করোনার প্রভাব কমলগঞ্জের মণিপুরী তাঁত পল্লিতে
jugantor
করোনার প্রভাব কমলগঞ্জের মণিপুরী তাঁত পল্লিতে
মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলা মণিপুরী তাঁতশিল্পের জন্য প্রসিদ্ধ। বিষ্ণুপ্রিয়া ও মৈতৈ মণিপুরী শাড়িসহ তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় ব্যবহৃত পণ্য তৈরি করে। দিন দিন দেশ-বিদেশেও মণিপুরী পণ্যের চাহিদা বেড়েছে। মুসলিম নারীরাও এ পেশায় যুক্ত হয়েছেন। লিখেছেন-

  আব্দুর রাজ্জাক রাজা  

২৪ জানুয়ারি ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাড়ির কাজের ফাঁকে ফাঁকে কোমর তাঁতে চাদর বুনছিলেন শুক্লা সিন্হা, সীমা সিন্হা, কস্তুরি সিন্হা, চিত্রালী সিন্হা। তাদের মতে, বাজারে মুণিপুরী তাঁতের কাপড়ের চাহিদা থাকলেও কাঁচামালের অভাব রয়েছে। মণিপুরী তাঁত কাপড়ের কাঁচামাল সিলেটে পাওয়া যায় না। ঢাকা, নরসিংদী কিংবা চট্টগ্রাম থেকে আনতে হয়। যার কারণে সময়মতো পাইকারি বিক্রেতাদের পণ্য সরবরাহ করতে পারি না।

কমলগঞ্জ উপজেলার মণিপুরী অধ্যুষিত প্রায় ৩০টি গ্রামের ঘরে ঘরে শুধু মণিপুরী নারীরাই নন, বাঙালি নারীরাও এ পেশায় সম্পৃক্ত হয়েছেন। বাড়ির কাজের ফাঁকে ফাঁকে তারা যেমন তাঁত বুনেন। প্রথমে শাড়ির টানা বাঁধেন, সুতা প্রক্রিয়াজাতও করেন। প্রথমে সুতা মাড় দিয়ে শুকানো, শুকনো সুতা চরকায় পেঁচিয়ে গুটিতে ভরে সেখান থেকে মাকুতে বোনা। তারপর বুনন কাজ চলে।

জালালপুর গ্রামের বাঙালি তাঁতি নুরুন নাহার ও বন্ধেরগাঁও গ্রামের শারমিন আক্তার কয়েক বছর ধরে মণিপুরী তাঁতবস্ত্র তৈরি করেন। এ প্রসঙ্গে তারা বলেন, আদমপুর ও ইসলামপুর ইউপিতে কমপক্ষে ৫০০ বাঙালি তাঁতি রয়েছেন। একটি শাড়ি বুনতে চার থেকে পাঁচ দিন সময় লাগে। তবে শাড়ির রং ও নকশার ওপর নির্ভর করে বোনার সময়। বাড়িতে তাঁতবস্ত্র বুনন করলেও বাজারজাত করতে পারেন না। ফলে মহাজনের ওপর নির্ভরশীল। তৈরি বস্ত্র বাজারে সরবরাহ করতে না পারায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

তিলকপুর গ্রামের সারোয়ারি বেগম জানান, কাপড় তৈরির কাঁচামালের দাম বাড়ায় কাপড় তৈরির পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছেন। কাপড়ের ন্যায্যমূল্যও পান না। এ শ্রেণির ফড়িয়া ব্যবসায়ীদের কাছে তারা জিম্মি অবস্থায় আছেন। ফড়িয়াদের বেঁধে দেওয়া দামেই তাদের কাছে কাপড় তৈরি করতে বাধ্য হচ্ছেন।

