প্রিয় শহর

প্রিয় শহর কক্সবাজার আমায় টানে : পূর্ণিমা

  যুগান্তর ডেস্ক    ১৩ জুন ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

আমার জন্ম চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে। সেখানে আমার ছোটবেলার অনেকটা সময় কেটেছে। পরবর্তীতে ঢাকায় চলে আসি। চট্টগ্রাম ও ঢাকা- এ দুই শহর আমার বেশ ভালো লাগে। ভালো লাগার কারণ এ দুই শহরে আমার পদচারণা বেশি। দুই শহরের অলিতে-গলিতে গিয়েছি। বিশেষ করে শুটিংয়ের জন্যও আমার এ দুই শহরের অনেক জায়গায় যেতে হয়েছে। বলা যায়, এ দুটি শহর চেনাজানা বলে প্রায়ই প্রিয় শহরের নাম উচ্চারণ করলে এ দুটি শহরের নামই বলি। কিন্তু আমার হৃদয়ে গেঁথে আছে যে শহর সেটা কক্সবাজার। শুটিংয়ের জন্য তো বটেই, এমনিতেও সময় এবং সুযোগ খুঁজে কক্সবাজারে চলে যাই। অনেক স্মৃতি জমা আছে এ শহর ও সমুদ্রসৈকতকে ঘিরে। বিশেষ করে ফুল কেনার স্মৃতি ভুলে যাওয়ার মতো নয়। কক্সবাজার গেলে যখন সমুদ্রের কাছে যাই সাগরে ঢেউ দেখতে, তখন ছোট ছোট বাচ্চাদের ফুল নিয়ে এখানে সেখানে দৌড়াতে দেখি। কোথাও বসলে বা দাঁড়ালে তারা কাছে এসে ফুল কিনতে বলে। এসব বাচ্চাদের দেখলে খুব মায়া হয়। একদিন আমি একটি বাচ্চাকে বললাম, তোমার কাছ থেকে একটি ফুল কিনলে তুমি খুশি হবে? বাচ্চাটি হাসি দিয়ে সায় দিল। আমি ভাবলাম একটি ফুল কিনলে যে হাসি দেখতে পেলাম যদি তার সবগুলো ফুল কিনে নিই তাহলে এ বাচ্চাটি আরও অনেক খুশি হবে। সেদিন তার সব ফুল কিনে নিই। যদিও আমার ফুলের কোনো প্রয়োজন ছিল না। কিন্তু একটি মুখের হাসি একগুচ্ছ ফুল থেকেও অনেক অনেক বড়। আবার কেনা ফুলগুলো যখন শুটিং সেটের সবাইকে দিলাম তখন তারাও অনেক খুশি হলেন। আমি মনে মনে একটু খুশি হওয়ার পাশাপাশি অবাক হলাম। ফুল পেলে সবাই খুশি হয়। তার মানে কক্সবাজারে যে বাচ্চারা ফুল বিক্রি করে তারা ফুল নয় হাসির মালা বিক্রি করে। কেননা ফুল পেলে তো সবাই খুশি হয়। কক্সবাজার গেলে সমুদ্রসৈকত, সাগরের ঢেউ দেখার পাশাপাশি ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের ঘুরেফিরে জিনিসপত্র কেনাবেচার দৃশ্যগুলো দেখি। শুটিং কিংবা ব্যক্তিগত কাজে আমি বিশ্বের অনেক শহরে ঘুরেছি, সেখানে থেকেছি। কিন্তু আমার কাছে সবচেয়ে প্রিয় যে শহরের নাম কক্সবাজার। এ শহরের কান্না আছে, হাসি আছে। আছে পৃথিবীর অন্যান্য দেশ থেকে আসা পর্যটকদের ভিড়। আমার ভালো লাগার প্রিয় শহর সব সময় সুন্দর থাক- এটাই কামনা করি।

লেখক : পূর্ণিমা, চিত্রনায়িকা

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×