প্রথম প্রেমের ঠিকানা

  এইচ সাইদুল ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

প্রথম প্রেমের ঠিকানা

জীবনে যে কোনো কিছুতে প্রথম কোনো স্মৃতি মনে পড়লে নিমিষেই চোখের কোণে হাহাকার মিশে জমে এক ফোঁটা জল; যাকে আমরা কান্না বলি। প্রেম-দুঃখ-সুখ, সবার জন্য।

বাদ নেই তারকা জগতের মানুষগুলোও। তারাও রক্ত-মাংসের গড়া। মানুষমাত্রই ভালোবাসার পূজারি। আর যেখানে ভালোবাসা আছে, তার অন্য পিঠে আছে কষ্টও।

* পূর্ণিমা, চিত্রনায়িকা

তখন এইচএসসিতে পড়ি, একটা ছেলেকে আমি ভালোবাসতে শুরু করলাম। কিন্তু দুঃখের বিষয় কোনোদিন ছেলেটাকে কিছু বলতে পারতাম না। আসলে আমার কাছে মনে হয় পৃথিবীর সব মানুষই ভালোবাসার মানুষের কাছে কিছুটা ভিতু থাকে। কখনই সাহসী হয়ে উঠতে পারে না, আর সাহসী হয়ে উঠতে পারলে ভীষণ ধন্য হয়। পরে আর ছেলেটির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়নি। চলচ্চিত্রে কাজ শুরুর পর এখানেই ব্যস্ত হয়ে পড়েছি। এখানে এসে রোমান্টিক চরিত্র তো অনেক করেছি। বলতে গেলে অভিনয় জীবনের সবটাই রোমান্টিক অভিনয়। কিন্ত্র প্রথম প্রেম ওটাই ছিল। যাকে কোনোদিন কিছু বলাও হয়নি, আর কখনও দেখিনি।

* আমিন খান, চিত্রনায়ক

অভিনয় ক্যারিয়ার শুরু করেছি মাত্র। তখন আমার অভিনীত দু-একটা ছবি মুক্তি পেয়েছে। ওই সময় একটা শপিংমলে আমার স্ত্রীকে প্রথম দেখেছিলাম। যদিও তখন সে আমার স্ত্রী হয়নি। এরপর ওর পিছু নিয়ে বাসা পর্যন্ত যাই। সেই থেকে প্রায়ই ওর বাসার সামনে বসে থাকতাম। এভাবেই দেখাদেখি চলতে থাকে। প্রথম দিকে বিষয়টি গুরুত্ব না দিলেও পরে কিন্তু সে আমার অনুভূতি বুঝতে পারে। সবচেয়ে বড় কথা আমি তাকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছি। তারপর প্রেম। একপর্যায়ে বিয়ে করি আমরা। শুরু থেকে এখন পর্যন্ত আমাদের প্রেমের এতটুকুও ঘাটতি হয়নি। আগের মতোই সবকিছু রয়েছে। আমার স্ত্রীই আমার প্রথম প্রেম, ভালোবাসা এবং শেষ ভালোবাসা।

* নুসরাত ফারিয়া, চিত্রনায়িকা

২০০৮ সালের কথা। আমি তখন শহীদ আনোয়ার গার্লস স্কুলে পড়ি। সেই সময় একটি ছেলের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। এক সময় সপ্তাহে একদিন বাসার টিঅ্যান্ডটি টেলিফোন থেকে তার সঙ্গে কথা বলতাম। আমাদের ভালোবাসার প্রকাশটা দূর থেকেই হতো। ছেলেটি আমাকে খুবই ভালোবাসত। একদিন দু’জনের মুখোমুখি দেখা করার সিদ্ধান্ত হল। সেদিন তার সামনে গিয়ে আমি খুবই লাজুক হয়ে গিয়েছিলাম। ছেলেটি আমাকে একটি আংটি এবং একটি কার্ড দিয়েছিল, যা ছিল আমার জীবনের প্রথম উপহার। এখন তার সঙ্গে আমার কোনো যোগাযোগ নেই, তবে এখনও মাঝে মধ্যে ছেলেটির কথা মনে পড়ে।

* আরিফিন শুভ, চিত্রনায়ক

আমাদের বয়সটা খুবই কম ছিল। ওটা ছিল বাল্য ভালোলাগা। আমার ভালো লাগাটা ছিল মনে মনে ‘মনকলা’ খাওয়ার মতো। একটি মেয়ে আমাদের বাসায় বেড়াতে আসত। আমরা একই পাড়ায় থাকতাম। আমার সামনে যখন আসত তখন আমি বোধকরি অন্ধ হয়ে যেতাম। তাকে আমি আমার প্রস্তাব দিতে পারিনি। ভাবতাম যদি সে আমাকে খারাপ কিছু ভাবে। এ জন্য তাকে আর ভালো লাগার কথা বলার সাহস পাইনি। হয়তো আমাকে একটু লাজুক বা ভিতু মনে হতে পারে। পরিবেশটা আসলে এমনই ছিল। তা ছাড়া মেয়েটির পক্ষ থেকে এ ধরনের কোনো ইঙ্গিত আমি পাইনি। তাই হয়তো আমাদের ভালোলাগার বিষয়টি নিভৃতেই হারিয়ে গেছে।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×