মুজিব শতবর্ষ

তারকাদের ভাবনায় মুজিববর্ষ

  এফ আই দীপু ও হাসান সাইদুল ১২ মার্চ ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

১৭ মার্চ। ১৯২০ সালের এই দিনে পৃথিবীর আলো দেখেছেন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে আগামী ১৭ মার্চ থেকে শুরু হতে যাচ্ছে তার জন্মশতবার্ষিকীর উদযাপন। এ আয়োজন চলবে বছরজুড়ে।

সাংস্কৃতিক বিভিন্ন অনুষ্ঠান উদযাপনের মাধ্যমে পালিত হবে এ উৎসব। উৎসবে শামিল হচ্ছেন বিনোদনজগতের বাসিন্দারাও। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী নিয়ে তারকাদের উচ্ছ্বাসও লক্ষণীয়। মহান এ নেতার প্রতি তাদের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার কথাই ফুটে উঠেছে এ প্রতিবেদনে। বিনোদন জগতের কয়েকজনের অনুভূতি ও প্রত্যাশা নিয়েই আজকের এ বিশেষ আয়োজন।

‘প্রত্যেক গ্রামে, প্রত্যেক মহল্লায়, প্রত্যেক ইউনিয়নে, প্রত্যেক সাব-ডিভিশনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোলো এবং তোমাদের যা কিছু আছে তা নিয়েই প্রস্তুত থাকো। মনে রাখবা রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরও দেব। এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশাআল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা।’

- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ থেকে নেয়া

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আরও গবেষণা করতে হবে

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু- এ স্লোগান এখন সার্বজনীন। সবার মুখেই এখন এটি উচ্চারিত হচ্ছে। এই স্লোগান আমার এক অনন্য ভালোলাগা। যতবারই কণ্ঠে তুলি ততবারই অদ্ভুত এক ঘোরের মাঝে হারিয়ে যাই। তাই আমি সুযোগ পেলে বারবার এটি উচ্চারণ করি। আমার কাছে ক্লান্তিকর মনে হয় না কখনও।

কারণ, বঙ্গবন্ধু আমার আত্মার সঙ্গে মিশে আছে। তার জন্যই রাজনীতিতে আসা আমার। তার ডাকে সাড়া দিয়েই যুদ্ধে হানাদারের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম। এবার সেই মহান নেতার জন্মদিন বছরব্যাপী পালিত হতে যাচ্ছে- এটা আমার জন্য অন্যরকম আনন্দের। আমি তো চাই, প্রতিদিনই তাকে নিয়ে উৎসব হোক। তার সঙ্গে আমার কত স্মৃতি, কত গল্প- তা বলে শেষ করা যাবে না। তিনি আমার নেতা, সবার নেতা। মহান নেতা। তার বক্তব্য সব জায়গায় ছড়িয়ে দেয়া উচিত। নেতা সব সময় মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন। কোনো অপশক্তিকে তোয়াক্কা করেননি তিনি। এ মানুষটিকে নিয়ে আরও কাজ করতে হবে ও গবেষণা করতে হবে যাতে নতুন প্রজন্ম শিখতে পারে। অন্যকে শেখাতে পারে। জন্মশতবার্ষিকীতে এটিই আমার প্রত্যাশা। শুভজন্মদিন মহান নেতা।

- আকবর হোসেন পাঠান ফারুক

অভিনেতা ও সংসদ সদস্য

বঙ্গবন্ধু সব সময় সবার মাঝে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন

দৈহিকভাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যু হয়েছে ঠিক- কিন্তু আজও তিনি মানুষের মনে চিরজাগ্রত। তিনি মরেননি- বেঁচে আছেন সবার অন্তরে। ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন। এবার জন্মশতবার্ষিকী পালিত হবে অন্য রকমভাবে, বিষয়টি যেমন আনন্দের- একইভাবে প্রেরণারও।

আর বছরজুড়ে তার জন্মদিবস পালিত হবে- এটিও ভালোলাগার। যে মানুষটি স্বাধীনতার পক্ষে কাজ করে দেশকে স্বাধীন করে গেছেন, তিনি সবসময় স্মরণীয় থাকবেন- এটি অস্বাভাবিক কিছু নয়। আমি মনে করি, বঙ্গবন্ধুকে দলমত নির্বিশেষে সবারই সম্মান করা উচিত।

তিনি কোনো দলের নন, তিনি বাংলাদেশের। আমি সঙ্গীতের মানুষ, সঙ্গীতের মধ্যেই তাকে স্মরণে রাখার মতো লিখেছি। তাকে নিয়ে এ পর্যন্ত ডজনখানেক গান লেখা হয়ে গেছে। এগুলো বিভিন্ন শিল্পীদের কণ্ঠে ধারণ হবে। তবে একটি প্রত্যাশা থাকবে- বঙ্গবন্ধু যা চেয়েছিলেন সেটিই যেন তার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে সঠিকভাবে মূল্যায়িত এবং প্রতিষ্ঠিত হয়।

- গাজী মাজহারুল আনোয়ার, গীতিকার ও চলচ্চিত্রকার

কথার চেয়ে কাজ বেশি হোক এটাই চাওয়া

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী বছরজুড়ে পালিত হবে- এটি বড়ই আনন্দের বিষয়। সবাই এ আয়োজনে শামিল হবেন। এর বাইরে আমিও নই। দেশের স্থপতির জন্মবার্ষিকী বছরজুড়ে উদযাপিত হবে এটা আনন্দেরই বটে। তবে এ আনন্দটা যেন দেশের মঙ্গল হয় এমনভাবেই করা উচিত।

সবগুলো আয়োজন সুস্থ ও সুন্দরভাবে পালিত হোক- এটি আমি চাই। মহান এ নেতার জন্মদিন ঘিরে অনেকের অনেক ধরনের প্রত্যাশা থাকতে পারে। তবে সেসব প্রত্যাশা যেন সবার মন ছুঁয়ে যায় এমনভাবেই করা হয়। একটা মানুষও যদি কষ্ট পায় তাহলে আমার মনে হয় বঙ্গবন্ধুর আত্মার প্রতি অবিচার করা হবে।

জন্মদিন নিয়ে আমারও প্রত্যাশা আছে। সত্যিকারার্থে বঙ্গবন্ধু যা চেয়েছিলেন তা যেন সম্পন্ন হয়- এ নিয়ে সবার কাজ করতে হবে। অনেকেই অনেক কথা বলে থাকেন। আমি চাইব কাজ হোক। কথার চেয়ে কাজ হোক বেশি। জন্মদিনে নেতার প্রতি শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা।

খুরশিদ আলম, সঙ্গীতশিল্পী

বঙ্গবন্ধু সব মানুষের

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ১৭ মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে। এ এক অন্যরকম উৎসব। এ জন্য একজন মুক্তিযোদ্ধা, একজন স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক এবং একজন সঙ্গীতশিল্পী- আমার এ তিন সত্তা খুবই আনন্দিত। আমি বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে এ পর্যন্ত ২১টি গান করেছি।

এটি আমার ভালোলাগা থেকে। আমি জন্মশতবার্ষিকীর নানা আয়োজনের সঙ্গে জড়িত আছি। নিজ দায়িত্ব থেকে কাজ করছি। এ জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে আমার প্রত্যাশা অনেক। তবে যেটি না বললেই নয়-বঙ্গবন্ধু সারা জীবন মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন। তিনি সব মানুষের। আমাদেরও একইভাবে মানুষের জন্য কাজ করতে হবে। সবশ্রেণির মানুষ তাদের নির্দিষ্ট অবস্থান থেকে নিজেদের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করে যাবেন- এটিই কামনা করি।

রফিকুল আলম, সঙ্গীতশিল্পী ও মুক্তিযোদ্ধা

আমার শিল্পী জীবনের জন্য এটি স্মরণীয় মুহূর্ত

আমার শিল্পী জীবনের জন্য এটি স্মরণীয় মুহূর্ত। এটি একটি ঐতিহাসিক ক্ষণ। বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মদিন কি ভবিষ্যতে আর পাব আমি? পাব না। বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনের আয়োজনে যে শামিল হতে পারছি, এটা আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া। কেউ ডাকুক কিংবা না ডাকুক সেটি বড় কথা নয়- এ জন্মবার্ষিকীর আয়োজনে সবার সম্পৃক্ত হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি। এ উপলক্ষে একটি থিম সঙ্গীত হচ্ছে- সেখানে কণ্ঠ দেয়ার জন্য আমিও আমন্ত্রণ পেয়েছি। এটাও একটি বড় পাওয়া আমার জন্য। জন্মশতবার্ষিকী যেন সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে পারি। এ কামনা করছি।

ফরিদা পারভীন, সঙ্গীতশিল্পী

বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও চেতনা নিয়ে কাজ করলেই দেশ এগিয়ে যাবে

শেখ মুজিবুর রহমান। এক বটবৃক্ষের নাম, এক স্থপতির নাম, সর্বোপরি একটি দেশ তৈরির কারিগরের নাম। তার জন্মশতবার্ষিকী পালিত হচ্ছে বছরজুড়ে, এটা সত্যিই আনন্দের। তবে এ বিশেষ বছরে আমার চাওয়া, শেখ মুজিবের আদর্শ ও চেতনা সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে। বিশেষ করে সংস্কৃতি অঙ্গনের মানুষেরা শেখ মুজিবের আদর্শ ধারণ করে তার চেতনা নিয়ে সুস্থভাবে বাঁচতে পারে, স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারে এ বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

সুস্থ সংস্কৃতির ধারক ও বাহক যারা তাদের কর্মকাণ্ড যাতে নির্বিঘ্নে চলতে পারে সেটাও সরকারকে নিশ্চিত করার অনুরোধ জানাই। পাশাপাশি আমরা যারা সাংস্কৃতিক অঙ্গনের মানুষ তারা যেন যে কোনো বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছে একই ছাতার নিচে আসতে পারি সেটাও চিন্তা করতে হবে। প্রয়োজনে এ বিষয়ে সরকার পদক্ষেপ নিতে পারে। দেশের অন্য ক্ষেত্রে বলব, এ দেশের উন্নয়নের জন্য সরকার যেন মুজিবের আদর্শগুলোই বাস্তবায়ন করে, এর বেশি কিছু দরকার নেই। তাহলেই দেখা যাবে সত্যিকার অর্থে সোনার বাংলা গড়ে উঠবে।

আমি দেখেছি শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে অনেকেই অনেক রকম কর্মকাণ্ড চালাচ্ছেন। হয়তো কেউ ভালোবেসে, আবার কেউ সুবিধাবাদী হিসেবে। আমি বিশ্বাস করতে চাই, যারা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী নিয়ে কাজ করছেন তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবেই করছেন। এরপরও যদি কেউ অন্য চিন্তা করেন তাহলে আমি বলব, শেখ মুজিব আমাদের কাছে অন্যরকম ভালোবাসা ও আবেগের নাম।

তাকে নিয়ে যদি কেউ কাজ করতে চান, তাহলে সেটা অবাণিজ্যিকভাবে হৃদয় থেকে করুন। তাহলেই হয়তো মুজিববর্ষ স্বার্থক হবে। যা কিছু করবেন অবশ্যই আগে দেশের মঙ্গলের কথা ভাববেন। সাময়িক ফায়দার মধ্যে কোনো শান্তি নেই। এর থেকে আমাদের সতর্ক থাকা উচিত। জন্মদিনে মহান এ নেতার প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম।

ধ্রুব গুহ, সঙ্গীতশিল্পী ও কর্ণধার, ডিএমএস

জননেত্রীর হাতকে আরও শক্তিশালী করতে হবে

যে নেতা তার জীবনটাই মানুষের কল্যাণে, দেশের স্বার্থে, দেশের মানুষের মুক্তির জন্য ব্যয় করেছেন, তিনি আমাদের জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান। মহান এ নেতাকে নিয়ে বছরজুড়ে জন্মোৎসব পালন করা হচ্ছে, এটা অবশ্যই অনেক খুশির বিষয়। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এমন একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, এ জন্য তার প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা। কারণ তিনি বঙ্গবন্ধুকে এ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার প্রয়াসে কাজ করছেন। এটা আরও আগে করা দরকার ছিল।

তাহলে আমরা বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে অনেক কিছু আরও আগেই জানতে পারতাম। তবে এ জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আমার একটি চাওয়া ও প্রত্যাশা, আমাদের নেতা দেশের জন্যই কাজ করেছেন, একইভাবে আমাদের জননেত্রী শেখ হাসিনাও দেশের উন্নয়নের স্বার্থে কাজ করছেন। আমরা যারা কর্মী আছি তারা যেন সব সময় আমাদের জননেত্রীর পাশে থেকে তার হাতকে শক্ত করি যেন আগামীর দিকে এগিয়ে যায় এটাই কামনা। দেশকে ভালোবাসি এটা মুখে বললে হবে না কাজে দেখাতে হবে এটাই আমার চাওয়া।

শাকিল খান, চিত্রনায়ক

ভালোবাসার আরেক নাম বঙ্গবন্ধু

বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পালিত হতে যাচ্ছে এটা অনেক আনন্দের। তাকে নিয়ে বায়োগ্রাফি, নাটক, টেলিফিল্ম বানানো হচ্ছে এটা আরও আনন্দের। নতুন প্রজন্ম মহান এ নেতা সম্পর্কে অনেক অজানা বিষয় জানতে পারবেন। তাকে হয়তো নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয়ার মতো কিছু নেই, কেননা বাংলাদেশ যে তার মাধ্যমেই স্বাধীন হয়েছে। মহান এ নেতাকে নিয়ে আমরা বছরব্যাপী জন্মবার্ষিকী উদযাপন করব, এটা ভালোলাগার এবং প্রেরণার। এ দিনটি উপলক্ষে তাকে জানাই শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। শুভ জন্মদিন মহান নেতা।

মাহিয়া মাহি, চিত্রনায়িকা

বঙ্গবন্ধু প্রজন্মের আইডল

আমাদের মহান নেতা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আমার মতো ছোট মানুষ কী বলব! তিনি তরুণ প্রজন্মের জন্য আইডল। তার কারণেই দেশ স্বাধীন হয়েছে। ১৭ মার্চ থেকে জাতির জনকের জন্মশতবার্ষিকী পালিত হতে যাচ্ছে- এটি অনেক আনন্দের। তবে এর আগে কয়েকটি অনুষ্ঠান হয়েছে যার কয়েকটিতে আমার সৌভাগ্য হয়েছে অংশগ্রহণ করার।

তার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে সিনেমা হতে যাচ্ছে। শর্টফিল্ম ও নাটক হচ্ছে- সামনেও হবে। এর ফলে বঙ্গবন্ধুকে সবাই আরও বেশি করে জানতে পারবেন। আমাদের দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। সামনে এগিয়ে যাবে- তার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এটিই আমার প্রত্যাশা।

বিদ্যা সিনহা মিম, চিত্রনায়িকা

উন্নয়নমূলক কাজগুলো নিয়মিতভাবেই চলছে

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন বছরজুড়ে পালিত হতে যাচ্ছে- এটি যেমন আনন্দের, তেমনই আরও আনন্দের বিষয় তার স্বপ্নও দিন দিন পূরণ হতে চলেছে। আমরা আমাদের দেশের দিকে তাকালে, উন্নয়নের বিষয়গুলো নিয়ে ভাবলে ও আলোচনা করলে- তা বুঝতে পারি। অর্থনৈতিক উন্নয়ন, পদ্মা সেতু নির্মাণ ও শহরে উড়াল সেতুসহ বহুমুখী উন্নয়ন হচ্ছে। এ উন্নয়নমূলক কাজগুলো নিয়মিতভাবেই চলছে। আগামী দিনগুলোয়ও উন্নয়নের ধারা আমাদের জননেত্রী শেখ হাসিনা অব্যাহত রাখবেন- মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিনে আমি এটিই প্রত্যাশা করি।

রিয়াজ আহমেদ, চিত্রনায়ক

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আরও কাজ করা উচিত

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের মহান নেতা। তাকে অনেক জানার আছে, বুঝার আছে। তাকে নিয়ে চলচ্চিত্র, নাটক, গান তৈরি হচ্ছে বিষয়টি অনেক আনন্দের। তাকে নিয়ে আরও অনেক কাজ করা উচিত। নেতার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে আমার চাওয়া, সবাই যেন একসঙ্গে একতাবদ্ধ হয়ে দেশের স্বার্থে কাজ করেন। সবাই যেন দুর্নীতিকে না বলে, কল্যাণের পথে আসেন। - নিরব, চিত্রনায়ক

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বলার মতো জ্ঞান আমার হয়নি

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের মহান নেতা। তিনি জাতির পিতা। তাকে নিয়ে কিছু বলার মতো জ্ঞান আমার এখনও হয়নি। ১৭ মার্চ তার জন্মদিন। এবার জন্মদিনের উৎসব চলবে এক বছর ধরে। আমি এরই মধ্যে তার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে কয়েকটি অনুষ্ঠানে পারফর্ম করেছি।

তার জন্মশতবার্ষিকীর কয়েকটি অনুষ্ঠানে আমি উপস্থাপক হিসেবেও কাজ করেছি। এটি আমার সৌভাগ্য। আগামীতে আরও কয়েকটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করব। এ মহান নেতার জন্মশতবার্ষিকী পালন হচ্ছে- আমি তো মনে করি, এটি আরও আগে করা উচিত ছিল। তবুও ভালো লাগছে, হচ্ছে তো। তবে তার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে আমার প্রত্যাশা, আগামীতে আমাদের দেশের উন্নয়নের ধারা যেন অব্যাহত থাকে। আমাদের জননেত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে কাজ করছেন, আশা করছি, আমাদের দেশ বিশ্বে একটি রোল মডেল হবে।

-দিলারা হানিফ পূর্ণিমা, চিত্রনায়িকা

আরও খবর

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত