘণ্টা না পেরোতেই করতে হয় পদত্যাগ। মূলত তার সরকারের ওপর থেকে শরিক দল গ্রিন পার্টির সমর্থন প্রত্যাহার আর পার্লামেন্টে বাজেট অনুমোদনে ব্যর্থ হওয়ায় নাটকীয়ভাবে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন ম্যাগডালেনা।

পদত্যাগের পরেই ম্যাগডালেনা সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, সরকার জোটের সমর্থন হারালে প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হয়। সুইডেনের সাংবিধানিক নিয়ম এটাই। আর নিয়ম মেনেই আমি প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে যাচ্ছি। সংবিধানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এমন সরকারের নেতৃত্ব আমি দিতে পারি না।

অচিরেই আবারও প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আশা ব্যক্ত করে ইতিহাস গড়া ম্যাগডালেনা বলেন, স্পিকারের কাছে পদত্যাগ করেছি। তবে একক দলের নেতা হিসাবে সরকার প্রধানের পদে দ্রুতই ফিরে আসব।

১০ নভেম্বর সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী স্টেফান লোফভেন পদত্যাগ করেন। ২০১৪ সাল থেকে গ্রিন পার্টিকে সঙ্গে নিয়ে সংখ্যালঘু জোটের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন তিনি। ২০২১ সালের শুরুর দিকে লোফভেন ঘোষণা দেন, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরের সাধারণ নির্বাচনের আগেই তিনি পদত্যাগ করবেন। তার পদত্যাগের পর ক্ষমতাসীন সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটদের দলীয় নেতা নির্বাচিত হন ৫৪ বছর বয়সি ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসন। প্রথমে বামপন্থিদের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত হয়। পেনশন বাড়ানোর শর্তে অ্যান্ডারসনকে সমর্থন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় লেফট পার্টি।

সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটদের অংশীজন গ্রিন আর সেন্টার পার্টির সমর্থনও নিশ্চিত করেন ম্যাগডালেনা। তবে সংসদে বসে ভোটের আগেই হোঁচট খেতে হয় তাকে। অংশী দুই দলের সাংসদরা ম্যাগডালেনা প্রধানমন্ত্রিত্বে বাধা না দিলেও লেফট পার্টির প্রতি বেশি ঝুঁকে থাকায় সরকারের ওপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহারের হুমকি দেন।

প্রধানমন্ত্রী হতে ভোটাভুটিতে সংসদে ১১৭ জন সদস্য ম্যাগডালেনাকে সমর্থন করেন। সরাসরি ভোটদানে বিরত থাকেন ৫৭ জন। বিপক্ষে ভোট দেন ১৭৪ জন। অনুপস্থিত থাকেন একজন। সুইডেনের সংবিধান বলছে, সংসদে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থীর সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থনের প্রয়োজন নেই। চূড়ান্ত প্রার্থীর বিরোধিতাকারী ১৭৫ জনের বেশি না হলেই হয়।

প্রথম দফায় ম্যাগডালেনার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর পরই সুইডেনের সংসদে শুরু হয় তুমুল হট্টগোল। ম্যাগডালেনার উত্থাপিত বাজেট অনুমোদনে সাফ অস্বীকৃতি জানায় গ্রিন পার্টির সদস্যরা। বিরোধিতার জেরে তারা সরকারের ওপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে। ঘটনার ধারাবাহিকতায় সুইডেনের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পদত্যাগ করেন ম্যাগডালেনা। তবে বহু নাটকীয়তার পর পদত্যাগ করা ম্যাগডালেনা আবারও দেশটির প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। সংসদে অনুষ্ঠিত ভোটাভুটির মধ্য দিয়েই তিনি আবারও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

দ্বিতীয় দফায় সুইডেন সংসদেও ভোটাভুটিতে ১০১ জন আইনপ্রণেতা ম্যাগডালেনাকে ভোট দেন। বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন ১৭৩ জন। আর ৭৫ জন ভোট দেননি। ম্যাগডালেনা প্রধানমন্ত্রী স্টেফান লোফভেনের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। তার আগে ৩৩ জন পুরুষ প্রধানমন্ত্রী পেয়েছে সুইডেন। তবে ম্যাগডালেনাই সুইডেনের ইতিহাসে একমাত্র নারী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলেন।

বিশ্ব রাজনীতির বিশ্লেষকদের অভিমত, ম্যাগডালেনার পক্ষে সরকার পরিচালনা করা খুব একটা সহজ হবে না। ৩৪৯ আসনের সংসদে তার দল সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটদের আসন মাত্র একশ। নতুন আইন পাশ করতে হলে অন্য দলগুলোর ওপর নির্ভর করতে হবে।

পদত্যাগের পর আবারও নির্বাচিত হওয়ায় ম্যাগডালেনা বলেন, বিভেদের জাল ভাঙব। সহিংসতা বন্ধ করব। জলবায়ুর পরিবর্তন ঠেকাতে পরিবেশবান্ধব কাজ করব। ফিরিয়ে আনব সমৃদ্ধি। ২০১৪ সাল থেকে সুইডেনের অর্থমন্ত্রী হয়ে কাজ করেছেন ম্যাগডালেনা। সুইডিশ ট্যাক্স এজেন্সির উপমহাপরিচালক হিসাবেও কাজ করেছেন। সুইডেনের অর্থনীতির উন্নয়নের পেছনে ম্যাগডালেনা অত্যন্ত সফল।

স্টকহোম স্কুল অব ইকনোমিক্স থেকে অর্থনীতিতে পড়াশোনা শেষ করার পর ম্যাগডালেনা ১৯৯৬ থেকে ১৯৯৮ সাল অবধি গোরান পারসনের রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসাবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে চাকরি করেন। ১৯৯৮ থেকে ২০০৪ সাল অবধি পরিকল্পনা পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন। সিভিল সার্ভিসে সময় কাটিয়েছেন ২০০৪ থেকে ২০০৬ সাল অবধি অর্থসচিব হিসাবে। বিরোধীদলীয় নেতা মোনা সাহলিনের রাজনৈতিক উপদেষ্টাও ছিলেন। ২০১৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। ব্যক্তি জীবনে ১৯৯৭ সালে বিয়ে করেন রিচার্ড ফ্রিবার্গকে। দুই সন্তানের মা ম্যাগডালেনা কাজের বাইরে পুরোটা সময়ই পরিবারকে দেন।

ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসনের মতে, নিজের পরিকল্পনা নিয়ে নিজের কাছে সুস্পষ্ট থাকা। বৈশ্বিক দিনবদলে চারপাশের সম্যক ধারণা ছাড়া নিজেকে ভবিষ্যতের জন্য তৈরি করা অসম্ভব। আত্মবিশ্বাস ছাড়া কোনো কিছুই অর্জন করা যায় না। নিজেকে সমাজ, সভ্যতা আর জনমানুষের কল্যাণে নিবেদিত করতে পারলেই জীবনের পরিতৃপ্তি আর সাফল্য দুটোই ধরা দেয়।

নিজের কাছে সুস্পষ্ট থাকা জরুরি

 সাব্বিন হাসান 
১০ জানুয়ারি ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শুধু ‘ম্যাগডালেনা’ নামেই সারা বিশ্বের রাজনৈতিক অঙ্গনে সুপরিচিত। পুরো নাম ইভা ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসন। জন্ম ১৯৬৭ সালের ২৩ জানুয়ারি। গড়েছেন ইতিহাস। নির্বাচিত হয়েছেন ইউরোপের দেশ সুইডেনের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। তিনি ছিলেন দেশটির সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতা ও অর্থমন্ত্রী ম্যাগডালেনা। তবে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার মাত্র ১২ ঘণ্টা না পেরোতেই করতে হয় পদত্যাগ। মূলত তার সরকারের ওপর থেকে শরিক দল গ্রিন পার্টির সমর্থন প্রত্যাহার আর পার্লামেন্টে বাজেট অনুমোদনে ব্যর্থ হওয়ায় নাটকীয়ভাবে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন ম্যাগডালেনা।

পদত্যাগের পরেই ম্যাগডালেনা সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, সরকার জোটের সমর্থন হারালে প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হয়। সুইডেনের সাংবিধানিক নিয়ম এটাই। আর নিয়ম মেনেই আমি প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে যাচ্ছি। সংবিধানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এমন সরকারের নেতৃত্ব আমি দিতে পারি না।

অচিরেই আবারও প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আশা ব্যক্ত করে ইতিহাস গড়া ম্যাগডালেনা বলেন, স্পিকারের কাছে পদত্যাগ করেছি। তবে একক দলের নেতা হিসাবে সরকার প্রধানের পদে দ্রুতই ফিরে আসব।

১০ নভেম্বর সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী স্টেফান লোফভেন পদত্যাগ করেন। ২০১৪ সাল থেকে গ্রিন পার্টিকে সঙ্গে নিয়ে সংখ্যালঘু জোটের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন তিনি। ২০২১ সালের শুরুর দিকে লোফভেন ঘোষণা দেন, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরের সাধারণ নির্বাচনের আগেই তিনি পদত্যাগ করবেন। তার পদত্যাগের পর ক্ষমতাসীন সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটদের দলীয় নেতা নির্বাচিত হন ৫৪ বছর বয়সি ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসন। প্রথমে বামপন্থিদের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত হয়। পেনশন বাড়ানোর শর্তে অ্যান্ডারসনকে সমর্থন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় লেফট পার্টি।

সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটদের অংশীজন গ্রিন আর সেন্টার পার্টির সমর্থনও নিশ্চিত করেন ম্যাগডালেনা। তবে সংসদে বসে ভোটের আগেই হোঁচট খেতে হয় তাকে। অংশী দুই দলের সাংসদরা ম্যাগডালেনা প্রধানমন্ত্রিত্বে বাধা না দিলেও লেফট পার্টির প্রতি বেশি ঝুঁকে থাকায় সরকারের ওপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহারের হুমকি দেন।

প্রধানমন্ত্রী হতে ভোটাভুটিতে সংসদে ১১৭ জন সদস্য ম্যাগডালেনাকে সমর্থন করেন। সরাসরি ভোটদানে বিরত থাকেন ৫৭ জন। বিপক্ষে ভোট দেন ১৭৪ জন। অনুপস্থিত থাকেন একজন। সুইডেনের সংবিধান বলছে, সংসদে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থীর সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থনের প্রয়োজন নেই। চূড়ান্ত প্রার্থীর বিরোধিতাকারী ১৭৫ জনের বেশি না হলেই হয়।

প্রথম দফায় ম্যাগডালেনার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর পরই সুইডেনের সংসদে শুরু হয় তুমুল হট্টগোল। ম্যাগডালেনার উত্থাপিত বাজেট অনুমোদনে সাফ অস্বীকৃতি জানায় গ্রিন পার্টির সদস্যরা। বিরোধিতার জেরে তারা সরকারের ওপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে। ঘটনার ধারাবাহিকতায় সুইডেনের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পদত্যাগ করেন ম্যাগডালেনা। তবে বহু নাটকীয়তার পর পদত্যাগ করা ম্যাগডালেনা আবারও দেশটির প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। সংসদে অনুষ্ঠিত ভোটাভুটির মধ্য দিয়েই তিনি আবারও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

দ্বিতীয় দফায় সুইডেন সংসদেও ভোটাভুটিতে ১০১ জন আইনপ্রণেতা ম্যাগডালেনাকে ভোট দেন। বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন ১৭৩ জন। আর ৭৫ জন ভোট দেননি। ম্যাগডালেনা প্রধানমন্ত্রী স্টেফান লোফভেনের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। তার আগে ৩৩ জন পুরুষ প্রধানমন্ত্রী পেয়েছে সুইডেন। তবে ম্যাগডালেনাই সুইডেনের ইতিহাসে একমাত্র নারী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলেন।

বিশ্ব রাজনীতির বিশ্লেষকদের অভিমত, ম্যাগডালেনার পক্ষে সরকার পরিচালনা করা খুব একটা সহজ হবে না। ৩৪৯ আসনের সংসদে তার দল সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটদের আসন মাত্র একশ। নতুন আইন পাশ করতে হলে অন্য দলগুলোর ওপর নির্ভর করতে হবে।

পদত্যাগের পর আবারও নির্বাচিত হওয়ায় ম্যাগডালেনা বলেন, বিভেদের জাল ভাঙব। সহিংসতা বন্ধ করব। জলবায়ুর পরিবর্তন ঠেকাতে পরিবেশবান্ধব কাজ করব। ফিরিয়ে আনব সমৃদ্ধি। ২০১৪ সাল থেকে সুইডেনের অর্থমন্ত্রী হয়ে কাজ করেছেন ম্যাগডালেনা। সুইডিশ ট্যাক্স এজেন্সির উপমহাপরিচালক হিসাবেও কাজ করেছেন। সুইডেনের অর্থনীতির উন্নয়নের পেছনে ম্যাগডালেনা অত্যন্ত সফল।

স্টকহোম স্কুল অব ইকনোমিক্স থেকে অর্থনীতিতে পড়াশোনা শেষ করার পর ম্যাগডালেনা ১৯৯৬ থেকে ১৯৯৮ সাল অবধি গোরান পারসনের রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসাবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে চাকরি করেন। ১৯৯৮ থেকে ২০০৪ সাল অবধি পরিকল্পনা পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন। সিভিল সার্ভিসে সময় কাটিয়েছেন ২০০৪ থেকে ২০০৬ সাল অবধি অর্থসচিব হিসাবে। বিরোধীদলীয় নেতা মোনা সাহলিনের রাজনৈতিক উপদেষ্টাও ছিলেন। ২০১৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। ব্যক্তি জীবনে ১৯৯৭ সালে বিয়ে করেন রিচার্ড ফ্রিবার্গকে। দুই সন্তানের মা ম্যাগডালেনা কাজের বাইরে পুরোটা সময়ই পরিবারকে দেন।

ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসনের মতে, নিজের পরিকল্পনা নিয়ে নিজের কাছে সুস্পষ্ট থাকা। বৈশ্বিক দিনবদলে চারপাশের সম্যক ধারণা ছাড়া নিজেকে ভবিষ্যতের জন্য তৈরি করা অসম্ভব। আত্মবিশ্বাস ছাড়া কোনো কিছুই অর্জন করা যায় না। নিজেকে সমাজ, সভ্যতা আর জনমানুষের কল্যাণে নিবেদিত করতে পারলেই জীবনের পরিতৃপ্তি আর সাফল্য দুটোই ধরা দেয়।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন