মরিয়ম মারিয়া : গানই যার প্রাণ
jugantor
মরিয়ম মারিয়া : গানই যার প্রাণ

  এসএম শাফায়েত  

২৫ জুন ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ছোটবেলায় মায়ের কাছ থেকে পাওয়া শিক্ষা কাঁপিয়ে দিতে পারে সব প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার ভীত। আর মায়ের কাছ থেকে পাওয়া সেই শিক্ষা যখন আপাদমস্তক ধারণ করতে পারে কেউ তখন তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয় না। সঙ্গীতশিল্পী মরিয়ম মারিয়া সে পথেরই পথিক। শিশু বয়সে মায়ের কাছ থেকে সঙ্গীতে হাতেখড়ি। কিশোরী বয়স থেকেই ভালো গানের স্বীকৃতি স্বরূপ পেয়েছেন জাতীয় পুরস্কার।

তিন বছর বয়সের মারিয়া বাংলাদেশ শিশু একাডেমির যশোর শাখায় গান ছাড়াও শিখতেন নাচ এবং ছবি আঁকা। এরপর অন্তর্ভুক্ত হন যশোর সুর বিতান সঙ্গীত একাডেমিতে। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে নজরুল ও উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের ওপর বিশেষ প্রশিক্ষণ নেন। সঙ্গীত শিক্ষার এ দীর্ঘ পথপরিক্রমায় মারিয়া সংস্পর্শে এসেছেন অনেক গুণী সঙ্গীতজ্ঞের। ১৯৯৯ সালে আধুনিক গানের শিল্পী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনে। বর্তমানে বিশেষ গ্রেডে বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনে সঙ্গীত পরিবেশন করছেন মারিয়া। রেডিও টেলিভিশনে গানের অনুষ্ঠানের পাশাপাশি দেশে-বিদেশে নিয়মিত স্টেজ শো করেন মারিয়া। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘চেষ্টা করেছি সবসময় মানসম্মত গান করার। শ্রোতাদের নির্মল বিনোদন দেয়ারও চেষ্টা করি। এ জন্য আমার প্রথম পছন্দ স্টেজ শো। সবার দোয়া ও ভালোবাসায় এ পর্যন্ত দেশ-বিদেশের অনেক শোতে অংশ নিয়েছি।’

১৯৯৯ সালে প্রথম একক অ্যালবাম ‘প্রেমের পাঠশালা’ নিয়ে প্রকাশ্যে আসেন মারিয়া। ২০১১ সালে দ্বিতীয় একক অ্যালবাম ‘ডুবসাঁতারী’ প্রকাশ পায়। একক অ্যালবাম ছাড়াও বাজারে রয়েছে তার অসংখ্য মিশ্র অ্যালবাম। নতুন কোনো অ্যালবাম আসছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অ্যালবামের চাহিদা এখন আর নেই। এখন এক গানের চাহিদা, তাও আবার ভিডিওসহ। নতুন গান করেছি। সময় সুযোগমতো সেগুলো প্রকাশ করব।’ জানিয়েছেন, ‘যখন আমি একা’, ‘বাজাও বাজাও ছন্দ তোমার আমি তোমার কে’ শিরোনামের গানগুলো শিগগিরই প্রকাশ পাবে। এ ছাড়া ‘লেডি পকেটমার’ নামক একটি নাটকের জন্যও গান গেয়েছেন তিনি।

সিনেমার গানেও সরব মারিয়া। বিভিন্ন সময় কণ্ঠ দিয়েছেন ‘শর্টকাটে বড়লোক’, ‘বাপ বড় না শ্বশুর বড়’, ‘জিরো থেকে টপ হিরো’, ‘হিরো টু’, ‘এই তুমিই সেই তুমি’, ‘অর্পিতা’সহ আরও অনেক ছবির গানে।

 

মরিয়ম মারিয়া : গানই যার প্রাণ

 এসএম শাফায়েত 
২৫ জুন ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ছোটবেলায় মায়ের কাছ থেকে পাওয়া শিক্ষা কাঁপিয়ে দিতে পারে সব প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার ভীত। আর মায়ের কাছ থেকে পাওয়া সেই শিক্ষা যখন আপাদমস্তক ধারণ করতে পারে কেউ তখন তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয় না। সঙ্গীতশিল্পী মরিয়ম মারিয়া সে পথেরই পথিক। শিশু বয়সে মায়ের কাছ থেকে সঙ্গীতে হাতেখড়ি। কিশোরী বয়স থেকেই ভালো গানের স্বীকৃতি স্বরূপ পেয়েছেন জাতীয় পুরস্কার।

তিন বছর বয়সের মারিয়া বাংলাদেশ শিশু একাডেমির যশোর শাখায় গান ছাড়াও শিখতেন নাচ এবং ছবি আঁকা। এরপর অন্তর্ভুক্ত হন যশোর সুর বিতান সঙ্গীত একাডেমিতে। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে নজরুল ও উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের ওপর বিশেষ প্রশিক্ষণ নেন। সঙ্গীত শিক্ষার এ দীর্ঘ পথপরিক্রমায় মারিয়া সংস্পর্শে এসেছেন অনেক গুণী সঙ্গীতজ্ঞের। ১৯৯৯ সালে আধুনিক গানের শিল্পী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনে। বর্তমানে বিশেষ গ্রেডে বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনে সঙ্গীত পরিবেশন করছেন মারিয়া। রেডিও টেলিভিশনে গানের অনুষ্ঠানের পাশাপাশি দেশে-বিদেশে নিয়মিত স্টেজ শো করেন মারিয়া। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘চেষ্টা করেছি সবসময় মানসম্মত গান করার। শ্রোতাদের নির্মল বিনোদন দেয়ারও চেষ্টা করি। এ জন্য আমার প্রথম পছন্দ স্টেজ শো। সবার দোয়া ও ভালোবাসায় এ পর্যন্ত দেশ-বিদেশের অনেক শোতে অংশ নিয়েছি।’

১৯৯৯ সালে প্রথম একক অ্যালবাম ‘প্রেমের পাঠশালা’ নিয়ে প্রকাশ্যে আসেন মারিয়া। ২০১১ সালে দ্বিতীয় একক অ্যালবাম ‘ডুবসাঁতারী’ প্রকাশ পায়। একক অ্যালবাম ছাড়াও বাজারে রয়েছে তার অসংখ্য মিশ্র অ্যালবাম। নতুন কোনো অ্যালবাম আসছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অ্যালবামের চাহিদা এখন আর নেই। এখন এক গানের চাহিদা, তাও আবার ভিডিওসহ। নতুন গান করেছি। সময় সুযোগমতো সেগুলো প্রকাশ করব।’ জানিয়েছেন, ‘যখন আমি একা’, ‘বাজাও বাজাও ছন্দ তোমার আমি তোমার কে’ শিরোনামের গানগুলো শিগগিরই প্রকাশ পাবে। এ ছাড়া ‘লেডি পকেটমার’ নামক একটি নাটকের জন্যও গান গেয়েছেন তিনি।

সিনেমার গানেও সরব মারিয়া। বিভিন্ন সময় কণ্ঠ দিয়েছেন ‘শর্টকাটে বড়লোক’, ‘বাপ বড় না শ্বশুর বড়’, ‘জিরো থেকে টপ হিরো’, ‘হিরো টু’, ‘এই তুমিই সেই তুমি’, ‘অর্পিতা’সহ আরও অনেক ছবির গানে।