টানিং পয়েন্ট

বড় ছেলে নাটক নতুনভাবে পথচলার রসদ জুগিয়েছে

  ০৫ মার্চ ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

শোবিজ তারকার গল্প শুনতে সর্বদাই কৌতূহল থাকে পাঠক মনে। প্রিয় শিল্পী কীভাবে শোবিজে যুক্ত হলেন, কীভাবে তারকা বনে গেলেন, আর কীভাবে তার ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরে গেল? পাঠক মনের এমন প্রশ্নের উত্তর জানাতেই তারা ঝিলমিলের বিশেষ আয়োজন ‘টার্নিং পয়েন্ট’। ক্যারিয়ারের মোড় ঘোরার গল্প নিয়ে সাজানো এ আয়োজনে এবার নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন বর্তমান প্রজন্মের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবিন চৌধুরী

২০০৯ সালে লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে শোবিজ অঙ্গনে আমার পথচলা শুরু। এ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর প্রথমবার ইফতেখার আহমেদ ফাহমি ভাইয়ের পরিচালনায় ‘তুমি থাকো সিন্ধুপারে’ নাটকটিতে অভিনয় করি। আমি খুবই লাকি কারণ নাটকটিতে আমি সহশিল্পী হিসেবে পেয়েছি মাহফুজ (মাহফুজ আহমেদ) ভাইকে। এতে অভিনয় করতে গিয়ে আমার খুব সমস্যা হতো। কারণ আমি তখনও ঠিকভাবে বাংলা বলতে পারতাম না। মাহফুজ ভাই ও ফাহমি ভাইসহ সবাই আমাকে যথেষ্ট সাহায্য করেছেন। মাহফুজ ভাই বরাবরই আমার স্পেশাল একজন মানুষ। কারণ তিনি আমার প্রথম নাটকের নায়ক। বাংলা বলতে না পারা নিয়ে সে সময় আমাকে নিয়ে অনেকের মাঝে শঙ্কা কাজ করত। আমি প্রবল আত্মবিশ্বাসী ছিলাম, এখনও আছি। আমি জানতাম যে আমিই পারব। তাই ধীরে ধীরে বাংলাকে আয়ত্তে আনার চেষ্টা চালানো শুরু করি। আমার সে চেষ্টার ফলাফল দর্শকদের কাছ থেকে পেয়েছি। দর্শকরা ভালোবেসে আমায় আপন করে নিয়েছেন। সে সময় থেকে ধীরে দর্শকদের ভালোবাসা নিয়ে কাজ করা শুরু করি। সে সময়ের দিকে শিখর শাহনিয়াত পরিচালিত ‘অপেক্ষার ফটোগ্রাফি’ নাটকটি থেকে বেশ সাড়া পেয়েছি।

তবে আমার টার্নিং পয়েন্টের কথা বললে মিজানুর রহমান আরিয়ান পরিচালিত ‘বড় ছেলে’ নাটকটির কথা বলব। এ সময়ে এসে বড় ছেলে নাটকটি আমাকে দর্শকদের কাছে নতুনভাবে পরিচয় করিয়ে দেয়। নাটকটির মধ্য দিয়ে দেশ এবং দেশের বাইরে থেকেও প্রচুর সাড়া পেয়েছি। নাটকটি নিয়ে আমাদের সবার প্রত্যাশা অনেকাংশে বেশিই ছিল। কারণ এ নাটকটির মাধ্যমে পরিচালক আমাদের দেখা এবং দর্শকদের চিরচেনা এক চরিত্রের গল্প বলতে চেয়েছেন। বরাবরের মতো এ নাটকটি নির্মাণেও ছিল পরিচালকের যত্নশীলতা। নাটকটির শেষ দৃশ্য ধারণের সময় ইউনিটের সবাই কেঁদেছেন। আমার শট চলাকালীন ইউনিটের সবাই স্তব্ধ হয়ে পড়েন। আমি তো কেঁদেই যাচ্ছি, পরিচালকও কাট বলছেন না। একপর্যায়ে সবার করতালিতে বুঝতে পারলাম যে আমার শট শেষ হয়েছে। শট শেষে সবার দিকে তাকাতেই দেখি সবাই চোখের জল মুছছেন। আমারও চরিত্র থেকে বের হয়ে স্বাভাবিক হতে কয়েক মুহূর্ত সময় লেগেছিল। সর্বশেষ নাটকটিতে দর্শকদের ভালোবাসা আমাকে মুগ্ধ করেছে।

একজন অভিনেত্রী হিসেবে আমি প্রতিটি কাজকেই সমানভাবে গুরুত্ব দিই। কাজের ক্ষেত্রে আমি বরাবরই শতভাগ সৎ এবং সিরিয়াস। প্রতিনিয়ত দর্শকের ভালোবাসার জন্য নিজেকে নতুনভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করি।

অনুলিখন : আখন্দ জাহিদ

আরও খবর

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত