শুটিং স্পট

গল্পে ভরা কার্টুনিস্টদের জীবন

প্রকাশ : ১৭ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  অভি মঈনুদ্দীন

‘কার্টুনিস্ট’ নাটকের একটি দৃশ্যে ইরফান ও নাদিয়া খানম।

দিন বদলের সঙ্গে সঙ্গে বদলে গেছে দেশের কার্টুনিস্টদের জীবন। কমে গেছে তাদের কাজের পরিধি। অথচ দেশের মেধাবী কার্টুনিস্টদের কাজে লাগিয়ে অনেক কিছুই করা সম্ভব।

এমনই প্রসঙ্গ নিয়ে ফরহাদ লিমন লিখেছেন বিশেষ নাটক ‘কার্টুনিস্ট’। নাটকটিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন এ সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ। শুটিং স্পটে গিয়ে তাকে চিনতে বেশ বেগ পেতে হল। খোলা রাস্তায় শুটিং করলেও তেমন কোনো ভীড়ই ছিল না। কারণ একটাই, অপরিচিত কেউ।

রাজধানীর উত্তরার বিভিন্ন লোকেশনে শুটিং চলছিল ‘কার্টুনিস্ট’ নাটকের। পরিচালকের আমন্ত্রণে শুটিং স্পটে গিয়েই দেখা গেল কার্টুনিস্টের গেটাপ নিয়ে বসে আছেন ইরফান।

ছবিতে দেখেই বোঝা যাচ্ছে একজন কার্টুনিস্টের জীবন কেমন হতে পারে! সে এভাবেই উদ্ভট পোশাক পরে চলতে অভ্যস্ত। কার্টুনিস্টের একটি বিশেষ মোটরসাইকেলও আছে। এ সাইকেলে কার্টুনিস্ট তার প্রেমিকাকে নিয়ে ঘুরে বেড়ায়।

তার প্রেমিকার চরিত্রে অভিনয় করেছেন সালহা খানম নাদিয়া। উদ্ভট পোশাকের কারণে রাস্তার লোকজন ইরফানকে চিনতেই পারছিল না। তবুও শুটিং বলে উৎসাহী কিছু চোখজোড়া স্থির ছিল মোটরসাইকেলে প্রেমিকাকে নিয়ে ঘুরে বেড়ানো ইরফানের দিকে।

শুটিংয়ের ফাঁকে নাটকটিতে অভিনয় প্রসঙ্গে ইরফান সাজ্জাদ বলেন, ‘ফারহাদ লিমন খুব যত্ন নিয়ে কাজটি করেছেন। আমাদের দেশের প্রায় সব কার্টুনিস্টের জীবনের গল্পটা একটা সংগ্রামী গল্প। কারণ তাদের এ পেশাটাকে পরিবার থেকে কখনই মেনে নিতে চায় না।

পরিবারের কাছে তারা সবসময়ই বোঝা হয়ে থাকেন। আবার সময়ের ধারাবাহিকতায় সব জায়গায় কার্টুনিস্টদের কাজও অনেক কমে গেছে। কিন্তু নাটকের শেষ একজন কার্টুনিস্টকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, তিনি চাইলেই সমাজের জন্য, সমাজের মানুষের জন্য কীভাবে পাশে দাঁড়াতে পারেন সময়ের প্রয়োজনে।

আমার অভিনীত অনেক নাটকের ভিড়ে এ নাটকটি আমার কাছে শিক্ষণীয় একটি নাটকই মনে হয়েছে। এ ধরনের বিষয়ভিত্তিক নাটক নির্মিত হওয়া খুব জরুরি।’

নাটকটিতে গ্রাম থেকে শহরে আসা কার্টুনিস্টের কাজিনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন সালহা খানম নাদিয়া। তিনি বলেন, ‘ফরহাদ লিমনকে ধন্যবাদ এমন বাস্তবধর্মী একটি গল্প নির্বাচনের জন্য। আমি কাজটি বেশ উপভোগ করেছি। আশা করছি নাটকটি ভালো লাগবে দর্শকের।’