সফলতার সূচনা হয় হার থেকেই
jugantor
সফলতার সূচনা হয় হার থেকেই
বিশ্বের রাজনীতিতে তাইওয়ানের রাষ্ট্রপতি সাই ইং ওয়েন সাহসিকতায় আবারও আলোচনার শীর্ষে। লিখেছেন-

  সাব্বিন হাসান  

০৮ আগস্ট ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চীন-তাইওয়ান উত্তেজনার পারদ আবারও চরমে। কারণ সদ্যই মার্কিন কংগ্রেসের নিুকক্ষের প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি বেইজিংয়ের হুমকি-ধমকি উপেক্ষা করে তাইওয়ান সফরে আসায় চীন ক্ষুব্ধ। যার প্রভাব টের পাচ্ছে তাইওয়ান। তাইওয়ানের ওপর একগাদা বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের পাশাপাশি চীন সশস্ত্র সামরিক মহড়াও দিয়েছে। আর এ পরিস্থিতিতে আবারও যার সাহসের কদর করছে সারা বিশ্ব তিনি সাই ইং ওয়েন।

২০১৬ সালে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট হিসাবে সাই ইং ওয়েন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই দেশটির ওপর চাপ বাড়িয়েছে চীন। কারণ সাই ইং ওয়েন দ্বীপটিকে একটি প্রকৃত সার্বভৌম জাতি হিসাবে দেখেন। তা ছাড়া তাইওয়ান এখন আর চীনের অংশ নয় বলেও দাবি করেন। তাইওয়ানকে এখনো নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে চীন। তাই তারা তাইওয়ানকে বৈশ্বিকভাবে বিচ্ছিন্ন করে রাখার চেষ্টা করে। বিশ্বের অন্য দেশগুলো এ অঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে চাইলে সরাসরি বিরোধিতা করে। অন্যদিকে তাইওয়ান নিজেদের স্বাধীন রাষ্ট্র মনে করে। বিগত ২৫ বছরে এই প্রথম নির্বাচিত কোনো মার্কিন শীর্ষ কর্মকর্তা তাইওয়ান সফর করলেন। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হুয়া চুনয়িং সাফ জানিয়েছেন, প্রতিক্রিয়া হবে ‘জোরদার ও কার্যকর’।

পুরো নাম সাই ইং-ওয়েন। জন্ম ১৯৫৬ সালের ৩১ আগস্ট। বর্তমানে শুধু ‘সাই’ নামেই বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতির অঙ্গনে আছেন আলোচনার শীর্ষে। মূল পেশা রাজনীতি। সারা বিশ্বে চীনবিরোধী সাহসী নেত্রী হিসাবে সুপরিচিত। ন্যাশনাল তাইওয়ান ইউনিভার্সিটি থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক। তারপর কর্নেল ইউনিভার্সিটি ল স্কুল থেকে আইন বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি করেন। সর্বশেষ ১৯৮৪ সালে লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্স থেকে অর্থনীতি বিষয়ে পিএইচডি করেছেন। ব্যক্তি জীবনে সাই অবিবাহিত।

তাইওয়ানের প্রথম নারী রাষ্ট্রপতি সাই ইং ওয়েন। তাইওয়ান আর সাই দুয়ে মিলে তাই ইতিহাসের অংশ। শুধু ইতিহাস বললে কমই বলা হয়। বিশ্ব ইতিহাসের অংশ। বিশ্বের রাজনৈতিক আলোচনায় সপ্তাহজুড়েই সাই সাহসী হিসাবে নিজেকে আরেকবার প্রমাণ করলেন। দ্বিতীয় মেয়াদে তাইওয়ানের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ৬৩ বছর বয়সি সাই ‘দ্য ডেমোক্র্যাটিক প্রগ্রেসিভ পার্টির (ডিপিপি) প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ছিলেন। নির্বাচনে জয়ী হয়েই সাই সাফ বলেছিলেন, তাইওয়ানকে জোর করে ছিনিয়ে নেওয়ার চিন্তা থেকে চীনের সরে আসা উচিত।

চাকরি জীবনে ফেয়ার ট্রেড কমিশন, কপিরাইট কমিশন এবং ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করেছেন সাই। ইতিহাস বলছে, ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ৫৬ শতাংশ ভোট নিয়ে ৫৯ বর্ষী সাই দেশটির প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। ২০১৬ সালের নির্বাচনে সাই ৭০ বছরের বেশি সময় ক্ষমতায় থাকা কুয়োমিনট্যাঙ্গ দলের প্রার্থী এরিক চুকে পরাজিত করে তাইওয়ানের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হন। সাইয়ের দ্বিতীয় মেয়াদে জয়ের মধ্য দিয়ে তার দল দ্য ডেমোক্র্যাটিক প্রগ্রেসিভ পার্টি তাইওয়ানের ক্ষমতায় তৃতীয়বারের মতো অধিষ্ঠিত হলো। চীনের দাবি, তাইওয়ানকে আজ না হয় কাল চীনের সঙ্গে একীভূত হতে হবেই। চীন যেন নাছোড়বান্দা।

তাইওয়ান ও চীনের বৈপিরত্য কূটনৈতিক প্রসঙ্গে সাই বলেছেন, চীনের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে অবস্থান সমুন্নত রাখবেন। চীনের উচিত তাইওয়ানের গণতন্ত্রের প্রতি সম্মান দেখানো। দুই দেশেরই উচিত যে কোনো ধরনের উত্তেজনা যাতে না হয় তা সুনিশ্চিত করা।

চীন প্রায়ই তাইওয়ানের পুনঃনিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জন্য হুমকি দেওয়ায় দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক অস্থিরতা বিদ্যমান থাকে। সাইয়ের দ্বিতীয় দফায় নির্বাচিত হওয়াকে তাইওয়ানের ‘নতুন যুগ’ বলে অভিহিত করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। দেশটির সব রাজনৈতিক দলকে তাইওয়ানের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানান সাই।

সাই বিশ্বাস করেন, চীনের সঙ্গে সম্পর্কের বিবেচনার মূল ভিত্তি তাইওয়ানের জনগণ। দুই দেশেরই ক্ষেত্রে আরও মর্যাদা বাড়ানোর কথা বলেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানকে সহযোগিতার জন্য বিশেষ ধন্যবাদ জানান। ভবিষ্যতেও তাইওয়ানের শান্তি বজায় রাখতে তিনি বদ্ধপরিকর।

চীনের মতো কঠিন শক্তির দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক লড়াই চালিয়ে যাওয়াটা কঠিন সাহসের কাজ। প্রথম দফায় সাই পুরোপুরি সফল হয়েছেন বলেই আবারও তাইওয়ানের জনগণ সাইকে ক্ষমতায় নিয়ে এসেছেন। দারুণ এক রাজনৈতিক গুণের কারণে বিশ্বের কঠিনতম রাজনৈতিক দেশ তাইওয়ানের ক্ষমতায় আরও দুই দফায় সুযোগ পেয়েছেন তিনি।

তাইওয়ানের রাজধানী তাই পেইতে সাই সুস্পষ্টভাবেই বলেন, তাইওয়ানের জনগণ বিশ্বকে গণতন্ত্রের মূল্য দেখিয়েছে। জনগণের কল্যাণের জন্যই তো রাষ্ট্র।

শুধু তাইওয়ান নয়, বিশ্বের তরুণ প্রজন্ম বিশেষ করে নারীদের কাছে দারুণ সাহসিকতার আর এক নাম সাই। সরকারের বহু উচ্চপদে কাজ করা আর উপদেষ্টা থাকায় অভিজ্ঞতার ঝুলিতে আছে সরকারের মুখোমুখি সমালোচনা করার কৌশল।

সাফল্য এমনি এমনিই আসে না। সাফল্যের পেছনে থাকে পরাজয়ের গল্প। পরাজয় সাহসীদের কখনোই দমাতে পারে না। হার মেনে নিতে হয়। পরাজয়ে ক্ষাণিকটা হতাশা আসে বটে। কিন্তু আবারও নতুন প্রেরণায় সামনের পথে আগের চেয়ে বেশি সাহসে এগিয়ে যেতে হয়। নিজের কথাগুলো এভাবেই বলেছেন সাই ইং ওয়েন।

সফলতার সূচনা হয় হার থেকেই

বিশ্বের রাজনীতিতে তাইওয়ানের রাষ্ট্রপতি সাই ইং ওয়েন সাহসিকতায় আবারও আলোচনার শীর্ষে। লিখেছেন-
 সাব্বিন হাসান 
০৮ আগস্ট ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চীন-তাইওয়ান উত্তেজনার পারদ আবারও চরমে। কারণ সদ্যই মার্কিন কংগ্রেসের নিুকক্ষের প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি বেইজিংয়ের হুমকি-ধমকি উপেক্ষা করে তাইওয়ান সফরে আসায় চীন ক্ষুব্ধ। যার প্রভাব টের পাচ্ছে তাইওয়ান। তাইওয়ানের ওপর একগাদা বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের পাশাপাশি চীন সশস্ত্র সামরিক মহড়াও দিয়েছে। আর এ পরিস্থিতিতে আবারও যার সাহসের কদর করছে সারা বিশ্ব তিনি সাই ইং ওয়েন।

২০১৬ সালে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট হিসাবে সাই ইং ওয়েন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই দেশটির ওপর চাপ বাড়িয়েছে চীন। কারণ সাই ইং ওয়েন দ্বীপটিকে একটি প্রকৃত সার্বভৌম জাতি হিসাবে দেখেন। তা ছাড়া তাইওয়ান এখন আর চীনের অংশ নয় বলেও দাবি করেন। তাইওয়ানকে এখনো নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে চীন। তাই তারা তাইওয়ানকে বৈশ্বিকভাবে বিচ্ছিন্ন করে রাখার চেষ্টা করে। বিশ্বের অন্য দেশগুলো এ অঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে চাইলে সরাসরি বিরোধিতা করে। অন্যদিকে তাইওয়ান নিজেদের স্বাধীন রাষ্ট্র মনে করে। বিগত ২৫ বছরে এই প্রথম নির্বাচিত কোনো মার্কিন শীর্ষ কর্মকর্তা তাইওয়ান সফর করলেন। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হুয়া চুনয়িং সাফ জানিয়েছেন, প্রতিক্রিয়া হবে ‘জোরদার ও কার্যকর’।

পুরো নাম সাই ইং-ওয়েন। জন্ম ১৯৫৬ সালের ৩১ আগস্ট। বর্তমানে শুধু ‘সাই’ নামেই বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতির অঙ্গনে আছেন আলোচনার শীর্ষে। মূল পেশা রাজনীতি। সারা বিশ্বে চীনবিরোধী সাহসী নেত্রী হিসাবে সুপরিচিত। ন্যাশনাল তাইওয়ান ইউনিভার্সিটি থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক। তারপর কর্নেল ইউনিভার্সিটি ল স্কুল থেকে আইন বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি করেন। সর্বশেষ ১৯৮৪ সালে লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্স থেকে অর্থনীতি বিষয়ে পিএইচডি করেছেন। ব্যক্তি জীবনে সাই অবিবাহিত।

তাইওয়ানের প্রথম নারী রাষ্ট্রপতি সাই ইং ওয়েন। তাইওয়ান আর সাই দুয়ে মিলে তাই ইতিহাসের অংশ। শুধু ইতিহাস বললে কমই বলা হয়। বিশ্ব ইতিহাসের অংশ। বিশ্বের রাজনৈতিক আলোচনায় সপ্তাহজুড়েই সাই সাহসী হিসাবে নিজেকে আরেকবার প্রমাণ করলেন। দ্বিতীয় মেয়াদে তাইওয়ানের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ৬৩ বছর বয়সি সাই ‘দ্য ডেমোক্র্যাটিক প্রগ্রেসিভ পার্টির (ডিপিপি) প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ছিলেন। নির্বাচনে জয়ী হয়েই সাই সাফ বলেছিলেন, তাইওয়ানকে জোর করে ছিনিয়ে নেওয়ার চিন্তা থেকে চীনের সরে আসা উচিত।

চাকরি জীবনে ফেয়ার ট্রেড কমিশন, কপিরাইট কমিশন এবং ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করেছেন সাই। ইতিহাস বলছে, ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ৫৬ শতাংশ ভোট নিয়ে ৫৯ বর্ষী সাই দেশটির প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। ২০১৬ সালের নির্বাচনে সাই ৭০ বছরের বেশি সময় ক্ষমতায় থাকা কুয়োমিনট্যাঙ্গ দলের প্রার্থী এরিক চুকে পরাজিত করে তাইওয়ানের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হন। সাইয়ের দ্বিতীয় মেয়াদে জয়ের মধ্য দিয়ে তার দল দ্য ডেমোক্র্যাটিক প্রগ্রেসিভ পার্টি তাইওয়ানের ক্ষমতায় তৃতীয়বারের মতো অধিষ্ঠিত হলো। চীনের দাবি, তাইওয়ানকে আজ না হয় কাল চীনের সঙ্গে একীভূত হতে হবেই। চীন যেন নাছোড়বান্দা।

তাইওয়ান ও চীনের বৈপিরত্য কূটনৈতিক প্রসঙ্গে সাই বলেছেন, চীনের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে অবস্থান সমুন্নত রাখবেন। চীনের উচিত তাইওয়ানের গণতন্ত্রের প্রতি সম্মান দেখানো। দুই দেশেরই উচিত যে কোনো ধরনের উত্তেজনা যাতে না হয় তা সুনিশ্চিত করা।

চীন প্রায়ই তাইওয়ানের পুনঃনিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জন্য হুমকি দেওয়ায় দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক অস্থিরতা বিদ্যমান থাকে। সাইয়ের দ্বিতীয় দফায় নির্বাচিত হওয়াকে তাইওয়ানের ‘নতুন যুগ’ বলে অভিহিত করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। দেশটির সব রাজনৈতিক দলকে তাইওয়ানের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানান সাই।

সাই বিশ্বাস করেন, চীনের সঙ্গে সম্পর্কের বিবেচনার মূল ভিত্তি তাইওয়ানের জনগণ। দুই দেশেরই ক্ষেত্রে আরও মর্যাদা বাড়ানোর কথা বলেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানকে সহযোগিতার জন্য বিশেষ ধন্যবাদ জানান। ভবিষ্যতেও তাইওয়ানের শান্তি বজায় রাখতে তিনি বদ্ধপরিকর।

চীনের মতো কঠিন শক্তির দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক লড়াই চালিয়ে যাওয়াটা কঠিন সাহসের কাজ। প্রথম দফায় সাই পুরোপুরি সফল হয়েছেন বলেই আবারও তাইওয়ানের জনগণ সাইকে ক্ষমতায় নিয়ে এসেছেন। দারুণ এক রাজনৈতিক গুণের কারণে বিশ্বের কঠিনতম রাজনৈতিক দেশ তাইওয়ানের ক্ষমতায় আরও দুই দফায় সুযোগ পেয়েছেন তিনি।

তাইওয়ানের রাজধানী তাই পেইতে সাই সুস্পষ্টভাবেই বলেন, তাইওয়ানের জনগণ বিশ্বকে গণতন্ত্রের মূল্য দেখিয়েছে। জনগণের কল্যাণের জন্যই তো রাষ্ট্র।

শুধু তাইওয়ান নয়, বিশ্বের তরুণ প্রজন্ম বিশেষ করে নারীদের কাছে দারুণ সাহসিকতার আর এক নাম সাই। সরকারের বহু উচ্চপদে কাজ করা আর উপদেষ্টা থাকায় অভিজ্ঞতার ঝুলিতে আছে সরকারের মুখোমুখি সমালোচনা করার কৌশল।

সাফল্য এমনি এমনিই আসে না। সাফল্যের পেছনে থাকে পরাজয়ের গল্প। পরাজয় সাহসীদের কখনোই দমাতে পারে না। হার মেনে নিতে হয়। পরাজয়ে ক্ষাণিকটা হতাশা আসে বটে। কিন্তু আবারও নতুন প্রেরণায় সামনের পথে আগের চেয়ে বেশি সাহসে এগিয়ে যেতে হয়। নিজের কথাগুলো এভাবেই বলেছেন সাই ইং ওয়েন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন