স্বপ্নের পথে বাধাহীন হয়ে এগিয়ে যাও
jugantor
স্বপ্নের পথে বাধাহীন হয়ে এগিয়ে যাও
এলিজাবেথ বোর্ন। ফ্রান্সের ইতিহাসে দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী। লিখেছেন-

  সাব্বিন হাসান  

২৩ মে ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্বে এখন শুধু ‘এলিজাবেথ’ নামেই রাজনৈতিক আলোচনার শীর্ষে আছেন। পুরো নাম এলিজাবেথ বোর্ন। জন্ম ১৯৬১ সালের ১৮ এপ্রিল। ফ্রান্সের হয়ে গড়লেন নতুন ইতিহাস। বলতে গেলে, আধুনিক ফ্রান্সের ইতিহাসে দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী। আর গত তিন দশকের হিসাবে প্রথম নারী হিসাবে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েছেন এলিজাবেথ বোর্ন। আগে ছিলেন দেশটির শ্রমমন্ত্রী।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী হওয়া কঠিন চ্যালেঞ্জের বলে মনে করছেন বিশ্বের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তবে কঠিন পরিস্থিতি সামলে নেওয়ার অভিজ্ঞতা এলিজাবেথের আছে বলেই প্রেসিডেন্ট মাখোঁ বর্তমান পরিস্থিতিতে এলিজাবেথকেই সবচেয়ে যোগ্য মনে করেছেন।

দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর ইমানুয়েল মাখোঁ তার নতুন মন্ত্রিসভায় নির্ভরযোগ্য হিসাবে এলিজাবেথকে তার পরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসাবে প্রধানমন্ত্রী মনোনয়ন করেছেন। তবে প্রশ্ন উঠেছে, তিন দশক পর বিশ্বের এমন কঠিন যুদ্ধাবস্থায় নারী নেতৃত্বে ফ্রান্স কতটা সুরক্ষিত অবস্থানে থাকতে পারবে তা নিয়ে।

গার্ডিয়ান সূত্রে জানা যায়, আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী জ্যঁ কাসটেকসের কাছ থেকে দায়িত্ব বুঝে নিয়েছেন এলিজাবেথ বোর্ন। দায়িত্ব বিনিময় অনুষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত ভাষণে এলিজাবেথ বোর্ন জানালেন, আমার প্রধানমন্ত্রিত্ব আমি ফ্রান্সের ছোট ছোট মেয়েদের জন্য উৎসর্গ করলাম। তাদের আমি বলতে চাই, নিজের স্বপ্নকে অনুসরণ কর। আর তা করে যাও। সমাজের কোনো বাধাই নারীর সুদৃঢ় অবস্থানের লড়াইকে আর দমিয়ে রাখতে পারবে না।

নিজের পেশাগত জীবনে প্রকৌশলী এলিজাবেথ ফ্রান্স সরকারের বেশকিছু মন্ত্রণালয়ে কাজ করেছেন। আর তা তিনি করে আসছেন দীর্ঘদিন ধরেই। ইমানুয়েল মাখোঁ দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর নতুন মন্ত্রিসভা গঠনে এলিজাবেথকে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে বেছে নিয়েছেন।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট মাখোঁর প্রতিশ্রুত নীতিমালা বাস্তবায়ন এবং ইউক্রেনে যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে উচ্চ মূল্যস্ফীতি সামলানোর চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে এলিজাবেথের জন্য।

ইতিহাস বলছে, এলিজাবেথের আগে একমাত্র নারী হিসাবে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েছিলেন ইদিথ ক্রেসোঁ। প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া মিতেরাঁর আমলে ১৯৯১ সালের মে থেকে ১৯৯২ সালের এপ্রিল অবধি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

সুদীর্ঘ বিরতির পর প্রধানমন্ত্রী পদে আরেকজন নারী আসার খবরে ক্রেসোঁ মন্তব্য করেন, ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রীর পদে বহু আগেই নারী নেতৃত্ব আশা উচিত ছিল। কিন্তু তা হয়নি। তবে এখন তা বর্তমান।

কিছুদিন আগেই ক্রেসোঁ বলেছিলেন, ফ্রান্সের রাজনীতি এখনো অনেক বেশি ‘পরনির্ভর’ হয়ে পড়েছে। আর গত সপ্তাহে আইফপ পরিচালিত জরিপে ৭৪ শতাংশ নাগরিক বলেছিলেন, ফ্রান্সের জনগণ নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসাবে একজন নারীকে দেখতেই পছন্দ করবে।

দায়িত্ব গ্রহণের পর পরই এলিজাবেথ বোর্ন প্রধান কাজ হিসাবে প্রেসিডেন্ট মাখোঁর মধ্যপন্থি রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরের মতানৈক্য কমিয়ে আনা। অনুষ্ঠিতব্য পার্লামেন্ট নির্বাচনে মাখোঁর দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিতে যা অত্যন্ত জরুরি। আসছে পার্লামেন্ট নির্বাচনে জয়যুক্ত হলে প্রধানমন্ত্রী এলিজাবেথকে জ্বালানির দামে লাগাম টেনে ধরতে হবে। তা ছাড়া জীবিকা খরচ সহনীয় ধাপে নামিয়ে আনার চ্যালেঞ্জ তো থাকছেই।

বাড়তি চ্যালেঞ্জের মধ্যে থাকছে মাখোঁর অজনপ্রিয় পেনশন নীতিমালা বাস্তবায়ন। মাখোঁ চাইছেন বর্তমান পেনশন শুরুর বয়স ৬২ বছর থেকে বাড়িয়ে ৬৪ বা ৬৫ বছরে নিয়ে যেতে। কিন্তু এমন নীতির বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে রাজপথে কঠোর প্রতিবাদ কমসূচি ও বিক্ষোভ করেছে ফ্রান্সের শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা।

তা ছাড়া কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে ‘সবুজ পরিকল্পনা’ বাস্তবায়নের পরিবেশ নীতিমালা নিয়ে বিশেষভাবে কাজ করতে হবে এলিজাবেথকে।

প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে মাখোঁ সরকারে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর যেমন পরিবহণ, পরিবেশ ও শ্রম মন্ত্রণালয় দায়িত্ব সফলভাবেই সামলেছেন এলিজাবেথ। কঠিন নীতি গ্রহণ আর বাস্তবায়নে তার সুনাম আছে। এলিজাবেথ বোর্ন মন্ত্রী থাকার সময়ই ফ্রান্সে রেল ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন এনে সুনাম কুড়িয়েছিলেন। বলতে গেলে, কয়েক দশকের মধ্যে বড় ধরনের ধর্মঘটের মুখোমুখি হতে হয় ফ্রান্সকে। কিন্তু কঠিন পরিস্থিতি শক্ত আর সুদক্ষ হাতেই সামলে নিয়েছেন এলিজাবেথ।

নতুন প্রধানমন্ত্রী এলিজাবেথ প্রসঙ্গে মাখোঁ বলেন, সরাসরি কথা বলতে পছন্দ করা একজন স্পষ্ট রাজনীতিবিদ ও একজন সুবক্তা হচ্ছেন এলিজাবেথ। যিনি ‘অসম্ভব সংস্কার নীতিকে দক্ষভাবেই বাস্তব করতে পারদর্শী। সাধারণ মানুষের কাছের মানুষ হতে পেরেছেন বলে তিনি জনসমর্থন আদায় ও জনপ্রিয় হতে পেরেছেন।

নিজেকে যতটা সম্ভব সুদক্ষ করে তুলতে হবে। নিজের কথাগুলো আর অবস্থান অন্যের কাছে সুস্পষ্ট না করতে পারলে যোগ্য নেতৃত্বে সফলতা পাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে। তাই ধীরে ধীরে নিজের ভেতরের নেতৃত্বগুণ বাড়িয়ে সফলতার পথে সুপ্রসারিত হতে হবে। নিজের কথাগুলো এভাবেই ব্যক্ত করেছেন এলিজাবেথ বোর্ন।

স্বপ্নের পথে বাধাহীন হয়ে এগিয়ে যাও

এলিজাবেথ বোর্ন। ফ্রান্সের ইতিহাসে দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী। লিখেছেন-
 সাব্বিন হাসান 
২৩ মে ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্বে এখন শুধু ‘এলিজাবেথ’ নামেই রাজনৈতিক আলোচনার শীর্ষে আছেন। পুরো নাম এলিজাবেথ বোর্ন। জন্ম ১৯৬১ সালের ১৮ এপ্রিল। ফ্রান্সের হয়ে গড়লেন নতুন ইতিহাস। বলতে গেলে, আধুনিক ফ্রান্সের ইতিহাসে দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী। আর গত তিন দশকের হিসাবে প্রথম নারী হিসাবে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েছেন এলিজাবেথ বোর্ন। আগে ছিলেন দেশটির শ্রমমন্ত্রী।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী হওয়া কঠিন চ্যালেঞ্জের বলে মনে করছেন বিশ্বের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তবে কঠিন পরিস্থিতি সামলে নেওয়ার অভিজ্ঞতা এলিজাবেথের আছে বলেই প্রেসিডেন্ট মাখোঁ বর্তমান পরিস্থিতিতে এলিজাবেথকেই সবচেয়ে যোগ্য মনে করেছেন।

দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর ইমানুয়েল মাখোঁ তার নতুন মন্ত্রিসভায় নির্ভরযোগ্য হিসাবে এলিজাবেথকে তার পরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসাবে প্রধানমন্ত্রী মনোনয়ন করেছেন। তবে প্রশ্ন উঠেছে, তিন দশক পর বিশ্বের এমন কঠিন যুদ্ধাবস্থায় নারী নেতৃত্বে ফ্রান্স কতটা সুরক্ষিত অবস্থানে থাকতে পারবে তা নিয়ে।

গার্ডিয়ান সূত্রে জানা যায়, আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী জ্যঁ কাসটেকসের কাছ থেকে দায়িত্ব বুঝে নিয়েছেন এলিজাবেথ বোর্ন। দায়িত্ব বিনিময় অনুষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত ভাষণে এলিজাবেথ বোর্ন জানালেন, আমার প্রধানমন্ত্রিত্ব আমি ফ্রান্সের ছোট ছোট মেয়েদের জন্য উৎসর্গ করলাম। তাদের আমি বলতে চাই, নিজের স্বপ্নকে অনুসরণ কর। আর তা করে যাও। সমাজের কোনো বাধাই নারীর সুদৃঢ় অবস্থানের লড়াইকে আর দমিয়ে রাখতে পারবে না।

নিজের পেশাগত জীবনে প্রকৌশলী এলিজাবেথ ফ্রান্স সরকারের বেশকিছু মন্ত্রণালয়ে কাজ করেছেন। আর তা তিনি করে আসছেন দীর্ঘদিন ধরেই। ইমানুয়েল মাখোঁ দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর নতুন মন্ত্রিসভা গঠনে এলিজাবেথকে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে বেছে নিয়েছেন।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট মাখোঁর প্রতিশ্রুত নীতিমালা বাস্তবায়ন এবং ইউক্রেনে যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে উচ্চ মূল্যস্ফীতি সামলানোর চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে এলিজাবেথের জন্য।

ইতিহাস বলছে, এলিজাবেথের আগে একমাত্র নারী হিসাবে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েছিলেন ইদিথ ক্রেসোঁ। প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া মিতেরাঁর আমলে ১৯৯১ সালের মে থেকে ১৯৯২ সালের এপ্রিল অবধি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

সুদীর্ঘ বিরতির পর প্রধানমন্ত্রী পদে আরেকজন নারী আসার খবরে ক্রেসোঁ মন্তব্য করেন, ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রীর পদে বহু আগেই নারী নেতৃত্ব আশা উচিত ছিল। কিন্তু তা হয়নি। তবে এখন তা বর্তমান।

কিছুদিন আগেই ক্রেসোঁ বলেছিলেন, ফ্রান্সের রাজনীতি এখনো অনেক বেশি ‘পরনির্ভর’ হয়ে পড়েছে। আর গত সপ্তাহে আইফপ পরিচালিত জরিপে ৭৪ শতাংশ নাগরিক বলেছিলেন, ফ্রান্সের জনগণ নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসাবে একজন নারীকে দেখতেই পছন্দ করবে।

দায়িত্ব গ্রহণের পর পরই এলিজাবেথ বোর্ন প্রধান কাজ হিসাবে প্রেসিডেন্ট মাখোঁর মধ্যপন্থি রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরের মতানৈক্য কমিয়ে আনা। অনুষ্ঠিতব্য পার্লামেন্ট নির্বাচনে মাখোঁর দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিতে যা অত্যন্ত জরুরি। আসছে পার্লামেন্ট নির্বাচনে জয়যুক্ত হলে প্রধানমন্ত্রী এলিজাবেথকে জ্বালানির দামে লাগাম টেনে ধরতে হবে। তা ছাড়া জীবিকা খরচ সহনীয় ধাপে নামিয়ে আনার চ্যালেঞ্জ তো থাকছেই।

বাড়তি চ্যালেঞ্জের মধ্যে থাকছে মাখোঁর অজনপ্রিয় পেনশন নীতিমালা বাস্তবায়ন। মাখোঁ চাইছেন বর্তমান পেনশন শুরুর বয়স ৬২ বছর থেকে বাড়িয়ে ৬৪ বা ৬৫ বছরে নিয়ে যেতে। কিন্তু এমন নীতির বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে রাজপথে কঠোর প্রতিবাদ কমসূচি ও বিক্ষোভ করেছে ফ্রান্সের শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা।

তা ছাড়া কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে ‘সবুজ পরিকল্পনা’ বাস্তবায়নের পরিবেশ নীতিমালা নিয়ে বিশেষভাবে কাজ করতে হবে এলিজাবেথকে।

প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে মাখোঁ সরকারে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর যেমন পরিবহণ, পরিবেশ ও শ্রম মন্ত্রণালয় দায়িত্ব সফলভাবেই সামলেছেন এলিজাবেথ। কঠিন নীতি গ্রহণ আর বাস্তবায়নে তার সুনাম আছে। এলিজাবেথ বোর্ন মন্ত্রী থাকার সময়ই ফ্রান্সে রেল ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন এনে সুনাম কুড়িয়েছিলেন। বলতে গেলে, কয়েক দশকের মধ্যে বড় ধরনের ধর্মঘটের মুখোমুখি হতে হয় ফ্রান্সকে। কিন্তু কঠিন পরিস্থিতি শক্ত আর সুদক্ষ হাতেই সামলে নিয়েছেন এলিজাবেথ।

নতুন প্রধানমন্ত্রী এলিজাবেথ প্রসঙ্গে মাখোঁ বলেন, সরাসরি কথা বলতে পছন্দ করা একজন স্পষ্ট রাজনীতিবিদ ও একজন সুবক্তা হচ্ছেন এলিজাবেথ। যিনি ‘অসম্ভব সংস্কার নীতিকে দক্ষভাবেই বাস্তব করতে পারদর্শী। সাধারণ মানুষের কাছের মানুষ হতে পেরেছেন বলে তিনি জনসমর্থন আদায় ও জনপ্রিয় হতে পেরেছেন।

নিজেকে যতটা সম্ভব সুদক্ষ করে তুলতে হবে। নিজের কথাগুলো আর অবস্থান অন্যের কাছে সুস্পষ্ট না করতে পারলে যোগ্য নেতৃত্বে সফলতা পাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে। তাই ধীরে ধীরে নিজের ভেতরের নেতৃত্বগুণ বাড়িয়ে সফলতার পথে সুপ্রসারিত হতে হবে। নিজের কথাগুলো এভাবেই ব্যক্ত করেছেন এলিজাবেথ বোর্ন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন