স্কেচে তারকাদের ছবি
jugantor
স্কেচে তারকাদের ছবি

  এবিএস ফরহাদ  

২৪ জানুয়ারি ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ছোটবেলা থেকে পেনসিল আর রং তুলির প্রেমে পড়েন সানজিদা আলম এথিনা। পত্রিকা কিংবা বইয়ের পাতায় পেনসিলে আঁকা ছবি তাকে ছুঁয়ে যেত। শৈশবের সেই আকর্ষণ তাকে ছবি আঁকতে উদ্দীপ্ত করত। স্কুলে পড়াকালীন স্কেচে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি এঁকে বিজয়ীও হন। তখন থেকেই পেনসিলের প্রতি তার ভালোবাসা বেড়ে যায়। স্কুল-কলেজের পড়াশোনার চাপে পড়ে আর পেনসিল হাতে বসার সুযোগ হয়নি। তবে স্কেচের প্রতি আকর্ষণ বারবার টেনেছে তাকে।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে প্রিয় মানুষের অনুপ্রেরণায় ফের হাতে নেন পেনসিল। ২০২০ সালের শুরুতে বৈশ্বিক করোনার সংক্রমণে ঘরবন্দি হয়ে পড়ে গোটা পৃথিবী। পড়াশোনার চাপ নেই, নেই একাডেমিক চাপ। অবসর সময়ে এথিনা পেনসিল হাতে বসে পড়ে পোট্রেট বা স্কেচ অঙ্কনে।

এ প্রসঙ্গে সানজিদা আলম এথিনা বলেন, পেনসিল স্কেচে প্রথমে নিজের লোকদের ছবি আঁকা শুরু হলেও ধীরে ধীরে ডালিউড, বলিউড তারকাদের ছবি আঁকতে শুরু করি। দেশীয় ছোটপর্দার অপি করিম থেকে শুরু করে আমার স্কেচে স্থান পেয়েছে বলিউডের রণবীর সিং-দীপিকা জুটি।

চাকরির পাশাপাশি শখের স্কেচের সঙ্গেই থাকবেন তিনি। এথিনার মতে, স্কেচ করতে আমার ভালো লাগে। এটিকে এক প্রকার শখই বলা চলে। অনেকের কাছে স্কেচ করা কঠিন মনে হলেও আমার কাছে ততটা কঠিন মনে হয়নি। এটি শখের কাজ হলেও এখন অনেকটা পেশা হয়ে উঠছে। আমি ছবি দেখেই হুবহু পেনসিলে সেই ছবি আঁকতে পারি। পড়াশোনার পাশাপাশি অবসর সময়ে কাজগুলো করে থাকি। এতে পড়াশোনায় কোনো সমস্যা হয় না। বরং মনকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে এই আঁকাআঁকি। বাংলাদেশে স্কেচ এখনো শিল্প হিসাবে গড়ে না উঠলেও এই শিল্পকে কাজে লাগানো সম্ভব। তার জন্য প্রয়োজন ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা। যদি বাংলাদেশে এই শিল্পকে আরও গুরুত্ব দেওয়া হয় এবং পরিপূর্ণ শেখার ব্যবস্থা করা যায় তাহলে এই শিল্পে বিপ্লব সম্ভব।

স্কেচে তারকাদের ছবি

 এবিএস ফরহাদ 
২৪ জানুয়ারি ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ছোটবেলা থেকে পেনসিল আর রং তুলির প্রেমে পড়েন সানজিদা আলম এথিনা। পত্রিকা কিংবা বইয়ের পাতায় পেনসিলে আঁকা ছবি তাকে ছুঁয়ে যেত। শৈশবের সেই আকর্ষণ তাকে ছবি আঁকতে উদ্দীপ্ত করত। স্কুলে পড়াকালীন স্কেচে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি এঁকে বিজয়ীও হন। তখন থেকেই পেনসিলের প্রতি তার ভালোবাসা বেড়ে যায়। স্কুল-কলেজের পড়াশোনার চাপে পড়ে আর পেনসিল হাতে বসার সুযোগ হয়নি। তবে স্কেচের প্রতি আকর্ষণ বারবার টেনেছে তাকে।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে প্রিয় মানুষের অনুপ্রেরণায় ফের হাতে নেন পেনসিল। ২০২০ সালের শুরুতে বৈশ্বিক করোনার সংক্রমণে ঘরবন্দি হয়ে পড়ে গোটা পৃথিবী। পড়াশোনার চাপ নেই, নেই একাডেমিক চাপ। অবসর সময়ে এথিনা পেনসিল হাতে বসে পড়ে পোট্রেট বা স্কেচ অঙ্কনে।

এ প্রসঙ্গে সানজিদা আলম এথিনা বলেন, পেনসিল স্কেচে প্রথমে নিজের লোকদের ছবি আঁকা শুরু হলেও ধীরে ধীরে ডালিউড, বলিউড তারকাদের ছবি আঁকতে শুরু করি। দেশীয় ছোটপর্দার অপি করিম থেকে শুরু করে আমার স্কেচে স্থান পেয়েছে বলিউডের রণবীর সিং-দীপিকা জুটি।

চাকরির পাশাপাশি শখের স্কেচের সঙ্গেই থাকবেন তিনি। এথিনার মতে, স্কেচ করতে আমার ভালো লাগে। এটিকে এক প্রকার শখই বলা চলে। অনেকের কাছে স্কেচ করা কঠিন মনে হলেও আমার কাছে ততটা কঠিন মনে হয়নি। এটি শখের কাজ হলেও এখন অনেকটা পেশা হয়ে উঠছে। আমি ছবি দেখেই হুবহু পেনসিলে সেই ছবি আঁকতে পারি। পড়াশোনার পাশাপাশি অবসর সময়ে কাজগুলো করে থাকি। এতে পড়াশোনায় কোনো সমস্যা হয় না। বরং মনকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে এই আঁকাআঁকি। বাংলাদেশে স্কেচ এখনো শিল্প হিসাবে গড়ে না উঠলেও এই শিল্পকে কাজে লাগানো সম্ভব। তার জন্য প্রয়োজন ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা। যদি বাংলাদেশে এই শিল্পকে আরও গুরুত্ব দেওয়া হয় এবং পরিপূর্ণ শেখার ব্যবস্থা করা যায় তাহলে এই শিল্পে বিপ্লব সম্ভব।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন