‘পল্লির প্রান্তিক নারী উন্নয়নে কাজ করছি’
jugantor
‘পল্লির প্রান্তিক নারী উন্নয়নে কাজ করছি’
যে পল্লিতে ছোঁয়া থাকবে আধুনিক শহরের সব উপকরণ। এ স্বপ্ন পূরণে পল্লির নারীদের অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতে কাজ করছেন পল্লি উন্নয়ন গবেষক ড. সারিয়া সুলতানা। লিখেছেন-

  রীতা ভৌমিক  

১৭ জানুয়ারি ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন এবং ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করা। এ লক্ষ্যে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসাবে লিংক মডেল টেকসই পল্লি উন্নয়ন বাস্তবায়নে একজন গবেষক হিসাবে কাজ করছেন ড. সারিয়া সুলতানা। কুষ্টিয়ার মেয়ে ড. সারিয়া সুলতানা ২০১৪ সালে পল্লির তৃণমূল পর্যায়ের নারীদের নিয়ে কাজ শুরু করেন।

পল্লির নারীদের নিয়ে কাজ করতে গিয়ে তিনি দেখেন ইউনিয়ন পর্যায়ে নারীদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ, মতামত প্রদানে গুরুত্ব দেওয়া হয় না। একজন পল্লি গবেষক হিসাবে তিনি নারীর অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করতে সরকারি সেবাগুলো সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা দেন। এ প্রসঙ্গে ড. সারিয়া সুলতানা বলেন, পল্লির নারীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ, যৌতুক নিরসনবিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করি। পাশাপাশি তাদের করণীয় সম্পর্কে অবহিত করা হয়। গ্রামভিত্তিক প্রতিটি ওয়ার্ডে মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলায় নারীদের সম্পৃক্ত করি। এক তৃতীয়াংশ নারীকে সরকারি উন্নয়নমূলক কাজে সম্পৃক্তকরণের মাধ্যমে তাদের সিদ্ধান্ত ও মতামত প্রদানের গুরুত্ব সম্পর্কেও অবহিত করা হয়। করোনাকালে হঠাৎ করে বাল্যবিয়ে বেড়ে যায়। বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা বাড়ানো হয়। এ প্রশিক্ষণকে কাজে লাগিয়ে যাতে তারা নিজ নিজ ওয়ার্ডে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারেন। বাল্যবিয়ের কুফল সম্পর্কে ধারণা দিতে পারেন। স্থানীয় সরকারের সর্বনিম্ন স্তর ইউনিয়ন পরিষদকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেম্বারসহ সব সদস্য এবং জাতি গঠনমূলক বিভাগের সব কর্মীর সমন্বয়, এনজিও প্রতিনিধিদের সমন্বয়, গ্রাম উন্নয়ন কমিটির প্রতিনিধিদের নিয়ে প্রতি মাসে একটি সমন্বয় সভা করি। এটি আমার পল্লি গবেষণার অংশ। টেকসই পল্লি উন্নয়নে লিংক মডেলকে কীভাবে বাংলাদেশের প্রতিটি ইউনিয়নে বাস্তবায়ন করা যায় এ লক্ষ্যে একটি মিনি পার্লামেন্ট তৈরি করি। এর মাধ্যমে এ সদস্যদের কাজের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতার মাধ্যমে জন-অংশগ্রহণ বাড়াতে কার্যকরী ভূমিকা পালনে গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ আন্তঃসম্পর্ক তৈরিতে লিংক মডেল পদ্ধতি বা কৌশল অবলম্বন করা হচ্ছে। এখন নারী ও কিশোরীদের উন্নয়নে একটি পল্লি উন্নয়ন পাঠাগার গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছি।

এ গবেষণা করতে তিনি চুয়াডাঙ্গার ৪০টি, কুষ্টিয়ার ৫০টি এবং মেহেরপুরের ৪ থেকে ৫টি গ্রামের বাড়ি বাড়ি ঘুরে নারীদের পর্যবেক্ষণ করেন। তাদের সমস্যা, চাহিদার কথা শোনেন। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কীভাবে তাদের টেকসই পল্লি উন্নয়ন, এসডিজির অভীষ্ট ৫নং লক্ষ্যমাত্রায় উন্নয়নের প্রচলিত ধারায় সম্পৃক্ত করে দক্ষতা বাড়ানোয় গুরুত্ব দেন। এ গবেষণা করতে গিয়ে তিনি পর্যবেক্ষণ করেন, গ্রামীণ নারী-পুরুষ উভয়ই স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনার আওতায় জন্মনিয়ন্ত্রণ গ্রহণে অনীহা রয়েছে। এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনার মাঠ কর্মীদেরও এ কাজে সম্পৃক্ত করেন। পরিবার পরিকল্পনার মাঠকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিবাহিতা নারী-পুরুষকে পছন্দসই জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারে উৎসাহিত করেন। পল্লির নারীদের উন্নয়নে কাজ করতে গিয়ে বাধার সম্মুখীনও হয়েছেন তিনি। পদ্মা নদী পার হয়ে চার মাইল হেঁটে কুষ্টিয়ার সদর উপজেলার হাটুশ হরিপুর ইউনিয়নের চরভবানিপুর গ্রামের নারীদের সরকারি সেবা সম্পর্কে অবহিত করেন। এ গ্রামের মানুষদের প্রধান পেশা কৃষি এবং মাছ ধরা। স্বাস্থ্যসেবা, পরিবার পরিকল্পনা সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণাই ছিল না। এভাবেই তিনি সব প্রতিকূলতা দূর করে পল্লি নারীদের উন্নয়নে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন।

ড. সারিয়া সুলতানা ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া থেকে রাষ্ট্রনীতি ও লোকপ্রশাসন বিভাগ থেকে ২০০৫ সালে স্নাতকে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম, ২০০৬ সালে স্নাতকোত্তর করেন। ২০২০ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগ থেকে পিএইচডি করেন। তার অভিসন্দর্ভের বিষয় ছিল ‘রোল অফ লিংক মডেল অন সাসটেইনেবল রুরাল ডেভেলপমেন্ট অব বাংলাদেশ’। এ ছাড়া তিনি পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণা অনুষদ থেকে ২০১৭ সালে পিএইচডি ফেলোশিপ করেন।

বাবা মৌলানা আব্দুর রাজ্জাক শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত ছিলেন। মা রহিমা বেগম গৃহিণী। পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে তিনি তৃতীয়। স্বামী ড. এমদাদ হাসনায়েন ও একমাত্র সন্তানকে নিয়ে তার ছোট্ট সংসার। চাকরি, সংসারের পাশাপাশি তিনি লেখালেখির সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন। তার স্বামী ড. এমদাদ হাসনায়েন এবং তিনি যৌথভাবে লিখেছেন কুষ্টিয়ার ইতিহাস, ধর্মীয় ইতিহাস স্থাপত্যে কুষ্টিয়া, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে কুষ্টিয়া, কুষ্টিয়ার তাঁতশিল্প, দুই বাংলার নান্দনিক কবিতা। এ ছাড়া তার গবেষণা গ্রন্থ রোল অব লিংক মডেল অন সাসটেইনেবল রুরাল ডেভেলপমেন্ট অন বাংলাদেশ।

‘পল্লির প্রান্তিক নারী উন্নয়নে কাজ করছি’

যে পল্লিতে ছোঁয়া থাকবে আধুনিক শহরের সব উপকরণ। এ স্বপ্ন পূরণে পল্লির নারীদের অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতে কাজ করছেন পল্লি উন্নয়ন গবেষক ড. সারিয়া সুলতানা। লিখেছেন-
 রীতা ভৌমিক 
১৭ জানুয়ারি ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন এবং ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করা। এ লক্ষ্যে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসাবে লিংক মডেল টেকসই পল্লি উন্নয়ন বাস্তবায়নে একজন গবেষক হিসাবে কাজ করছেন ড. সারিয়া সুলতানা। কুষ্টিয়ার মেয়ে ড. সারিয়া সুলতানা ২০১৪ সালে পল্লির তৃণমূল পর্যায়ের নারীদের নিয়ে কাজ শুরু করেন।

পল্লির নারীদের নিয়ে কাজ করতে গিয়ে তিনি দেখেন ইউনিয়ন পর্যায়ে নারীদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ, মতামত প্রদানে গুরুত্ব দেওয়া হয় না। একজন পল্লি গবেষক হিসাবে তিনি নারীর অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করতে সরকারি সেবাগুলো সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা দেন। এ প্রসঙ্গে ড. সারিয়া সুলতানা বলেন, পল্লির নারীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ, যৌতুক নিরসনবিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করি। পাশাপাশি তাদের করণীয় সম্পর্কে অবহিত করা হয়। গ্রামভিত্তিক প্রতিটি ওয়ার্ডে মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলায় নারীদের সম্পৃক্ত করি। এক তৃতীয়াংশ নারীকে সরকারি উন্নয়নমূলক কাজে সম্পৃক্তকরণের মাধ্যমে তাদের সিদ্ধান্ত ও মতামত প্রদানের গুরুত্ব সম্পর্কেও অবহিত করা হয়। করোনাকালে হঠাৎ করে বাল্যবিয়ে বেড়ে যায়। বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা বাড়ানো হয়। এ প্রশিক্ষণকে কাজে লাগিয়ে যাতে তারা নিজ নিজ ওয়ার্ডে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারেন। বাল্যবিয়ের কুফল সম্পর্কে ধারণা দিতে পারেন। স্থানীয় সরকারের সর্বনিম্ন স্তর ইউনিয়ন পরিষদকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেম্বারসহ সব সদস্য এবং জাতি গঠনমূলক বিভাগের সব কর্মীর সমন্বয়, এনজিও প্রতিনিধিদের সমন্বয়, গ্রাম উন্নয়ন কমিটির প্রতিনিধিদের নিয়ে প্রতি মাসে একটি সমন্বয় সভা করি। এটি আমার পল্লি গবেষণার অংশ। টেকসই পল্লি উন্নয়নে লিংক মডেলকে কীভাবে বাংলাদেশের প্রতিটি ইউনিয়নে বাস্তবায়ন করা যায় এ লক্ষ্যে একটি মিনি পার্লামেন্ট তৈরি করি। এর মাধ্যমে এ সদস্যদের কাজের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতার মাধ্যমে জন-অংশগ্রহণ বাড়াতে কার্যকরী ভূমিকা পালনে গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ আন্তঃসম্পর্ক তৈরিতে লিংক মডেল পদ্ধতি বা কৌশল অবলম্বন করা হচ্ছে। এখন নারী ও কিশোরীদের উন্নয়নে একটি পল্লি উন্নয়ন পাঠাগার গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছি।

এ গবেষণা করতে তিনি চুয়াডাঙ্গার ৪০টি, কুষ্টিয়ার ৫০টি এবং মেহেরপুরের ৪ থেকে ৫টি গ্রামের বাড়ি বাড়ি ঘুরে নারীদের পর্যবেক্ষণ করেন। তাদের সমস্যা, চাহিদার কথা শোনেন। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কীভাবে তাদের টেকসই পল্লি উন্নয়ন, এসডিজির অভীষ্ট ৫নং লক্ষ্যমাত্রায় উন্নয়নের প্রচলিত ধারায় সম্পৃক্ত করে দক্ষতা বাড়ানোয় গুরুত্ব দেন। এ গবেষণা করতে গিয়ে তিনি পর্যবেক্ষণ করেন, গ্রামীণ নারী-পুরুষ উভয়ই স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনার আওতায় জন্মনিয়ন্ত্রণ গ্রহণে অনীহা রয়েছে। এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনার মাঠ কর্মীদেরও এ কাজে সম্পৃক্ত করেন। পরিবার পরিকল্পনার মাঠকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিবাহিতা নারী-পুরুষকে পছন্দসই জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারে উৎসাহিত করেন। পল্লির নারীদের উন্নয়নে কাজ করতে গিয়ে বাধার সম্মুখীনও হয়েছেন তিনি। পদ্মা নদী পার হয়ে চার মাইল হেঁটে কুষ্টিয়ার সদর উপজেলার হাটুশ হরিপুর ইউনিয়নের চরভবানিপুর গ্রামের নারীদের সরকারি সেবা সম্পর্কে অবহিত করেন। এ গ্রামের মানুষদের প্রধান পেশা কৃষি এবং মাছ ধরা। স্বাস্থ্যসেবা, পরিবার পরিকল্পনা সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণাই ছিল না। এভাবেই তিনি সব প্রতিকূলতা দূর করে পল্লি নারীদের উন্নয়নে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন।

ড. সারিয়া সুলতানা ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া থেকে রাষ্ট্রনীতি ও লোকপ্রশাসন বিভাগ থেকে ২০০৫ সালে স্নাতকে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম, ২০০৬ সালে স্নাতকোত্তর করেন। ২০২০ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগ থেকে পিএইচডি করেন। তার অভিসন্দর্ভের বিষয় ছিল ‘রোল অফ লিংক মডেল অন সাসটেইনেবল রুরাল ডেভেলপমেন্ট অব বাংলাদেশ’। এ ছাড়া তিনি পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণা অনুষদ থেকে ২০১৭ সালে পিএইচডি ফেলোশিপ করেন।

বাবা মৌলানা আব্দুর রাজ্জাক শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত ছিলেন। মা রহিমা বেগম গৃহিণী। পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে তিনি তৃতীয়। স্বামী ড. এমদাদ হাসনায়েন ও একমাত্র সন্তানকে নিয়ে তার ছোট্ট সংসার। চাকরি, সংসারের পাশাপাশি তিনি লেখালেখির সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন। তার স্বামী ড. এমদাদ হাসনায়েন এবং তিনি যৌথভাবে লিখেছেন কুষ্টিয়ার ইতিহাস, ধর্মীয় ইতিহাস স্থাপত্যে কুষ্টিয়া, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে কুষ্টিয়া, কুষ্টিয়ার তাঁতশিল্প, দুই বাংলার নান্দনিক কবিতা। এ ছাড়া তার গবেষণা গ্রন্থ রোল অব লিংক মডেল অন সাসটেইনেবল রুরাল ডেভেলপমেন্ট অন বাংলাদেশ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন