সিডও সনদের দুটি ধারার সংরক্ষণ আরোপ সংবিধানের পরিপন্থী

প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  সুরঞ্জনা প্রতিবেদক

নারীর সার্বিক উন্নয়নে দেশের আইনে সিডও সনদের দুটি ধারার সংরক্ষণ আরোপ সংবিধানের পরিপন্থী। দ্রুত সিডও সনদের পূর্ণ অনুমোদন ও বাস্তবায়ন করে সরকার নারী-পুরুষের সমতা প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। এ লক্ষ্যে নারীর প্রতি সব বৈষম্য বিলোপে জাতিসংঘের সিডও সনদের দুটি ধারা থেকে সংরক্ষণ প্রত্যাহারের জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছে মানবাধিকার ও নারী উন্নয়ন কর্মীরা।

প্রেস ইন্সটিটিউট বাংলাদেশ এর মিলনায়তনে ৬ সেপ্টেম্বর প্রেস ইন্সটিটিউট বাংলাদেশ, সিটিজেনস ইনিশিয়েটিভস অন, সিডও, বাংলাদেশ, বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্র ও উইমেন জার্নালিস্ট নেটওয়ার্ক, বাংলাদেশ-এর যৌথ উদ্যোগে সিডও সনদ বিষয়ক গণমাধ্যমকর্মীদের সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়শা খানম বলেন, ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সরকার সিডও সনদে স্বাক্ষর করলেও সনদের চারটি ধারা সংরক্ষণ আরোপ করে। নারী আন্দোলনের চাপে দুটি ধারা প্রত্যাহার করলেও এখনও দুটিতে সংরক্ষণ আরোপ রয়েছে। নারী-পুরুষের সমতার ফলাফল আনতে আইন পরিবর্তন করতে হবে। ব্যক্তিগত জীবনে, পথে-ঘাটে, কর্মক্ষেত্রে নারী যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছে। নারীর নিরাপত্তা প্রদানে রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা রয়েছে। সরকারকে এ বিষয়ে রিপোর্ট প্রদান করতে হবে। সিডও দলিলকে বাদ দিয়ে সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা, নারীর অধিকার, নারীর অগ্রগতি সম্ভব নয়। সরকার সিডও দলিলকে রেফারেন্স দিয়েই করছে।

স্টেপস টুয়ার্ডস ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক রঞ্জন কর্মকারের সঞ্চালনায় প্রেস ইন্সটিটিউট বাংলাদেশ-এর মহাপরিচালক শাহ আলমগীর, বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘের নির্বাহী পরিচালক রোকেয়া কবীর, দীপ্ত ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক জাকিয়া কে হাসান, ইউএন উইমেন বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর সুকু ইশিকাওয়া, নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি নাসিমুন আরা হক মিনু, উইমেন জার্নালিস্টস নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক আঙ্গুর নাহার মণ্টি, ডব্লিউ ডি ডি এফ-এর নির্বাহী পরিচালক আশরানাফুর মিষ্টি বক্তব্য দেন।