আদমপুর মণিপুরী কমপ্লেক্সের মণিপুরী তাঁতবস্ত্র প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রধান প্রশিক্ষক সৌদামনি সিন্হা জানান, এখানে ৭টি তাঁত ফ্রেম রয়েছে। এ কমপ্লেক্সে ১৬ জন তাঁতি কাজ করেন। স্বাভাবিক সময় ৭টি তাঁত মেশিনে ডিজাইন ছাড়া মাসে ৭-৮টি ও ডিজাইন হলে ৩-৪টি কাপড় তৈরি করা যায়। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনায় ২০১৯ সালের ২৪ মার্চ থেকে প্রাতিষ্ঠানিক তাঁত কারখানা বন্ধ রয়েছে। মৈতৈ, বিষ্ণুপ্রিয়া ও পাঙাল (মণিপুরী মুসলিম) ৩ সম্প্রদায়ের কমপক্ষে ১ হাজার তাঁতি নিজ বাড়িতে কোমর ও ফ্রেম তাঁতে কাজ করেন। প্রাতিষ্ঠানিক কারখানায় কাজ বন্ধ থাকলেও তারা বাড়ির তাঁতে কাজ করছেন। বাজার বন্ধ থাকায় চাহিদা মতো সুতা পাওয়া যাচ্ছে না। এ কারণে তাদের তৈরি তাঁতবস্ত্র বাজারজাতও করতে পারছেন না। এ ক্ষেত্রে তারা মহাজনের কাছে আটকা রয়েছেন।

সৌদামনি সিন্হা আরও বলেন, যে শাড়ির দাম আগে ১৪০০ টাকা ছিল এখন মহাজনের কাছে ৯০০ টাকা থেকে ১ হাজার টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। তাও আবার সময়মতো টাকা পাচ্ছেন না। পুঁজি না থাকায় এ শিল্পের প্রসার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। উৎপাদিত পণ্য বাজারজাতকরণে স্থায়ী দোকান প্রতিষ্ঠিত হলে এ সমস্যাগুলো কেটে যেত।

কয়েকজন নারী তাঁতশিল্পীর মতে, দেশ-বিদেশে বাহারি মণিপুরী পোশাকের প্রচুর চাহিদা থাকা সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় কাঁচামাল ও পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। এ তাঁতশিল্পকে রক্ষা করতে হলে কাঁচামালের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

এ প্রসঙ্গে আদমপুরের সুতা ব্যবসায়ী ও তাঁতবস্ত্র ক্রয়কারী মহাজন মজর আলী বলেন, সুতার দাম বাড়েনি। বাজার বন্ধ থাকায় তাঁতিরা তাদের তৈরি বস্ত্র বিক্রি করতে পারছেন না। তিনিও তাঁতি শিল্পীদের তৈরি বস্ত্র সামান্য মূল্য হাতে রেখে ক্রয় করছেন। অন্যদিকে কমলগঞ্জের মণিপুরীদের তাঁতে উৎপাদিত বিভিন্ন সামগ্রী স্থানীয়ভাবে প্রান্তিক ব্যবসায়ীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ক্রয় করছেন। এসব সামগ্রী আবার স্থানীয় গ্রামের দোকানগুলোতে বিক্রি করা হয়। মণিপুরী তাঁত কাপড় ব্যবসায়ী বীর মুক্তিযোদ্ধা আনন্দ মোহন সিংহ বলেন, কমলগঞ্জে সরকারি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মণিপুরী তাঁতশিল্প প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন কেন্দ্র। এই কেন্দ্র থেকে মণিপুরী নারীরা তাঁতের কাপড় তৈরির প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংক ও চালু করেছে এসএমই ঋণ প্রকল্প। শুধু প্রশিক্ষণ প্রদান ও তাঁত ঋণ দিলেই চলবে না প্রয়োজন মণিপুরী কাপড়ের কাঁচামালের সহজলভ্য। প্রীতি মণিপুরী হ্যান্ডিক্রাফটসের স্বত্বাধিকারী এন প্রদীপ কুমার সিংহ জানান, তাঁতিদের রক্ষার জন্য সুদের হার কমিয়ে প্রকৃত তাঁতিদের ঋণ দিতে হবে। সরকারকে আলাদাভাবে ঋণ সুবিধা দিতে হবে।

কমলগঞ্জের গকুলের গাঁও গ্রামের ফ্যাশন ডিজাইন উপকেন্দ্রের লিয়াজোঁ অফিসার মো. বরকত উল্লার মতে, ২টি ভ্রাম্যমাণ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র শ্রীনাথপুর ও মধ্যভাগ গ্রামের প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

কমলগঞ্জ ক্ষুদ্রশিল্প উদ্যোক্তা সমিতির উপদেষ্টা আহমদ সিরাজ বলেন, করোনাভাইরাসের বড় প্রভাব পড়েছে মণিপুরী ও বাঙালি তাঁতিদের ওপর। এ শিল্পের সঙ্গে জড়িতদের বিশেষ ক্ষুদ্রঋণ প্রদান না করলে এ শিল্পকে বাঁচানো সম্ভব হবে না।

করোনার প্রভাব কমলগঞ্জের মণিপুরী তাঁত পল্লিতে

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলা মণিপুরী তাঁতশিল্পের জন্য প্রসিদ্ধ। বিষ্ণুপ্রিয়া ও মৈতৈ মণিপুরী শাড়িসহ তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় ব্যবহৃত পণ্য তৈরি করে। দিন দিন দেশ-বিদেশেও মণিপুরী পণ্যের চাহিদা বেড়েছে। মুসলিম নারীরাও এ পেশায় যুক্ত হয়েছেন। লিখেছেন-
 আব্দুর রাজ্জাক রাজা 
২৪ জানুয়ারি ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাড়ির কাজের ফাঁকে ফাঁকে কোমর তাঁতে চাদর বুনছিলেন শুক্লা সিন্হা, সীমা সিন্হা, কস্তুরি সিন্হা, চিত্রালী সিন্হা। তাদের মতে, বাজারে মুণিপুরী তাঁতের কাপড়ের চাহিদা থাকলেও কাঁচামালের অভাব রয়েছে। মণিপুরী তাঁত কাপড়ের কাঁচামাল সিলেটে পাওয়া যায় না। ঢাকা, নরসিংদী কিংবা চট্টগ্রাম থেকে আনতে হয়। যার কারণে সময়মতো পাইকারি বিক্রেতাদের পণ্য সরবরাহ করতে পারি না।

কমলগঞ্জ উপজেলার মণিপুরী অধ্যুষিত প্রায় ৩০টি গ্রামের ঘরে ঘরে শুধু মণিপুরী নারীরাই নন, বাঙালি নারীরাও এ পেশায় সম্পৃক্ত হয়েছেন। বাড়ির কাজের ফাঁকে ফাঁকে তারা যেমন তাঁত বুনেন। প্রথমে শাড়ির টানা বাঁধেন, সুতা প্রক্রিয়াজাতও করেন। প্রথমে সুতা মাড় দিয়ে শুকানো, শুকনো সুতা চরকায় পেঁচিয়ে গুটিতে ভরে সেখান থেকে মাকুতে বোনা। তারপর বুনন কাজ চলে।

জালালপুর গ্রামের বাঙালি তাঁতি নুরুন নাহার ও বন্ধেরগাঁও গ্রামের শারমিন আক্তার কয়েক বছর ধরে মণিপুরী তাঁতবস্ত্র তৈরি করেন। এ প্রসঙ্গে তারা বলেন, আদমপুর ও ইসলামপুর ইউপিতে কমপক্ষে ৫০০ বাঙালি তাঁতি রয়েছেন। একটি শাড়ি বুনতে চার থেকে পাঁচ দিন সময় লাগে। তবে শাড়ির রং ও নকশার ওপর নির্ভর করে বোনার সময়। বাড়িতে তাঁতবস্ত্র বুনন করলেও বাজারজাত করতে পারেন না। ফলে মহাজনের ওপর নির্ভরশীল। তৈরি বস্ত্র বাজারে সরবরাহ করতে না পারায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

তিলকপুর গ্রামের সারোয়ারি বেগম জানান, কাপড় তৈরির কাঁচামালের দাম বাড়ায় কাপড় তৈরির পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছেন। কাপড়ের ন্যায্যমূল্যও পান না। এ শ্রেণির ফড়িয়া ব্যবসায়ীদের কাছে তারা জিম্মি অবস্থায় আছেন। ফড়িয়াদের বেঁধে দেওয়া দামেই তাদের কাছে কাপড় তৈরি করতে বাধ্য হচ্ছেন।

আদমপুর মণিপুরী কমপ্লেক্সের মণিপুরী তাঁতবস্ত্র প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রধান প্রশিক্ষক সৌদামনি সিন্হা জানান, এখানে ৭টি তাঁত ফ্রেম রয়েছে। এ কমপ্লেক্সে ১৬ জন তাঁতি কাজ করেন। স্বাভাবিক সময় ৭টি তাঁত মেশিনে ডিজাইন ছাড়া মাসে ৭-৮টি ও ডিজাইন হলে ৩-৪টি কাপড় তৈরি করা যায়। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনায় ২০১৯ সালের ২৪ মার্চ থেকে প্রাতিষ্ঠানিক তাঁত কারখানা বন্ধ রয়েছে। মৈতৈ, বিষ্ণুপ্রিয়া ও পাঙাল (মণিপুরী মুসলিম) ৩ সম্প্রদায়ের কমপক্ষে ১ হাজার তাঁতি নিজ বাড়িতে কোমর ও ফ্রেম তাঁতে কাজ করেন। প্রাতিষ্ঠানিক কারখানায় কাজ বন্ধ থাকলেও তারা বাড়ির তাঁতে কাজ করছেন। বাজার বন্ধ থাকায় চাহিদা মতো সুতা পাওয়া যাচ্ছে না। এ কারণে তাদের তৈরি তাঁতবস্ত্র বাজারজাতও করতে পারছেন না। এ ক্ষেত্রে তারা মহাজনের কাছে আটকা রয়েছেন।

সৌদামনি সিন্হা আরও বলেন, যে শাড়ির দাম আগে ১৪০০ টাকা ছিল এখন মহাজনের কাছে ৯০০ টাকা থেকে ১ হাজার টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। তাও আবার সময়মতো টাকা পাচ্ছেন না। পুঁজি না থাকায় এ শিল্পের প্রসার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। উৎপাদিত পণ্য বাজারজাতকরণে স্থায়ী দোকান প্রতিষ্ঠিত হলে এ সমস্যাগুলো কেটে যেত।

কয়েকজন নারী তাঁতশিল্পীর মতে, দেশ-বিদেশে বাহারি মণিপুরী পোশাকের প্রচুর চাহিদা থাকা সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় কাঁচামাল ও পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। এ তাঁতশিল্পকে রক্ষা করতে হলে কাঁচামালের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

এ প্রসঙ্গে আদমপুরের সুতা ব্যবসায়ী ও তাঁতবস্ত্র ক্রয়কারী মহাজন মজর আলী বলেন, সুতার দাম বাড়েনি। বাজার বন্ধ থাকায় তাঁতিরা তাদের তৈরি বস্ত্র বিক্রি করতে পারছেন না। তিনিও তাঁতি শিল্পীদের তৈরি বস্ত্র সামান্য মূল্য হাতে রেখে ক্রয় করছেন। অন্যদিকে কমলগঞ্জের মণিপুরীদের তাঁতে উৎপাদিত বিভিন্ন সামগ্রী স্থানীয়ভাবে প্রান্তিক ব্যবসায়ীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ক্রয় করছেন। এসব সামগ্রী আবার স্থানীয় গ্রামের দোকানগুলোতে বিক্রি করা হয়। মণিপুরী তাঁত কাপড় ব্যবসায়ী বীর মুক্তিযোদ্ধা আনন্দ মোহন সিংহ বলেন, কমলগঞ্জে সরকারি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মণিপুরী তাঁতশিল্প প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন কেন্দ্র। এই কেন্দ্র থেকে মণিপুরী নারীরা তাঁতের কাপড় তৈরির প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংক ও চালু করেছে এসএমই ঋণ প্রকল্প। শুধু প্রশিক্ষণ প্রদান ও তাঁত ঋণ দিলেই চলবে না প্রয়োজন মণিপুরী কাপড়ের কাঁচামালের সহজলভ্য। প্রীতি মণিপুরী হ্যান্ডিক্রাফটসের স্বত্বাধিকারী এন প্রদীপ কুমার সিংহ জানান, তাঁতিদের রক্ষার জন্য সুদের হার কমিয়ে প্রকৃত তাঁতিদের ঋণ দিতে হবে। সরকারকে আলাদাভাবে ঋণ সুবিধা দিতে হবে।

কমলগঞ্জের গকুলের গাঁও গ্রামের ফ্যাশন ডিজাইন উপকেন্দ্রের লিয়াজোঁ অফিসার মো. বরকত উল্লার মতে, ২টি ভ্রাম্যমাণ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র শ্রীনাথপুর ও মধ্যভাগ গ্রামের প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

কমলগঞ্জ ক্ষুদ্রশিল্প উদ্যোক্তা সমিতির উপদেষ্টা আহমদ সিরাজ বলেন, করোনাভাইরাসের বড় প্রভাব পড়েছে মণিপুরী ও বাঙালি তাঁতিদের ওপর। এ শিল্পের সঙ্গে জড়িতদের বিশেষ ক্ষুদ্রঋণ প্রদান না করলে এ শিল্পকে বাঁচানো সম্ভব হবে না।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন