সেরা খেলোয়াড় তামান্না
jugantor
সেরা খেলোয়াড় তামান্না
ব্যাডমিন্টন একক ও দ্বৈত ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন, টেবিল টেনিস দ্বৈততে চ্যাম্পিয়ন আর একক ইভেন্টে রানার্সআপ হয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের তামান্না সুলতানা সুমাইয়া। লিখেছেন-

  মেহেরাবুল ইসলাম সৌদিপ  

০৮ আগস্ট ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চম ইনডোর গেমস প্রতিযোগিতা-২০২২ ছাত্রীদের মধ্যে সেরা খেলোয়াড়ের কৃতিত্ব অর্জন করেছেন তামান্না সুলতানা সুমাইয়া। তামান্না জিতে নিয়েছেন পাঁচটি পুরস্কার। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ১৪তম ব্যাচের ছাত্রী তামান্না পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায়ও সেরা।

ব্যাডমিন্টন ও টেবিল টেনিস উভয় ইভেন্টে একক ও দ্বৈত খেলায় অংশ নেন তামান্না। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের টেবিল টেনিস, ব্যাডমিন্টন ও ভলিবলে নিয়মিত মুখ তিনি। ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলার প্রতি তার আগ্রহ। তিনি জেলা পর্যায়ে ব্যাডমিন্টন খেলায় কয়েকবার অংশ নেন। কুমিল্লা ডিভিশনে একবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। আন্তঃকলেজ হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতায় দলের স্টাইকার ছিলেন ও চ্যাম্পিয়ন ট্রফি জিতেন। ২০১৩ সালে তাইকোয়ানডে জুনিয়র ডিভিশনে ব্রোঞ্চ পদক জিতেন। বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় চ্যাম্পিয়নশিপ-২০১৯-এ তিনি টেবিল টেনিসে রৌপ্য পদক অর্জন করেন। বিভিন্ন ক্লাবের পাশাপাশি তিনি ন্যাশনাল র‌্যাংকিংয়ে টেবিল টেনিস খেলেন। তিনি বেশ কয়েকবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাডমিন্টন ও টেবিল টেনিসে প্রথম হয়েছেন। ইনডোর গেমস-২০১৯-এ সেরা ছাত্রী খেলোয়াড়ের সম্মাননা পান ও আউটডোরে গোলক নিক্ষেপে দ্বিতীয় ও বর্শা নিক্ষেপে তৃতীয় স্থান অধিকার করেন।

এ সাফল্য প্রসঙ্গে তামান্না সুলতানা বলেন, চ্যাম্পিয়ন হওয়া বরাবরই আনন্দের। আমার মা-বাবা অনেক খুশি। ২০১৯ সাল থেকে ২০২২ পর্যন্ত টানা দুই বার আমাকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী খেলোয়াড়দের মাঝে সেরা হিসাবে মনোনীত করায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া কমিটির কাছে আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে সবার দোয়া চাই।

খেলা নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে খেলা নিয়ে অনেক পরিকল্পনা আছে। বাস্তবে রূপ দিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনার পাশাপাশি উন্নতমানের খেলার অনুশীলন করছি। পাশাপাশি স্টেডিয়ামে অনুশীলন করি। বিশ্ববিদ্যালয়ে মেয়েদের খেলা অনুশীলনের সুযোগ-সুবিধা খুবই সীমিত। বড় পরিসরে বাজেট ও অন্যান্য খেলার উন্নত সরঞ্জাম প্রদান করলে খেলোয়াড়রা আরও ভালো করবে।

তামান্না সুলতানা সুমাইয়ার মতে, খেলোয়াড়দের জন্য যা বাজেট থাকে সেটি এককালীন না দিয়ে সারা বছরে ভাগ করে দিলে খেলোয়াড়রা বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও ভালো ফলাফল এনে দিবে। ভালো গাইডলাইন পেলে আরও ভালো কিছু করতে পারব। পড়াশোনা ও খেলাধুলা দুটোই একসঙ্গে চালিয়ে যেতে চাই।

তামান্নার এ সাফল্যে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, আমাদের ছাত্রী তামান্নার সাফল্যে আমরা অত্যন্ত খুশি। তার সাফল্য দেখে বিভাগের মেয়ে শিক্ষার্থীরা আরও বেশি খেলাধুলাসহ সহপাঠ্য কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে উৎসাহিত হবে। আশা করি, জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায়ও ভালো করবে।

সেরা খেলোয়াড় তামান্না

ব্যাডমিন্টন একক ও দ্বৈত ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন, টেবিল টেনিস দ্বৈততে চ্যাম্পিয়ন আর একক ইভেন্টে রানার্সআপ হয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের তামান্না সুলতানা সুমাইয়া। লিখেছেন-
 মেহেরাবুল ইসলাম সৌদিপ 
০৮ আগস্ট ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চম ইনডোর গেমস প্রতিযোগিতা-২০২২ ছাত্রীদের মধ্যে সেরা খেলোয়াড়ের কৃতিত্ব অর্জন করেছেন তামান্না সুলতানা সুমাইয়া। তামান্না জিতে নিয়েছেন পাঁচটি পুরস্কার। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ১৪তম ব্যাচের ছাত্রী তামান্না পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায়ও সেরা।

ব্যাডমিন্টন ও টেবিল টেনিস উভয় ইভেন্টে একক ও দ্বৈত খেলায় অংশ নেন তামান্না। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের টেবিল টেনিস, ব্যাডমিন্টন ও ভলিবলে নিয়মিত মুখ তিনি। ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলার প্রতি তার আগ্রহ। তিনি জেলা পর্যায়ে ব্যাডমিন্টন খেলায় কয়েকবার অংশ নেন। কুমিল্লা ডিভিশনে একবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। আন্তঃকলেজ হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতায় দলের স্টাইকার ছিলেন ও চ্যাম্পিয়ন ট্রফি জিতেন। ২০১৩ সালে তাইকোয়ানডে জুনিয়র ডিভিশনে ব্রোঞ্চ পদক জিতেন। বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় চ্যাম্পিয়নশিপ-২০১৯-এ তিনি টেবিল টেনিসে রৌপ্য পদক অর্জন করেন। বিভিন্ন ক্লাবের পাশাপাশি তিনি ন্যাশনাল র‌্যাংকিংয়ে টেবিল টেনিস খেলেন। তিনি বেশ কয়েকবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাডমিন্টন ও টেবিল টেনিসে প্রথম হয়েছেন। ইনডোর গেমস-২০১৯-এ সেরা ছাত্রী খেলোয়াড়ের সম্মাননা পান ও আউটডোরে গোলক নিক্ষেপে দ্বিতীয় ও বর্শা নিক্ষেপে তৃতীয় স্থান অধিকার করেন।

এ সাফল্য প্রসঙ্গে তামান্না সুলতানা বলেন, চ্যাম্পিয়ন হওয়া বরাবরই আনন্দের। আমার মা-বাবা অনেক খুশি। ২০১৯ সাল থেকে ২০২২ পর্যন্ত টানা দুই বার আমাকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী খেলোয়াড়দের মাঝে সেরা হিসাবে মনোনীত করায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া কমিটির কাছে আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে সবার দোয়া চাই।

খেলা নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে খেলা নিয়ে অনেক পরিকল্পনা আছে। বাস্তবে রূপ দিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনার পাশাপাশি উন্নতমানের খেলার অনুশীলন করছি। পাশাপাশি স্টেডিয়ামে অনুশীলন করি। বিশ্ববিদ্যালয়ে মেয়েদের খেলা অনুশীলনের সুযোগ-সুবিধা খুবই সীমিত। বড় পরিসরে বাজেট ও অন্যান্য খেলার উন্নত সরঞ্জাম প্রদান করলে খেলোয়াড়রা আরও ভালো করবে।

তামান্না সুলতানা সুমাইয়ার মতে, খেলোয়াড়দের জন্য যা বাজেট থাকে সেটি এককালীন না দিয়ে সারা বছরে ভাগ করে দিলে খেলোয়াড়রা বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও ভালো ফলাফল এনে দিবে। ভালো গাইডলাইন পেলে আরও ভালো কিছু করতে পারব। পড়াশোনা ও খেলাধুলা দুটোই একসঙ্গে চালিয়ে যেতে চাই।

তামান্নার এ সাফল্যে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, আমাদের ছাত্রী তামান্নার সাফল্যে আমরা অত্যন্ত খুশি। তার সাফল্য দেখে বিভাগের মেয়ে শিক্ষার্থীরা আরও বেশি খেলাধুলাসহ সহপাঠ্য কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে উৎসাহিত হবে। আশা করি, জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায়ও ভালো করবে।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন