সুন্দরী প্রতিযোগিতা আমার জন্য সৌভাগ্যের ছিল
jugantor
টানিং পয়েন্ট
সুন্দরী প্রতিযোগিতা আমার জন্য সৌভাগ্যের ছিল

   

১৯ মার্চ ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শোবিজ তারকার গল্প শুনতে সর্বদাই কৌতূহল থাকে পাঠক মনে। প্রিয় শিল্পী কীভাবে শোবিজে যুক্ত হলেন, কীভাবে তারকা বনে গেলেন, আর কীভাবে তার ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরে গেল? পাঠক মনের এমন প্রশ্নের উত্তর জানাতেই তারা ঝিলমিলের বিশেষ আয়োজন ‘টার্নিং পয়েন্ট’। ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরার গল্প নিয়ে সাজানো এ আয়োজনে এবার নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন বর্তমান প্রজন্মের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মীম

“২০০৭ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে শোবিজে আমার পথচলা শুরু। সবার আশীর্বাদ আর ভালোবাসায় আমি সে প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান লাভ করি। এ প্রতিযোগিতা আমার ভীষণ ভালো লাগত। আমি নিয়মিত টেলিভিশনে অনুষ্ঠানগুলো দেখতাম। নিজের ভেতরে স্বপ্ন থাকলেও কখনও ভাবিনি এ প্রতিযোগিতার একজন প্রতিযোগী হব। তবে এ প্রতিযোগিতায় আমি যে ছবিগুলো দিয়েছি তা ছিল আরও দু’বছর আগের। তবে সৌভাগ্যক্রমে আমি নির্বাচিত হই। পরে আমাকে যখন ডাকা হয় তখন খুব নার্ভাস হয়ে পড়েছিলাম। বলতে পারি আমার ক্যারিয়ারে টার্নিং পয়েন্টের অন্যতম হচ্ছে প্রতিযোগিতা। কারণ এর মধ্য দিয়ে দর্শকসহ সবার ভালোবাসা পেয়েছি। পাশাপাশি হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত ‘আমার আছে জল’ চলচ্চিত্রে দিলশাদ এবং পরের বছর জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত আমার প্রাণের প্রিয়া ছবিতে প্রিয়াঙ্কা চরিত্রটি আমাকে আলাদা আলাদাভাবে দর্শকদের মনে স্থান করে দেয়। পাশাপাশি এ কাজ দুটির মাধ্যমে সমালোচকদের দৃষ্টিতে এবং দর্শকদের ভালোবাসায় আলাদাভাবে পুরস্কৃত হই। তবে চলচ্চিত্রে অভিনয়ের সময় প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতে গিয়ে খুবই নার্ভাস ছিলাম। তবে সেটা ইউনিটের কাউকেই বুঝতে দেইনি। মনে মনে চিন্তা ছিল একবারে শট ওকে করতে পারব কিনা! মনের সাহসের জোরে সফল হয়েছি। সবকিছুর ঊর্ধ্বে আমার কাছে দর্শকদের ভালোবাসা। কারণ ক্যারিয়ারের শুরু থেকে বর্তমান পর্যন্ত সব কাজেই দর্শকদের ভালোবাসা পেয়েছি। সেই ভালোবাসার জোরেই এখনও কাজ করে যাচ্ছি।”

অনুলিখন : আখন্দ জাহিদ

টানিং পয়েন্ট

সুন্দরী প্রতিযোগিতা আমার জন্য সৌভাগ্যের ছিল

  
১৯ মার্চ ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শোবিজ তারকার গল্প শুনতে সর্বদাই কৌতূহল থাকে পাঠক মনে। প্রিয় শিল্পী কীভাবে শোবিজে যুক্ত হলেন, কীভাবে তারকা বনে গেলেন, আর কীভাবে তার ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরে গেল? পাঠক মনের এমন প্রশ্নের উত্তর জানাতেই তারা ঝিলমিলের বিশেষ আয়োজন ‘টার্নিং পয়েন্ট’। ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরার গল্প নিয়ে সাজানো এ আয়োজনে এবার নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন বর্তমান প্রজন্মের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মীম

“২০০৭ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে শোবিজে আমার পথচলা শুরু। সবার আশীর্বাদ আর ভালোবাসায় আমি সে প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান লাভ করি। এ প্রতিযোগিতা আমার ভীষণ ভালো লাগত। আমি নিয়মিত টেলিভিশনে অনুষ্ঠানগুলো দেখতাম। নিজের ভেতরে স্বপ্ন থাকলেও কখনও ভাবিনি এ প্রতিযোগিতার একজন প্রতিযোগী হব। তবে এ প্রতিযোগিতায় আমি যে ছবিগুলো দিয়েছি তা ছিল আরও দু’বছর আগের। তবে সৌভাগ্যক্রমে আমি নির্বাচিত হই। পরে আমাকে যখন ডাকা হয় তখন খুব নার্ভাস হয়ে পড়েছিলাম। বলতে পারি আমার ক্যারিয়ারে টার্নিং পয়েন্টের অন্যতম হচ্ছে প্রতিযোগিতা। কারণ এর মধ্য দিয়ে দর্শকসহ সবার ভালোবাসা পেয়েছি। পাশাপাশি হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত ‘আমার আছে জল’ চলচ্চিত্রে দিলশাদ এবং পরের বছর জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত আমার প্রাণের প্রিয়া ছবিতে প্রিয়াঙ্কা চরিত্রটি আমাকে আলাদা আলাদাভাবে দর্শকদের মনে স্থান করে দেয়। পাশাপাশি এ কাজ দুটির মাধ্যমে সমালোচকদের দৃষ্টিতে এবং দর্শকদের ভালোবাসায় আলাদাভাবে পুরস্কৃত হই। তবে চলচ্চিত্রে অভিনয়ের সময় প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতে গিয়ে খুবই নার্ভাস ছিলাম। তবে সেটা ইউনিটের কাউকেই বুঝতে দেইনি। মনে মনে চিন্তা ছিল একবারে শট ওকে করতে পারব কিনা! মনের সাহসের জোরে সফল হয়েছি। সবকিছুর ঊর্ধ্বে আমার কাছে দর্শকদের ভালোবাসা। কারণ ক্যারিয়ারের শুরু থেকে বর্তমান পর্যন্ত সব কাজেই দর্শকদের ভালোবাসা পেয়েছি। সেই ভালোবাসার জোরেই এখনও কাজ করে যাচ্ছি।”

অনুলিখন : আখন্দ জাহিদ

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন