গর্ভকালীন সেবা সম্পর্কে ধারণা নেই তিস্তা চরের মায়েদের

  যুগান্তর ডেস্ক    ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

সন্তানদের সঙ্গে তিস্তা চরের পূর্ব ছাতুনাম গ্রামের নাজেদা আক্তার
সন্তানদের সঙ্গে তিস্তা চরের পূর্ব ছাতুনাম গ্রামের নাজেদা আক্তার।

নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার তিস্তা নদীর মাঝে চরই হল পূর্ব ছাতুনামা চর। এর পূর্বে সাড়ে তিন কিলোমিটার তিস্তা নদী। তিস্তা নদী পার হয়ে হাতিবান্ধা।

পূর্ব ছাতুনামা চরের পশ্চিমে চার কিলোমিটার তিস্তা নদী পার হয়ে ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের সোনাখুলি আশ্রয়ণ প্রকল্প। এর পূর্ব দিকে তিস্তা নদীর তিনটি শাখা নদী পার হতে হয়। এই গ্রামের বিবাহিতরা পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি কি জানেন না। এমনকি গর্ভকালীন সময়ে চিকিৎসকের শরণাপন্নও হন না তারা। লিখেছেন- রীতা ভৌমিক

অভাবের সংসার, নূন আনতে পানতা ফুরায়। বারো বছর বয়সে শম্পার বিয়ে দেয় বাবা-মা। শ্বশুরবাড়ির অবস্থাও ভালো না। ওর স্বামী নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতুনামা গ্রামে দরজির কাজ করে। যা রোজগার করে তাতে সংসার চলে না।

কোনোরকমে দিন পার করা আর কি! বিয়ের বছর দুয়েকের মধ্যে শম্পা গর্ভবতী হয়। কিন্তু আশপাশে কমিউনিটি ক্লিনিক, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স না থাকায় গর্ভবতী হওয়ার পরও গর্ভকালীন চেকআপ করাতে পারেননি।

এদিকে বন্যায় ঘর ডুবে যায়। ঘরে পরিমিত খাবার নেই। সপ্তাহে একদিন সকালে ডিম জুটত কি জুটত না। দুপুরে আলু ভর্তা ভাত, ডাল। সপ্তাহে অথবা মাসে একদিন এক টুকরা গরুর গোশত জোটাতে পারতেন কি পারতেন না। রাতে শাক দিয়ে ভাত খেতেন। গর্ভকালীন সময়ে কোনো ফল খেতে পাননি।

এ প্রসঙ্গে শম্পা বেগম বলেন, তিস্তা নদীর পাড় থেকে চার কিলোমিটার দূরে চর এলাকায় থাকি। দশ জনের যৌথ পরিবার। এখানে কোনো ডাক্তার নাই। কমিউনিটি ক্লিনিকে যাওয়ার জন্য সবসময় নৌকা পাওয়া যায় না। দশ মাসে প্রসব ব্যথা উঠে। দুই দিন প্রচণ্ড ব্যথা ছিল।

যাতায়াতের সমস্যার কারণে হাসপাতালে যাওয়া হয় না। এদিকে স্বামী বাড়িতে নাই। আমার বাপের বাড়ি লালমনিরহাটের চৌদ্দবাড়ি বেড়াতে গেছিল। প্রসব ব্যথা না কমায় শ্বশুর-শাশুড়ি গ্রামীণ ডাক্তাররে খবর দিয়া বাড়িতে নিয়া আসেন। ডাক্তার স্যালাইন দেয়, সুঁই দেয়। এরপর ব্যথা বাড়ে। সকাল আটটার দিকে আপনা-আপনি বাচ্চা বাইর হইয়া আসে। বাচ্চা আকারে বড় হয়। বাচ্চা তাকিয়েছিল কিন্তু কান্না করে নাই।

আমার শরীরের অবস্থাও ভালো না। এই অবস্থায় ঘাড়ে কইর‌্যা বাচ্চারে নিয়া চার মাইল হাঁইট্যা নদীর পাড়ে পৌঁছাই। সবসময় নৌকা পাওয়া যায় না। চার ঘণ্টা পর নৌকা পাই। নদী পাড় হইয়া প্রথমে সাইকেল, পরে ভ্যানে চইড়্যা চৌদ্দ কিলোমিটার দূরে জলঢাকা হাসপাতালে যাই। জলঢাকায় বাচ্চার চিকিৎসা না হওয়ায় সেখান থিক্যা পঞ্চাশ কিলোমিটার দূরে রংপুর শিশু হাসপাতালে যাই।

জনপ্রতি মাইক্রো ভাড়া কইর‌্যা সেইখানে পৌঁছাইতে পৌঁছাইতে রাত আটটা বাইজ্যা যায়। ডাক্তার পরীক্ষা কইর‌্যা বলে বাচ্চা জন্মের পর নিঃশ্বাস নিতে পারে নাই। এই বাচ্চা বাঁচবে না। বাচ্চাকে আর বাঁচাতে পারিনি। আমার কোল খালি করে চইল্যা গেল।

নয় মাসের গর্ভবতী নীলফামারীর ডিমলা থানার পূর্ব ছাতুনামা গ্রামের আরেক গৃহবধূ নূরজাহান বেগম। বার বছরের ছেলে, দশ বছরের মেয়ে আর স্বামীকে নিয়ে অন্যের বাড়িতে ঘর তুলে থাকেন। চারদিকে পানি আর পানি। মাঝখানে ছোট্ট চর। এরই মধ্যে প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে তারা জীবন কাটাচ্ছেন। নদীভাঙনে ঘরবাড়ি সর্বস্ব হারিয়েছেন তিনি।

অল্প বয়সে বিয়ে হয়েছে তার। বারো বছর বয়সেই প্রথম গর্ভবতী হয়। তৃতীয়বারের মতো গর্ভবতী হয়েছেন নূরজাহান। দু’বার গর্ভবতী হলেও চিকিৎসকের শরণাপন্ন হননি তিনি। পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি সম্পর্কেও ধারণা নেই তার।

এবার গর্ভবতী হলেও প্রথম দিকে চিকিৎসক দিয়ে কোনো চেকআপ করাননি। কিন্তু নয় মাসে পড়তেই পেটে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন। তাই এবার চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

এ প্রসঙ্গে নূরজাহান বেগম (২৪) বলেন, চার কিলোমিটার হাঁটা পথ। তল প্যাটে ব্যথা নিয়া চার কিলোমিটার হাঁইট্যা নদীর পাড়ে যাই। এরপর নৌকায় তিস্তা নদী পার হই। এরপর ভ্যানে চইড়্যা জলঢাকা যাই।

ঐখানকার একটা ক্লিনিকে ডাক্তার দেখাই। কম্পিউটারে দেখতে পাই আমার বাচ্চা উল্টা হইয়া আছে। ডাক্তাররে ৪৫০ টাকা দিতে হয়। ডাক্তার আমারে দেইখ্যা কোনো ওষুধ দেয় নাই।

এই গ্রামেরই আরেক গৃহবধূ মোসাস্মৎ সাজেদা আক্তার। তার তিন সন্তান। দুই মেয়ের মধ্যে বড় মেয়ের বয়স নয় আর মেজ মেয়ের সাড়ে তিন বছর, তৃতীয় ছেলের বয়স চার মাস। যাতায়াতের সমস্যার কারণে এই গ্রামের গৃহবধূরা পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহণ করেন না। তিন সন্তানের জন্মের সময় কোনো চেকআপও করাননি তিনি। কিন্তু তৃতীয় সন্তানের জন্মের সময় প্রসবকালীন সমস্যা দেখা দেয়।

এ প্রসঙ্গে মোসাস্মৎ সাজেদা আক্তার (২৬) বলেন, নিজের জায়গা জমি নেই। স্বামী অন্যের জমিতে কৃষি শ্রমিকের কাজ করে। তিনবেলা খাবারই জোটে না। রুটি খাইয়াই বেশি থাকতাম। তিনবেলা ভাত জোটে না।

শাক দিয়া একবেলা কয়টা ভাত খামু তাও পারতাম না। শাক খাইলে পেট ব্যথা করত। মাছ-মাংস-ডিম তো চোখেই দেখি নাই। খাওনই জোটে না ডাক্তার দেখানোর সামর্থ্য কই? নয় মাসে প্রচণ্ড কোমর ব্যথা করে। আমার জাকে কোমর ব্যথার কথা জানাই। ব্যথায় জ্ঞান হারাই। দুই দিন এভাবেই পইড়্যাছিলাম। ডাক্তারের কাছে আমারে নিয়া যাবে টাকা নাই।

ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়ন থেকে ডাক্তাররে ফোন করা হয়। কিন্তু ওই ডাক্তার কিছুতেই আসতে রাজি হয় না। অনেক অনুনয়-বিনয় করে তাকে আনা হয়। দু’দিন পর তিনি এসে আমাকে স্যালাইন দিলে বাচ্চা হয় কিন্তু ফুল পড়ে না। জ্ঞান ফিরে।

ডাক্তার বলেন, ‘আমার দ্বারা সম্ভব না। রংপুর হাসপাতালে নিয়া যান।’ মেম্বররে ফোন করলে মেম্বর বলেন, ‘কান্ধে কইর‌্যা রোগী নিয়া আসো।’ এই অবস্থায় মেম্বর ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকা রিনা বেগমকে ফোন করেন। তিনি পূর্ব ছাতুনামা চরে আসতে রাজি হন না। অবস্থা খারাপের দিকে গেলে তাকে আনতে লোক পাঠানো হয়।

এতেও রাজি হন না। ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুর রহমানের সুপারিশে তিনি রাজি হন আসতে। তিনি হাত দিয়ে ফুল বের করেন। কিন্তু পাঁচ হাজার টাকার নিচে তিনি নেবেন না। ঘরে টাকা নেই। আমার জা অনেক কষ্টে শতকরা বিশ টাকা হারে সুদে তিন হাজার টাকা আইন্যা তাকে দেন।

পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকা রিনা বেগম সম্পর্কে একই কথা বললেন মোসাস্মৎ সাজেদা আক্তারের জা পারভীন আক্তার। তার মতে, ডাক্তার এলেও বাচ্চা হওয়ার পর ফুল পড়ে না। ডাক্তার চইল্যা যায়। আমি বাচ্চার নাড়ি কাইট্যা বন্ধন কইর‌্যা বাচ্চা কোলে নেই।

দুই দিন হইয়া যায় আমার জায়ের ফুল বাইর হয় না। অজ্ঞান হইয়া পইড়া রইছে। অনেক তদবির কইর‌্যা পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকা রিনা বেগমরে ডাইক্যা আনি। তিনি রাত সাড়ে নয়টা নাগাদ তার স্বামীর সঙ্গে হুন্ডায় চইড়্যা আসেন। হাত দিয়া ফুল বাইর কইর‌্যা আনেন। আমার জায়ের জীবন বাঁচে।

কিন্তু ফুল বাইর কইর‌্যা দেয়া বাবদ পাঁচ হাজার টাকা চায়। ঘরে টাকা নাই। এ নিয়া তার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। পরদিন তিন হাজার টাকা দেয়ায় রাজি হইলে রাত সাড়ে দশটার দিকে তিনি ফিরা যান। পরদিন সুদে তিন হাজার টাকা আইন্যা তারে দেই।

এ ব্যাপারে পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকা রিনা বেগমের কাছে জানতে চাইলে তিনি কথা বলতে রাজি হননি। তার স্বামীর সঙ্গে কথা বলতে বলেন।

এ প্রসঙ্গে ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম বলেন, ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়ন পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা রিনা বেগম প্রথমে পূর্ব ছাতুনামা চরে যেতে রাজি হন না।

ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান ফোন করে অনুরোধ করলে তিনি তার স্বামী লেবুকে নিয়ে রাত সাড়ে নয়টা নাগাদ মোটরসাইকেলে প্রসূতির বাড়িতে যান। চৈত্র মাস হওয়ায় নদীতে পানি ছিল না।

সেখানে যাওয়ার আগে তিনি আমাকে একটা প্রেসক্রিপশন করে দেন। আমি প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী লোক মারফত ওষুধ পাঠিয়ে দিই। পরে টাকা নেয়ার ঘটনাটি জানতে পারি।

ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান বললেন অন্য কথা, তিনি রিনা বেগমের টাকা নেয়ার তথ্য সম্পর্কে অবগত নন। তবে এ বছরের জুন মাসের শেষদিকে রেজুলেশন পাস করিয়েছেন পূর্ব ছাতুনামা চরে প্রতি মাসে গর্ভবতী মায়েদের জন্য ক্যাম্প করবেন।

ডিমলার জলঢাকার পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান পাটোয়ারীর মতে, নীলফামারীর জলঢাকা, ডিমলা, কিশোরগঞ্জ, সৈয়দপুর, নীলফামারী সদর, ডোমার এই উপজেলাগুলোতে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে গর্ভবতীদের প্রসব সেবা দেয়া হয়।

পূর্ব ছাতুনামা চর একটি দুর্গত এলাকা। এখানকার যাতায়াত ব্যবস্থা খুবই শোচনীয়। এই এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে দম্পতির সংখ্যা গণনা করেছি। এ বছরের জুলাই মাসে ৩ এর খ ইউনিটে মোট দম্পতি ৮৩১ জন। পূর্ব ছাতুনামা চরে সক্ষম দম্পতি ১৪৭ জন।

পূর্ব ছাতুনামা চর ও আরেকটি চরে গর্ভবতী ৪২ জন। উঠান বৈঠকের মাধ্যমে পরিবার পরিকল্পনার কর্মকর্তারা এলাকার কিশোরী, বিবাহিতা ও গর্ভবতীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে পারেন।

স্যাটেলাইট ক্লিনিকের মাধ্যমে কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে এক মাস পরপর সচেতনতামূলক ক্যাম্পিং করা যেতে পারে। এরকম দুর্গত এলাকাগুলোতে স্যাটেলাইট কমিউনিটি ক্লিনিক তৈরি করতে হবে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের পরিচালক মোহাম্মদ শরীফ এ প্রসঙ্গে বলেন, আমাদের দেশে পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা যারা আছেন, তাদের অনেকেই দায়িত্বের সঙ্গে কাজ করছেন। তবে প্রসব সেবা প্রদানের পর রোগীর স্বজনদের কাছ থেকে টাকা নেয়ার বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। জবাবদিহিতায় আনতে হবে। এ ধরনের ঘটনা জানার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা ব্যবস্থা নিই।

যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে। মনিটরিং সুপারভিশন ঠিকভাবে করলে এ ধরনের ঘটনা ঘটত না। এসব সমস্যা নিরসনে সেনসেরেটর মিটিং করছি প্রত্যেক উপজেলাতে।

এক বছরে ৯২টি উপজেলাতে সেনসেরেটর মিটিং হয়েছে। এই মিটিংগুলোতে স্থানীয় এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মহিলা মেম্বার, উপজেলার পরিবার পরিকল্পনার কর্মকর্তা-কর্মচারী, চিকিৎসক, ইউএনও প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশ নেন। সেখানে তিনটি কথা বলা হয়েছে- এক. বাড়িতে প্রসব না করিয়ে হাসপাতালে প্রসব করানো, দুই. ইউনিয়ন স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে প্রসব করানো এবং তিন. বাল্যবিয়ে রোধ করা। আমাদের আরেকটা সমস্যা ছিল, কর্মী সংকট। অনেকদিন পর্যন্ত নিয়োগ ছিল না। শতকরা ৪০ ভাগ পদ শূন্য ছিল।

আগামী মাস তিনেকের মধ্যে নিয়োগ হলে সমস্যাগুলো দূর হবে। মাতৃস্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করছি, আমার অপারেশনে দুর্গত এলাকায় গর্ভবতীদের হাসপাতালে আনা-নেয়ার জন্য মাথাপিছু এক হাজার টাকা ধরা হয়েছে। আশা করি গর্ভবতী মায়েরা হাসপাতালমুখী হবেন।

 

 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
.