এই সময়ে

সংসার নিয়েই এখন ব্যস্ত থাকেন রাশেদা চৌধুরী

  তারা ঝিলমিল প্রতিবেদক ১৬ মে ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকাই ছবির এক সময়ের আলোচিত এক মায়ের নাম রাশেদা চৌধুরী। লাইট-ক্যামেরা-অ্যাকশন শুনেই দিন কাটত তার। কিন্তু সময় এখন বদলে গেছে। ‘লাইট-ক্যামেরা-অ্যাকশন’ শব্দগুলো এখনও রয়ে গেছে, নেই রাশেদার মতো মায়েদের উপস্থিতি। এখন সময় কাটে তার পরিবারের সঙ্গে।

ছোটবেলা থেকেই হলে গিয়ে ছবি দেখার ভীষণ আগ্রহ ছিল তার। ছবি দেখতে দেখতে নিজের ভেতরও আগ্রহ তৈরি হয়- এ মাধ্যমে কাজ করার। স্বপ্ন পূরণ করতে বেশ সময় লেগে যায়। বিয়ের পর ১৯৮৪ সালে ‘নতুন মুখের সন্ধানে’ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে বিজয়ী হন। একই বছর শুরু করেন অভিনয়। প্রথম অভিনয় করেন দারাশিকোর পরিচালনায় ‘প্রেম কাহিনী’ ছবিতে। এরপর চাষী নজরুল ইসলামের ‘বিরহ ব্যথা’ ও হারুনুর রশীদের ‘ভাগ্যবতী’ ছবিতে অভিনয় করেন তিনি। এ তিনটি ছবি মুক্তির পর তাকে আর থেমে থাকতে হয়নি। একের পর এক ভালো ভালো গল্পের ছবিতে অভিনয় করতে থাকেন গুণী এ অভিনেত্রী।

এখন পর্যন্ত দুই শতাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন রাশেদা চৌধুরী। পেয়েছেন দর্শকের ভালোবাসা। তবে এক সময় অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত থাকা এ অভিনেত্রীর হাতে এখন আর কোনো সিনেমার কাজ নেই। মাঝে নাটকে কাজ করতে দেখা গেলেও এখন তাতেও খুব একটা দেখা যায় না তাকে। বর্তমানে কিভাবে সময় কাটে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সংসার নিয়েই ব্যস্ত থাকতে হয়। একমাত্র নাতনি রনিতাকে নিয়ে আমার অবসর সময় কাটে। মন খারাপ থাকে বেশিরভাগ সময়। কেননা একটা সময় লাইট ক্যামেরার সঙ্গেই সময় কাটত। পাশাপাশি শিল্পীদের সঙ্গে আড্ডা হতো শুটিং সেটে। এখন বাসাতে থাকি। পুরনো দিনের কথা মনে পড়লে কিছুই ভালো লাগে না। কখনও ভাবিনি এমন অবসরে চলে আসব। আসলে জীবনটা এমনই। যদিও বর্তমান অবস্থাকে গ্রহণ করতে আমি প্রস্তুত ছিলাম না।’

এখন তো আর কাজ নেই। তাই হয়তো এফডিসিতে যাওয়া হয় না। তবুও প্রিয় সে জায়গার কথা মনে পড়লে কেমন লাগে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এফডিসিতেই আমার প্রথম পরীক্ষা হয়। সেখান থেকে পাস করেই তো অভিনয়ে আসি। আমার যত প্রাপ্তি সবই এ জায়গা থেকে। প্রিয় সেই জায়গার কথা কেমন করে ভুলে থাকি? তবুও এখন আর সেখানে তেমন যাওয় হয় না। এ জন্য মনটা কাঁদে। সিনেমাকে ভালোবেসেই জীবনের ৩৫টি বছর কাটিয়ে দিলাম। এখনও প্রতিনিয়ত অভিনয়ের জন্য মন কাঁদে। কিন্তু এখন তো আর আগের মতো চলচ্চিত্র নির্মাণ হয় না। কি আর হবে- এভাবেই বাকি জীবন চালিয়ে যেতে হবে অবসরকে বন্ধু করে।’

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×